ঢাকা ২৭ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩, বুধবার, ১০ জুন ২০২৬

সর্বশেষ
পটিয়ায় যুবক খুন কাপ্তাই হ্রদে ডুবে চবি শিক্ষার্থীর  মৃত্যু শহিদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের শাহাদাতবার্ষিকী উপলক্ষে তাঁতীদলের আলোচনা সভা সরকারি বাঙলা কলেজের প্রাক্তন শিক্ষার্থীদের মিলনমেলা ১০ জুলাই জবিতে নিষিদ্ধ ছাত্রলীগের প্রকাশ্যে মানববন্ধন পটিয়া প্রেস ক্লাব কার্যালয় দখলচেষ্টার অভিযোগে থানায় অভিযোগ অনার্স কোর্স থেকে বাংলা ও ইতিহাস বাদ দেওয়ার কোনো পরিকল্পনা নেই: শিক্ষামন্ত্রী ‘শর্ত সাপেক্ষে স্থানীয় নির্বাচনে অংশ নিতে পারবেন আওয়ামী লীগ নেতা-কর্মীরা’ মানিকগঞ্জে পতাকা টাঙাতে গিয়ে ব্রাজিল সমর্থকের মৃত্যু সিংড়ায় তিন কুকুর টেনে তুলল মায়ের বস্তাবন্দি মরদেহ! কোথায় আমাদের সতর্ক থাকা উচিত? ইসলামী ব্যাংক ইসলাম নয়, জামায়াত ইসলামও ইসলাম নয় শাহরাস্তিতে সরকারি গাছ কাটার ঘটনায় বিএনপি নেতার সাফাই নারায়ণগঞ্জে ময়লার গাড়িরচাপায় ছাত্রদল নেতাসহ নিহত ২ বাংলাদেশের অর্থনৈতিক সংস্কারে ৫০ বিলিয়ন ইয়েন ঋণ সহায়তা দেবে জাপান ‘স্পোর্টস ডিপ্লোম্যাসির মাধ্যমে বৈশ্বিক যোগসূত্র স্থাপন করতে চায় বাংলাদেশ’ অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে বাংলাদেশের ঐতিহাসিক জয় পদ্মা সেতুতে সৌরবিদ্যুতের ইতিবাচক প্রভাব, এক মাসেই সাড়ে ৪ লাখ টাকা সাশ্রয় বিসিএস স্বাস্থ্য ক্যাডারে বয়স বৃদ্ধি ও বেসরকারি চিকিৎসকদের বেতন কাঠামোর সুপারিশ হেডফোন লাগিয়ে হাঁটার সময় ট্রেনের ধাক্কায় কিশোর নিহত গাজীপুরে স্বেচ্ছাসেবক দলের নেতাকে গ্রেপ্তার সিলেটে স্কুলছাত্রের অস্বাভাবিক মৃত্যু, মরদেহর ময়নাতদন্ত না করতে চিরকুট! রাজস্ব বাড়ানোর চ্যালেঞ্জ: এনবিআরের লক্ষ্য কতটা বাস্তবসম্মত? ভূমিকম্পে ক্ষতির বড় কারণ শুধু কম্পন নয়, বরং খারাপ মানের ডিজাইন ও নির্মাণ পাকিস্তানে টিটিপি’র হামলায় ৬ আধাসামরিক বাহিনীর সদস্য নিহত চমেক হাসপাতালে অ্যাম্বুলেন্স সিন্ডিকেট, শৃঙ্খলা ফেরাতে ৬ নির্দেশনা জাতীয় পরিবেশ পদক পেলেন ঢাবি উপ-উপাচার্য অধ্যাপক সালাম চীনের পরিবেশবান্ধব গাড়ি রপ্তানি দ্বিগুণ বেড়েছে শেয়ারবাজার কেলেঙ্কারিতে ১৪৯৬ কোটি টাকা জরিমানা: অর্থমন্ত্রী ঝিনাইদহে ভাতিজার লাঠির আঘাতে চাচার মৃত্যু
Nagad desktop

বাকৃবি হেলথ কেয়ারের সেবায় হতাশ শিক্ষার্থীরা

প্রকাশ: ২৭ জানুয়ারি ২০২৫, ১০:৫৮ এএম
আপডেট: ২৭ জানুয়ারি ২০২৫, ১০:৫৮ এএম
বাকৃবি হেলথ কেয়ারের সেবায় হতাশ শিক্ষার্থীরা
বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় হেলথ কেয়ার সেন্টার

বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের (বাকৃবি) হেলথ কেয়ার সেন্টারের নিম্নমানের সেবা নিয়ে শিক্ষার্থীদের অভিযোগ দীর্ঘদিনের। কয়েক প্রকার ওষুধেই সীমাবদ্ধ এখানকার চিকিৎসাসেবা। বিশেষজ্ঞ না থাকায় অধিকাংশ শিক্ষার্থীকে চিকিৎসার জন্য পাঠিয়ে দেওয়া হয় ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে। ১৪ বছর ধরে বন্ধ রয়েছে ডেন্টাল ইউনিট। নেই কোনো নার্স। সেবার মান নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমেও শিক্ষার্থীদের চলছে নানামুখী সমালোচনা। এখানকার পুরো ব্যবস্থাপনাই অগোছালো বলে অভিযোগ করেছেন শিক্ষার্থীরা। 

জানা যায়, বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক-শিক্ষার্থী, কর্মকর্তা-কর্মচারী মিলিয়ে প্রায় ১০ হাজার মানুষের বিপরীতে হেলথ কেয়ারে বর্তমানে রয়েছেন মাত্র ৮ জন চিকিৎসক। এদের মধ্যে চিফ মেডিকেল অফিসারসহ নিয়মিত চিকিৎসক আছেন ৬ জন। খণ্ডকালীন চিকিৎসক ২ জন। দীর্ঘদিন ধরে ৫টি মেডিকেল অফিসারের পদ শূন্য থাকায় রোগীরা নিয়মিত সেবা পাচ্ছেন না। হেলথ কেয়ার সেন্টারে নার্সের কোনো পদই নেই। নেই কোনো বিশেষায়িত ইউনিট। কোনো ডেন্টাল ইউনিটও নেই। ডেন্টাল বিভাগে ১৪ বছর আগে একজন খণ্ডকালীন নিয়োগপ্রাপ্ত চিকিৎসক ছিলেন। ২০১১ সালে তিনি চলে যাওয়ার পর গত ১৪ বছরেও আর কাউকে নিয়োগ দেওয়া হয়নি। ডেন্টাল চিকিৎসায় ব্যবহৃত যন্ত্রপাতি এখন প্রায় অকেজো হয়ে গেছে। 

বর্তমানে হেলথ কেয়ার সেন্টারে কর্মকর্তা আছেন ১০ জন। কর্মচারী আছেন ১৬ জন। যার মধ্যে ৬ জন নিয়মিত, ৭ জন মাস্টাররোলে, আর ৩ জন কর্মচারীর পদ শূন্য থাকায় ঘাটতি মেটাতে অন্য শাখা থেকে লোক আনা হয়েছে।

হেলথ কেয়ারে ৭ প্রকার অ্যান্টিবায়োটিক, গ্যাসের ওষুধ, চর্মরোগের মলম ও প্যারাসিটামল বিনামূল্যে দেওয়া হলেও চাহিদার তুলনায় তা একেবারেই অপ্রতুল। দিনের বেলায় বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষার্থীর তুলনায় বহিরাগত রোগীর সংখ্যা থাকে বেশি।

সরেজমিনে দেখা যায়, হেলথ কেয়ার সেন্টারের নিচতলার টয়লেট অপরিচ্ছন্ন। কোনোটার দরজা ভাঙা। হেলথ কেয়ারের বাইরেই রয়েছে ময়লার ভাগাড়। বিভিন্ন আবাসিক হলের ময়লা ফেলা হয় সেখানে। দিনের বেলা কখনো সেন্টারটির বারান্দা মোটরসাইকেলের পার্কিং হিসেবে ব্যবহার হতে দেখা যায়। হেলথ কেয়ারের তৃতীয় ও চতুর্থ তলা কয়েক বছর ধরেই নারী শিক্ষার্থীদের সাময়িক আবাসনের কাজে ব্যবহৃত হচ্ছে। 

বিশ্ববিদ্যালয়ের স্নাতক শিক্ষার্থী হাসান তপু বলেন, ‘আমি কয়েক দিন আগে শ্বাসকষ্ট নিয়ে হেলথ সেন্টারে গিয়েছিলাম। সেখান থেকে আমাকে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে যেতে বলা হয়। অথচ বিশ্ববিদ্যালয়ের হেলথ কেয়ারে জরুরি চিকিৎসার সব ব্যবস্থা থাকার কথা। কিন্তু ডাক্তার নেই। ওষুধও নেই। আসলে পুরো ব্যবস্থাপনাই অগোছালো।’

হেলথ কেয়ার সেন্টারের অ্যাম্বুলেন্সের সমস্যাও প্রকট। এ বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের স্নাতকোত্তর শিক্ষার্থী মাহিরুজ্জামান নিলয় খবরের কাগজকে বলেন, ‘অ্যাম্বুলেন্স প্রয়োজনের সময় পাওয়া যায় না। অ্যাম্বুলেন্স পাওয়া খুব জটিল প্রক্রিয়া। ডাক্তারের স্বাক্ষর থেকে শুরু করে অনেক জায়গায় নাটক হয় এখানে। অ্যাম্বুলেন্সের ভেতরের অংশ ভাঙা। সাইরেন ঠিক নেই। বাজেই না। অ্যাম্বুলেন্স যেন লক্কড়-ঝক্কড় গাড়ি।’

বিশ্ববিদ্যালয়ের চিফ মেডিকেল অফিসার ডা. মো. সাঈদুর রহমান (শওকত) খবরের কাগজকে বলেন, ‘আমাদের হেলথ কার্ড প্রস্তুত। ভিসি ও অ্যাডভাইজারের সঙ্গে কথা বলে শিগগির এটা আমরা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী, শিক্ষক ও কর্মকর্তাদের হাতে পৌঁছে দেব।’
চিফ মেডিকেল অফিসার বলেন, ‘বিশ্ববিদ্যালয় ব্যক্তিগতভাবে কোনো ওষুধ কেনে না। সরকারি কিছু ক্রয় নীতিমালা আছে। গুণগত মান ও মূল্য দেখেই ওষুধ কেনা হয়।’

হেলথ কেয়ারের পরীক্ষা-নিরীক্ষার ব্যাপারে তিনি বলেন, ‘একটা সময় কেবল ৮-১০টা টেস্ট করা হতো। এখন করা হয় ২৮টা। এর মধ্যে ১৫টা টেস্ট করা হয় নামমাত্র মূল্যে। ডেঙ্গু ও ইউরিন টেস্ট সম্পূর্ণ ফ্রি। বাকি টেস্টগুলোর দামও বাইরের হাসপাতাল থেকে অনেক কম। ছাত্রদের জন্য প্রায় ৬০-৭০ শতাংশ ছাড়। এক্স-রের জন্য রয়েছে ডিজিটাল মেশিন।’

অ্যাম্বুলেন্সের কাঠামোগত ত্রুটি ও সময়মতো না পাওয়ার বিষয়ে ডা. সাঈদুর বলেন, ‘বিশ্ববিদ্যালয়ের সব গাড়ি পরিবহন শাখার অন্তর্গত। দুটো অ্যাম্বুলেন্সের মধ্যে একটা সব সময় থাকে, একটা রিজার্ভ থাকে। অ্যাম্বুলেন্স কে নিচ্ছে সবই রেকর্ড থাকে। অ্যাম্বুলেন্স ভাঙা কি না, তাতে জ্বালানি আছে কি না, সব দেখে পরিবহন শাখা।’

এ বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রবিষয়ক উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মো. শহীদুল হক খবরের কাগজকে বলেন, ‘হেলথ কেয়ারের ডাক্তারসংকট সমস্যার ব্যাপারে আমরা অবগত আছি। সমস্যাটি সমাধানের ব্যাপারে ইতোমধ্যেই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। কাজও শুরু হয়েছে। ডাক্তার নিয়োগের ব্যাপারটি সময় সাপেক্ষ একটি ব্যাপার। এই সংকট দূর করতে কিছুটা সময় লাগবে। তবে ওষুধের ব্যাপারটি খতিয়ে দেখে খুব দ্রুতই ব্যবস্থা নেওয়া হবে। বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন একজন হৃদরোগ বিশেষজ্ঞ নিয়োগের ব্যাপারে সিদ্ধান্ত নিয়েছে।’

সরকারি বাঙলা কলেজের প্রাক্তন শিক্ষার্থীদের মিলনমেলা ১০ জুলাই

প্রকাশ: ০৯ জুন ২০২৬, ১০:৪৯ পিএম
সরকারি বাঙলা কলেজের প্রাক্তন শিক্ষার্থীদের মিলনমেলা ১০ জুলাই
ছবি: সংগৃহীত

সরকারি বাঙলা কলেজের প্রাক্তন শিক্ষার্থীদের প্রথম মিলনমেলা আগামী ১০ জুলাই অনুষ্ঠিত হবে। দিনব্যাপী এ আয়োজনের মাধ্যমে কলেজের প্রাক্তন শিক্ষার্থীদের সমন্বয়ে একটি অ্যালামনাই অ্যাসোসিয়েশন গঠনের উদ্যোগ নেওয়া হবে।

আয়োজক কমিটি জানিয়েছে, কলেজের বর্তমান অধ্যক্ষ অধ্যাপক মো. কামরুল হাসানের পৃষ্ঠপোষকতায় এবং উপাধ্যক্ষ অধ্যাপক মিটুল চৌধুরীর সহযোগিতায় এ মিলনমেলার আয়োজন করা হয়েছে।

অনুষ্ঠানে বিভিন্ন ব্যাচের প্রাক্তন শিক্ষার্থীরা অংশ নেবেন। দিনব্যাপী কর্মসূচিতে জাতীয় পতাকা উত্তোলন, প্রয়াত শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের স্মরণ, ব্যাচভিত্তিক পরিচিতি ও স্মৃতিচারণ, অ্যালামনাই অ্যাসোসিয়েশন গঠনের বিষয়ে আলোচনা, র‍্যাফেল ড্র এবং সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন থাকবে।

আগ্রহী প্রাক্তন শিক্ষার্থীদের অনলাইনে নিবন্ধনের আহ্বান জানিয়েছে আয়োজক কমিটি।

নিবন্ধন করা যাবে gbcreunion.com ওয়েবসাইটে।

শেখ জাহাঙ্গীর/এসএন

জাতীয় পরিবেশ পদক পেলেন ঢাবি উপ-উপাচার্য অধ্যাপক সালাম

প্রকাশ: ০৯ জুন ২০২৬, ০৭:২১ পিএম
জাতীয় পরিবেশ পদক পেলেন ঢাবি উপ-উপাচার্য অধ্যাপক সালাম
অধ্যাপক ড. আবদুস সালাম। ছবি: সংগৃহীত

পরিবেশ বিষয়ক গবেষণা ও প্রযুক্তি উদ্ভাবনে অসাধারণ অবদানের জন্য ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ-উপাচার্য (শিক্ষা) অধ্যাপক ড. আবদুস সালাম ‘জাতীয় পরিবেশ পদক ২০২৫’ লাভ করেছেন। 

মঙ্গলবার (৯ জুন) বিশ্ববিদ্যালয় জনসংযোগ দপ্তর থেকে পাঠানো এক বিজ্ঞপ্তিতে তা জানানো হয়। এর আগে গত ৭ জুন পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয় এ সংক্রান্ত এক প্রজ্ঞাপন জারি করে।

বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ বি এম ওবায়দুল ইসলাম ‘জাতীয় পরিবেশ পদক ২০২৫’ লাভ করায় উপ-উপাচার্য (শিক্ষা) অধ্যাপক ড. আবদুস সালামকে অভিনন্দন জানিয়ে বলেন, তার এই অর্জনে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় পরিবার গর্বিত।

উল্লেখ্য, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ-উপাচার্য (শিক্ষা) এবং রসায়ন বিভাগের অধ্যাপক ড. আবদুস সালাম পরিবেশ, বায়ু দূষণ ও প্রযুক্তি বিষয়ে দীর্ঘদিন যাবৎ গবেষণা চালিয়ে যাচ্ছেন। তার অসংখ্য গবেষণা প্রবন্ধ দেশ-বিদেশের খ্যাতিমান জার্নালে প্রকাশিত হয়েছে।

আরিফ জাওয়াদ/এসএন

নোবিপ্রবির নতুন উপ-উপাচার্য ড. মুহাম্মদ শফিকুল ইসলাম

প্রকাশ: ০৯ জুন ২০২৬, ০৫:৩১ পিএম
নোবিপ্রবির নতুন উপ-উপাচার্য ড. মুহাম্মদ শফিকুল ইসলাম
ড. মুহাম্মদ শফিকুল ইসলাম। ছবি: সংগৃহীত

নোয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (নোবিপ্রবি) নতুন উপ-উপাচার্য (প্রো-ভাইস-চ্যান্সেলর) হিসেবে নিয়োগ পেয়েছেন ফার্মেসি বিভাগের অধ্যাপক ও ফ্যাকাল্টি অব বায়োলজিক্যাল সায়েন্সের ডিন ড. মুহাম্মদ শফিকুল ইসলাম। 

মঙ্গলবার (৯ জুন) শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগের সহকারী সচিব মো. শাহ আলম সিরাজ স্বাক্ষরিত এক প্রজ্ঞাপনে এ নিয়োগের তথ্য জানানো হয়।

প্রজ্ঞাপনে বলা হয়, মহামান্য রাষ্ট্রপতি ও বিশ্ববিদ্যালয়ের চ্যান্সেলরের অনুমোদনক্রমে নোয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় আইন, ২০০১-এর ১২ (১) ধারা অনুযায়ী ড. মুহাম্মদ শফিকুল ইসলামকে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রো-ভাইস-চ্যান্সেলর পদে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে।

নিয়োগের শর্ত অনুযায়ী, যোগদানের তারিখ থেকে চার বছরের জন্য তিনি এ দায়িত্ব পালন করবেন। দায়িত্ব পালনকালে তিনি তার মূল পদের সমপরিমাণ বেতন-ভাতা পাবেন এবং বিধি অনুযায়ী পদসংশ্লিষ্ট অন্যান্য সুবিধা ভোগ করবেন। একই সঙ্গে তাকে সার্বক্ষণিকভাবে বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে অবস্থান করতে হবে।

এ ছাড়া বিশ্ববিদ্যালয়ের সংবিধি ও আইন অনুযায়ী নির্ধারিত দায়িত্ব পালনের পাশাপাশি উপাচার্য কর্তৃক অর্পিত ক্ষমতা প্রয়োগ ও দায়িত্বও পালন করবেন তিনি।

প্রজ্ঞাপনে আরও উল্লেখ করা হয়, প্রয়োজনবোধে মহামান্য রাষ্ট্রপতি ও চ্যান্সেলর যেকোনো সময় এ নিয়োগাদেশ বাতিল করতে পারবেন।

ড. মুহাম্মদ শফিকুল ইসলাম দীর্ঘদিন ধরে নোবিপ্রবির ফার্মেসি বিভাগে শিক্ষকতা করে আসছেন। তিনি বিশ্ববিদ্যালয়ের ফ্যাকাল্টি অব বায়োলজিক্যাল সায়েন্সের ডিন হিসেবেও দায়িত্ব পালন করছেন। তার এ নিয়োগের মাধ্যমে বিশ্ববিদ্যালয়টি নিজস্ব শিক্ষক থেকে নতুন উপ-উপাচার্য পেল। বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষা, গবেষণা ও প্রশাসনিক কার্যক্রমে তার অভিজ্ঞতা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে সংশ্লিষ্টরা আশা করছেন।

কাওসার/রিফাত/

হাবিপ্রবিতে সহকারী প্রক্টরের ওপর হামলায় নীরব প্রতিবাদ কর্মসূচি

প্রকাশ: ০৯ জুন ২০২৬, ০৩:৪০ পিএম
আপডেট: ০৯ জুন ২০২৬, ০৩:৫৪ পিএম
হাবিপ্রবিতে সহকারী প্রক্টরের ওপর হামলায় নীরব প্রতিবাদ কর্মসূচি
ছবি: খবরের কাগজ

দিনাজপুর হাজী মোহাম্মদ দানেশ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (হাবিপ্রবি) সহকারী প্রক্টর ও উদ্ভিদ রোগতত্ত্ব বিভাগের সহকারী অধ্যাপক মো. মবিনুল ইসলামের ওপর হামলার ঘটনার সুষ্ঠু বিচার ও দোষীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবিতে নীরব প্রতিবাদ কর্মসূচি পালন করেছেন বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকরা।

মঙ্গলবার (৯ জুন) বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে আয়োজিত এ মৌন মিছিলে শিক্ষকরা মুখে কালো কাপড় বেঁধে অংশ নেন।

প্রতিবাদ মিছিলটি বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রধান ফটক এলাকা প্রদক্ষিণ করে প্রশাসনিক ভবনের সামনে গিয়ে শেষ হয়।

পরে সেখানে অনুষ্ঠিত সংক্ষিপ্ত সমাবেশে শিক্ষক নেতারা হামলার সঙ্গে জড়িতদের দ্রুত আইনের আওতায় এনে কঠোর শাস্তির দাবি জানান।

সমাবেশে বক্তারা বলেন, একজন শিক্ষক ও প্রশাসনিক দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তার ওপর হামলার ঘটনা শুধু ব্যক্তি আক্রমণ নয়, বরং বিশ্ববিদ্যালয়ের সামগ্রিক শিক্ষাবান্ধব পরিবেশ ও নিরাপত্তার জন্য হুমকিস্বরূপ। এ ধরনের ঘটনার সুষ্ঠু বিচার না হলে শিক্ষকদের মর্যাদা, স্বাধীনতা ও নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ আরও বাড়বে।

প্রফেসর ড. মো. হাসানুজ্জামান বলেন, ২০০২ সালে প্রতিষ্ঠার পর হাবিপ্রবিতে নানা ঘটনা ঘটেছে। কিছু ঘটনার বিচার হয়েছে, আবার কিছু ঘটনার বিচার হয়নি। সহকর্মী মো. মবিনুল ইসলামের ওপর হামলার সুষ্ঠু বিচার নিশ্চিত করাই আজকের কর্মসূচির মূল উদ্দেশ্য। যদি ন্যায়বিচার নিশ্চিত না হয়, তাহলে শিক্ষক সমাজ আরও কঠোর কর্মসূচি দিতে বাধ্য হবে।

তিনি আরও বলেন, একজন শিক্ষকের নিরাপত্তা ও স্বাধীনতা নিশ্চিত করা প্রশাসনের দায়িত্ব। আমরা প্রত্যাশা করি, প্রশাসন দ্রুত এবং নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে দোষীদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেবে।

কৃষি অনুষদের অধ্যাপক ড. সাইফুল হুদা বলেন, শিক্ষকদের ওপর হামলার ঘটনা নতুন নয়। অতীতেও এমন ঘটনার প্রতিবাদ করেছি। বর্তমানে একটি গণতান্ত্রিক পরিবেশে থেকেও যদি ন্যায়বিচার নিশ্চিত না হয়, তাহলে তা অত্যন্ত হতাশাজনক। আমরা প্রশাসনের কাছে দ্রুত ও কার্যকর পদক্ষেপ প্রত্যাশা করছি।

এ সময় বক্তারা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাম্প্রতিক বিভিন্ন আলোচিত ঘটনারও স্বচ্ছ তদন্ত ও কঠোর বিচার নিশ্চিত করার দাবি জানান।

উল্লেখ্য, সম্প্রতি সহকারী প্রক্টরের দায়িত্ব পালনকালে শিক্ষার্থীদের মধ্যে সংঘর্ষ থামাতে গেলে আবরার ফাহাদ হলের কয়েকজন শিক্ষার্থীর হামলার শিকার হন মো. মবিনুল ইসলাম। এ ঘটনায় বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক সমাজের মধ্যে ব্যাপক ক্ষোভ ও উদ্বেগের সৃষ্টি হয়েছে।

সুলতান মাহমুদ/খাদিজা রুমি/ 

জাতীয় মুট কোর্ট প্রতিযোগিতায় চ্যাম্পিয়ন ঢাবি

প্রকাশ: ০৮ জুন ২০২৬, ০৭:৫২ পিএম
জাতীয় মুট কোর্ট প্রতিযোগিতায় চ্যাম্পিয়ন ঢাবি
ছবি: খবরের কাগজ

চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় আইন অনুষদে দুই দিনব্যাপী অধ্যাপক ড. খবির উদ্দিন আহমেদ জাতীয় মুট কোর্ট প্রতিযোগিতায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় (ঢাবি) চ্যাম্পিয়ন হয়েছে। 

সোমবার (৮ জুন) বিশ্ববিদ্যালয়ের জনসংযোগ দপ্তর থেকে পাঠানো এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

জানা গেছে, বাংলাদেশের ৪২টি পাবলিক ও প্রাইভেট বিশ্ববিদ্যালয়ের ৬৩টি দল এ প্রতিযোগিতায় অংশ নেয়। প্রিলিমিনারি, কোয়ার্টার-ফাইনাল, সেমি-ফাইনাল এবং গ্র্যান্ড ফাইনাল রাউন্ডে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় দল অসাধারণ নৈপুণ্য প্রদর্শন করে চ্যাম্পিয়ন হওয়ার গৌরব অর্জন করে।

সোসাইটি ফর ক্রিটিক্যাল লিগ্যাল স্টাডিজ (এসসিএলএস)-এর উদ্যোগে গত ৫-৬ জুন অনুষ্ঠিত হওয়া প্রতিযোগিতার সমাপনী দিনে পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠিত হয়। এতে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য, হাইকোর্ট বিভাগের বিচারপতি, শিক্ষাবিদ ও বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন।

উল্লেখ্য, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় মুট কোর্ট দলের সদস্যরা হলেন- আইন বিভাগের ২০২২-২০২৩ সেশনের শিক্ষার্থী জান্নাতুল মাওয়া শুচি ও যাইদ ইকরাম এবং ২০২৩-২০২৪ সেশনের শিক্ষার্থী নাফিসা তাবাসসুম।

আরিফ/নাঈম