রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (রাকসু) নির্বাচনের প্রধান কমিশনার অধ্যাপক এম আমজাদ হোসেন বাংলাদেশ সরকারি কর্ম কমিশনের (পিএসসি) সদস্য নির্বাচিত হয়েছেন। তিনি বিশ্ববিদ্যালয়ের ফাইন্যান্স বিভাগের অধ্যাপক।
বুধবার (২০ আগস্ট) সন্ধ্যায় জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের উপসচিব আবু সালেহ মো. মাহফুজুল আলম স্বাক্ষরিত প্রজ্ঞাপনে এ তথ্য জানানো হয়।
প্রজ্ঞাপন প্রকাশের পর পরই ক্যাম্পাসে বিষয়টি নিয়ে আলোচনা শুরু হয়েছে। গঠনতন্ত্র অনুযায়ী পিএসসি সাংবিধানিক পদ হওয়ায় তিনি আর রাকসুর নির্বাচন কমিশনে থাকতে পারবেন না। ফলে আবার নির্বাচন কমিশন গঠন করতে হবে।
প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধানের ১৩৮ (১) অনুচ্ছেদে প্রদত্ত ক্ষমতাবলে মহামান্য রাষ্ট্রপতি জনস্বার্থে অধ্যাপক এম আমজাদ হোসেনকে বাংলাদেশ সরকারি কর্ম কমিশনের সদস্য পদে সানুগ্রহ নিয়োগ প্রদান করেছেন। সংবিধানের ১৩৯ (১) অনুচ্ছেদ অনুসারে তিনি দায়িত্বভার গ্রহণের তারিখ থেকে ৫ বছর বা তার ৬৫ বছর বয়স পূর্ণ হওয়ার মধ্যে যা আগে ঘটে, সেই সময় পর্যন্ত বাংলাদেশ সরকারি কর্ম কমিশনের সদস্য পদে বহাল থাকবেন।
এ বিষয়ে জানতে অধ্যাপক আমজাদ হোসেনের সঙ্গে মোবাইলে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি সাড়া দেননি।
বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক সালেহ হাসান নকীব খবরের কাগজকে বলেন, ‘শপথ গ্রহণের আগ পর্যন্ত তিনিই প্রধান নির্বাচন কমিশনারের দায়িত্ব পালন করবেন। এরপর নতুন একজনকে প্রধান নির্বাচন কমিশনার হিসেবে নিযুক্ত করা হবে। তবে এ ক্ষেত্রে কিছুটা প্রক্রিয়ার ব্যাপার আছে। সিন্ডিকেট ডেকে অথবা সিন্ডিকেটের অনুমতি সাপেক্ষে নিয়োগ করা যাবে। তিনি আরও বলেন, রাকসু নির্বাচনের আগে আমি বর্তমান পোষ্য কোটা ইস্যু নিয়ে বেশি ভাবছি। আগে এটা সমাধান করতে হবে। কারণ শিক্ষক-কর্মকর্তা ছাড়া কোনো কাজই সম্ভব না।
এদিকে ভোটকে কেন্দ্র করে ক্যাম্পাসে বিরাজ করছে নির্বাচনি আমেজ। হল সংসদ ও সিনেট ছাত্র প্রতিনিধিরাও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রার্থিতা ঘোষণা করছেন। কেউ শিক্ষার্থীদের সঙ্গে গণসংযোগ করছেন। ঘোষিত তফসিল অনুযায়ী আগামী ১৫ সেপ্টেম্বর নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। কিন্তু বুধবার মনোনয়নপত্র বিতরণের তারিখ পিছিয়ে ২৪ তারিখ নির্ধারণ করা হয়। ফলে তফসিল অনুযায়ী নির্ধারিত তারিখে নির্বাচন নিয়ে শঙ্কা দেখা দিয়েছে।
শাকিব/রিফাত/