জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় শিক্ষার্থী সংসদ (জাকসু) ও হল সংসদ নির্বাচনের ভোটগ্রহণ শুরু হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (১১ সেপ্টেম্বর) সকাল ৯টা থেকে শুরু হয়েছে ভোটগ্রহণ। চলবে বিকেল ৫টা পর্যন্ত।
কেন্দ্রীয় সংসদে সহসভাপতি (ভিপি) পদে লড়ছেন ৯ জন প্রার্থী। সাধারণ সম্পাদক (জিএস) পদে লড়ছেন ৮ জন, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক (নারী) পদে ৬ জন এবং যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক (পুরুষ) পদে ১০ জন।
কেন্দ্রীয় সংসদে মোট ২৫টি পদে লড়ছেন ১৭৭ জন প্রার্থী।
নির্বাচন উপলক্ষে প্রশাসন কড়া নিরাপত্তাব্যবস্থা নিয়েছে। নিরাপত্তা নিশ্চিতে ১ হাজার ৫০০ পুলিশ সদস্য, ৭ প্লাটুন বিজিবি ও ৫ প্লাটুন আনসার মোতায়েন রয়েছে।
গতকাল বুধবার থেকে ক্যাম্পাসে বাড়তি টহল চলছে।
এবারের নির্বাচনে ১১ হাজার ৯১৯ জন শিক্ষার্থী ভোট দেবেন। এর মধ্যে ৫ হাজার ৮১৭ জন নারী, যারা মোট ভোটারের ৪৮ দশমিক ৮ শতাংশ। তারা নির্বাচনে ফলাফল নির্ধারণে গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠতে পারেন বলে ধারণা করা হচ্ছে।
প্রধান নির্বাচন কমিশনার অধ্যাপক ড. মো. মনিরুজ্জামান বলেছেন, ‘শিক্ষার্থীদের সহযোগিতায় আমরা অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচন দিতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।’
৩৩ বছর পর অনুষ্ঠিত জাকসুর এই নির্বাচনে এবার আংশিক ও পূর্ণাঙ্গ মিলে মোট সাতটি প্যানেল প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছে। এরমধ্যে পূর্ণাঙ্গ প্যানেলগুলো হলো ছাত্রদল সমর্থিত প্যানেল, ছাত্রশিবির সমর্থিত সমন্বিত শিক্ষার্থী জোট, প্রগতিশীল শিক্ষার্থীদের সম্প্রীতির ঐক্য ও গণতান্ত্রিক ছাত্রসংসদ সমর্থিত শিক্ষার্থী ঐক্য ফোরাম।
আংশিক প্যানেল দিয়েছে স্বতন্ত্র শিক্ষার্থী সম্মিলন, স্বতন্ত্র অঙ্গীকার পরিষদ এবং ছাত্র ইউনিয়ন ও ছাত্র ফ্রন্টের সংশপ্তক পর্ষদ। এ ছাড়া অনেকেই স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে নির্বাচনে লড়ছেন।
২১টি হল সংসদের নির্বাচনও অনুষ্ঠিত হবে। একেকটি হলে পদসংখ্যা ১৫। ২১টি হল সংসদে মোট পদ ৩১৫টি। এতে ৪৪৭ জন প্রার্থী হয়েছেন। ছাত্রীদের ১০টি আবাসিক হলে ১৫০টি পদের মধ্যে ৫৯টিতে কোনো প্রার্থী নেই। একজন করে প্রার্থী রয়েছে ৬৭টি পদে। সে হিসেবে মাত্র ২৪টি পদে ভোট হবে।
নির্বাচনে ব্যালট পেপার ছাপানো হয়েছে ১৩ হাজার ৩০০টি। ভোটগ্রহণের জন্য ২১টি কেন্দ্রে বুথ থাকবে ২২৪টি। ২১ জন রিটার্নিং কর্মকর্তা, ৬৭ জন পোলিং কর্মকর্তা ও ৬৭ জন সহাকারী পোলিং কর্মকর্তা দায়িত্ব পালন করবেন।
অমিয়/