জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের ১৫ নং ছাত্রী হলে (সাবেক বঙ্গমাতা বেগম ফজিলাতুন্নেছা মুজিব হল) ভোট কারচুপির অভিযোগে ভোটগ্রহণ স্থগিত করার পর সেখানে প্রবেশ করেন ছাত্রদল নেতারা।
এ ঘটনায় বৃহস্পতিবার (১১ সেপ্টেম্বর) বেলা ১২টার দিকে ভোটকেন্দ্রে উত্তেজনা ও হট্টগোল সৃষ্টি হয়।
সাধারণ শিক্ষার্থীরা অভিযোগ করেন, ‘ভোট কারচুপির জন্য ভোটগ্রহণ স্থগিত করা হয়েছে’ এমন দাবি তুলে ছাত্রদলের ভিপি প্রার্থী শেখ সাদী হাসান এবং জিএস প্রার্থীসহ ৫-৭ জন নেতাকর্মী হলে প্রবেশ করেন। তারা কেন্দ্রের সামনে গেলে দরজা বন্ধ করে দেওয়া হয়। এ সময় ‘হলের ভেতরে ছাত্র কেন’ স্লোগান তুলে প্রতিবাদ জানান ওই হলের ছাত্রীরা। পরবর্তীতে ছাত্রীরা ছাত্রদল নেতাকর্মীদের হল থেকে বের করে দেন।
হল সংশ্লিষ্টদের অভিযোগ, বিশ্ববিদ্যালয়ের বিএনপিপন্থি শিক্ষক গণিত বিভাগের অধ্যাপক নজরুল ইসলাম ওই নেতাকর্মীদের ডেকে নেন। ঘটনাস্থলে উপস্থিত ছিলেন ছাত্রদলের কর্মী, বাংলা বিভাগের ৪৮তম ব্যাচের শিক্ষার্থী এবং আ ফ ম কামালউদ্দিন হলের আবাসিক ছাত্র জিসান। তার বিরুদ্ধে হলের কর্মচারীদের ধাক্কা দেওয়া এবং সাংবাদিকদের সঙ্গে দুর্ব্যবহারের অভিযোগ ওঠে।
এ বিষয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলেন জাকসুতে শিক্ষা ও গবেষণা সম্পাদক পদপ্রার্থী ফারহানা বিনতে জিগার ফারিনা (বাগছাস সমর্থিত ‘শিক্ষার্থী ঐক্য ফোরাম’ প্যানেল)। তিনি বলেন, “এখানে ভোটগ্রহণ স্থগিত ছিল। কিন্তু হঠাৎ করে ছাত্রদলের নেতারা হলে ঢুকলেন কেন? এটা তো মেয়েদের প্রাইভেসির বিষয়। তারা দল বেধে হলে ঢুকে আতঙ্ক সৃষ্টি করেছেন।”
তবে এ অভিযোগ অস্বীকার করেছেন ১৫ নম্বর ছাত্রী হলের প্রাধ্যক্ষ শামীমা নাসরিন জলি। তিনি বলেন, “হলে কোনো ভোট কারচুপির ঘটনা ঘটেনি। সমস্যা হয়েছিল অমোচনীয় কালি নিয়ে। ভোট দেওয়ার পর ভোটারদের আঙুলে দেওয়া কালি মুছে যাচ্ছিল। এজন্য নতুন কালি আসা পর্যন্ত ভোটগ্রহণ সাময়িক স্থগিত রাখা হয়েছিল”
আমানুল্লাহ/নাঈম