পোষ্য কোটা ইস্যুতে ক্যাম্পাস শাটডাউন এবং দুর্গাপূজার ছুটিতে শিক্ষার্থীদের ক্যাম্পাস ছাড়ার কারণে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (রাকসু), হল সংসদ এবং সিনেট ছাত্র প্রতিনিধি নির্বাচন পেছানোর দাবি জানিয়েছে ছাত্রদলসহ ৫ প্যানেল এবং স্বতন্ত্র প্রার্থীরা।
সোমবার (২২ সেপ্টেম্বর) দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিবহন মার্কেটে প্যানেলগুলোর সম্মিলিত জরুরি সংবাদ সম্মেলনে এ দাবি জানান তারা।
রাকসু নির্বাচন পেছানোর দাবি জানানো প্যানেলগুলো হলো- ছাত্রদল মনোনিত প্যানেল ঐক্যবদ্ধ নতুন প্রজন্ম, সচেতন শিক্ষার্থী সংসদ, রাকসু ফর র্যাডিকাল চেঞ্জ, সর্বজনীন শিক্ষার্থী সংসদ, ইউনাইটেড ফর রাইটস। এ ছাড়াও বিভিন্ন হল সংসদ ও কেন্দ্রীয় সংসদের স্বতন্ত্র প্রার্থীরা এ দাবি জানিয়েছেন।
তারা দাবি করেছেন, একটি সুষ্ঠু ও অংশগ্রহণমূলক নির্বাচন আয়োজন করতে সকল শিক্ষার্থীদের উপস্থিতির পরিবেশ তৈরি হওয়ার পরে নির্বাচন আয়োজন করা উচিত।
সংবাদ সম্মেলনে তারা বলেন, আমরা ক্যাম্পাসে প্রচারণায় শিক্ষার্থীদের দেখা পাচ্ছি না। পোষ্য কোটাকে ইস্যুকে কেন্দ্র করে যে পরিস্থিতি সৃষ্টি করা হয়েছে তা অত্যন্ত নিন্দনীয়। এই পরিস্থিতিতে শিক্ষার্থী অনিশ্চয়তার মধ্যে ক্যাম্পাস ছাড়ছেন। আমাদের দাবি একটি সুষ্ঠু ও অংশগ্রহণমূলক নির্বাচন আয়োজন করতে সব শিক্ষার্থীদের উপস্থিতির পরিবেশ তৈরি হওয়ার পরে নির্বাচন আয়োজন করতে হবে।
সংবাদ সম্মেলন শেষে নির্বাচন পেছানোর জন্য একটি স্মারকলিপি দেন তারা।
দুপুর ১টার দিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিবহন মার্কেটে এসে সাংবাদিকদের সামনে রাকসু নির্বাচন নিয়ে কথা বলেন ছাত্রদল মনোনীত প্যানেলের ভিপি প্রার্থী শেখ নূর উদ্দিন আবীর।
তিনি বলেন, ‘আমরা প্রচার-প্রচারণায় গিয়ে শিক্ষার্থীদের দেখা পাচ্ছিনা। তারা অধিকাংশই পূজার ছুটিতে বাড়িতে চলে গিয়েছেন। আমরা নির্বাচন কমিশনকে অনুরোধ করব আপনারা বিষয়টি বিবেচনা করবেন। আমার মতামত নির্বাচনটা যেন দুর্গাপূজার ছুটির পরেই হয়।’
তবে শিবির মনোনীত প্যানেল 'সম্মিলিত শিক্ষার্থী জোট' নির্বাচন পেছানের ব্যাপারে দ্বিমত পোষণ করছে।
সার্বিক বিষয়ে রাকসুর প্রধান নির্বাচন কমিশনার অধ্যাপক এফ নজরুল ইসলাম বলেন, আমরা নির্বাচন কমিশনের সদস্যদের নিয়ে আজ বিকেল ৪টার সময় মিটিংয়ে বসব। আলোচনা শেষে সিদ্ধান্ত জানানো হবে।
শাকিবুল হাসান/সুমন