ঢাকা ২ আষাঢ় ১৪৩৩, মঙ্গলবার, ১৬ জুন ২০২৬

সর্বশেষ
নেশার টাকার জন্য স্ত্রীকে নির্যাতনের অভিযোগ বেরোবি ছাত্রদল নেতার বিরুদ্ধে গার্সিয়ার হুঙ্কার: ইরানকে হারাতেই হবে বেলজিয়ামকে মাতামুহুরিতে নিখোঁজের ২ দিন পর ডোবা থেকে শিশুর অর্ধগলিত মরদেহ উদ্ধার, আটক ৩ বানেশ্বর আম হাট পরিদর্শনে মার্কিন রাষ্ট্রদূত বাগেরহাটের ছাত্রীকে ধর্ষণচেষ্টা, মামলা না করতে বিএনপি নেতার চাপ বাকলিয়ায় শিশু ধর্ষণ মামলার রায় বুধবার উমরাহ পালনে গেলেন ‘নগদ ইসলামিক’ ক্যাম্পেইনের ৫ বিজয়ী ভোলায় মাল্টিমিডিয়া, এআই ও ফ্যাক্ট চেকিং বিষয়ক কর্মশালার উদ্বোধন দিল্লি এয়ারপোর্টের ঘটনার বিস্তারিত জানালেন প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা জাহেদ কলকাতায় হেনস্তার অভিযোগে যা বললেন মোশাররফ করিম সমমর্যাদার ভিত্তিতে ভারতের সম্পর্ক উন্নয়নের সুযোগ রয়েছে: ডা. জাহেদ রায়পুরায় আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষে গুলিবিদ্ধ যুবক নিহত চাঁদপুরে বাসের ধাক্কায় বৃদ্ধা নিহত রামিসা ধর্ষণ-হত্যা মামলা: রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী নিয়োগের নির্দেশ ‘আমি কোনো মডেল নই’, বিশ্বকাপের ফটোশুট নিয়ে ক্ষুব্ধ বিয়েলসা ব্যাপন, অভিস্রবণ ও প্রস্বেদন অধ্যায়ের ৬টি বহুনির্বাচনি প্রশ্ন ও উত্তর, ৩য় পর্ব, অষ্টম শ্রেণির বিজ্ঞান দেশে এল প্রথম দেশীয় ব্র্যান্ডের জিপিইউ ল্যাপটপ জাহান্নামের আগুন যার জন্য হারাম বিশ্বকাপে শুধু সংখ্যা বাড়াতে আসিনি: মিশর কোচ হাসান কালীগঞ্জে ১০ পিস ইয়াবাসহ মাদক ব্যবসায়ী গ্রেপ্তার তেজগাঁও সড়ক ছাড়লেন পোশাক শ্রমিকেরা, যান চলাচল স্বাভাবিক মানিকগঞ্জে হেরোইনসহ ২ মাদককারবারি গ্রেপ্তার সিরাজদিখানে মাইক্রোবাস খাদে পড়ে নারীর মৃত্যু, আহত ১০ নোয়াখালীর সেই ওসির বিরুদ্ধে তদন্ত কমিটি গঠন একনেক সভায় ৫ প্রকল্প অনুমোদন রোহিঙ্গা ক্যাম্প থেকে স্থানীয়দের বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্নের প্রতিবাদে সড়ক অবরোধ জামালপুর সীমান্ত দিয়ে একজনকে পুশইনের চেষ্টা, বিজিবি ও স্থানীয়দের বাধা বিশ্বকাপে নেইমারের খেলা নিয়ে শঙ্কা কাটছে না ‘হালান্ডের পায়ে বল বাড়িয়ে দাও’, শিষ্যদের নির্দেশ নরওয়ে কোচের ভোলায় পানি উন্নয়ন বোর্ডের কার্যালয় ঘেরাও
Nagad desktop

চাকসু নির্বাচনে লড়াই হবে ত্রিমুখী

প্রকাশ: ১৪ অক্টোবর ২০২৫, ০৯:২৫ পিএম
আপডেট: ১৪ অক্টোবর ২০২৫, ০৯:৫২ পিএম
চাকসু নির্বাচনে লড়াই হবে ত্রিমুখী
ছবি: সংগৃহীত

চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় ছাত্রসংসদ (চাকসু) নির্বাচনের মাঠে এখন মূলত তিনটি পক্ষের মধ্যে ত্রিমুখী লড়াই জমে উঠেছে- ছাত্রশিবির, ছাত্রদল ও স্বতন্ত্র শিক্ষার্থীদের প্যানেল।

দীর্ঘ ছত্রিশ বছর পর এ নির্বাচন ঘিরে পুরো ক্যাম্পাসে এখন উৎসবমুখর উত্তেজনা, তবে তার সঙ্গে যুক্ত হয়েছে প্রতিদ্বন্দ্বিতার গাঢ় রঙ । ভিপি ও জিএস-এ দুটি শীর্ষ পদকে ঘিরেই প্রতিদ্বন্দ্বিতা সবচেয়ে তীব্র হয়ে উঠেছে।

ছাত্রশিবির তাদের পূর্ণাঙ্গ প্যানেল ঘোষণা করেছে “সম্প্রীতির শিক্ষার্থী জোট” নামে। প্যানেলটির নেতৃত্বে রয়েছেন ভিপি পদে ইব্রাহিম হোসেন রনি ও জিএস পদে সাঈদ বিন হাবিব।

ক্যাম্পাসে দীর্ঘদিন সাংগঠনিক কর্মকাণ্ড চালানো এবং বিভিন্ন হল সংসদে প্রভাব ধরে রাখার কারণে এ প্যানেলকে তুলনামূলক শক্তিশালী মনে করা হচ্ছে। তাদের ইশতেহারে শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তা, আবাসন সমস্যা সমাধান ও পরীক্ষার সময়সূচি নির্ধারণে স্বচ্ছতার ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। তবে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রচারণা চালানোর সময় আচরণবিধি লঙ্ঘনের অভিযোগও উঠেছে তাদের বিরুদ্ধে, যা নির্বাচন কমিশনের নজরে এসেছে।

অন্যদিকে ছাত্রদলও নিজেদের অবস্থান শক্ত করতে সর্বোচ্চ চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে। তাদের প্যানেলের নেতৃত্বে রয়েছেন ভিপি প্রার্থী সাজ্জাদ হোসেন হৃদয় ও জিএস প্রার্থী শাফায়াত হোসেন। যদিও সংগঠনের অভ্যন্তরে কিছু কোন্দল প্রকাশ পেয়েছে এবং একজন নেতা বহিষ্কৃত হয়েছেন, তবু মূল নির্বাচনি প্রচারণায় তারা বেশ সক্রিয়। শহর ও বিভাগের বিভিন্ন জায়গা থেকে আগত ছাত্রদলের সাবেক নেতাদের সহযোগিতায় প্যানেলটি ভোটারদের কাছে পৌঁছাতে কাজ করছে। তারা নিজেদের প্রচারণায় দাবি করছে, ‘এ নির্বাচন পরিবর্তনের সূচনা করবে’-এমন স্লোগানকে সামনে রেখেই তারা কাজ করছে।

তৃতীয় দিকে রয়েছে স্বতন্ত্র ও শিক্ষার্থীভিত্তিক প্যানেলগুলো। এর মধ্যে ‘বিনির্মাণ শিক্ষার্থী ঐক্য’, ‘বৈচিত্র্যের ঐক্য’ ও ‘সর্বজনীন শিক্ষার্থী সংসদ’ নামে কয়েকটি প্যানেল আলোচনায় এসেছে। এ প্যানেলগুলোর অধিকাংশই কোনো রাজনৈতিক সংগঠনের প্রত্যক্ষ ছায়ায় নয়, বরং স্বাধীন শিক্ষার্থী উদ্যোগে গঠিত। তাদের ইশতেহারে একাডেমিক জবাবদিহি, ক্যাম্পাসের গণপরিবহন সংকট নিরসন, নারী শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তা ও আধুনিক তথ্যপ্রযুক্তিনির্ভর প্রশাসনিক সংস্কারের প্রতিশ্রুতি রয়েছে। তাদের প্যানেলে নারী প্রার্থীর সংখ্যা তুলনামূলক বেশি, বিশেষ করে জিএস ও এজিএস পদে।

নির্বাচন ঘনিয়ে আসার সঙ্গে সঙ্গে লড়াইয়ের আবহও আরও ঘনীভূত হয়েছে। প্রতিটি প্যানেল প্রচারণায় ভিন্ন ভিন্ন কৌশল নিচ্ছে- লিফলেট, প্রচারণামূলক গান, পোস্টার, এমনকি ফেসবুক বুস্ট ব্যবহার করে প্রার্থীরা পৌঁছে যাচ্ছেন শিক্ষার্থীদের কাছে। নারী ভোটারদের মন জয় করাও প্রতিটি প্যানেলের অন্যতম টার্গেট, কারণ মোট ভোটারের প্রায় ৪০ শতাংশই নারী। ফলে প্রায় সব প্যানেলই নারী-বান্ধব ইশতেহার ঘোষণা করেছে।

অন্যদিকে প্রশাসনও কঠোর অবস্থানে রয়েছে। নির্বাচনের স্বচ্ছতা বজায় রাখতে ক্যাম্পাসে বহিরাগত প্রবেশ নিষিদ্ধ করা হয়েছে এবং নিরাপত্তা বাহিনী মোতায়েনের প্রস্তুতি সম্পন্ন। যদিও নির্বাচনের পরিবেশ এখনো তুলনামূলক শান্ত, তবু অভিযোগ- পাল্টা অভিযোগে উত্তপ্ত হয়ে উঠেছে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম।

ছাত্রশিবির বলছে তাদের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র চলছে, ছাত্রদল বলছে প্রশাসন নিরপেক্ষ নয়, আর স্বতন্ত্র প্রার্থীরা অভিযোগ করছে- দুই বড় রাজনৈতিক শক্তির কারণে তাদের প্রচারণা বাধাগ্রস্ত হচ্ছে।

সব মিলিয়ে, দীর্ঘ বিরতির পর অনুষ্ঠিত হতে যাওয়া এ চাকসু নির্বাচন এখন চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের মধ্যে নতুন রাজনৈতিক উন্মাদনা সৃষ্টি করেছে। শিবির, ছাত্রদল ও স্বতন্ত্র প্যানেলের এ ত্রিমুখী লড়াই এখন পুরো ক্যাম্পাসের আলোচনার কেন্দ্রবিন্দু। কে জিতবে- তা নির্ধারণ হবে ভোটারের ভোটে। কিন্তু এর আগেই ছাত্ররাজনীতির মাঠে এক রোমাঞ্চকর প্রতিযোগিতা দেখেছে শিক্ষার্থীরা।

রিফাত/

জুলাইয়ে হামলার মদদদাতা ২১ আওয়ামী শিক্ষক-কর্মকর্তার বিরুদ্ধে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত জাবি সিন্ডিকেটের

প্রকাশ: ১৬ জুন ২০২৬, ১০:১৪ এএম
আপডেট: ১৬ জুন ২০২৬, ১১:৫৫ এএম
জুলাইয়ে হামলার মদদদাতা ২১ আওয়ামী শিক্ষক-কর্মকর্তার বিরুদ্ধে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত জাবি সিন্ডিকেটের
ছবি: সংগৃহীত

জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের (জাবি) সিন্ডিকেট জুলাই আন্দোলনে শিক্ষার্থীদের ওপর হামলা ও নিপীড়নের মদদদাতা ১৯ আওয়ামীপন্থি শিক্ষক ও দুই কর্মকর্তার বিরুদ্ধে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। এর মধ্যে কয়েকজনকে অব্যাহতি, আবার কয়েকজনের বিরুদ্ধে সতর্কীকরণ, বেতন অবনমন, পদাবনতি ও বাধ্যতামূলক অবসরের মতো শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।

সোমবার (১৫ জুন) বিকেল ৪টা থেকে নতুন প্রশাসনিক ভবনের কাউন্সিল কক্ষে প্রায় ১২ ঘণ্টা সিন্ডিকেট সভা চলে। রাত সাড়ে ৪টায় সভা শেষে সাংবাদিকদের এসব তথ্য জানান সিন্ডিকেটের সভাপতি ও বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ কামরুল আহসান।

উপাচার্য বলেন, '২০২৪ সালের ১৪, ১৫ ও ১৭ জুলাইয়ের ঘটনাকে কেন্দ্র করে গঠিত তদন্ত কমিটি ও স্ট্রাকচার্ড কমিটির প্রতিবেদনের ভিত্তিতে দীর্ঘ পর্যালোচনার পর এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। প্রত্যেক অভিযুক্তের বিরুদ্ধে পৃথক শুনানি, সাক্ষ্যগ্রহণ ও তথ্য যাচাই করা হয়েছে যাতে কোনো নিরপরাধ ব্যক্তি শাস্তি না পান এবং কোনো দোষীও দায়মুক্তি না পান।

সিন্ডিকেটের সিদ্ধান্ত অনুসারে, ইতিহাস বিভাগের অধ্যাপক হোসনে আরাকে সতর্কীকরণ করা হয়েছে। নাটক ও নাট্যতত্ত্ব বিভাগের অধ্যাপক ইস্রাফিল আহমেদ রঙ্গনের বেতন বর্তমান পদের প্রারম্ভিক স্কেলে নামিয়ে দেওয়া হয়েছে। একই বিভাগের সহকারী অধ্যাপক মহিবুর রৌফ শৈবালকে সহকারী অধ্যাপক পদ থেকে প্রভাষক পদে পদাবনতি দেওয়া হয়েছে।

বাংলা বিভাগের অধ্যাপক নাজমুল হোসেন তালুকদারের দুই বছরের বার্ষিক ইনক্রিমেন্ট বাতিল করে নিম্ন বেতনস্তর নির্ধারণ করা হয়েছে। অ্যাকাউন্টিং অ্যান্ড ইনফরমেশন সিস্টেমস বিভাগের প্রভাষক কানন কুমার সেনেরও দুই বছরের বার্ষিক ইনক্রিমেন্ট বাতিল করা হয়েছে।

অভিযোগ থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে আইবিএর সহকারী অধ্যাপক পলাশ সাহা, পরিবেশ বিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক শফি মোহাম্মদ তারেক, পদার্থবিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক জহিরুল ইসলাম খোন্দকার, লোকপ্রশাসন বিভাগের অধ্যাপক মোহাম্মদ ছায়েদুর রহমান ও সহযোগী অধ্যাপক মনির উদ্দিন শিকদার, অর্থনীতি বিভাগের অধ্যাপক মোহাম্মদ জাহাঙ্গীর আলম, মাইক্রোবায়োলজি বিভাগের অধ্যাপক আনোয়ার খসরু পারভেজ এবং সহকারী রেজিস্ট্রার রাজীব চক্রবর্তীকে।

এ ছাড়া সাবেক প্রক্টর অধ্যাপক আলমগীর কবিরের বেতন বর্তমান পদের প্রারম্ভিক স্কেলে নামিয়ে দেওয়া হয়েছে এবং পাঁচ বছরের জন্য প্রশাসনিক দায়িত্ব পালনে অযোগ্য ঘোষণা করা হয়েছে। পদার্থবিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক এ এ মামুনকে সতর্কীকরণের পাশাপাশি পাঁচ বছরের জন্য প্রশাসনিক দায়িত্ব পালনে অযোগ্য ঘোষণা করা হয়েছে।

সরকার ও রাজনীতি বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক আ স ম ফিরোজ-উল-হাসান এবং অধ্যাপক বশির আহমেদের বেতন বর্তমান পদের প্রারম্ভিক স্কেলে নামিয়ে দেওয়া হয়েছে। তাদের দুই বছর পর পদোন্নতির আবেদন করার সুযোগ রাখা হয়েছে এবং পাঁচ বছরের জন্য প্রশাসনিক দায়িত্ব পালনে অযোগ্য ঘোষণা করা হয়েছে।

ভূগোল ও পরিবেশ বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক মেহেদী ইকবালকে বাধ্যতামূলক অবসর দেওয়া হয়েছে।

পাবলিক হেলথ অ্যান্ড ইনফরমেটিকস বিভাগের অধ্যাপক তাজউদ্দীন শিকদারের বেতন প্রারম্ভিক স্কেলে নামিয়ে দেওয়া হয়েছে এবং পাঁচ বছরের জন্য প্রশাসনিক দায়িত্ব পালনে অযোগ্য ঘোষণা করা হয়েছে। সাবেক উপ-উপাচার্য (শিক্ষা) অধ্যাপক মোহাম্মদ মোস্তফা ফিরোজের বেতন দ্বিতীয় গ্রেডে নামিয়ে দেওয়া হয়েছে এবং পাঁচ বছরের জন্য প্রশাসনিক দায়িত্ব পালনে অযোগ্য ঘোষণা করা হয়েছে।

ডেপুটি রেজিস্ট্রার নাহিদুর রহমান খানকে সহকারী রেজিস্ট্রার পদে পদাবনতি দেওয়া হয়েছে এবং দুই বছর পর পুনরায় পদোন্নতির আবেদন করার সুযোগ রাখা হয়েছে।

উপাচার্য আরও জানান, প্রাথমিক তদন্ত প্রতিবেদনে নাম আসায় তৎকালীন উপাচার্য, উপ-উপাচার্য (প্রশাসন) এবং কোষাধ্যক্ষের বিরুদ্ধে পৃথক তিনটি স্ট্রাকচার্ড কমিটি গঠনের সিদ্ধান্ত নিয়েছে সিন্ডিকেট। ন্যায়বিচার নিশ্চিত করতে তাদের ভূমিকা ও সংশ্লিষ্টতা পৃথকভাবে তদন্ত করা হবে।

আমানউল্লাহ/থিও

হল ছাড়লেন জাকসুর জিএস, সময় চাইলেন ভিপি

প্রকাশ: ১৫ জুন ২০২৬, ০৫:১৩ পিএম
হল ছাড়লেন জাকসুর জিএস, সময় চাইলেন ভিপি
ছবি: সংগৃহীত

জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় শিক্ষার্থী সংসদ (জাকসু)-এর সহসভাপতি (ভিপি) আব্দুর রশিদ জিতু ও সাধারণ সম্পাদক (জিএস) মাজহারুল ইসলামের ছাত্রত্ব শেষ হয়েছে। নিয়ম অনুযায়ী জিএস মাজহারুল ইসলাম আবাসিক হল ছেড়ে দিয়েছেন। তবে ভিপি জিতু প্রশাসনের কাছে অতিরিক্ত সময় চেয়েছেন।

সোমবার (১৫ জুন) বেলা ১১টার দিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের সিনেট হলে আয়োজিত আলোচনা সভায় এ তথ্য জানান তারা।

সভায় উপস্থিত ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের দুই উপ-উপাচার্য, ট্রেজারার অধ্যাপক আব্দুর রব, আবাসিক হলের প্রভোস্টবৃন্দ, রেজিস্ট্রার, জাকসু ও হল সংসদের নেতারা এবং বিভিন্ন ছাত্র সংগঠনের প্রতিনিধিরা।

জাকসুর জিএস মাজহারুল ইসলাম বলেন, “বিশ্ববিদ্যালয়ের নিয়ম অনুযায়ী আমি পরীক্ষার সাত দিনের মধ্যে হল ছেড়েছি। আমার রুমে ইতোমধ্যে অন্য শিক্ষার্থীদের অ্যালট করা হয়েছে।”

তবে ভিপি আব্দুর রশিদ জিতু বলেন, “আমি দেশের বাইরে ছিলাম। একটু প্রস্তুতির বিষয় আছে। গোছগাছ করে বাসা নিয়ে দ্রুত সময়ের মধ্যে হল ছেড়ে দেব।”

শাখা ছাত্রদলের আহ্বায়ক জহির উদ্দিন মোহাম্মদ বাবর বলেন, “জাকসুর জিএস হল ছাড়ার মাধ্যমে দারুণ এক দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন। আমরা আশা করব, আগামী সাত দিনের মধ্যে ভিপিও একই নজির স্থাপন করবেন।”

শাখা ছাত্র শিবিরের সভাপতি মোস্তাফিজুর রহমান বলেন, “জাকসুর ভিপি আব্দুর রশিদ জিতুর ছাত্রত্ব শেষ। তাই তিনি হলে অবস্থান করতে পারেন না। অতি দ্রুত তাকে হল ছেড়ে দেওয়া উচিত।”

বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ-উপাচার্য (প্রশাসন) অধ্যাপক নজরুল ইসলাম বলেন, “মেয়াদোত্তীর্ণ শিক্ষার্থীদের বিশ্ববিদ্যালয়ের নিয়ম অনুযায়ী আবাসিক হল ছাড়তেই হবে। রাজনৈতিক পরিচয়ের কারণে থাকার কোনো সুযোগ নেই। জাকসু ভিপির বিষয়ে আলোচনা সাপেক্ষে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।”

উল্লেখ্য, জাকসু ভিপি আব্দুর রশিদ জিতু তুলনামূলক সাহিত্য ও সংস্কৃতি বিভাগের ৪৭তম ব্যাচের শিক্ষার্থী। জিএস মাজহারুল ইসলাম ইংরেজি বিভাগের ৪৮তম ব্যাচের। জাকসু নির্বাচনকে সামনে রেখে তারা দুজনেই এক বছর ড্রপ দিয়েছিলেন। নির্বাচিত হওয়ার পর জিএস মাজহারুল পরবর্তী ব্যাচের সঙ্গে থিসিস জমা দিয়ে স্নাতকোত্তর সম্পন্ন করেন। তবে জিতু স্নাতকোত্তরের ৫০৪ নম্বর কোর্স নির্দিষ্ট সময়ে শেষ করতে ব্যর্থ হন, যা ‘ড্রপ আউট’ হিসেবে পরিচিত।

আমানউল্লাহ/নাঈম

এইচএসসি ও আলিম পরীক্ষার চূড়ান্ত কেন্দ্র তালিকা প্রকাশ

প্রকাশ: ১৫ জুন ২০২৬, ১১:০৯ এএম
এইচএসসি ও আলিম পরীক্ষার চূড়ান্ত কেন্দ্র তালিকা প্রকাশ
ছবি: সংগৃহীত

আসন্ন ২০২৬ সালের উচ্চ মাধ্যমিক সার্টিফিকেট (এইচএসসি) এবং আলিম পরীক্ষার চূড়ান্ত কেন্দ্র তালিকা ও আসনবিন্যাস প্রকাশ করা হয়েছে। মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ড, ঢাকা এবং বাংলাদেশ মাদরাসা শিক্ষা বোর্ড পৃথক দুটি বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে নিজ নিজ পরীক্ষাকেন্দ্রের কোড, কেন্দ্রের নাম, ভেন্যু এবং আওতাধীন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোর বিস্তারিত বিবরণ প্রকাশ করেছে। শিক্ষার্থী ও পরীক্ষা সংশ্লিষ্টদের সুবিধার্থে এই তালিকা উন্মুক্ত করা হয়েছে।

মাদরাসা শিক্ষা বোর্ডের বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, ২০২৬ সালের আলিম পরীক্ষা সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন করতে দেশের বিভিন্ন জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে ব্যাপক প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে। 

ঢাকা জেলা ও মহানগরের অন্তর্গত পরীক্ষাকেন্দ্রগুলোর মধ্যে রয়েছে ঢাকা (মূল কেন্দ্র), মোহাম্মদপুর, যাত্রাবাড়ী, ডেমরা-১ (আমুলিয়া) ও ডেমরা-২ (দারুন্নাজাত), উত্তরা, সাভার ও ধামরাই।

এ ছাড়া ঢাকার বাইরে মানিকগঞ্জ, নারায়ণগঞ্জ, গাজীপুর, নরসিংদী, ফরিদপুর, ময়মনসিংহ, কিশোরগঞ্জ ও রাজশাহীসহ বিভিন্ন জেলার আলিম পরীক্ষাকেন্দ্রের নাম ও কোড তালিকাভুক্ত করা হয়েছে।

অন্যদিকে, ঢাকা শিক্ষা বোর্ডের অধীনে এইচএসসি পরীক্ষা ২০২৬ পরিচালনার জন্য বিস্তারিত আসনবিন্যাস ও বিশেষ দিকনির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। 
বোর্ডের সংশোধিত ও প্রতিস্থাপিত চিঠিতে বলা হয়েছে, পরীক্ষাকেন্দ্রের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা সংশ্লিষ্ট কলেজের অধ্যক্ষের কাছ থেকে কেন্দ্র ফির টাকা গ্রহণ করবেন। এরপর জেলা প্রশাসকের মাধ্যমে অলিখিত উত্তরপত্রসহ অন্যান্য গোপনীয় কাগজপত্র ঢাকা শিক্ষা বোর্ড থেকে সংগ্রহ করে পরীক্ষা পরিচালনা করবেন। পরীক্ষা সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন করতে জেলা সদরে জেলা প্রশাসক (ডিসি) এবং উপজেলা পর্যায়ে উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) পরীক্ষাকেন্দ্রের তত্ত্বাবধায়ক কর্মকর্তা হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন।

এইচএসসি পরীক্ষার কেন্দ্র ব্যবস্থাপনায় নিয়োজিত কর্মকর্তাদের জন্য কঠোর নীতিমালার কথা উল্লেখ করেছে ঢাকা শিক্ষা বোর্ড।

নির্দেশনা অনুযায়ী, প্রতিদিনের পরীক্ষা শেষে সন্ধ্যা ৭টার মধ্যে ডাকযোগে ওএমআরের প্রথম অংশ ঢাকা শিক্ষা বোর্ড কম্পিউটার কেন্দ্রে পাঠাতে হবে। একই সঙ্গে উত্তরপত্রসমূহ পরীক্ষা পরিচালনা নীতিমালা মোতাবেক সরাসরি পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক বরাবর পাঠানোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। ভেন্যুকেন্দ্রসমূহ মূল কেন্দ্র থেকে প্রয়োজনীয় টাকা ও কাগজপত্র গ্রহণ করে পরীক্ষা পরিচালনা করবে এবং পরীক্ষা শেষে যাবতীয় নথিপত্র মূল কেন্দ্রের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তার কাছে জমা দেবে। নির্বাচিত কলেজের অধ্যক্ষ বা সিনিয়র কোনো অধ্যাপক এই পরীক্ষার কেন্দ্র প্রধান বা ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা হিসেবে দায়িত্ব পালন করতে পারবেন।

ঢাকা শিক্ষা বোর্ডের কেন্দ্র তালিকায় এবার বেশ কিছু নতুন কেন্দ্র যুক্ত করা হয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে ঢাকা মহানগরীর উত্তরা অঞ্চলের ‘ঢাকা উইমেন্স কলেজ’ এবং খিলক্ষেতের ‘মাইলস্টোন স্কুল অ্যান্ড কলেজ’।

পাশাপাশি রাজউক উত্তরা মডেল কলেজ, মাইলস্টোন কলেজ, ক্যামব্রিয়ান কলেজ, নটর ডেম কলেজ, ভিকারুননিসা নূন স্কুল অ্যান্ড কলেজ এবং মতিঝিল আইডিয়াল স্কুল অ্যান্ড কলেজের মতো বড় বড় শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোর বিজ্ঞান, মানবিক ও ব্যবসায় শিক্ষা শাখার শিক্ষার্থীদের জন্য নির্দিষ্ট কেন্দ্র ও আসনবিন্যাস নির্ধারণ করে দেওয়া হয়েছে।

অন্তরা/

আব্দুল্লাহ হিল রাকিব স্মরণে বিইউএফটি’তে স্মরণসভা

প্রকাশ: ১৫ জুন ২০২৬, ০৯:৪১ এএম
আব্দুল্লাহ হিল রাকিব স্মরণে বিইউএফটি’তে স্মরণসভা
ছবি: বিজ্ঞপ্তি

বিজিএমইএ ইউনিভার্সিটি অব ফ্যাশন অ্যান্ড টেকনোলজি (বিইউএফটি) এর বোর্ড অব ট্রাস্টিজের সদস্য ও টিম গ্রুপের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মরহুম আব্দুল্লাহ হিল রাকিব এর ১ম মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে স্মরণসভা রবিবার (১৪ জুন) বিশ্ববিদ্যালয়ের মাল্টিপারপাস হলে অনুষ্ঠিত হয়।

এতে শ্রদ্ধা নিবেদন, স্মৃতিচারণ ও তার রুহের মাগফিরাত কামনায় বিশেষ দোয়া করা হয়। স্মৃতিচারণ করেন বিশ্ববিদ্যালয়ের বোর্ড অব ট্রাস্টিজের চেয়ারম্যান জনাব ফারুক হাসান। তিনি আব্দুল্লাহ হিল রাকিবের কর্মনিষ্ঠা, নেতৃত্বগুণ এবং শিল্প উন্নয়নে তার গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকার কথা তুলে ধরেন। 

এছাড়াও কথা বলেন বিইউএফটি বোর্ড অব ট্রাস্টিজের সদস্য মোহাম্মদ নাছির, মশিউল আজম সজল, এপ্লাস গ্রুপের ব্যবস্থাপনা পরিচালক তমিজ উদ্দিন ভুঁইয়া সেলিম, টিম গ্রুপের নির্বাহী পরিচালক ইমতিয়াজ আহমেদ, গ্রুপের সিনিয়র কর্মকর্তা, উপাচার্য, বিজ্ঞান অনুষদের ডিন। 

উপস্থিত ছিলেন জায়ান্ট গ্রুপের পরিচালক শারমিন হাসান, উপ-উপাচার্য, রেজিস্ট্রার, ডিনবৃন্দ, বিভাগীয় প্রধান, শিক্ষক, কর্মকর্তা, কর্মচারী এবং শিক্ষার্থীরা। বক্তারা মরহুম আব্দুল্লাহ হিল রাকিবের আদর্শ, মানবিক গুণাবলি ও কর্মময় জীবন থেকে শিক্ষা গ্রহণের আহ্বান জানান। স্মরণসভা শেষে দোয়া ও মুনাজাত করা হয়।

অন্তরা/

চবিতে সংসদে বক্তব্য নিয়ে মুখোমুখি ছাত্রদল-ছাত্রশিবির

প্রকাশ: ১৫ জুন ২০২৬, ০৯:২০ এএম
আপডেট: ১৫ জুন ২০২৬, ০৯:৫০ এএম
চবিতে সংসদে বক্তব্য নিয়ে মুখোমুখি ছাত্রদল-ছাত্রশিবির
ছবি: খবরের কাগজ

চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে (চবি) হিজাব ইস্যুতে জাতীয় সংসদে দেওয়া এক বক্তব্যের প্রতিবাদ এবং ছাত্রশিবিরের বিরুদ্ধে উত্থাপিত ধর্ষণ ও ‘গুমের নাটক’ সংক্রান্ত অভিযোগকে কেন্দ্র করে পৃথক কর্মসূচি পালন করেছে শাখা ছাত্রদল ও ছাত্রশিবির। এ সময় বিশ্ববিদ্যালয়ের স্মরণ চত্বর (জিরো পয়েন্ট) এলাকায় মুখোমুখি অবস্থান নিয়ে পাল্টাপাল্টি স্লোগান দেন উভয় সংগঠনের নেতাকর্মীরা।

রবিবার (১৪ জুন) রাত ১০টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রধান ফটক সংলগ্ন স্মরণ চত্বর (জিরো পয়েন্টে) এ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়।

কেন্দ্রীয় কর্মসূচির অংশ হিসেবে ছাত্রশিবিরের বিরুদ্ধে ‘গুম ও অপহরণের নাটক সাজানোর’ অভিযোগ তুলে বিক্ষোভ মিছিল করে শাখা ছাত্রদল। মিছিলটি জিরো পয়েন্ট থেকে শুরু হয়ে সোহরাওয়ার্দী মোড় প্রদক্ষিণ করে পুনরায় জিরো পয়েন্টে এসে শেষ হয়।

এ সময় নেতাকর্মীরা ‘জামাত-শিবির ধর্ষক, ধর্ষক’, ‘ধর্ষকদের কালো হাত ভেঙে দাও, গুঁড়িয়ে দাও’, ‘ধর্ষকদের আস্তানা, জ্বালিয়ে দাও, গুঁড়িয়ে দাও’সহ বিভিন্ন স্লোগান দেন।

মিছিল শেষে সংক্ষিপ্ত সমাবেশে শাখা ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক আব্দুল্লাহ আল নোমান বলেন, ‘আমরা সহাবস্থান চাই, তবে কোনো ধর্ষককে মেনে নেব না। সাধারণ শিক্ষার্থীদের সঙ্গে নিয়ে আমরা এসব অপকর্মের বিরুদ্ধে প্রতিরোধ গড়ে তুলব। দেশের কোথাও ধর্ষকদের অবস্থান মেনে নেওয়া হবে না।’

এদিকে বিএনপির সংসদ সদস্য মনিরুল হক চৌধুরীর হিজাব ও পর্দা নিয়ে দেওয়া বক্তব্যের প্রতিবাদে বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ করে শাখা ছাত্রশিবির। কর্মসূচিতে নেতাকর্মীরা ‘হিজাব নারীর অধিকার’, ‘গদি হবে খানখান, হিজাব নিয়ে দিলে টান’, ‘মনিরের দুই গালে, জুতা মারো তালে তালে’সহ প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে নিয়ে অশোভনীয় স্লোগান দেন।

সমাবেশে চবি শাখা ছাত্রশিবিরের সভাপতি ইব্রাহীম হোসেন রনি বলেন, ‘জাতীয় সংসদের মতো গুরুত্বপূর্ণ স্থানে দাঁড়িয়ে একজন সংসদ সদস্যের হিজাব নিয়ে মন্তব্য অত্যন্ত দুঃখজনক। এ বক্তব্য শুধু বাংলাদেশের মুসলিম নারীদের নয়, বিশ্বের মুসলিম নারীদেরও অনুভূতিতে আঘাত করেছে। আমরা এই বক্তব্য প্রত্যাহারের দাবি জানাই।’

তিনি আরও বলেন, 'আমরা বিশ্ববিদ্যালয়ে সহাবস্থানের রাজনীতি চাই। মতপ্রকাশের স্বাধীনতা থাকতে পারে, তবে কারও ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাত করে বক্তব্য দেওয়া গ্রহণযোগ্য নয়।’

এ সময় শাখা ছাত্রশিবিরের আন্তর্জাতিক ও মানবাধিকার সম্পাদক সাঈদ বিন হাবিবও বক্তব্য দেন। তিনি ছাত্রদলের বিভিন্ন কর্মকাণ্ডের সমালোচনা করে তাদের ‘সংযত আচরণ’ করার আহ্বান জানান।

অন্যদিকে ছাত্রদলের পক্ষ থেকে বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন আবাসিক হলে অতীতে অবৈধভাবে সিট বণ্টনের অভিযোগ তুলে তা বাতিলের দাবি জানানো হয়। দাবি বাস্তবায়ন না হলে কঠোর কর্মসূচিরও হুঁশিয়ারি দেন সংগঠনটির নেতারা।

পাল্টাপাল্টি কর্মসূচিকে কেন্দ্র করে কিছু সময়ের জন্য জিরো পয়েন্ট এলাকায় উত্তেজনা তৈরি হলেও শেষ পর্যন্ত কোনো অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটেনি।

আল আরাফ/থিও/