ঢাকা ২ আষাঢ় ১৪৩৩, মঙ্গলবার, ১৬ জুন ২০২৬

সর্বশেষ
আত্মঘাতী গোলে বেলজিয়ামের বিপক্ষে জয়বঞ্চিত মিসর ২৬ বছরে অভিষেক, বিশ্বকাপে স্পেনকে স্তব্ধ করে দেওয়া কে এই গোলরক্ষক? প্রথমার্ধে বেলজিয়ামের বিপক্ষে এগিয়ে মিসর বিশ্বকাপ ইতিহাসে নাম লেখালেন ভোজিনিয়া-ইয়ামাল শক্তিশালী স্পেনকে রুখে দিল নবাগত কেপ ভার্দে বিশ্বকাপ অভিষেকে রেকর্ড গড়ল কেপ ভার্দে দুই ছেলের নামে ২ ইউনিয়নের নামকরণ নিয়ে যা জানালেন স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রী মানবিক রাষ্ট্র গঠনে গণমাধ্যমের সহযোগিতা চান প্রধানমন্ত্রী প্রথমার্ধে স্পেনকে আটকে দিল কেপ ভার্দে চট্টগ্রামে মেরিন সার্ভেয়ারদের প্রশিক্ষণ কর্মশালা অনুষ্ঠিত মতলবে বৃদ্ধকে পিটিয়ে হত্যার প্রধান আসামি গ্রেপ্তার ইরান-যুক্তরাষ্ট্র চুক্তিকে স্বাগত জানাল বাংলাদেশ যুক্তরাজ্যে ১৬ বছরের নিচে সামাজিক মাধ্যম ব্যবহার নিষিদ্ধ বিশ্বকাপে শুরুতেই বড় হার, ম্যাচ শেষ হতেই কোচ বরখাস্ত নবজাতকের মরদেহ টানাটানি করছিল কুকুর, উদ্ধার করল পুলিশ গোপালগঞ্জে যৌতুকের জন্য স্বামীর হাতে স্ত্রী খুন হুইলচেয়ারে মাঠ ছাড়লেন কুবো, জাপান শিবিরে উদ্বেগ মৌলভীবাজারে তিন মাসের ভোগান্তির পর চিকিৎসাসেবা পেল চা-বাগানবাসী শার্শায় প্রবাসীর স্ত্রীকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণ, গ্রেপ্তার ৩ যানবাহন নিয়ন্ত্রণে চট্টগ্রামেও বসবে এআই ক্যামেরা: চসিক মেয়র স্পেনের একাদশে নেই ইয়ামাল ‘অন্তর্বর্তী সরকারের অদক্ষতা ও অব্যবস্থাপনায় কাঙ্ক্ষিত জন প্রত্যাশা পূরণ হয়নি’ রাজশাহীকে বাসযোগ্য ও দুর্নীতিমুক্ত শহর গড়ার প্রত্যয় আরডিএ’র নতুন চেয়ারম্যানের কর্মমুখী দক্ষতা অর্জনই হোক অর্থনৈতিক রূপান্তরের শক্তি শ্রমিকদের ‘চাকরি’ স্থায়ী করুন রাজনীতিকে সরল সমীকরণে দেখা যায় না ইস্তিগফারের এমন ক্ষমতা জানলে আপনি অবাক হবেন ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় সালিশ বৈঠকে প্রতিপক্ষের হামলায় শ্রমিক দল নেতা নিহত জেএমআই ইন্ডাস্ট্রিয়াল পার্ক পরিদর্শন করলেন প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ সহকারী পর্তুগালের পতাকা টানাতে গিয়ে বিদ্যুৎস্পৃষ্টে কিশোর আইসিইউতে
Nagad desktop

রূপায়ণ সিটির ব্র্যান্ড অ্যাম্বাসেডর হলেন সাকিব আল হাসান

প্রকাশ: ২৮ মার্চ ২০২৪, ০৮:০৫ পিএম
রূপায়ণ সিটির ব্র্যান্ড অ্যাম্বাসেডর হলেন সাকিব আল হাসান
ছবি : বিজ্ঞপ্তি

দেশের আবাসন খাতের প্রথম সিটি ব্র্যান্ড রূপায়ণ সিটি ও ক্রিকেটের ব্র্যান্ড সাকিব আল হাসান এবার হয়েছেন জুটিবদ্ধ। রূপায়ণ সিটির ব্র্যান্ড অ্যাম্বাসেডর হয়েছেন জাতীয় ক্রিকেট দলের সাবেক এই অধিনায়ক।

বৃহস্পতিবার (২৮ মার্চ) সকালে রূপায়ণ সিটি উত্তরার স্কাই ভিলা লাউঞ্জে এক অনুষ্ঠানের মাধ্যমে রূপায়ণ সিটির সঙ্গে চুক্তিবদ্ধ হন সাকিব। রূপায়ণ সিটির পক্ষে সিইও এম মাহবুবুর রহমান চুক্তি স্বাক্ষর করেন।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন রূপায়ণ গ্রুপের কো-চেয়ারম্যান মাহির আলী খাঁন রাতুল, উপদেষ্টা ক্যাপ্টেন পি জে উল্লাহ (অব.),  চিফ অপরেটিং অফিসার ব্রিগেডিয়ার সালাহউদ্দীন (অব.), সিবিও (আরসিইউ) রেজাউল হক লিমন, সিবিও (ম্যাক্সাস) গৌতম তরফদারসহ প্রতিষ্ঠানের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা।

চুক্তি স্বাক্ষর শেষে রূপায়ণ সিটি ঘুরে দেখেন সাকিব। এ সময় তিনি বলেন, ‘একদমই ব্যতিক্রম এখানকার পরিবেশ। কারণ খেলাধুলার জায়গা আছে, বাচ্চাদের জন্য নিরাপদ। বয়স্কদের জন্য আছে হাঁটা-চলার পৃথক রাস্তা। যা ঢাকার অন্যান্য জায়গায় বড়ই অভাব। এখানকার পরিবেশ যে কাউকে মুগ্ধ করে তুলবে। আমি জানি না ক্রিকেটারদের কেউ রূপায়ণ সিটিতে থাকেন কি না। যদি না থাকেন তাহলে তারা এদিকে আসতে পারে।’ রূপায়ণ সিটির ব্র্যান্ড অ্যাম্বাসেডরের দায়িত্ব পালনের পাশাপাশি বিভিন্ন প্রচারণামূলক কাজে অংশ নেবেন বলেও জানান তিনি।

দেশের গেটেড কমিউনিটির ধারণাতে ‘ব্রেক দ্য স্কয়ার ফিট স্টোরি’- এই দর্শনের মাধ্যমে নতুন মাত্রা দিয়েছে রূপায়ণ সিটি। যার মাধ্যমে এসেছে প্রিমিয়াম মেগা গেটেড কমিউনিটি- রূপায়ণ সিটি উত্তরা। যেখানে আছে রূপায়ণ স্কাই ভিলা, ম্যাক্সাস- দ্য মল অব বাংলাদেশ এবং নেক্সট জেনারেশন স্মার্ট সিটি ‘নর্থ সাউথ সিটি’।

বিজ্ঞপ্তি/সালমান/

জেএমআই ইন্ডাস্ট্রিয়াল পার্ক পরিদর্শন করলেন প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ সহকারী

প্রকাশ: ১৫ জুন ২০২৬, ০৯:০০ পিএম
জেএমআই ইন্ডাস্ট্রিয়াল পার্ক পরিদর্শন করলেন প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ সহকারী
ছবি: বিজ্ঞপ্তি

দেশের অন্যতম শীর্ষস্থানীয় ওষুধ ও চিকিৎসা সরঞ্জাম উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠান জেএমআই গ্রুপের মালিকানাধীন ‘জেএমআই ইন্ডাস্ট্রিয়াল পার্ক’ পরিদর্শন করেছেন প্রধানমন্ত্রীর স্বাস্থ্য বিষয়ক বিশেষ সহকারী (প্রতিমন্ত্রী মর্যাদা) ড. এস এম জিয়াউদ্দিন হায়দার।

বুধবার (১০ জুন) সকালে মুন্সীগঞ্জের গজারিয়া উপজেলার ভবেরচর ইউনিয়নের ভিটিকান্দি এলাকায় অবস্থিত শিল্প পার্কটি পরিদর্শনের সময় তিনি দেশের স্বাস্থ্যসেবায় জেএমআই গ্রুপের অনবদ্য অবদানের ভূয়সী প্রশংসা করেন 

জেএমআই ইন্ডাস্ট্রিয়াল পার্ক পরিদর্শনকালে ড. এস এম জিয়াউদ্দিন হায়দারকে উষ্ণ অভর্থ্যনা জানান জেএমআই গ্রুপের প্রতিষ্ঠাতা ও ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. আবদুর রাজ্জাক।

পরিদর্শন দলে অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন, মুন্সীগঞ্জ-৩ (সদর-গজারিয়া) আসনের সংসদ সদস্য মো. কামরুজ্জামান, মুন্সীগঞ্জ জেলার পুলিশ সুপার (এসপি) মেনহাজুল আলম, স্থানীয় সরকার বিভাগের উপ-পরিচালক মৌসুমী মাহবুব, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সদর সার্কেল) ইমরান আহম্মেদ, গজারিয়া উপজেলা ভারপ্রাপ্ত নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) হামিদা মুস্তফা এবং গজারিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) হাসান আলী।

পরিদর্শন শেষে অনুষ্ঠিত এক মতবিনিময় সভায় জেএমআই গ্রুপের পক্ষ থেকে বিভিন্ন চলমান কার্যক্রম, উৎপাদন সক্ষমতা বৃদ্ধি, আধুনিক প্রযুক্তির ব্যবহার এবং ভবিষ্যৎ সম্প্রসারণ সংক্রান্ত পরিকল্পনা তুলে ধরা হয়।

এ সময় জেএমআই গ্রুপের প্রতিষ্ঠাতা ও ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. আবদুর রাজ্জাক জানান, দেশের স্বাস্থ্যখাতের অন্যতম প্রতিশ্রুতিশীল একটি নাম জেএমআই। ১৯৯৯ সালে মাত্র ৫০ জন কর্মী আর তিন ধরণের পণ্য উৎপাদন দিয়ে ব্যবসা শুরু করে বর্তমানে জেএমআই গ্রুপের বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে মোট কর্মী সংখ্যা সাড়ে আট হাজার ছাড়িয়েছে। জেএমআই গ্রুপের অধীনে বর্তমানে ওষুধ ও চিকিৎসা সরঞ্জাম উৎপাদন, বিপণন, স্বাস্থ্যসেবা, আবাসন, মুদ্রণ, শিল্পজাত গ্যাস, এলপিজি, এলপিজি সিলিন্ডার ও অটো ট্যাংক তৈরিসহ নানা খাতে মোট ৪২টি শিল্প-প্রতিষ্ঠান রয়েছে। ২৬ বছরের দীর্ঘ যাত্রায় জেএমআই গ্রুপের বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে জাপান, দক্ষিণ কোরিয়া, থাইল্যান্ড, তুরস্ক ও চীন থেকে এসেছে সরাসরি বিদেশি বিনিয়োগ (এফডিআই)। এই মুহূর্তে জেএমআই গ্রুপের আওতাধীন আমাদের বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে ৪০০টিরও বেশি ধরনের চিকিৎসা সরঞ্জাম এবং স্বাস্থ্যসেবা পণ্য উৎপাদন হচ্ছে, যার মধ্যে অন্তত ৫০টিই বাংলাদেশে প্রথমবারের মতো প্রস্তুতকৃত। উৎপাদিত এসব পণ্য নিয়মিত রপ্তানি হচ্ছে এশিয়া, ইউরোপ, মধ্যপ্রাচ্য, দক্ষিণ আমেরিকা এবং আফ্রিকাসহ বিশ্বের ৪০টিরও বেশি দেশে।

তিনি আরও বলেন, ‘‘দেশ ও মানুষের কল্যাণে অবিচল থেকে আমরা ব্যবসা সম্প্রসারণ করে যাচ্ছি। দেশের মানুষের জন্যে উন্নত স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিতে আমাদের এ যাত্রা সামনের দিনগুলোতেও অব্যাহত থাকবে ইনশাআল্লাহ্‌।”

মতবিনিময় সভায় প্রধানমন্ত্রীর স্বাস্থ্য বিষয়ক বিশেষ সহকারী (প্রতিমন্ত্রী মর্যাদা) ড. এস এম জিয়াউদ্দিন হায়দার বলেন, “দীর্ঘদিন ধরে দেশের ওষুধ ও চিকিৎসা সরঞ্জাম খাতে জেএমআই গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে আসছে। তাদের আধুনিক উৎপাদন ব্যবস্থা, সুশৃঙ্খল কর্মপরিবেশ এবং মানসম্মত পণ্য উৎপাদনের প্রচেষ্টা অত্যন্ত প্রশংসনীয়।”

জেএমআই ইন্ডাস্ট্রিয়াল পার্কের সার্বিক কার্যক্রম ও ব্যবস্থাপনা নিয়ে সন্তোষ জানিয়ে তিনি আশা প্রকাশ করেন যে, আন্তর্জাতিক মান বজায় রেখে প্রতিষ্ঠানটি দেশেই বিশ্বমানের চিকিৎসা সরঞ্জাম উৎপাদন, কর্মসংস্থান সৃষ্টি তথা সামগ্রিক অর্থনীতি ও স্বাস্থ্যসেবায় ভবিষ্যতে আরও অবদান রাখবে।

বিজ্ঞপ্তি/নাঈম

সোনালী লাইফের ‘M.G.Q Leaders Club Awards Program 2024-2025’ অনুষ্ঠিত

প্রকাশ: ১৫ জুন ২০২৬, ০৮:৪৫ পিএম
সোনালী লাইফের ‘M.G.Q Leaders Club Awards Program 2024-2025’ অনুষ্ঠিত
ছবি: বিজ্ঞপ্তি

সোনালী লাইফ ইন্স্যুরেন্স পিএলসি.-এর শীর্ষ পারফর্মারদের অসামান্য অর্জন, নেতৃত্ব ও অবদানের স্বীকৃতি প্রদান উপলক্ষ্যে রাজধানীর ইন্টারন্যাশনাল কনভেনশন সিটি বসুন্ধরাতে (আইসিসিবি) অনুষ্ঠিত হয়েছে বহুল প্রতীক্ষিত ‘M.G.Q Leaders Club Awards Program 2024-2025’।

সোনালী লাইফের পরিচালনা পর্ষদ ও ব্যবস্থাপনা কর্তৃপক্ষের উদ্যোগে আয়োজিত এ বর্ণাঢ্য অনুষ্ঠানটি উৎসর্গ করা হয় প্রতিষ্ঠানের স্বপ্নদ্রষ্টা, অভিভাবক ও প্রতিষ্ঠাতা প্রয়াত মোস্তফা গোলাম কুদ্দুস (M.G.Q.)-এর স্মৃতির প্রতি, যার দূরদর্শী নেতৃত্ব ও কর্ম দর্শন আজও প্রতিষ্ঠানটির অগ্রযাত্রার প্রেরণার উৎস।

সোনালী লাইফ ইন্স্যুরেন্স পিএলসি.-এর চেয়ারম্যান জনাব মঈনুল ইসলামের সভাপতিত্বে এবং কোম্পানির ভারপ্রাপ্ত মুখ্য নির্বাহী কর্মকর্তা জনাব মো. রফিকুল ইসলামের সার্বিক তত্বাবধানে উক্ত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয় ও ভূমি মন্ত্রণালয়ের মাননীয় প্রতিমন্ত্রী জনাব মীর মোহাম্মদ হেলাল উদ্দিন, এমপি।

অনুষ্ঠানে পরিচালনা পর্ষদের সদস্যবৃন্দ, ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাবৃন্দ এবং দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে আগত লিডার্স ক্লাব অর্জনকারী ব্রাঞ্চ ম্যানেজার, ইউনিট ম্যানেজার ও ফিন্যান্সিয়াল অ্যাসোসিয়েটগণ অংশগ্রহণ করেন। এ উপলক্ষ্যে কৃতী কর্মীদের সম্মাননা প্রদান, অনুপ্রেরণামূলক বক্তব্য ও সাংস্কৃতিক পরিবেশনার আয়োজন করা হয়।

‘Leaders Club Awards Program’ সোনালী লাইফের অন্যতম মর্যাদাপূর্ণ বার্ষিক আয়োজন, যা কর্মীদের মধ্যে উৎকর্ষ, নেতৃত্ব ও সাফল্যের নতুন অনুপ্রেরণা জাগিয়ে তোলে।

উৎসবমুখর এ আয়োজনে সোনালী লাইফের সাম্প্রতিক সাফল্যসমূহ উদযাপন করা হয়। ২০২৫ সালের সর্বশেষ পরিসংখ্যান অনুযায়ী, বাংলাদেশে কার্যরত সকল জীবন বিমা কোম্পানির মধ্যে প্রিমিয়াম আয়ে সোনালী লাইফ ৫ম স্থান অর্জন করেছে, যার পরিমাণ ৮৬৫.৮৭ কোটি টাকা। একই সঙ্গে নবায়ন প্রিমিয়াম আয়ে ৫ম স্থান অর্জন করে প্রতিষ্ঠানটি, যেখানে আয় হয়েছে ৫৪১.২৪ কোটি টাকা।

এ ছাড়া দাবি পরিশোধে ৬ষ্ঠ স্থান অর্জন করে সোনালী লাইফ, যেখানে মোট ৪০৫.১৫ কোটি টাকা গ্রাহকদের দাবি পরিশোধ করা হয়েছে। এটি গ্রাহকদের প্রতি প্রতিষ্ঠানের অঙ্গীকার ও আস্থার প্রতিফলন।

অন্যদিকে, লাইফ ফান্ডে ৭ম স্থান অর্জন করে প্রতিষ্ঠানটির তহবিলের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ৮৯২.৯৭ কোটি টাকা। পাশাপাশি ৬৭৫.৪৫ কোটি টাকার বিনিয়োগ নিয়ে দেশের শীর্ষ ১০ জীবন বিমা প্রতিষ্ঠানের মধ্যে নিজেদের অবস্থান ধরে রেখেছে সোনালী লাইফ।

এসব অর্জন সোনালী লাইফের আর্থিক সক্ষমতা, সুশাসন, কার্যকর ব্যবস্থাপনা এবং দেশের লাখো পলিসিধারীর আস্থার সুস্পষ্ট প্রতিফলন।

“এম.জি.কিউ লিডার্স ক্লাব অ্যাওয়ার্ডস প্রোগ্রাম ২০২৪-২০২৫” সফল আয়োজনের মধ্য দিয়ে সোনালী লাইফ ইন্স্যুরেন্স পিএলসি আবারও প্রমাণ করেছে যে, কর্মদক্ষতা ও নেতৃত্বের যথাযথ মূল্যায়নের মাধ্যমে প্রতিষ্ঠানটি একটি অনুপ্রাণিত, দক্ষ এবং ভবিষ্যৎমুখী কর্মীবাহিনী গড়ে তুলতে বদ্ধপরিকর।

বিজ্ঞপ্তি/নাঈম

বাউয়েটের ২৩তম সিন্ডিকেট সভা অনুষ্ঠিত

প্রকাশ: ১৫ জুন ২০২৬, ০৮:৩৭ পিএম
বাউয়েটের ২৩তম সিন্ডিকেট সভা অনুষ্ঠিত
ছবি: বিজ্ঞপ্তি

বাংলাদেশ আর্মি ইউনিভার্সিটি অব ইঞ্জিনিয়ারিং অ্যান্ড টেকনোলজি (বাউয়েট)-এর ২৩তম সিন্ডিকেট সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

সোমবার (১৫ জুন) বিশ্ববিদ্যালয়ের মাননীয় উপাচার্য ব্রিগেডিয়ার জেনারেল এস এম লুৎফর রহমানের সভাপতিত্বে সিন্ডিকেট কক্ষে সভাটি অনুষ্ঠিত হয়।

উক্ত সভায় ২২তম সিন্ডিকেট সভার কার্যবিবরণী নিশ্চিতকরণ, একাডেমিক কাউন্সিলের ২৮তম সভার সিদ্ধান্ত ও সুপারিশসমূহ অনুমোদন, অর্থ কমিটির ২৬তম সভার কার্যবিবরণীর সুপারিশসমূহ অনুমোদন, ২২তম শৃঙ্খলা কমিটি সভার সুপারিশসমূহের অনুমোদনসহ গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত অনুমোদিত হয়।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন আর্মি ওয়েলফেয়ার ট্রাস্ট (এডুকেশন ডিভিশন)-এর পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মো. আনিছুর রহমান, এনডিসি, এএফডব্লিউসি, পিএসসি (অব.), বিশ্ববিদ্যালয়ের ট্রেজারার কর্ণেল মো. শওকত হুসেন, পিএসসি (অব.), এরিয়া সদর দপ্তর, বগুড়া সেনানিবাসের কর্নেল অ্যাডমিন, কর্নেল আবু রেজা মোহাম্মদ নাসিরউদ্দীন একরাম, বিজিবিএম, পিএসসি, রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের লোক প্রশাসন বিভাগের প্রফেসর ড. প্রণব কুমার পান্ডে, বাউয়েট এর সায়েন্স অ্যান্ড হিউম্যানিটিস ও আইন অনুষদের ডিন প্রফেসর ড. মো. সাজ্জাদ হোসেন, ইসিই অনুষদের ডিন প্রফেসর মোহাম্মদ গোলাম সরওয়ার ভূঁঞা এবং ভারপ্রাপ্ত রেজিস্ট্রার ও সদস্য সচিব মেজর মো. মনজিনুল মুবীন (অব.)।

এ ছাড়া উক্ত সভায় অনলাইনে যুক্ত ছিলেন, শিক্ষা মন্ত্রণালয় কর্তৃক মনোনীত সদস্য মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগের যুগ্মসচিব (সরকারি মাধ্যমিক অধিশাখা) তরফদার মো. আক্তার জামীল এবং পরিচালক কল্যাণ ও পুনর্বাসন পরিদপ্তর (এমডি, এডব্লিউটি) এর প্রতিনিধি লে. কর্নেল মোহাম্মদ রাশেদুল হাসান রাহাত, পিএসসি।

বিজ্ঞপ্তি/নাঈম

বৈশ্বিক চিকিৎসাসেবায় বেক্সিমকো ফার্মার নতুন মাইলফলক

প্রকাশ: ১৫ জুন ২০২৬, ০৬:৫৮ পিএম
আপডেট: ১৫ জুন ২০২৬, ০৭:০০ পিএম
বৈশ্বিক চিকিৎসাসেবায় বেক্সিমকো ফার্মার নতুন মাইলফলক
বাংলাদেশের রোগী ছয় বছর বয়সী আদিলুর রহমানের হাতে সিএফ-এর ওষুধ তুলে দিচ্ছেন বেক্সিমকো ফার্মাসিউটিক্যালসের সিওও রাব্বুর রেজা। ছবি: বিজ্ঞপ্তি

বিরল ও প্রাণঘাতী সিস্টিক ফাইব্রোসিস (সিএফ) রোগীদের জন্য সাশ্রয়ী মূল্যে জেনেরিক ওষুধ সরবরাহ শুরু করেছে বেক্সিমকো ফার্মাসিউটিক্যালস পিএলসি।

সোমবার (১৫ জুন) রাজধানীর অদূরে টঙ্গীতে প্রতিষ্ঠানটির কারখানা প্রাঙ্গণে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য এবং সাউথ আফ্রিকাসহ ছয়টি দেশের রোগী ও তাদের প্রতিনিধিদের হাতে ওষুধটি আনুষ্ঠানিকভাবে হস্তান্তর করা হয়।

অনুষ্ঠানে যুক্তরাজ্যভিত্তিক অ্যাডভোকেসি গ্রুপ ‘রাইট টু ব্রিদ’-এর প্রতিনিধিসহ বাংলাদেশের শীর্ষস্থানীয় গণমাধ্যমকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

বেক্সিমকো ফার্মা ‘ট্রিকো’ নামে ইলেক্সাক্যাফটর, টেজাক্যাফটর ও আইভাক্যাফটরের সমন্বয়ে তৈরি ওষুধ বাজারে এনেছে। এটি যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক ভার্টেক্স ফার্মাসিউটিক্যালস-এর উদ্ভাবিত ‘ট্রিকাফটা’-এর জেনেরিক সংস্করণ।

প্রতিষ্ঠানটি বলছে, এই উদ্যোগের মাধ্যমে জীবনরক্ষাকারী অত্যন্ত ব্যয়বহুল এ ওষুধটি বিশ্বের হাজারো সিস্টিক ফাইব্রোসিস রোগীর জন্য সাশ্রয়ী মূল্যে পাওয়া যাবে।

সিস্টিক ফাইব্রোসিস রোগে আক্রান্ত শিশুদের অভিভাবকদের একটি জোটের পক্ষ থেকে ২০২৫ সালের ২৩ অক্টোবর ওয়াশিংটনের সিয়াটলে অনুষ্ঠিত নর্থ আমেরিকান সিস্টিক ফাইব্রোসিস কনফারেন্সে (এনএসিএফসি) এই উদ্যোগটি সর্বসমক্ষে ঘোষণা করা হয়। আজকের এই অনুষ্ঠানটি বেক্সিমকো ফার্মার সেই প্রতিশ্রুতি পূরণের অংশ।

সিস্টিক ফাইব্রোসিস একটি বিরল কিন্তু প্রাণঘাতী বংশগত রোগ। এতে ফুসফুস ও পরিপাকতন্ত্রে ঘন শ্লেষ্মা জমে শ্বাসপ্রশ্বাসের স্বাভাবিক কার্যক্রম ব্যাহত করে। এখন পর্যন্ত, এই রোগে আক্রান্ত অধিকাংশ রোগীই মারা গেছেন। বর্তমানে বিশ্বে প্রায় ১ লাখ ৬০ হাজার মানুষ এ রোগে আক্রান্ত বলে ধারণা করা হয়। আরও প্রায় ৮০ হাজার রোগী শনাক্ত হয়নি, যাদের ৮২ শতাংশই নিম্ন ও মধ্যম আয়ের দেশে বসবাস করে।
ট্রিকাফটা সিস্টিক ফাইব্রোসিস চিকিৎসায় বৈপ্লবিক পরিবর্তন এনেছে এবং রোগীদের আয়ু বৃদ্ধিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে। তবে যুক্তরাষ্ট্রে ওষুধটির মাধ্যমে বার্ষিক চিকিৎসা ব্যয় ৩ লাখ ৭০ হাজার মার্কিন ডলার হওয়ায় অধিকাংশ রোগীর জন্য এটি নাগালের বাইরে রয়ে গেছে। এমনকি পেটেন্ট সুরক্ষার কারণে এখন পর্যন্ত এর কোনো জেনেরিক সংস্করণ নেই।

বিশ্ব বাণিজ্য সংস্থার ট্রিপস চুক্তি অনুযায়ী, বাংলাদেশসহ এলডিসিভুক্ত দেশগুলো ওষুধের পেটেন্ট সুরক্ষা কার্যকর করার বাধ্যবাধকতা থেকে অব্যাহতি পায়। এর ফলে বেক্সিমকো ফার্মা আইনগতভাবে পেটেন্টধারী যে কোনো ওষুধের জেনেরিক সংস্করণ উৎপাদন করতে পারে। সিস্টিক ফাইব্রোসিসের এই সাশ্রয়ী চিকিৎসা উদ্যোগও সেই সুযোগের ভিত্তিতেই বাস্তবায়ন করা হয়েছে।

বেক্সিমকো ফার্মার জেনেরিক সংস্করণ ট্রিকোর বার্ষিক মূল্য নির্ধারণ করা হয়েছে প্রাপ্তবয়স্কদের জন্য ১২ হাজার ৭৫০ ডলার এবং শিশুদের জন্য ৬ হাজার ৩৭৫ ডলার, যা মূল ওষুধের যুক্তরাষ্ট্রের তালিকাভুক্ত মূল্যের তুলনায় প্রায় ৯৬ শতাংশ কম। প্রতিষ্ঠানটির হিসাবে, ব্র্যান্ডেড ওষুধে একজন শিশুর চিকিৎসার খরচে ট্রিকোর মাধ্যমে ৫৮ জন শিশুর চিকিৎসা সম্ভব।

এ ছাড়া প্রতিষ্ঠানটি ‘বেক্সডেকো’ নামে আইভাক্যাফটরের জেনেরিক সংস্করণও বাজারে এনেছে। এর দাম নির্ধারণ করা হয়েছে প্রতি ট্যাবলেট ৫ ডলার। 

প্রাথমিক পর্যায়ে ‘সিএফ বায়ার্স ক্লাব’-এর মাধ্যমে নির্দিষ্ট রোগীদের কাছে ওষুধ সরবরাহ করা হবে। পরবর্তীতে উৎপাদন সক্ষমতা বাড়িয়ে বিশ্বজুড়ে চিকিৎসাবঞ্চিত রোগীদের কাছে এ চিকিৎসা পৌঁছে দেওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে। 

‘রাইট টু ব্রিদ’ গ্লোবাল ক্যাম্পেইনের নেত্রী, যুক্তরাজ্যভিত্তিক রোগী অধিকারকর্মী এবং সিস্টিক ফাইব্রোসিসে আক্রান্ত এক শিশুর মা গেইল প্লেজার বলেন, ‘জীবনরক্ষাকারী চিকিৎসা পাওয়ার অধিকার প্রতিটি মানুষের মৌলিক মানবাধিকার। কিন্তু উচ্চমূল্যের কারণে বর্তমান যুগান্তকারী ওষুধগুলো বিশ্বের অধিকাংশ সিএফ রোগীর নাগালের বাইরে। মানবিক দৃষ্টিকোণ থেকে রোগী ও অধিকার সংগঠনগুলোর আহ্বানে সাড়া দিয়ে বেক্সিমকো ফার্মা প্রশংসনীয় উদ্যোগ নিয়েছে।’

বেক্সিমকো ফার্মার প্রধান পরিচালন কর্মকর্তা (সিওও) রাব্বুর রেজা বলেন, ‘বেক্সিমকো ফার্মা সবসময়ই রোগীদের অপূর্ণ চিকিৎসা চাহিদা পূরণে কাজ করে আসছে, বিশেষ করে যেসব রোগের ক্ষেত্রে কার্যকর চিকিৎসার সুযোগ অত্যন্ত সীমিত। এই অর্থবহ উদ্যোগের অংশ হতে পেরে আমরা অত্যন্ত গর্বিত। আমাদের বিশ্বাস, এই জীবনরক্ষাকারী চিকিৎসা সহজলভ্য হওয়ায় সিস্টিক ফাইব্রোসিসে আক্রান্ত হাজারো রোগীর জীবনে বৈপ্লবিক পরিবর্তন আসবে, যারা এতদিন উচ্চ চিকিৎসা ব্যয়ের কারণে প্রয়োজনীয় চিকিৎসা থেকে বঞ্চিত ছিলেন।’

বিজ্ঞপ্তি/নাঈম

অ্যামচেমের নতুন সভাপতি সৈয়দ মোহাম্মদ কামাল, সহসভাপতি আলা উদ্দিন

প্রকাশ: ১৫ জুন ২০২৬, ০৩:৩৯ পিএম
অ্যামচেমের নতুন সভাপতি সৈয়দ মোহাম্মদ কামাল, সহসভাপতি আলা উদ্দিন
সৈয়দ মোহাম্মদ কামাল ও আলা উদ্দিন আহমদ

আমেরিকান চেম্বার অব কমার্স ইন বাংলাদেশ (অ্যামচ্যাম) রাজধানীর বনানীতে অবস্থিত শেরাটন ঢাকার গ্র্যান্ড বলরুমে ২০২৬–২০২৮ মেয়াদের নবনির্বাচিত নির্বাহী কমিটির অভিষেক ও দায়িত্ব গ্রহণ অনুষ্ঠানের আয়োজন করেছে। এর মাধ্যমে যুক্তরাষ্ট্র ও বাংলাদেশের ব্যবসায়িক সম্পর্ক এবং এই ক্ষেত্রের নেতৃত্বকে এগিয়ে নেওয়ার ক্ষেত্রে নতুন অধ্যায়ের সূচনা হয়েছে।

নবনির্বাচিত নির্বাহী কমিটির নেতৃত্বে রয়েছেন মাস্টারকার্ড বাংলাদেশের ভাইস প্রেসিডেন্ট সৈয়দ মোহাম্মদ কামাল, যিনি সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করেছেন। সহ-সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব নিয়েছেন মেটলাইফ বাংলাদেশের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা আলা উদ্দিন আহমদ এবং কোষাধ্যক্ষ হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করেছেন ফিলিপ মরিস ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশের ব্যবস্থাপনা পরিচালক রেজা উর রহমান মাহমুদ।

নবনির্বাচিত পদাধিকারীদের বিভিন্ন খাতে দীর্ঘ সময় ধরে নেতৃত্ব দেওয়ার অভিজ্ঞতা রয়েছে। সৈয়দ মোহাম্মদ কামাল আর্থিক সেবা, এফএমসিজি, রেমিট্যান্স ও ডিজিটাল পেমেন্ট খাতে ৩৫ বছরেরও বেশি নেতৃত্বের অভিজ্ঞতা অর্জন করেছেন। তিনি ওয়েস্টার্ন ইউনিয়ন, বার্জার পেইন্টস বাংলাদেশ এবং এসিআই লিমিটেডে গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালন করেছেন।

এছাড়া তিনি পূর্বে অ্যামচ্যাম বাংলাদেশের সহ-সভাপতি এবং ফরেন ইনভেস্টরস চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রি (ফিকি)-এর পরিচালক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। দেশের আর্থিক খাতের অন্যতম একজন শীর্ষস্থানীয় ব্যক্তিত্ব হিসেবে তিনি সুপরিচিত।

আলা উদ্দিন আহমদ এশিয়ার বিভিন্ন দেশে ২৫ বছরেরও বেশি নেতৃত্বের অভিজ্ঞতা অর্জন করেছেন। বৈশ্বিক বিনিয়োগকারীদের অগ্রাধিকারকে বাংলাদেশের অর্থনৈতিক বাস্তবতার সঙ্গে সমন্বয় করে বাণিজ্য ও বিনিয়োগ বৃদ্ধিতে কার্যকর নীতিগত ভূমিকার জন্য তিনি সুপরিচিত। তিনি একজন ফেলো চার্টার্ড অ্যাকাউন্ট্যান্ট এবং সিএএএনজেড-এর সদস্য। অ্যামচ্যাম, ফিকি এবং বাংলাদেশ এমপ্লয়ার্স ফেডারেশন (বিইএফ)-এর নেতৃত্বে তিনি গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালন করেছেন।

রেজা উর রহমান মাহমুদ অর্থনীতি, কৌশল এবং জনসংযোগ বিষয়ে ২২ বছরেরও বেশি অভিজ্ঞতা অর্জন করেছেন। তিনি ডিএইচএল এক্সপ্রেস এবং বাংলালিংকে নেতৃস্থানীয় পর্যায়ে গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালন করেছেন। নীতিগত বিভিন্ন উদ্যোগে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখার পাশাপাশি বাংলাদেশের প্রথম স্মোক-ফ্রি পণ্য উৎপাদন কারখানা প্রতিষ্ঠার পথিকৃৎ হিসেবেও তিনি পরিচিত। তিনি ফেলো চার্টার্ড অ্যাকাউন্ট্যান্ট, চার্টার্ড সেক্রেটারি এবং সিএমএ (অস্ট্রেলিয়া)।

নির্বাহী কমিটির অন্যান্য সদস্যদের মধ্যে রয়েছেন ন্যাটকো বাংলাদেশ লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক আল-মামুন এম. রাশেল, এক্সিলারেট এনার্জি বাংলাদেশের কান্ট্রি ম্যানেজার হাবিব ভূঁইয়া, অ্যাভেরি ডেনিসন বাংলাদেশ ও শ্রীলঙ্কার জেনারেল ম্যানেজার সাজ্জাদ হোসেন এবং শপআপ বাংলাদেশের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা ও সহ-প্রতিষ্ঠাতা আতাউর রহিম চৌধুরী। বিভিন্ন শিল্পখাতের এই নেতৃবৃন্দের সম্মিলিত অভিজ্ঞতা নির্বাহী কমিটির সক্ষমতা ও প্রতিনিধিত্বকে আরও শক্তিশালী করবে।

দায়িত্ব গ্রহণের পর নবনির্বাচিত নির্বাহী কমিটি বাণিজ্য, বিনিয়োগ এবং নীতি প্রবর্তনে সহায়তা জোরদারে অ্যামচ্যামের ভূমিকা আরও শক্তিশালী করার অঙ্গীকার ব্যক্ত করে। তাদের অগ্রাধিকারগুলোর মধ্যে রয়েছে যুক্তরাষ্ট্র–বাংলাদেশ অর্থনৈতিক সম্পর্ক আরও গভীর করা, বাংলাদেশকে একটি আকর্ষণীয় বিনিয়োগ গন্তব্য হিসেবে প্রতিষ্ঠা করা, ইউএস ট্রেড শো পুনরায় চালু করা, সদস্যপদ ও সম্পৃক্ততা বৃদ্ধি, খাতভিত্তিক সাব-কমিটিগুলোকে আরও কার্যকর করা, ভবিষ্যতমুখী নীতিগত সংস্কারকে এগিয়ে নেওয়া এবং সদস্যদের জন্য আরও সহজলভ্য, প্রভাবশালী ও কার্যকর চেম্বার গড়ে তোলা।

বিদায়ী বক্তব্যে অ্যামচ্যামের সাবেক সভাপতি সৈয়দ এরশাদ আহমেদ তার দায়িত্বকালে চেম্বারের প্রাতিষ্ঠানিক অগ্রগতির বিভিন্ন দিক তুলে ধরেন। নবনির্বাচিত নির্বাহী কমিটি তার নেতৃত্ব ও অবদানের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা ও কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করে। পাশাপাশি বিদায়ী নির্বাহী কমিটির সদস্যদেরও তাদের
কার্যক্রম ও অবদানের জন্য সম্মান জানানো হয়।

অনুষ্ঠানে বিদায়ী নির্বাহী কমিটি, নির্বাচন বোর্ড এবং আপিল বোর্ডের সদস্যদের অ্যামচ্যামের সুশাসন, স্বচ্ছতা ও বিশ্বাসযোগ্যতা রক্ষায় তাদের গুরুত্বপূর্ণ অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ স্মারক ক্রেস্ট প্রদান করা হয়।

অনুষ্ঠানে অ্যামচ্যামের সদস্যবৃন্দ, সরকারের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা, যুক্তরাষ্ট্র দূতাবাস ও অন্যান্য কূটনৈতিক মিশনের প্রতিনিধিরা, বিভিন্ন চেম্বার ও করপোরেট প্রতিষ্ঠানের নেতৃবৃন্দ, নীতিমালা-গবেষক, উন্নয়ন সহযোগী এবং গণমাধ্যমকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

বাংলাদেশে নিযুক্ত যুক্তরাষ্ট্রের রাষ্ট্রদূত ব্রেন্ট টি. ক্রিস্টেনসেন অ্যামচ্যামের নতুন নেতৃত্বের প্রতি তার আস্থা ও সমর্থন ব্যক্ত করেন এবং দ্বিপাক্ষিক অর্থনৈতিক সম্পর্ক আরও জোরদারে তাদের সাফল্য কামনা করেন। জনপ্রিয় মার্কিন ও বাংলা গানের পরিবেশনায় এক মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক আয়োজনের মধ্য দিয়ে বিশেষ এই সন্ধ্যার সমাপ্তি ঘটে। এতে দুই দেশের দীর্ঘদিনের বন্ধুত্ব, সাংস্কৃতিক সখ্যতা এবং জনগণের মধ্যে দৃঢ় সম্পর্ক প্রতিফলিত হয়েছে।

আমান/