ঢাকা ২৬ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩, মঙ্গলবার, ০৯ জুন ২০২৬

সর্বশেষ
বেটিং সিন্ডিকেটের বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ান সরকার আ.লীগের কর্মকাণ্ড নিষিদ্ধই রাখতে চায়: তথ্য উপদেষ্টা দুইজনের মৃত্যুর পর ডেঙ্গুর টিকা স্থগিত সুপ্রিম কোর্ট সচিবালয় নিয়ে হাইকোর্টের রায় স্থগিত যুক্তরাষ্ট্রের ইতিহাসে সবচেয়ে বড় নাগরিকত্ব বাতিল অভিযান ট্রাম্প প্রশাসনের লাল বাহাদুর দুধ দিয়ে গোসল করে আর্জেন্টিনা ছেড়ে ব্রাজিল শিবিরে ওজন কমানোর অনুমোদনহীন ওষুধের নতুন ক্রেজ এক লাখ কর্মী পাঠানোর পরিকল্পনায় সম্মতি রাশিয়ার পাঠকের গল্প : বিষ খেতে গিয়ে প্রতারণার শিকার চায়নিজ জামাই চাকরি দেবে রেড ক্রস ও রেড ক্রিসেন্ট প্রধানমন্ত্রীর সভাপতিত্বে চলছে একনেক সভা বাংলাদেশি ব্যবহারকারীদের জন্য ফ্রি গুগল এআই প্রো নিয়ে এল টেকনো ব্রাজিলিয়ানদের সুখবর দিলেন নেইমার রংপুরে ওয়ার্ডভিত্তিক অপরাধচক্র শনাক্তের নির্দেশ আরপিএমপির ফটিকছড়িতে আওয়ামী লীগের লিফলেট তৈরির সময় আটক ২ দেশের ১৬ জেলায় বজ্রবৃষ্টির পূর্বাভাস পড়ে পাওয়া গল্প থেকে ৭টি বহুনির্বাচনি প্রশ্ন ও উত্তর, ১ম পর্ব, অষ্টম শ্রেণির বাংলা হরমুজ প্রণালীর কাছে মার্কিন সেনাবাহিনীর হেলিকপ্টার বিধ্বস্ত ইরান-ইসরায়েলের হামলা বন্ধ হলেও হুমকি চলছে দিনাজপুরে বেড়ার হোটেলে নিম্নমানের খাবারসহ একাধিক অভিযোগ ইরানে হামলা চালালে একাই লড়তে হবে: নেতানিয়াহুকে হুঁশিয়ারি ট্রাম্পের ময়মনসিংহে হাম উপসর্গে আরও ১ শিশুর মৃত্যু বিশ্বকাপ নিয়ে অনারের ক্যাম্পেইন, ফোন-ট্যাবলেটসহ পুরস্কার জেতার সুযোগ বিশ্বকাপের আগে জয়ের ধারায় ফিরল স্পেন ইরান ও হিজবুল্লাহ আগের চেয়েও দুর্বল: নেতানিয়াহু বিশ্ব অ্যাক্রেডিটেশন দিবস আজ প্রযুক্তিনির্ভর শিক্ষায় জোর: বাতিল হতে পারে ৬ বিষয়ে অনার্স কোর্স টিভিতে আজকের খেলা
Nagad desktop

আমতলীতে বহিষ্কৃত বিএনপি নেতার বিরুদ্ধে লুটপাটের অভিযোগে সংবাদ সম্মেলন

প্রকাশ: ৩০ আগস্ট ২০২৪, ০৩:৫৩ পিএম
আপডেট: ৩০ আগস্ট ২০২৪, ০৪:১৫ পিএম
আমতলীতে বহিষ্কৃত বিএনপি নেতার বিরুদ্ধে লুটপাটের অভিযোগে সংবাদ সম্মেলন
ছবি : খবরের কাগজ

বরগুনার আমতলী উপজেলায় দুর্নীতির কারণে বহিষ্কৃত উপজেলা বিএনপির সাবেক আহ্বায়ক জালাল উদ্দিন ফকিরের বিরুদ্ধে লুটপাট, ভাঙচুর, দখল, চাঁদাবাজির অভিযোগ উঠছে।

শুক্রবার (৩০ আগস্ট) সকালে বরগুনা প্রেস ক্লাবে উপজেলা বিএনপির সদস্যসচিব তুহিন মৃধাসহ দলীয় নেতৃবৃন্দরা তার বিরুদ্ধে সংবাদ সম্মেলন করে শাস্তির দাবি করেন।

সদস্যসচিব তুহিন মৃধা তার বক্তব্যে বলেন, '২৮ আগস্ট চলাভাঙ্গায় চায়না কর্তৃক বাস্তবায়নাধীন বিদ্যুতে জালাল উদ্দীনের নেতৃত্বে মিল্টন, মোকলেসসহ তার কয়েকজন সমর্থকের বিরুদ্ধে অভিযোগ পেয়ে তাদের পার্টি অফিসে আসতে বলি। কিছুক্ষণ পর আমরা নেতা-কর্মীদের নিয়ে হাইওয়ে রাস্তায় উঠলে ওরা পরিকল্পিতভাবে চাপাতি, রামদা দিয়ে আমাদের ওপর অতর্কিত হামলা করে। ঘটনাস্থলে আবুল কালাম আজাদ, মিলন আহত হয় এবং একটি মোটরসাইকেল ভেঙে ফেলে।' 

তিনি আরও বলেন, 'এরপর বিকেলে ছুরিকাটা স্ট্যান্ডে জালাল ফকিরের নেতৃত্বে তার ছেলে রাহাত আওয়ামী লীগের কর্মী বাহিনীর সঙ্গে মিলে প্রায় ২০০ লোক নিয়ে আমার ভাই হালিম মৃধাকে এলোপাতাড়িভাবে কোপ দেয়। পরে পল্লিবিদ্যুৎ এলাকায় এসে আমাদের দলীয় নেতা-কর্মীদের ওপর হামলা করে। এতে আমতলী পৌর স্বেচ্ছাসেবক দলের সভাপতি আবু মুছা, কলেজ ছাত্রদলের যুগ্ম আহ্ববায়ক মিজানুর রহমান, চাওড়া ইউনিয়ন ছাত্রদলের সভাপতি রবিউলসহ অনেকে গুরুতর জখম হয়।' 

তিনি আরও বলেন, 'বিগত হাসিনা সরকারের আমলে স্থানীয় আওয়ামী লীগের নেতাদের সঙ্গে যোগসাজশে অবৈধ সুবিধা গ্রহণ করেছে জালাল উদ্দীন। আওয়ামী লীগ নেতা গোলাম ছরোয়ার ফোরকানের কাছ থেকে তিনি দ্বাদশ সংসদ নির্বাচনে মোটা অংকের টাকা নিয়ে তার নির্বাচনে সক্রিয় অংশগ্রহণ করেন। এমনকি আওয়ামী লীগের সঙ্গে হাত মিলিয়ে সুশৃঙ্খল বিএনপিকে ধ্বংস করার পাঁয়তারা চালাচ্ছেন এবং বহিষ্কৃত হওয়ার পর তিনি আরও বেপরোয়া হয়ে ৫ আগস্ট থেকে বিভিন্ন জায়গায় দোকানপাটে ভাঙচুর, হামলা, দখল, চাঁদাবাজি ও লুটপাট করছে। এমন অনৈতিক কর্মকাণ্ডের জন্য আমতলী বিএনপি তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদসহ আইনগত পদক্ষেপ নেওয়া হবে।

সংবাদ সম্মেলনে আমতলী উপজেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক তারিকুল ইসলাম, যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক আমিনুল ইসলাম ও সদস্য সাবেক কাউন্সিলর মো. শামসুল হক প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

এ ব্যাপারে বহিষ্কৃত আমতলী উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক জালাল উদ্দিন ফকিরের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, 'আমার বিরুদ্ধে অভিযোগ পুরোপুরি সত্য না। আমিও আইনগত পদক্ষেপ নেবো।'

মহিউদ্দিন অপু/জেডআই/

রংপুরে ওয়ার্ডভিত্তিক অপরাধচক্র শনাক্তের নির্দেশ আরপিএমপির

প্রকাশ: ০৯ জুন ২০২৬, ১১:৩৯ এএম
আপডেট: ০৯ জুন ২০২৬, ১২:০৬ পিএম
রংপুরে ওয়ার্ডভিত্তিক অপরাধচক্র শনাক্তের নির্দেশ আরপিএমপির
ছবি: খবেরর কাগজ

রংপুর মহানগরীর প্রতিটি ওয়ার্ডে সক্রিয় অপরাধচক্র শনাক্ত করে কঠোর নজরদারির আওতায় আনতে গোয়েন্দা কার্যক্রম জোরদার করার নির্দেশ দিয়েছে রংপুর মেট্রোপলিটন পুলিশ (আরপিএমপি)। একই সঙ্গে চোর, ছিনতাইকারী, চাঁদাবাজ, মাদক ব্যবসায়ীসহ সমাজবিরোধী চক্রগুলোর ওপর তথ্যভিত্তিক নজরদারি বাড়ানোর ওপর বিশেষ গুরুত্বারোপ করা হয়েছে।

সোমবার (৯ জুন) সকাল ৯টায় আরপিএমপির হলরুমে সিটিএসবিতে কর্মরতদের অংশগ্রহণে এক বিশেষ সভা অনুষ্ঠিত হয়।

এতে সভাপতিত্ব করেন উপ-পুলিশ কমিশনার (সিটিএসবি) মো. হাবিবুর রহমান। প্রধান অতিথি ছিলেন রংপুর মেট্রোপলিটন পুলিশ কমিশনার মোহাম্মদ আবদুল মাবুদ।

সভায় মহানগরীর সার্বিক আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি পর্যালোচনা করা হয় এবং ওয়ার্ডভিত্তিক অপরাধপ্রবণ এলাকা চিহ্নিত করে তথ্য সংগ্রহ ও বিশ্লেষণ কার্যক্রমকে আরও গতিশীল করার নির্দেশ দেওয়া হয়।

উপ-পুলিশ কমিশনার (সিটিএসবি) মো. হাবিবুর রহমান বলেন, প্রতিটি পাড়া-মহল্লায় সক্রিয় অপরাধী ও অপরাধচক্র সম্পর্কে নির্ভরযোগ্য তথ্য সংগ্রহ এবং নিয়মিত হালনাগাদ করতে হবে।

তিনি বলেন, সভায় চোর, ছিনতাইকারী, চাঁদাবাজ, মাদক ব্যবসায়ী, ভবঘুরে এবং বিভিন্ন সংঘবদ্ধ অপরাধচক্রের কার্যক্রম নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণের নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি নিষিদ্ধ ঘোষিত রাজনৈতিক দল ও তাদের অঙ্গ-সহযোগী সংগঠনের সাংগঠনিক তৎপরতা, সক্রিয় ও নিষ্ক্রিয় সদস্যদের তথ্য হালনাগাদ করার বিষয়েও গুরুত্বারোপ করা হয়েছে।

উপ-পুলিশ কমিশনার (সিটিএসবি) মো. হাবিবুর রহমান বলেন, প্রতিটি থানার আওতাধীন এলাকায় সার্বিক নজরদারি আরও জোরদার করতে হবে। যেকোনো ঘটনার ক্ষেত্রে তারিখ, সময়, স্থান, ভুক্তভোগীর পরিচয় ও ঘটনার প্রকৃতি সম্পর্কে শতভাগ নির্ভুল তথ্য নিশ্চিত করতে হবে।

সভায় বিশেষভাবে হাজীরহাট থানা এলাকায় সম্প্রতি জমি-জমা সংক্রান্ত বিরোধ বেড়ে যাওয়ায় এ ধরনের ঘটনার কারণ, সংশ্লিষ্ট পক্ষ এবং সম্ভাব্য ঝুঁকি বিশ্লেষণ করে আগাম তথ্য সংগ্রহের নির্দেশনা দেওয়া হয়।

সভায় আরও বলা হয়, আরপিএমপির তথ্যভিত্তিক কার্যক্রমই আইন-শৃঙ্খলা নিয়ন্ত্রণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে। সময়োপযোগী ও নির্ভুল গোয়েন্দা তথ্যের মাধ্যমে অপরাধ দমন, মাদক ও চাঁদাবাজি প্রতিরোধ, অবৈধ দখলমুক্তকরণ এবং জনসাধারণের নিরাপদ চলাচল নিশ্চিত করা সম্ভব হচ্ছে।

পুলিশ কমিশনারের দায়িত্ব গ্রহণের পর থেকে আরপিএমপি বিভিন্ন ক্ষেত্রে উল্লেখযোগ্য সাফল্য অর্জন করেছে বলে সভায় উল্লেখ করা হয়।

এর মধ্যে রয়েছে অ্যাম্বুলেন্স ও হাসপাতাল দালালচক্রের বিরুদ্ধে অভিযান, মাদক ও চাঁদাবাজি প্রতিরোধ, অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ এবং ফুটপাত দখলমুক্ত রাখার কার্যক্রম।
 
অনুষ্ঠানের শেষে পেশাগত দক্ষতা, নিষ্ঠা ও সফল তথ্যভিত্তিক কার্যক্রম পরিচালনাকারী কর্মকর্তা ও সদস্যদের পুরস্কৃত করার ঘোষণা দেওয়া হয়।

সেলিম সরকার/খাদিজা রুমি/

দিনাজপুরে বেড়ার হোটেলে নিম্নমানের খাবারসহ একাধিক অভিযোগ

প্রকাশ: ০৯ জুন ২০২৬, ১১:১০ এএম
আপডেট: ০৯ জুন ২০২৬, ১১:৫৪ এএম
দিনাজপুরে বেড়ার হোটেলে নিম্নমানের খাবারসহ একাধিক অভিযোগ
ছবি: খবরের কাগজ

দিনাজপুর শহরের বালুয়াডাঙ্গা এলাকার পরিচিত রেস্টুরেন্ট ‘বেড়ার হোটেল’-এর বিরুদ্ধে  নিম্নমানের ও দুর্গন্ধযুক্ত খাবার পরিবেশন, অতিরিক্ত দাম, গ্রাহকদের সঙ্গে অসৌজন্যমূলক আচরণ এবং গ্রাহকদের হেনস্তার একাধিক অভিযোগ উঠেছে।

সম্প্রতি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে এ সংক্রান্ত অভিযোগ প্রকাশের পর বিষয়টি নিয়ে ব্যাপক আলোচনা শুরু হয়।

ভুক্তভোগীদের দাবি, হোটেলটিতে পরিবেশিত কিছু খাবারে দুর্গন্ধ পাওয়া গেছে এবং খাবারের মান নিয়ে প্রশ্ন তুললেও কর্তৃপক্ষ সন্তোষজনক কোনো সমাধান দেয়নি। এছাড়া দীর্ঘদিন ধরে গ্রাহকদের সঙ্গে দুর্ব্যবহার ও অস্বাভাবিক মূল্য নেওয়ার অভিযোগও রয়েছে বলে তারা জানান।

ভুক্তভোগী মেহেদী হাসান বলেন, ‘গতকাল রাতে খাবার খেতে গিয়ে গরুর মাংসে দুর্গন্ধ পাই। খাওয়ার সময় আমাদের মনে হয়েছে এটি গরুর মাংস নয়, মহিষের মাংস হতে পারে। বিষয়টি হোটেল কর্তৃপক্ষকে জানালেও তারা গুরুত্ব দেয়নি। বরং আমাদের অভিযোগকে গুরুত্বহীন হিসেবে দেখেছে।’

আরেক ভুক্তভোগী রানা বলেন, ‘আমরা ছয় বন্ধু এক সঙ্গে রাতের খাবার খেতে গিয়েছিলাম। পরিবেশিত মাংস, আলু ভর্তা, সবজি ভর্তাসহ কয়েকটি খাবার ছিল অত্যন্ত নিম্নমানের ও অরুচিকর। পরে মালিককে বিষয়টি জানাতে গেলে তিনি সমাধান না দিয়ে আমাদের সঙ্গে তর্কে জড়িয়ে পড়েন এবং অসৌজন্যমূলক আচরণ করেন।’ 

তিনি আরও বলেন, ‘ঘটনার পর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে একটি পোস্ট দিলে সেখানে শত শত মানুষ একই ধরনের অভিজ্ঞতা মন্তব্যে উল্লেখ করেন। এতে বোঝা যায়, এটি বিচ্ছিন্ন কোনো ঘটনা নয়।’

অভিযোগ রয়েছে, সরকারি চাকরিজীবী, ব্যবসায়ী, শিক্ষার্থীসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ খাবারের মান নিয়ে প্রশ্ন তুললে অনেক সময় তাদের সঙ্গেও অসৌজন্যমূলক আচরণ করা হয়। কেউ প্রতিবাদ করলে হেনস্তার শিকার হওয়ার ঘটনাও ঘটেছে বলে কয়েকজন গ্রাহক দাবি করেছেন।

বেড়ার হোটেলটির মালিক হাসান আলী বলেন, ‘আমি নিজেও ওই রান্না খেয়েছি। আমার কাছে তো কোনো সমস্যা মনে হয়নি। একেকজন মানুষের রুচি একেক রকম। আগে তো কেউ এভাবে অভিযোগ করেনি, এবার আপনারা বলছেন। আরও যদি কয়েকজন অভিযোগ করেন, তাহলে বিষয়টি দেখব।’

তিনি আরও বলেন, ‘সবাইকে খুশি রাখা সম্ভব না। কারও ভালো লাগতে পারে, কারও নাও লাগতে পারে।’

এদিকে বিষয়ে দিনাজপুর জেলা ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের সহকারী পরিচালক বোরহান উদ্দিন বলেন, ‘হোটেলটির বিরুদ্ধে বিভিন্ন সময় একাধিক অভিযোগ আমরা পেয়েছি। কয়েকদিন আগে অভিযান চালিয়ে ৫ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছিল। সে সময়ও হোটেল মালিকের আচরণ সন্তোষজনক ছিল না।’

তিনি আরও বলেন, খাদ্যের মান, মূল্য তালিকা, ভোক্তা হয়রানি ও স্বাস্থ্যবিধি লঙ্ঘনের অভিযোগগুলো গুরুত্বের সঙ্গে দেখা হচ্ছে। নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষ, প্রশাসন ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সমন্বয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে।

সুলতান মাহমুদ/খাদিজা রুমি/

ময়মনসিংহে হাম উপসর্গে আরও ১ শিশুর মৃত্যু

প্রকাশ: ০৯ জুন ২০২৬, ১১:০৬ এএম
ময়মনসিংহে হাম উপসর্গে আরও ১ শিশুর মৃত্যু
ছবি: খবরের কাগজ

দেশে হাম ও হামের উপসর্গে মৃত্যু থামছেই না। গত ২৪ ঘণ্টায় ময়মনসিংহে হামের উপসর্গে আরও এক শিশুর মৃত্যু হয়েছে।

এ সময়ে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নতুন করে ২৬ শিশু ভর্তি হয়েছেন। বর্তমানে সেখানে চিকিৎসাধীন রয়েছেন ১০১ জন।

গত শনিবার (৬ জুন) রাত সাড়ে ১১টার দিকে নেত্রকোনার বারহাট্টা উপজেলার রামপুর গ্রামের থেকে ৬ বছরের শিশু ছেলেকে হাসপাতালের আইসোলেশন ওয়ার্ডে ভর্তি করা হয়। শিশুটি হামের উপসর্গের পাশাপাশি তীব্র অপুষ্টি, রক্তে সংক্রমণজনিত বিষক্রিয়া (সেপটিসেমিয়া), মস্তিষ্কের প্রদাহ (এনসেফালাইটিস) এবং কর্নিয়ার আলসারে (চোখের স্বচ্ছ পর্দায় ঘা) ভুগছিল। সোমবার (৮ জুন) রাত সাড়ে ১২টার দিকে শিশুটি চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যায়।

মঙ্গলবার (৯ জুন) সকালে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের হাম মেডিকেল দলের ফোকালপারসন সহযোগী অধ্যাপক ডা. মোহা. গোলাম মাওলা এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

তিনি বলেন, গত ১৭ মার্চ থেকে ৯ জুন সকাল পর্যন্ত হামের উপসর্গ নিয়ে মোট ১ হাজার ৯৮৬ শিশু ভর্তি হয়েছে। গত ২৪ ঘণ্টায় হাসপাতাল থেকে ছাড়া পেয়েছে ৪৬ শিশু। এ নিয়ে হাসপাতাল থেকে মোট ছাড়া পেয়েছে ১ হাজার ৮৩৬ শিশু। তিনটি মেডিকেল টিম গঠন করে চিকিৎসা কার্যক্রম পরিচালনা করা হচ্ছে।

কামরুজ্জামান মিন্টু/অন্তরা

সিলেটে বালুচাপা দেওয়া ভারতীয় জিরাসহ চোরাইপণ্য জব্দ, গ্রেপ্তার ২

প্রকাশ: ০৯ জুন ২০২৬, ১০:২৪ এএম
সিলেটে বালুচাপা দেওয়া ভারতীয় জিরাসহ চোরাইপণ্য জব্দ, গ্রেপ্তার ২
পুলিশের পৃথক দুটো অভিযানে ভারতীয় জিরার বস্তাসহ চোরাইপণ্য। ছবি: খবরের কাগজ

সিলেটের দুটো থানায় পুলিশের পৃথক অভিযানে বালুচাপা দিয়ে ভারতীয় জিরাসহ ৩৩ লাখ টাকার ভারতীয় চোরাচালান জব্দ করেছে। চোরাচালানির সঙ্গে জড়িত দুই ব্যক্তিকেও গ্রেপ্তার করা হয়।  

সোমবার (৮ জুন) বিকেলে সিলেট মেট্রোপলিটন পুলিশের (এসএমপি)মিডিয়া সেল থেকে সংবাদ বিজ্ঞপ্তি দিয়ে এ তথ্য জানানো হয়। যোগাযোগ করলে এসএমপির অতিরিক্ত উপকমিশনার (এডিসি মিডিয়া) মো. মনজুরুল আলম দুটো অভিযানের বিষটি নিশ্চিত করেছেন।

এসএমপির সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, রবিবার (৭ জুন) সন্ধ্যার দিকে এএসআই এখলাছুর রহমান জালালাবাদ থানাধীন শিবেরবাজারস্থ বটেরতল পয়েন্টের দক্ষিণ পাশে চেকপোস্ট পরিচালনা করে বালুবোঝাই একটি ট্রাকে লুকিয়ে রাখা ৭৫ বস্তায় মোট ২২৫০ কেজি অবৈধ ভারতীয় জিরাসহ সাদিকুর রহমান(৩২) নামের একজন বাহককে আটক করেন। 

এ ঘটনায় করা মামলায় আটক সাদিকুরকে গ্রেপ্তার দেখিয়ে সোমবার আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। জব্দ করা ৭৫ বস্তা ভারতীয় জিরার মূল্য প্রায় ১১ লাখ ২৫ হাজার টাকা। চোরাচালানে ব্যবহৃত ট্রাক ও একটি প্রাইভেট কার জব্দ করা হয়।  

সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে আরও জানানো হয়, এর আগে গত শনিবার রাতে এসএমপির দক্ষিণ সুরমা থানার এসআই মো. কামরুজ্জামান কদমতলীর হুমায়ুন রশিদ চত্বর এলাকায় অভিযান চালিয়ে ২১ লাখ ৬৪ হাজার ৮০০ টাকার চোরাচালানির ভারতীয় মালামাল জব্দ করে এক চোরাকারবারিকে গ্রেপ্তার করে। তার নাম সবুজ লিটন (৩৮)। চোরাইপণ্যের মধ্যে ভারতীয় প্রসাধনসামগ্রীসহ আমাদানি নিষিদ্ধ ভারতীয় ওষুধসহ সর্বমোট ২১ লাখ ৬৪ হাজার ৮০০ টাকার চোরাইপণ্য জব্দ করা হয়। এ ঘটনায় করা মামলায় গ্রেপ্তার সবুজকে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।

অন্তরা/

টাঙ্গাইলে কবরস্থানের জায়গা দখলের প্রতিবাদে মানববন্ধন

প্রকাশ: ০৯ জুন ২০২৬, ১০:২১ এএম
আপডেট: ০৯ জুন ২০২৬, ১০:৫৬ এএম
টাঙ্গাইলে কবরস্থানের জায়গা দখলের প্রতিবাদে মানববন্ধন
ছবি: খবরের কাগজ

টাঙ্গাইল সদর উপজেলার দাইন্যা ইউনিয়নে কবরস্থানের জায়গা দখলের অভিযোগ উঠেছে সচিবালয়ের কর্মচারী আলমগীর হোসেনের বিরুদ্ধে। এর প্রতিবাদে মানববন্ধন ও বিক্ষোভ করেছে মাদরাসাশিক্ষর্থী ও এলাকাবাসী।

সোমবার (৮ জুন) দাইন্যা চেীধুরী পুর্বপাড়া মাদরাসা কবরস্থান উদ্যোগে এ মানববন্ধন ও বিক্ষোভ মিছিল হয়। 

মানববন্ধনে বক্তব্য রাখেন দাইন্যা ইউপির সাবেক চেয়ারম্যান আবদুল্লাহ ওয়াহেদ মাসুদ, কবরস্থান কমিটির সভাপতি মো. সোহেল রানা, সাধারণ সম্পাদক আজিজুল, জাহিদ, মাওলানা মো. জোবায়ের হোসেনসহ মাদরাসার শিক্ষক, শিক্ষার্থী ও এলাকাবাসীরা ।

কবরস্থানের জয়গা দখল নেওয়া সচিবালয়ের কর্মচারী আলমগীর হোসেনের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি ও করস্থানের জায়গায় যাতে কেউ কোনো স্থাপনা করতে না পারে, মানববন্ধন থেকে সরকারের প্রতি সেই অনুরোধ জানান এলাকাবাসী।

জুয়েল রানা/খাদিজা রুমি/