সাবেক আইন, বিচার ও সংসদবিষয়ক মন্ত্রী আনিসুল হক। সাবেক আওয়ামী লীগ সরকারের মন্ত্রিসভায় টানা তৃতীয়বারের মতো জায়গা করে নিয়েছিলেন অ্যাডভোকেট আনিসুল হক। বাংলাদেশের ইতিহাসে তিনিই প্রথম ব্যক্তি, যিনি পরপর তিন মেয়াদে আইন, বিচার ও সংসদবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী হন। তার বিরুদ্ধেও রয়েছে ক্ষমতার অপব্যবহারের অভিযোগ। রাজনৈতিক প্রভাব খাটিয়ে করেছেন অনেক অপকর্ম। নিজ সংসদীয় এলাকায় অনেক কিছু করার প্রতিশ্রুতি দিলেও শেষ পর্যন্ত তা ফাঁকা বুলিতে পরিণত হয়েছে। মসজিদে দাঁড়িয়ে বলা কথাও রাখতে পারেননি। তাকে নিয়ে কেউ সমালোচনা করলে তার বিরুদ্ধে দেওয়া হতো ডিজিটাল আইনসহ বিভিন্ন মামলা।
সাবেক আইনমন্ত্রী আনিসুল হকের মালিকানাধীন সিটিজেন্স ব্যাংক পিএলসির একটি শাখা ব্রাহ্মণবাড়িয়ার কসবায় ২০২২ সালের ১২ নভেম্বর চালু হয়। এরপর থেকে আনিসুল হকের সংসদীয় আসন কসবা ও আখাউড়া উপজেলার বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান ও বড় ব্যবসায়ীদের ওপর নেমে আসে অ্যাকাউন্ট খোলা কিংবা এফডিআর, ডিপিএস করার চাপ। অভিযোগ রয়েছে, রাজনৈতিক নেতাদের মাধ্যমে চাপ দিয়ে অন্য ব্যাংক থেকে প্রতিষ্ঠান ও ব্যক্তির টাকা সিটিজেন্স ব্যাংকের অ্যাকাউন্টে নিয়ে যাওয়া হতো। আখাউড়ার বাসিন্দা ওই ব্যাংকের এক কর্মকর্তা রাজনীতিবিদদের এ কাজে সহায়তা করতেন। কার কার বেশি টাকা আছে এসব তথ্য ওই কর্মকর্তা রাজনীতিবিদদের দিতেন। এরপর রাজনীতিবিদরা বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান ও ব্যবসায়ীদের চাপ দিতেন।
আবার কেউ কেউ আনিসুল হককে খুশি করতে তার ব্যাংকে অ্যাকাউন্ট খুলেছেন, এফডিআর কিংবা ডিপিএস করেছেন। আখাউড়ায় এক ডজনের মতো সরকারি-বেসরকারি ব্যাংক থাকলেও ওই পৌরসভার টাকার একটি বড় অংশ রাখা হতো কসবার সিটিজেন্স ব্যাংকের শাখায়। কেননা, ওই সময় পৌর মেয়র ছিলেন সাবেক আইনমন্ত্রীর ঘনিষ্ঠজন ও উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক মো. তাকজিল খলিফা কাজল। আখাউড়াতে তাকজিল খলিফাই মূলত প্রভাব খাটিয়ে সিটিজেন্স ব্যাংকে বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের টাকা রাখতে বাধ্য করাতেন। কসবাতে ব্যাংকের আর্থিক অবস্থান দৃঢ় করতে কাজ করতেন সাবেক আইনমন্ত্রীর আরেক ঘনিষ্ঠজন ও উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট মো. রাশেদুল কায়সার ভূঁইয়া জীবন।
তবে গত ৫ আগস্ট সরকার পরিবর্তনের পর থেকে পরিস্থিতি পাল্টে যায়। চাপ দিয়ে যাদের কাছ থেকে টাকা নেওয়া হয়েছিল তাদের অনেকেই টাকা উঠাতে শুরু করেন। অনেকে আবার ব্যাংক কী অবস্থায় পড়ে- সেই ভয় থেকেও টাকা উঠিয়ে ফেলেন। চাপ দিয়ে টাকা আনার কাজে সবচেয়ে বেশি ভূমিকা রাখা এক ব্যাংক কর্মকর্তা ইতোমধ্যেই ওই শাখা থেকে বদলি হয়ে ঢাকায় চলে গেছেন।
খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, ২০২০ সালের ১৫ ডিসেম্বর সিটিজেন্স ব্যাংক পিএলসি বাংলাদেশ ব্যাংকের অনুমোদন পায় ও এটিকে তফসিলি ব্যাংক হিসেবে তালিকাভুক্ত করা হয়। ব্যাংকটির চেয়ারম্যান ছিলেন আনিসুল হকের মা বীর মুক্তিযোদ্ধা জাহানারা হক। তিনি মারা যাওয়ার পর মন্ত্রীর ঘনিষ্ঠজন তৌফিকা আফতাবকে ব্যাংকের চেয়ারম্যান বানানো হয়। ২০২২ সালের জুলাইয়ে ব্যাংকিং কার্যক্রম শুরু হওয়ার কয়েক মাসের মধ্যেই কসবার নয়নপুর বাজার শাখার উদ্বোধন হয়।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক অন্য একটি ব্যাংকের কর্মকর্তা জানান, একটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের বড় অঙ্কের টাকা তার এখানে এফডিআর করা ছিল। মন্ত্রীর ঘনিষ্ঠজন তাকজিল খলিফা প্রতিষ্ঠানসংশ্লিষ্টদের চাপ দিয়ে ওই টাকা সিটিজেন্স ব্যাংকে নিয়ে যান। আখাউড়া পৌরসভার একটি সূত্র জানায়, তৎকালীন মেয়র একক সিদ্ধান্তে প্রতিষ্ঠানের বড় একটি অঙ্কের টাকা সিটিজেন্স ব্যাংকে নিয়ে রেখে দেন। তখন এ বিষয়ে কেউ কিছু বলারও সাহস পাননি। তবে শিগগিরই ওই টাকা সেখান থেকে আনার প্রক্রিয়া শুরু করা হবে।
সাবেক আইনমন্ত্রী আনিসুল হক বর্তমানে একাধিক মামলায় কারাগারে আছেন। তার ঘনিষ্ঠজন সিটিজেন্স ব্যাংকের চেয়ারম্যান তৌফিকা আফতাবও বর্তমানে পলাতক রয়েছেন। তিনি সন্তানদের সঙ্গে কানাডায় অবস্থান করছেন বলে আলোচনা আছে। তৌফিকা আফতাব দেশ থেকে হাজার কোটি টাকা পাচার করেছেন বলেও অভিযোগ রয়েছে। সরকারের সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলো এ বিষয়ে তদন্ত করছে বলে বিভিন্ন গণমাধ্যমে খবর প্রকাশিত হয়েছে।
মসজিদে দাঁড়িয়ে বলা কথাও রাখতে পারেননি, আওড়াতেন ফাঁকা বুলি
‘আমি যা বলি তা করি’ নিজ নির্বাচিত এলাকায় আয়োজিত বিভিন্ন সভা-সমাবেশে নিয়মিতই এ কথাটা বলতেন সাবেক আইন, বিচার ও সংসদবিষয়ক মন্ত্রী আনিসুল হক। ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৪ আসনের এ সংসদ সদস্য প্রথমবার নির্বাচিত হওয়ার পর কথা ও কাজের মিল রেখে তার নির্বাচনি এলাকা কসবা ও আখাউড়া উপজেলার মানুষের মন জয় করে নেন। নির্বাচনে জেতার পর সারা দেশে যখন মন্ত্রী-এমপিরা দলীয় নেতা-কর্মীদের কাছ থেকে স্বর্ণ কিংবা রুপার নৌকাসহ এটা-সেটা নেওয়া শুরু করেন, তখন গণসংবর্ধনায় উপস্থিতদের মধ্যে পাঁচ হাজার গাছের চারা বিতরণ করে প্রশংসা কুড়ান আনিসুল হক। সাধারণ মানুষের ফোন তিনি ধরেন- এ প্রশংসাও ছিল মুখে মুখে।
তবে দিন যত যায় এমন পরিস্থিতির পরিবর্তন হতে থাকে। তার কথা ‘ফাঁকা বুলি’ হিসেবে প্রমাণিত হতে থাকে। চাটুকারবেষ্টিত থাকা সাবেক এ মন্ত্রী মিল রাখতে পারেননি কথা ও কাজের। তিনি নিজে কিছু বললেও চাটুকারদের স্বার্থ উদ্ধার না হলে তারা ওই কাজটি করতে দিতেন না। নিয়মিত ফোন ধরার বিষয়টি থেকেও তিনি সরে আসেন । সবচেয়ে খারাপ বিষয় হয়ে দাঁড়ায় চাকরি দেওয়ার বিনিময়ে টাকা না নেওয়ার যে কথা বলতেন, সেটি শেষ পর্যন্ত ধোপে টেকেনি। মন্ত্রী সরাসরি টাকা না নিলেও তার একাধিক ঘনিষ্ঠজন চাকরি দেওয়ার নাম করে কোটি কোটি টাকা হাতিয়ে নিয়েছেন। অথচ একটা সময় ছিল যখন মন্ত্রী হাতে থাকা ইন্টারভিউ কার্ড দেখে কে গরিব সেটি খোঁজ করতেন। পরবর্তী সময়ে সেই প্রক্রিয়া তিনি ধরে রাখতে পারেননি।
এলাকাবাসীর সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, আখাউড়ায় একটি মিনি স্টেডিয়াম করার ঘোষণা দিয়েছিলেন আনিসুল হক। একাধিক সভা-সমাবেশে তিনি এ ঘোষণা দেন। কোথায় করবেন সে বিষয়ে একটি প্রাথমিক সিদ্ধান্তের কথাও জানান। কিন্তু এ প্রতিশ্রুতি দীর্ঘ পাঁচ-সাত বছরেও বাস্তবায়ন হয়নি। এ বছরের নির্বাচনে আগে তিনি এলাকাবাসীর দাবির পরিপ্রেক্ষিতে আখাউড়া উপজেলার আজমপুর রেলওয়ে স্টেশনে দুটি আন্তনগর ট্রেন যাত্রাবিরতির প্রতিশ্রুতি দেন। এমনও বলেন যে, ‘নির্বাচিত হয়ে আমি যেদিন আসব এর আগে থেকেই এখানে ট্রেন থামবে। অর্থাৎ আমি যাত্রাবিরতির ব্যবস্থা করেই আসব।’ ৭ জানুয়ারি অনুষ্ঠিত দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে জয়ী হয়ে তিনি এলাকায় একাধিকবার এলেও ট্রেনের যাত্রাবিরতির বিষয়টি ফাঁকা বুলি হিসেবেই রয়ে যায়।
বছরখানেক আগে আখাউড়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে যাওয়ার পথে রাস্তার বেহাল দেখে বেশ চটেন আনিসুল হক। এ সময় তিনি হাসপাতালটি দ্রুত সময়ের মধ্যে অন্যত্র স্থানান্তরের প্রতিশ্রুতি দেন। তবে কাগজে-কলমে এ কাজ বেশি দূর এগোয়নি। তবে আনিসুল হকের ঘনিষ্ঠজন তাকজিল খলিফা চাচ্ছিলেন তার মালিকানাধীন জায়গা যেখানে আছে, সেখানে যেন হাসপাতালটি হয়। দলীয় রাজনীতিতেও বেশ অপরিপক্বতার পরিচয় দেন আনিসুল হক। কথায় কথায় কসবা ও আখাউড়া উপজেলা আওয়ামী লীগকে মডেল হিসেবে গড়ে তোলার প্রতিশ্রুতি দিলেও সেটা তিনি করতে পারেননি। নিজেই বনে যান কসবা উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি। ঘনিষ্ঠজন ও এপিএস অ্যাডভোকেট রাশেদুল কায়সার জীবনকে বানান সাধারণ সম্পাদক।
আখাউড়ায় প্রবীণ সব রাজনীতিবিদকে তিনি ‘মাইনাস’ করে রাখেন। সাধারণ সম্পাদক করেন আরেক ঘনিষ্ঠজন পৌর মেয়র মো. তাকজিল খলিফা কাজলকে। আর পোড় খাওয়া রাজনীতিবিদদের বাদ দিয়ে তাকজিল খলিফার পছন্দের লোক মোহাম্মদ আলী ভূঁইয়াকে সভাপতি করেন। যে কারণে আখাউড়া আওয়ামী লীগের পুরো নিয়ন্ত্রণ চলে আসে তাকজিল খলিফা কাজলের হাতে। কয়েক মাসের প্রতিশ্রুতি দিয়ে কয়েক বছরেও আখাউড়া আওয়ামী লীগের পূর্ণাঙ্গ কমিটি গঠন করতে পারেননি আনিসুল হক। মূলত, তাকজিল খলিফা তার নিয়ন্ত্রণকে হাতছাড়া না করতে পূর্ণাঙ্গ কমিটি করতে দিতেন না। তাকজিল খলিফা একই সঙ্গে উপজেলা যুবলীগের আহ্বায়কের পদ ধরে রাখেন। প্রায় ১০ বছর ধরে সম্মেলনের মাধ্যমে নতুন কমিটি করার কথা বললেও আনিসুল হক সেটা করতে পারেননি।
চলতি বছরে কসবা উপজেলা পরিষদের নির্বাচনের সময় মসজিদে দাঁড়িয়ে বলা প্রতিশ্রুতিও রাখতে পারেননি আনিসুল হক। চেয়ারম্যান পদে আনিসুল হকের ফুফাতো ভাই মো. সাইদুর রহমান স্বপন ও সাবেক এপিএস রাশেদুল কায়সার ভূঁইয়া জীবন প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন। মন্ত্রী ভোটকে সামনে রেখে গত ১৭ মে স্থানীয় মডেল মসজিদে দেওয়া বক্তব্যে দুজনকে আপনজন উল্লেখ করে নিজেকে নিরপেক্ষ দাবি করে সুষ্ঠু ভোটের আশ্বাস দেন। তবে সেখানে সুষ্ঠু ভোট না হওয়ার বিষয়টি ছিল ওপেন সিক্রেট। নির্বাচনের পর চেয়ারম্যান প্রার্থী রাশেদুল কায়সার ভোট কারচুপির অভিযোগ আনেন আনিসুল হক ও তার ঘনিষ্ঠজনদের বিরুদ্ধে।
আনিসুল হকের গ্রেপ্তারের খবরে ওই সময়ে কসবা ও আখাউড়ায় একাধিক আনন্দ মিছিল-সভা বের করে বিএনপি। এসব কর্মসূচি থেকে অভিযোগ করা হয়, আনিসুল হক মুখে রাজনৈতিক সহাবস্থানের কথা বললেও কসবা ও আখাউড়ায় বিএনপিকে রাজনৈতিক কর্মকাণ্ড পরিচালনা করতে দেননি। তিনি অনেককে মামলা দিয়ে হয়রানি করেছেন। চাকরি দেওয়ার নাম করে তার লোকজন কোটি কোটি টাকা হাতিয়ে নিয়েছেন। এলাকার রাস্তাঘাট দেখলেই বোঝা যায় তিনি উন্নয়নের নামে ফাঁকা বুলি আউড়ে গেছেন।
মন্ত্রীকে নিয়ে সমালোচনা করলেই হতো ডিজিটাল আইনসহ বিভিন্ন মামলা
শুধু বিএনপি নেতা-কর্মীই নন, সাবেক আইনমন্ত্রীর খড়্গ থেকে রক্ষা পাননি আওয়ামী লীগের নেতা-কর্মীরাও। এমনকি আওয়ামী লীগদলীয় সাবেক সংসদ সদস্য অ্যাডভোকেট শাহ আলমের বিরুদ্ধেও মামলা করা হয়। এসব মামলার বেশির ভাগই আইনমন্ত্রী কিংবা তার ঘনিষ্ঠজনদের বিরুদ্ধে ফেসবুকে লেখালেখির কারণে করা হয়।
নেতা-কর্মীরা জানান, মন্ত্রী কিংবা তার কোনো ঘনিষ্ঠজনের বিরুদ্ধে ফেসবুকে লেখা ছাড়াও সভা-সমাবেশে মন্তব্য করে হয়রানিমূলক মামলার শিকার হয়েছেন। দলীয় নেতা-কর্মীসহ অন্যদের বিরুদ্ধে কসবা ও আখাউড়া থানায় ডিজিটাল আইনে অন্তত ২০টির মতো মামলা ও জিডি হয়। এসব মামলায় অনেককেই জেল খাটতে হয়েছে। এ ছাড়া মন্ত্রীর নামে ভুয়া ফেসবুক আইডি খোলার অভিযোগেও ঢাকাতে জিডি হয়।
সূত্র জানায়, ২০১৮ সালের মার্চ মাসেই সাতটি মামলা করা হয় কসবা থানায়। রাশেদুল কায়সার ভূঁইয়া জীবনসহ আওয়ামী লীগের নেতা-কর্মীদের বিরুদ্ধে আপত্তিকর ফেসবুক পোস্ট দেওয়ার অভিযাগে তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি আইনের ৫৭ ধারায় এসব মামলা করা হয়। মামলায় আওয়ামী লীগদলীয় সাবেক সংসদ সদস্য মো. শাহআলম, এমপি প্রার্থী শ্যামল রায়, সৈয়দ মো. মহসীন, তসলিমুর রেজাসহ বেশ কয়েকজনকে আসামি করা হয়।
২০২০ সালের জুন মাসে ‘হক কথা তিতা লাগে’ নামে একটি ফেসবুক আইডিতে তৎকালীন আইনমন্ত্রীকে নিয়ে কটূক্তি করায় মামলা হয়। সাবেক ছাত্রলীগ নেতা ইব্রাহিম মিয়ার করা মামলায় উপজেলার কায়েমপুর গ্রামের ইয়াকুব আলীর ছেলে মাঈন উদ্দিন সরকারকে আসামি করা হয়।
আনিসুল হকের বিরুদ্ধে বলায় ২০২০ সালের ২ জুলাই আখাউড়াতে গণ অধিকার পরিষদের সভাপতি (তৎকালীন ডাকসুর ভিপি) নুরুল হক নূরের বিরুদ্ধে মিছিল হয়। মিছিল শেষে নূরের কুশপুত্তলিকা দাহ করা হয়। এ সময় মন্ত্রীর বিরুদ্ধে কেউ কথা বললে তার বিরুদ্ধে আইনিব্যবস্থা নেওয়ার হুমকি দেওয়া হয়।