ঢাকা ২ আষাঢ় ১৪৩৩, মঙ্গলবার, ১৬ জুন ২০২৬

সর্বশেষ
দেশে এল প্রথম দেশীয় ব্র্যান্ডের জিপিইউ ল্যাপটপ জাহান্নামের আগুন যার জন্য হারাম বিশ্বকাপে শুধু সংখ্যা বাড়াতে আসিনি: মিশর কোচ হাসান তেজগাঁও সড়ক ছাড়লেন পোশাক শ্রমিকেরা, যান চলাচল স্বাভাবিক মানিকগঞ্জে হেরোইনসহ ২ মাদককারবারি গ্রেপ্তার সিরাজদিখানে মাইক্রোবাস খাদে পড়ে নারীর মৃত্যু, আহত ১০ নোয়াখালীর সেই ওসির বিরুদ্ধে তদন্ত কমিটি গঠন একনেক সভায় ৫ প্রকল্প অনুমোদন রোহিঙ্গা ক্যাম্প থেকে স্থানীয়দের বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্নের প্রতিবাদে সড়ক অবরোধ জামালপুর সীমান্ত দিয়ে একজনকে পুশইনের চেষ্টা, বিজিবি ও স্থানীয়দের বাধা বিশ্বকাপে নেইমারের খেলা নিয়ে শঙ্কা কাটছে না ‘হালান্ডের পায়ে বল বাড়িয়ে দাও’, শিষ্যদের নির্দেশ নরওয়ে কোচের ভোলায় পানি উন্নয়ন বোর্ডের কার্যালয় ঘেরাও রয়্যাল বেঙ্গল টাইগার পাঠ থেকে ১টি অনুশীলনীর প্রশ্ন ও উত্তর, ৪র্থ পর্ব, পঞ্চম শ্রেণির বাংলা ম্যাচ শেষেই যুক্তরাষ্ট্র ছাড়ার নির্দেশ, ক্ষোভ প্রকাশ ইরান কোচের স্পেনকে আটকে দেওয়া ভোজিনহার গল্প প্রাপ্তবয়স্কদের জন্য কৃতির প্রথম সিনেমা সৌদির চমকে পয়েন্ট হারাল উরুগুয়ে তবু আস্থায় অটল লা ফুয়েন্তে রাঙ্গুনিয়ায় যুবদল নেতা হত্যার ২ দিন পর মামলা চাঁদপুরে ওমরাহ যাত্রীদের অর্থ আত্মসাতের অভিযোগ, দুই পীরজাদার বিরুদ্ধে মামলা সেই ধাক্কা মনে রেখে আলজেরিয়াকে সমীহ করছে আর্জেন্টিনা রামুতে গোয়ালঘরের ময়লার স্তূপ থেকে অস্ত্র উদ্ধার শিক্ষার ৪ স্তম্ভে আমূল পরিবর্তনের ঘোষণা গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রীর স্টারবাকসের বিতর্কিত প্রচারণা, ইতিহাস পাঠে কর্মীদের জন্য অর্ধদিবস বন্ধ সব শাখা শরীয়তপুরে বাল্যবিবাহ সম্পাদনের অভিযোগে কারাগারে কাজী অসাধু কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিন ভারতে ২২ জুন পর্যন্ত জনপ্রিয় মেসেজিং অ্যাপ 'টেলিগ্রাম' ব্লক রোকনপুর সীমান্তে পুশইনে সহায়তার অভিযোগে ৭ বাংলাদেশি আটক হামের প্রাতিষ্ঠানিক গাইডলাইন আনল হলি ফ্যামিলি
Nagad desktop

চট্টগ্রামে আ.লীগ, যুবলীগ ও ছাত্রলীগের ২৯ নেতা-কর্মী গ্রেপ্তার

প্রকাশ: ২১ ফেব্রুয়ারি ২০২৫, ০৯:৪০ এএম
চট্টগ্রামে আ.লীগ, যুবলীগ ও ছাত্রলীগের ২৯ নেতা-কর্মী গ্রেপ্তার
চট্টগ্রামে পুলিশের অভিযানে গ্রেপ্তারদের একাংশ। ছবি: খবরের কাগজ

চট্টগ্রাম নগরের বিভিন্ন এলাকায় বিশেষ অভিযান চালিয়েছে নগর পুলিশ। অভিযানে ওয়ার্ড আওয়ামী লীগ, যুবলীগ ও নিষিদ্ধ সংগঠন ছাত্রলীগের ২৯ নেতা-কর্মীকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (২০ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে গণমাধ্যমে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বিষয়টি নিশ্চিত করেছে চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন পুলিশ (সিএমপি)।
সিএমপির মিডিয়া অ্যান্ড পাবলিক রিলেশন্স বিভাগের উপপরিদর্শক (এসআই) মো. ইমরান হোসেন জানান, মঙ্গলবার রাত ১২টা থেকে বুধবার রাত ১২টা পর্যন্ত ২৪ ঘণ্টায় অভিযান চালিয়ে আসামিদের গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তাদের বিরুদ্ধে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনে ছাত্র-জনতার ওপর হামলাসহ বিশেষ ক্ষমতা আইনে ও সন্ত্রাসবিরোধী আইনে একাধিক মামলা রয়েছে।

পুলিশ জানায়, অভিযানে বন্দর থানায় একজন, আকবরশাহ্ থানায় আট, হালিশহর থানা দুই, ইপিজেড থানায় এক, কোতোয়ালি থানায় দুই, চান্দগাঁও থানায় এক, পাঁচলাইশ মডেল থানায় দুই, বায়েজিদ বোস্তামী থানায় দুই, সদরঘাট থানায় এক, ডবলমুরিং মডেল থানায় তিন, কর্ণফুলী থানায় এক, চকবাজার থানায় এক, খুলশী থানায় এক, পাহাড়তলী থানায় এক, পতেঙ্গা মডেল থানায় এক, বাকলিয়া থানায় এক আসামি গ্রেপ্তার করা হয়। আসামিদের বিরুদ্ধে ছাত্র-জনতার ওপর হামলাসহ বিশেষ ক্ষমতা আইনে, সন্ত্রাসবিরোধী আইনে ও পেনাল কোড আইনে এক বা একাধিক মামলা রয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।

মানিকগঞ্জে হেরোইনসহ ২ মাদককারবারি গ্রেপ্তার

প্রকাশ: ১৬ জুন ২০২৬, ০২:৩০ পিএম
আপডেট: ১৬ জুন ২০২৬, ০২:৩৫ পিএম
মানিকগঞ্জে হেরোইনসহ ২ মাদককারবারি গ্রেপ্তার
ছবি: সংগৃহীত

মানিকগঞ্জ সদর উপজেলার পশ্চিম সেওতা এলাকায় অভিযান চালিয়ে ২৫ গ্রাম হেরোইনসহ দুই মাদককারবারিকে গ্রেপ্তার করেছে গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)। 

মঙ্গলবার (১৬ জুন) দুপুরে গ্রেপ্তারের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন গোয়েন্দা পুলিশের পরিদর্শক মানবেন্দ্র বালো।

গতকাল সোমবার রাত ৯টা ৪০ মিনিটের দিকে জামাল কোম্পানির বাড়ির সামনের পাকা সড়ক থেকে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়।

গ্রেপ্তাররা হলেন- উপজেলা পশ্চিম সেওতা গ্রামের তারা মিয়ার ছেলে মো. রাব্বি (৩১) এবং হাবুল হোসেনের ছেলে মো. ইমরান হোসেন (২৭)।

পুলিশ জানায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে ওই এলাকায় অভিযান চালিয়ে সন্দেহভাজন দুই ব্যক্তিকে আটক করে তল্লাশি চালানো হয়। তল্লাশিতে রাব্বির কাছ থেকে ১৫ গ্রাম এবং ইমরান হোসেনের কাছ থেকে ১০ গ্রাম হেরোইন জব্দ করা হয়।

পরিদর্শক মানবেন্দ্র বালো খবরের কাগজকে বলেন, গ্রেপ্তার রাব্বির বিরুদ্ধে এর আগে সাতটি এবং ইমরান হোসেনের বিরুদ্ধে তিনটি মাদক মামলা রয়েছে। তাদের বিরুদ্ধে মানিকগঞ্জ সদর থানায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে আরেকটি মামলা করা হয়েছে।

আসাদ জামান/থিও

নোয়াখালীর সেই ওসির বিরুদ্ধে তদন্ত কমিটি গঠন

প্রকাশ: ১৬ জুন ২০২৬, ০২:১৭ পিএম
আপডেট: ১৬ জুন ২০২৬, ০২:৩১ পিএম
নোয়াখালীর সেই ওসির বিরুদ্ধে তদন্ত কমিটি গঠন
নোয়াখালীর হাতিয়ায় কিশোরী ধর্ষণের অভিযোগে প্রত্যাহার হওয়া জাহাজমারা পুলিশ তদন্তকেন্দ্রের ইনচার্জ পরিদর্শক খোরশেদ আলমের বিরুদ্ধে তিন সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে।
 
মঙ্গলবার (১৬ জুন) অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (প্রশাসন ও অর্থ) আবু তৈয়ব মো. আরিফ হোসেন বিষয়টি  নিশ্চিত করেন।
 
তিনি বলেন, ধর্ষণের অভিযোগের সুষ্ঠু তদন্তে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ক্রাইম অ্যান্ড অপস) আহমেদ পেয়ারকে প্রধান করে তিন সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। কমিটির প্রতিবেদনের ভিত্তিতে পরবর্তী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
 
তদন্ত কমিটির প্রধান অতিরিক্ত পুলিশ সুপার আহমেদ পেয়ার বলেন, দায়িত্ব পাওয়ার পর থেকেই তদন্ত কার্যক্রম শুরু করা হয়েছে। তবে বিষয়টি তদন্তনাধীন থাকায় কোনো মন্তব্য করা যাচ্ছে না।
 
এর আগে শনিবার (১৩ জুন) ধর্ষণের ঘটনার বিস্তারিত বিবরণসহ ভুক্তভোগী কিশোরী (১২) ও তার মায়ের একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে পুলিশ পরিদর্শক খোরশেদ আলমকে প্রত্যাহার করে পুলিশ লাইনের সংযুক্ত করা হয়।
 
ভুক্তভোগী পরিবারের দাবি, ভয়ভীতি ও প্রাণনাশের হুমকি দিয়ে ১২ বছরের ওই কিশোরীকে একাধিক বার ধর্ষণ করেন পুলিশ পরিদর্শক খোরশেদ আলম। গত কয়েকমাস আগে এ ঘটনা ঘটলেও ভুক্তভোগী কিশোরী ও তার পরিবারের পক্ষ থেকে পুলিশের কাছে লিখিত অভিযোগ করে এর কোনো প্রতিকার পাননি বলে জানান তারা। পরে ভিডিও ভাইরালের পর প্রশাসনের টনক নড়ে।

ইকবাল হোসেন/

রোহিঙ্গা ক্যাম্প থেকে স্থানীয়দের বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্নের প্রতিবাদে সড়ক অবরোধ

প্রকাশ: ১৬ জুন ২০২৬, ০১:৫২ পিএম
আপডেট: ১৬ জুন ২০২৬, ০২:২১ পিএম
রোহিঙ্গা ক্যাম্প থেকে স্থানীয়দের বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্নের প্রতিবাদে সড়ক অবরোধ
ছবি: খবরের কাগজ

কক্সবাজারের উখিয়া উপজেলার কুতুপালং-লম্বাশিয়া রোহিঙ্গা ক্যাম্পের কাঁটাতারের ভেতরে বসবাসরত চার শতাধিক স্থানীয় গ্রামবাসীর বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন করার প্রতিবাদে সড়ক অবরোধ কর্মসূচি পালন করেছেন ভুক্তভোগীরা।

মঙ্গলবার (১৬ জুন) সকাল থেকে রোহিঙ্গা ক্যাম্পের কয়েকটি প্রবেশপথে বিক্ষোভ শুরু করেন তারা।

এর ফলে ক্যাম্পে প্রবেশ ও বের হওয়ার কয়েকটি প্রধান রাস্তা সাময়িকভাবে বন্ধ হয়ে যায়।

প্রতিবাদকারীরা জানান, কোনো  নোটিশ ছাড়াই লম্বাশিয়া মধুরছড়া গ্রামসহ আশপাশের প্রায় তিন শতাধিক স্থানীয় পরিবারের বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন করা হয়েছে। এতে সাধারণ মানুষের দুর্ভোগ চরম আকার ধারণ করেছে।

স্থানীয়দের দাবি, বছরের পর বছর ধরে কাঁটাতারের ভেতরে বসবাস করলেও তারা ন্যায্য নাগরিক সুবিধা থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন। কোনো ঘোষণা ছাড়াই বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন করা হয়েছে এবং বিভিন্নভাবে হয়রানির শিকার হতে হচ্ছে। দ্রুত এসব সমস্যার সমাধান এবং তাদের মৌলিক অধিকার নিশ্চিত করার দাবি জানান তারা।

কর্মসূচিতে অংশ নেওয়া স্থানীয় জনপ্রতিনিধিরা বলেন, ‘যদি কেউ বিদ্যুৎ সংযোগ ব্যবহার করে কোনো অবৈধ কর্মকাণ্ডে জড়িত থাকে, তাহলে তাদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া যেতে পারে। কিন্তু কোনো নোটিশ ছাড়াই শত শত পরিবারের বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন করা গ্রহণযোগ্য নয়। স্থানীয়রা যদি বিদ্যুৎ ব্যবহার করতে না পারে, তাহলে রোহিঙ্গা ক্যাম্পের অফিস, এনজিও ও হাসপাতালেও বিদ্যুৎ সংযোগ থাকার প্রশ্ন ওঠে। অনাকাঙ্ক্ষিত কোনো পরিস্থিতির সৃষ্টি হলে তার দায়ভার সংশ্লিষ্ট সিআইসিকেই নিতে হবে।’

তবে আন্দোলনকারীরা জানিয়েছেন, তাদের কর্মসূচি সম্পূর্ণ শান্তিপূর্ণ এবং দাবি আদায় না হওয়া পর্যন্ত আন্দোলন অব্যাহত থাকবে।

এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট প্রশাসনের পক্ষ থেকে তাৎক্ষণিক কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

রিদুয়ানুল সোহাগ/তামান্না রুপা/ 

জামালপুর সীমান্ত দিয়ে একজনকে পুশইনের চেষ্টা, বিজিবি ও স্থানীয়দের বাধা

প্রকাশ: ১৬ জুন ২০২৬, ০১:৩৯ পিএম
আপডেট: ১৬ জুন ২০২৬, ০১:৪০ পিএম
জামালপুর সীমান্ত দিয়ে একজনকে পুশইনের চেষ্টা, বিজিবি ও স্থানীয়দের বাধা
ছবি: খবরের কাগজ

জামালপুরের দেওয়ানগঞ্জে মধ্যেরচর এলাকায় একজনকে পুশইনের চেষ্টা করেছে ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনী (বিএসএফ)। 

সোমবার (১৫ জুন) রাতে উপজেলার ঝাউডাঙ্গা বিওপির ১০৭৮ নম্বর পিলারের কাছে এ ঘটনা ঘটে। পরে বিজিবি ও স্থানীয়রা তা প্রতিহত করে।

বিজিবি ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, সোমবার রাতে দেওয়ানগঞ্জ উপজেলার মধ্যেরচর এলাকায় আন্তর্জাতিক শূন্যরেখা থেকে ৩৫ বছর বয়সী এক ব্যক্তি বাংলাদেশে প্রবেশের চেষ্টা করেন। বিজিবি ও স্থানীয়রা তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করে। পরে ওই ব্যক্তিকে আবারও শূন্যরেখায় পাঠিয়ে দেওয়া হয়। বর্তমানে তিনি আন্তর্জাতিক শূন্যরেখায় অবস্থান করছেন।

স্থানীয় বাসিন্দা মকবুল হোসেন বলেন, ‘এক ব্যক্তি বাংলাদেশে প্রবেশের চেষ্টা করলে বিজিবি ও আমরা বাধা দিই। তিনি প্রথমে নিজেকে বাংলাদেশি দাবি করেন। কিন্তু কোনো ঠিকানা বলতে পারেননি। পরে তাকে ফিরিয়ে দেওয়া হয়েছে।’

জামালপুর ৩৫ বিজিবির অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল হাসানুর রহমান জানান, ‘বিএসএফ এখন কৌশলে দুর্গম পাহাড়ি অঞ্চল দিয়ে পুশ-ইনের চেষ্টা করছে। রাতে একজনকে পুশইনের চেষ্টা করা হয়েছিল। বিজিবি ও স্থানীয়দের বাধার মুখে ওই ব্যক্তি শূন্যরেখায় অবস্থান করছেন।’

আসমাউল আসিফ/রিফাত/

ভোলায় পানি উন্নয়ন বোর্ডের কার্যালয় ঘেরাও

প্রকাশ: ১৬ জুন ২০২৬, ০১:৩০ পিএম
ভোলায় পানি উন্নয়ন বোর্ডের কার্যালয় ঘেরাও
ছবি: খবরের কাগজ

মেঘনা নদীর ভয়াবহ ভাঙন রোধে দ্রুত কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ এবং স্থায়ী প্রতিরক্ষা বাঁধ নির্মাণের দাবিতে ভোলায় পানি উন্নয়ন বোর্ড (পাউবো) কার্যালয় ঘেরাও ও সড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ করেছেন ভাঙনকবলিত এলাকার বাসিন্দারা।

মঙ্গলবার (১৬ জুন) সকালে ভোলা সদর উপজেলার শিবপুর, মেদুয়া ও ধনিয়া ইউনিয়নের কয়েক হাজার মানুষ ভোলার ঘুযীর ঘোলে অবস্থিত ভোলা পানি উন্নয়ন বোর্ড কার্যালয় ঘেরাও করেন। পরে তারা ভোলা-চরফ্যাশন আঞ্চলিক সড়ক অবরোধ করে ঘণ্টাব্যাপী বিক্ষোভ কর্মসূচি পালন করেন। এবং বিক্ষোভ করে ভোলা জেলা প্রশাসকের কার্যালয় গিয়ে স্মারক লিপি প্রদান করা হয়।

স্থানীয়দের অভিযোগ, মেঘনার অব্যাহত ভাঙনে ভোলা শহর রক্ষা বাঁধসহ শিবপুর, মেদুয়া ও ধনিয়া ইউনিয়নের বিস্তীর্ণ এলাকা হুমকির মুখে পড়েছে। গত এক মাসে প্রায় ১০ কিলোমিটার এলাকা নদীগর্ভে বিলীন হয়েছে। এতে শতাধিক পরিবার বসতভিটা হারিয়ে নিঃস্ব হয়ে পড়েছে এবং প্রায় ৫০০ একর ফসলি জমি নদীতে বিলীন হয়েছে। এছাড়া মাছঘাট, বাজার, মসজিদসহ বিভিন্ন স্থাপনা ভাঙনের কবলে পড়েছে।

বিক্ষোভকারীরা জানান, ভাঙনের তীব্রতায় শিবপুর ও মেদুয়ার গুরুত্বপূর্ণ মাছঘাট, পাঁচটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, অসংখ্য বসতবাড়ি এবং ভোলা শহর রক্ষা বাঁধ এখন ঝুঁকির মধ্যে রয়েছে। বেসরকারিভাবে গড়ে ওঠা ইপিজেড প্রকল্পের জমিও ভাঙনের কারণে সংকুচিত হয়ে পড়েছে। তাদের দাবি, আর মাত্র ১০ মিটার ভাঙন অব্যাহত থাকলে শহর রক্ষা বাঁধও নদীগর্ভে বিলীন হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে, যা হলে ভোলার লক্ষাধিক মানুষ পানিবন্দি হয়ে পড়তে পারেন।

এ সময় আন্দোলনরত এলাকাবাসী দ্রুত সিসি ব্লক ফেলে নদী ভাঙন রোধে স্থায়ী ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানান।

তারা বলেন, দীর্ঘদিন ধরে ভাঙন চললেও কার্যকর উদ্যোগ না নেওয়ায় পরিস্থিতি ভয়াবহ আকার ধারণ করেছে।

এ বিষয়ে পানি উন্নয়ন বোর্ড ভোলা-১ এর নির্বাহী প্রকৌশলী মো. জিয়া উদ্দীন আরিফ বলেন, ‘ভাঙনকবলিত শিবপুর ও মেদুয়া এলাকায় জরুরি ভিত্তিতে জিও ব্যাগ ফেলার কাজ চলছে। পাশাপাশি ভাঙন রোধে ভোলা সদরের ধনিয়া, কাচিয়া ও শিবপুর ইউনিয়নে প্রায় ৭৩০ কোটি টাকার একটি প্রকল্প প্রণয়ন করা হয়েছে। প্রকল্পটি অনুমোদন পেলেই স্থায়ীভাবে ভাঙন রোধে দ্রুত কাজ শুরু করা হবে।’ 


এদিকে, মেঘনার অব্যাহত ভাঙনে আতঙ্ক ও অনিশ্চয়তায় দিন কাটাচ্ছেন নদীতীরবর্তী এলাকার বাসিন্দারা। দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ না করলে ভোলা শহর রক্ষা বাঁধসহ আরও বিস্তীর্ণ এলাকা নদীগর্ভে বিলীন হওয়ার আশঙ্কা করছেন তারা।

ইমতিয়াজুর/রিফাত/