রাঙ্গামাটির কাউখালীতে সেনা অভিযানে পাহাড়ের আঞ্চলিক সংগঠন ইউপিডিএফ মূলদলের গোপন আস্তানা থেকে গোলাবারুদসহ বিভিন্ন সরঞ্জাম উদ্ধার করা হয়েছে। এরমধ্যে ১৭ রাউন্ড পিস্তলের গুলি, একটি বাইনোকুলার, একটি ওয়াকি-টকি সেট, একটি হার্ডডিস্ক, সন্ত্রাসীদের ইউনিফর্ম ও চাঁদা আদায়ের রশিদ রয়েছে।
শুক্রবার (৭ মার্চ) ভোরবেলা সুনির্দিষ্ট গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে কাউখালীর পানছড়ি এলাকায় প্রসীত খীসার ইউপিডিএফের শীর্ষ স্থানীয় সন্ত্রাসীদের বিরুদ্ধে বিশেষ অভিযান পরিচালনা করে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী।
অভিযানে সেনাবাহিনী ইউপিডিএফ সন্ত্রাসীদের একটি গোপন আস্তানার সন্ধান পায়। তবে সেনা সদস্যদের উপস্থিতি টের পেয়ে সন্ত্রাসীরা দ্রুত পালিয়ে যায়। এসময় তল্লাশি চালিয়ে ওই আস্তানা থেকে সশস্ত্র সন্ত্রাসীদের ব্যবহৃত ১৭ রাউন্ড পিস্তলের গুলি, একটি বাইনোকুলার, একটি ওয়াকি-টকি সেট, একটি হার্ডডিস্ক, সন্ত্রাসীদের ইউনিফর্ম ও চাঁদা আদায়ের রশিদসহ বিভিন্ন সরঞ্জাম উদ্ধার করা হয়।
অভিযান চলাকালে ইউপিডিএফ তাদের চিরাচরিত কৌশল অনুযায়ী কিছু সংখ্যক পাহাড়ি মহিলা দ্বারা বিক্ষোভ প্রদর্শনের মাধ্যমে অভিযানে বাধা প্রদানের অপচেষ্টা করে এবং আটক গোলাবারুদ ও সরঞ্জামাদি ছিনিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করে। এ ধরনের উস্কানিমূলক পরিস্থিতিতেও সেনাবাহিনী অত্যন্ত ধৈর্য ও পেশাদারত্বের সঙ্গে দায়িত্ব পালন করে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে সক্ষম হয়।
সম্প্রতি কয়েকটি পাহাড়ি সশস্ত্র সংগঠনের অস্ত্র ও গোলাবারুদের বিবিধ চালান পার্শ্ববর্তী দেশ থেকে সেই দেশের আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী কর্তৃক আটক হয়। যা পরবর্তী সময়ে বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমে প্রকাশিত হয়। পাহাড়ের শান্তি বিনষ্টকারী এবং সার্বভৌমত্বের প্রতি হুমকি প্রদানকারী সকল সশস্ত্র সন্ত্রাসীদের বিরুদ্ধে সেনা অভিযান চলমান থাকবে।
জিয়াউর রহমান জুয়েল/মাহফুজ