ঢাকা ৩ আষাঢ় ১৪৩৩, বুধবার, ১৭ জুন ২০২৬

সর্বশেষ
সিলেটে একদিনে হামের উপসর্গে আরও তিন শিশুর মৃত্যু নাটোরে বলাৎকার মামলায় ২ জন কারাগারে ডলার স্থিতিশীল, বেড়েছে ইউরো ও পাউন্ডের দাম চাঁদপুরে আর্জেন্টিনা সমর্থকদের বাঁধভাঙা উচ্ছ্বাস রাসুল (সা.)-এর চুল সাদা হলেও যেমন দেখাত ১৯৭৮ সালে এসেছিলেন প্রেসিডেন্ট বাবা, ৪৮ বছর পর একই মাঠে প্রধানমন্ত্রী ছেলে লক্ষ্মীপুরে স্কুলছাত্রের মৃত্যুকে কেন্দ্র করে বিদ্যালয় ভাঙচুর সিলেটে বৃষ্টিতে ভিজে প্রধানমন্ত্রীকে স্বাগত জানালেন চা শ্রমিকরা ‘সমর্থকরা আর্জেন্টিনার এই দলকে নিয়ে পাগল’, ইতিহাস গড়ার পর মেসি সিলেট পৌঁছেছেন প্রধানমন্ত্রী ইরানি কৌশলেই উপসাগর থেকে গোপনে তেল সরাচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র বিশ্বকাপে ইতিহাস বদলানোর হুঙ্কার টমাস টুখেলের ঘণ্টায় ১০ লাখ ডলার খরচ করলেও ১১৪ বছরে শেষ হবে না মাস্কের সম্পদ প্রধানমন্ত্রীকে বরণে প্রস্তুত মৌলভীবাজারবাসী রংপুরে আওয়ামী লীগ নেতা আখতারুজ্জামান ভুট্টু গ্রেপ্তার আজকের আবহাওয়ার পূর্বাভাস কচুয়া উপজেলা বিএনপি সভাপতির হুমকি, ‘সাংবাদিকতা ছুটিয়ে দেব’ ৬০ বছরের অপেক্ষা বনাম ক্রোয়াট ধারাবাহিকতা নওগাঁ সীমান্তে স্থানীয়দের হাতে আটক সন্দেহভাজন ব্যক্তি সিলেট নগরীর ৪টি পয়েন্টে প্রধানমন্ত্রীকে স্বাগত জানাবে বিএনপি জাহাঙ্গীরনগরে অভিযুক্ত শিক্ষকদের দায়মুক্তির প্রতিবাদে শিক্ষার্থীদের বিক্ষোভ, পুনঃতদন্তের দাবি লিওনেল মেসির হ্যাটট্রিকে আলজেরিয়ার বিপক্ষে আর্জেন্টিনার ৩-০ গোলের জয় প্রকল্পের অনিয়মে জড়িতদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা শাহরাস্তিতে নারীর পেট থেকে ৩ কেজি ওজনের টিউমার অপসারণ সিরাজগঞ্জে ট্রাকচাপায় ট্রাফিক পুলিশ নিহত কালুখালীতে অগ্নিদগ্ধ মরদেহ: মূল পরিকল্পনাকারীসহ গ্রেপ্তার ৩ ওমরাহ যাত্রীদের অর্থ আত্মসাৎ: দুই পীরজাদার বিরুদ্ধে মামলা নগরকান্দা উপজেলা আওয়ামী লীগ নেতার পদত্যাগ ধামরাইয়ের কালামপুর সাব-পোস্ট অফিস: নাক-মুখ চেপে নিতে হয় সেবা বিশ্বমঞ্চে মেসির প্রথম হ্যাটট্রিক, ক্লোসাকে ছুঁয়ে বিশ্বকাপের সর্বোচ্চ গোলদাতা!
Nagad desktop

‘বাঙ্গির গ্রাম’ শোলধারা

প্রকাশ: ২২ মে ২০২৫, ১১:১১ এএম
‘বাঙ্গির গ্রাম’ শোলধারা
বাজারে নেওয়ার জন্য একজন কৃষক বাঙ্গি প্রস্তুত করছেন। মানিকগঞ্জের ঘিওর উপজেলার শোলধারা গ্রাম থেকে তোলা/ খবরের কাগজ

মানিকগঞ্জের ঘিওর উপজেলার ছোট একটি গ্রাম শোলধারা। এই গ্রামের পরিচিতি এখন ‘বাঙ্গির গ্রাম’ নামে। গ্রীষ্মকালীন এই মিষ্টি, রসালো ও সুস্বাদু ফলটির সুবাসে এখন পুরো গ্রাম মুখরিত। আর এই সুবাসের সঙ্গে তাল মিলিয়ে বদলে যাচ্ছে কৃষকের ভাগ্য। বাড়ছে মৌসুমি কর্মসংস্থান, জেগে উঠছে এক নতুন সম্ভাবনা।

প্রতিবছর গ্রীষ্ম এলে দেশের বিভিন্ন প্রান্তে বাঙ্গির চাষ হলেও শোলধারা যেন হয়ে উঠেছে এক ব্যতিক্রমী উদাহরণ। এখানকার বাঙ্গি শুধু সুস্বাদুই নয়, আকারে বড় ও বাহ্যিক সৌন্দর্যেও অনন্য। রাজধানী ঢাকা ছাড়াও আশপাশের বিভিন্ন জেলায় এর চাহিদা ও খ্যাতি রয়েছে।

চলতি বছর শোলধারা গ্রামের দুই শতাধিক কৃষক-কৃষাণী বাঙ্গির চাষ করছেন। কারও আবাদ এক বিঘায়, কারও পাঁচ বিঘা পর্যন্ত। একেকজন কৃষক তাদের নিজস্ব অভিজ্ঞতা আর অর্জনের গল্প বলছেন। প্রতিটি গল্পে মিশে আছে কঠোর পরিশ্রমের সুখস্মৃতি ও অর্জনের অভিজ্ঞতা।

সরেজমিন দেখা যায়, যতদূর চোখ যায় কেবল বাঙ্গির খেত। কখনো পতিত জমি, কখনো উঠানঘেরা খণ্ড জমি- সবখানেই বাঙ্গির আবাদ। চারদিকে ছড়িয়ে পড়েছে বাঙ্গির ঘ্রাণ। মাঠজুড়ে ঝাঁকা হাতে কৃষক-কৃষাণীরা ব্যস্ত বাঙ্গি সংগ্রহে। কেউ জমির পাশেই বসে পাইকারদের সঙ্গে দরদাম করছেন, আবার কেউ বিক্রির উদ্দেশ্যে ঝাঁকা নিয়ে হাটে ছুটছেন।

এই মৌসুমে শোলধারা-বানিয়াজুড়ী সড়কের পাশে গড়ে উঠেছে একটি অস্থায়ী বাঙ্গির হাট। বানিয়াজুড়ী বাসস্ট্যান্ড এলাকায় প্রতিদিন সকাল ও বিকেলে এই হাট বসে। এখানে শুধুই বাঙ্গির কেনাবেচা হয়। আকারভেদে প্রতিটি বাঙ্গি বিক্রি হচ্ছে ৩০ থেকে ৩০০ টাকায়। পাইকাররা খেত থেকেই 
বাঙ্গি কিনে রাজধানীর বাজারে সরবরাহ করছেন।

চার বিঘা জমিতে বাঙ্গির আবাদ করেছেন কৃষক বাবুল মিয়া। সব মিলিয়ে তার খরচ হয়েছে প্রায় ৪৫ হাজার টাকা। এখন খেত থেকেই সব বাঙ্গি বিক্রি করেছেন ১ লাখ ২০ হাজার টাকায়। তিনি বলেন, ‘যা আশা করেছিলাম, তার চেয়ে অনেক ভালো পেয়েছি।’

বর্গাচাষি ইয়াকুব আলী বলেন, ‘এক বিঘা জমি ৩০ হাজার টাকায় লিজ নিয়ে পেঁয়াজ ও বাঙ্গির আবাদ করেছি। পেঁয়াজ চাষে মোট খরচ ৭০ হাজার টাকার মতো। সাথি ফসল হিসেবে বাঙ্গি বিক্রি করেছি ১৮ হাজার টাকার। লাভ কিছু হলেও হয়েছে।’

কৃষাণী সামেলা আক্তার বলেন, ‘এ বছর আমাদের বাঙ্গির ফলন খুব ভালো হয়েছে। একেকটির ওজন হচ্ছে তিন থেকে পাঁচ কেজি পর্যন্ত। শুরুতে প্রতি পিস বাঙ্গি ২০০-৩০০ টাকায় বিক্রি করেছি। এখন দাম একটু কমেছে। তবু এখন পর্যন্ত আমরা ২৫ হাজার টাকার মতো বিক্রি করেছি। খেতে আরও আছে, আশা করছি ২০ হাজার টাকার মতো বিক্রি করা যাবে।’

কৃষক বাতেন মুন্সি বলেন, ‘আমি তিন বিঘা জমিতে বাঙ্গির আবাদ করেছি। ইতোমধ্যে লাখ টাকার মতো বিক্রি হয়েছে। আরও বাঙ্গি আছে, যা থেকে ৬০-৭০ হাজার টাকা পাওয়া যেতে পারে। আমাদের এলাকার কৃষকরা এখন বাঙ্গির দিকে ঝুঁকছেন।’

পাইকারি বিক্রেতা শফিকুল আলম বলেন, ‘প্রতিদিন ভোরে শোলধারা গ্রামে গিয়ে কৃষকের কাছ থেকে বাঙ্গি কিনি। প্রতিটি ঝাঁকার দাম ৮০০ থেকে ১ হাজার ২০০ টাকা। গড়ে প্রতিটি বাঙ্গির দাম ৫০ টাকার ওপরে পড়ে। এগুলো মানিকগঞ্জ শহরে এনে ৬০ থেকে ১০০ টাকায় বিক্রি করি।’

বানিয়াজুড়ী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান এস আর আনসারী বিল্টু বলেন, ‘বাঙ্গি চাষ প্রায় ২০০ পরিবারের জীবিকার প্রধান অবলম্বন হয়ে উঠেছে। এই ফল ঘিরেই বানিয়াজুড়ী বাসস্ট্যান্ডে মৌসুমজুড়ে বাঙ্গির হাট বসে। এখানকার বাঙ্গির সুনাম রাজধানীতেও ছড়িয়েছে।’

ঘিওর উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা তহমিনা খাতুন বলেন, ‘এই অঞ্চলের বাঙ্গি খুবই মিষ্টি ও রসালো। চলতি মৌসুমে প্রায় চার হেক্টর জমিতে বাঙ্গির আবাদ হয়েছে। ফলন ভালো হয়েছে। কৃষকদের আমরা উন্নত জাত, পরামর্শ এবং কারিগরি সহায়তা দিয়ে পাশে থাকার চেষ্টা করছি।’

নাটোরে বলাৎকার মামলায় ২ জন কারাগারে

প্রকাশ: ১৭ জুন ২০২৬, ১১:৩৪ এএম
আপডেট: ১৭ জুন ২০২৬, ১১:৫১ এএম
নাটোরে বলাৎকার মামলায় ২ জন কারাগারে
ছবি: সংগৃহীত

নাটোরের লালপুর উপজেলায় কিশোরকে বলাৎকারসহ পৃথক মামলায় দুইজনকে কারাগারে পাঠিয়েছেন আদালত।

মঙ্গলবার (১৬ জুন) বিকেলে এ আদেশ দেন আদালত।

কিশোরকে বলাৎকার মামলার আসামি মিরাজ আলীর বয়স ৬০ বছর। অপর আসামীর নাম আকাশ (২৩)। তিনি একজন টিকটকার। লালপুর গ্রিনভ্যালি পার্কে এক বিদেশিকে হেনস্তা করার মামলারও আসামি তিনি।

লালপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শফিকুল ইসলাম বিষয়টি নিশ্চিত করে খবরের কাগজকে জানান, গত ১০ জুন সন্ধ্যায় লালপুরের জয়রামপুর এলাকার এক আমবাগানে ১৬ বছর বয়সী কিশোরকে আম কুড়ানোর জন্য ডেকে নিয়ে যায় আসামি মিরাজ। এক পর্যায়ে ওই বাগানেই কিশোরকে বলাৎকার করা হয়। বিষয়টি জানতে পেরে ভিকটিমের বাবা মামলা করেন।

অপরদিকে গত ৮ জুন লালপুরের গ্রিনভ্যালিপার্কে টিকটকারর বন্ধু মিলনমেলার আয়োজন করে। ওই পার্কে বেড়াতে যান রূপপুর পারমাণবিক প্রজেক্টে কর্মরত দুই বিদেশি নাগরিক। ওই সময় তাদের হেনস্তার অভিযোগে মামলার মূল আসামি আকাশকে গ্রেপ্তার করা হয়। মঙ্গলবার তাদের কারাগারে পাঠান আদালত।

কামাল মৃধা/থিওটোনিয়াস/

চাঁদপুরে আর্জেন্টিনা সমর্থকদের বাঁধভাঙা উচ্ছ্বাস

প্রকাশ: ১৭ জুন ২০২৬, ১১:২০ এএম
আপডেট: ১৭ জুন ২০২৬, ১১:৪১ এএম
চাঁদপুরে আর্জেন্টিনা সমর্থকদের বাঁধভাঙা উচ্ছ্বাস
ছবি: খবরের কাগজ

শিরোপা ধরে রাখার মিশনে শুরুতেই আর্জেন্টিনার চেনা দাপট, বাঁধভাঙা উচ্ছ্বাস চাঁদপুরে আর্জেন্টিনা সমর্থকদের। টুর্নামেন্টের প্রথম ম্যাচেই দুর্দান্ত নৈপুণ্য দেখিয়ে আলজেরিয়ার বিপক্ষে পুরো ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ নিজেদের দখলে রাখে আর্জেন্টিনা। 

বুধবার (১৭ জুন) ভোর থেকেই কলেজ প্রাঙ্গণের সামনে জড়ো হতে শুরু করেন আর্জেন্টিনা সমর্থকরা। কারও গায়ে প্রিয় দলের জার্সি, কারও হাতে আর্জেন্টিনার পতাকা, আবার কেউ মুখে এঁকেছেন দলের রঙ। খেলা শুরুর সঙ্গে সঙ্গে বাড়তে থাকে উত্তেজনা। প্রতিটি আক্রমণ, প্রতিটি সুযোগ আর মেসির প্রতিটি গোল যেন নতুন করে প্রাণের সঞ্চার করছিল সমর্থকদের মাঝে।

দলের প্রাণভোমরা লিওনেল মেসি অসাধারণ হ্যাটট্রিক করে একাই নিশ্চিত করেন ৩-০ গোলের জয়। তার দুর্দান্ত পারফরম্যান্সে উচ্ছ্বসিত হয়ে ওঠেন বিশ্বের কোটি কোটি সমর্থকের মতো চাঁদপুরের ফুটবলপ্রেমীরাও।

আর্জেন্টিনার এই দাপুটে জয়কে ঘিরে চাঁদপুরজুড়ে সৃষ্টি হয় উৎসবমুখর পরিবেশ। শহরের বিভিন্ন এলাকা থেকে সমর্থকরা দলবেঁধে খেলা দেখতে জড়ো হন। বিশেষ করে চাঁদপুর সরকারি কলেজের অডিটোরিয়ামে হাজারো সমর্থকের উপস্থিতি ছিল চোখে পড়ার মতো। খেলা শুরুর আগ থেকেই সেখানে ছিল উৎসবের আমেজ।

মেসির প্রথম গোলের পরই আনন্দে ফেটে পড়েন উপস্থিত দর্শকরা। দ্বিতীয় গোলের পর চারদিকে শোনা যায় করতালি, শিস আর উল্লাসধ্বনি। আর হ্যাটট্রিক পূর্ণ হতেই পুরো অডিটোরিয়াম যেন রূপ নেয় ছোট্ট এক আর্জেন্টিনায়। অনেককে আনন্দে একে অপরকে জড়িয়ে ধরতে, ছবি তুলতে ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে মুহূর্তগুলো শেয়ার করতে দেখা যায়।

আয়োজক মার্জুক ঐশ্বর্য বলেন, আর্জেন্টিনা শুধু একটি দল নয়, এটি আমাদের আবেগের জায়গা। প্রথম ম্যাচে মেসির অসাধারণ তিন গোলে আমরা দারুণ খুশি। বিশ্বের অনেক দল ভালো খেলে, তবে আমাদের কাছে সেরা দল আর্জেন্টিনাই। দলের এমন শুরু আমাদের নতুন স্বপ্ন দেখাচ্ছে।

সমর্থকদের মতে, টুর্নামেন্টের শুরুতেই এমন দুর্দান্ত পারফরম্যান্স নতুন করে শিরোপা ধরে রাখার আশা আরও জোরালো করেছে। চাঁদপুরের ফুটবলপ্রেমীদের বিশ্বাস, নিজেদের সেরা খেলাটা ধরে রাখতে পারলে বিশ্বচ্যাম্পিয়নদের সামনে আরও বড় সাফল্য অপেক্ষা করছে।

ফয়েজ/খাদিজা রুমি/

প্রধানমন্ত্রীকে বরণে প্রস্তুত মৌলভীবাজারবাসী

প্রকাশ: ১৭ জুন ২০২৬, ১০:১৩ এএম
প্রধানমন্ত্রীকে বরণে প্রস্তুত মৌলভীবাজারবাসী
প্রধানমন্ত্রীর সমাবেশ উপলক্ষে মৌলভীবাজার সরকারি উচ্চবিদ্যালয় মাঠে প্রস্তুত প্যান্ডেল। ছবি: খবরের কাগজ

একগুচ্ছ স্বপ্ন ও দীর্ঘদিনের প্রত্যাশা বুকে নিয়ে প্রধানমন্ত্রীকে বরণ করে নিতে অধীর আগ্রহে প্রহর গুনছেন প্রবাসী ও পর্যটন-অধ্যুষিত চায়ের রাজধানীখ্যাত মৌলভীবাজার জেলার লাখো মানুষ।

বুধবার (১৭ জুন) প্রধানমন্ত্রী নির্বাচিত হওয়ার পর এই প্রথম মৌলভীবাজার সফরে আসছেন তিনি।

প্রশাসন, বিএনপি ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, বুধবার সকালে ঢাকা থেকে সিলেট ওসমানী আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর হয়ে মৌলভীবাজার আসবেন প্রধানমন্ত্রী। দুপুরে মৌলভীবাজারের শ্রীমঙ্গল উপজেলার ভিক্টোরিয়া উচ্চবিদ্যালয় মাঠ এবং পরে মৌলভীবাজার জেলা সদরের মৌলভীবাজার সরকারি উচ্চবিদ্যালয় মাঠে উপস্থিত থেকে ফ্যামিলি কার্ড বিতরণ করবেন।

এই কর্মসূচির আওতায় শ্রীমঙ্গল উপজেলার মির্জাপুর ইউনিয়নের ১ নম্বর ওয়ার্ডের ১৫৫টি পরিবার এবং রাজনগর উপজেলার টেংরা ইউনিয়নের ৭ নম্বর ওয়ার্ডের ১৫২টি পরিবারকে তৃতীয় পর্যায়ের পাইলট কার্যক্রমে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। নির্বাচিত প্রতিটি পরিবার প্রতি মাসে ২ হাজার ৫০০ টাকা করে আর্থিক সহায়তা পাবে।

প্রধানমন্ত্রীর এই আগমনকে কেন্দ্র করে কয়েক দিন ধরে জেলাবাসীর মধ্যে নানা ধরনের আলোচনা শুরু হয়েছে। এতে নতুন করে পুরোনো দাবিগুলো আলোচনায় ফিরে এসেছে। দীর্ঘদিন ধরে মৌলভীবাজারে একটি মেডিকেল কলেজ ও একটি পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয় স্থাপন, প্রবাসীবহুল ও পর্যটন এলাকা হিসেবে শমসেরনগর বিমানবন্দর চালু, জেলার হাওরগুলোর উন্নয়নে প্রকল্প গ্রহণসহ নানা দাবি সামনে এসেছে।

জেলা বিএনপির আহ্বায়ক ফয়জুল করিম ময়ূন বলেন, ‘মৌলভীবাজারের মানুষের জন্য এটি একটি গুরুত্বপূর্ণ দিন। প্রধানমন্ত্রীর সফর জেলার উন্নয়ন কর্মকাণ্ডে নতুন গতি সঞ্চার করবে বলে আমরা আশা করছি।’

মৌলভীবাজার-৩ আসনের সংসদ সদস্য এম নাসের রহমান বলেন, ‘নির্বাচনের সময় দেওয়া প্রতিশ্রুতিগুলো বাস্তবায়নে আমরা প্রধানমন্ত্রীর কাছে জেলার গুরুত্বপূর্ণ দাবিগুলো উপস্থাপন করব।’

পুলক/রিফাত/

নওগাঁ সীমান্তে স্থানীয়দের হাতে আটক সন্দেহভাজন ব্যক্তি

প্রকাশ: ১৭ জুন ২০২৬, ০৯:৫৪ এএম
আপডেট: ১৭ জুন ২০২৬, ১০:২৪ এএম
নওগাঁ সীমান্তে স্থানীয়দের হাতে আটক সন্দেহভাজন ব্যক্তি
নওগাঁ সীমান্তে ৭০ উর্ধ্ব সন্দেহভাজন ব্যক্তি। ছবি:খবরের কাগজ

নওগাঁ সীমান্তে ৭০ বছর বয়সী সন্দেহভাজন এক ব্যক্তিকে ধরে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ-এর (বিজিবি) কাছে সোপর্দ করেছেন স্থানীয়রা।

মঙ্গলবার (১৬ জুন) সন্ধ্যার ঠিক আগে নওগাঁর চকিলাম বিজিবি বিওপির আওতায় চকশবদল সীমান্ত থেকে তাকে আটক করা হয়।

নওগাঁ ১৪ বিজিবি ব্যাটেলিয়ানের অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল আব্দুল্লাহ আল মামুন ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন।

তিনি জানান, মঙ্গলবার সন্ধ্যার কিছু আগে চকিলাম এলাকায় লুঙ্গি-গেঞ্জি পরিহিত বয়স্ক এক ব্যক্তিকে ঘুরতে দেখেন স্থানীয়রা। সন্দেহ হলে তাকে আটক করে বিজিবির হাতে তুলে দেন গ্রামবাসী। তবে তিনি তার নাম ঠিকানা কিংবা পরিচয় কিছুই বলতে পারেননি। ধারণা করা হচ্ছে সে মানসিক প্রতিবন্ধী। এরই মধ্যে বিষয়টি স্থানীয় বিএসএফ কর্মকর্তাদের জানানো হয়েছে।

অধিনায়ক জানান, ১৪ বিজিবির আওতাধীন পুরো সীমান্ত এলাকায় টহল জোরদার আছে। কোনো ভাবেই বাংলাদেশ অভ্যন্তরে অবৈধভাবে কাউকে ঢুকতে দেওয়া হবে না। সীমান্ত এলাকায় অপরিচিত লোক দেখলেই জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে। স্থানীয় গ্রামবাসীও বিজিবিকে সহযোগিতা করছেন।

গত ৫ জুন নওগাঁর হাপানীয়া ও ৭ জুন নীতপুর সীমান্ত দিয়ে কয়েকজন ব্যক্তিকে পুশইনের চেষ্টা করে বিএসএফ। তবে তা বিজিবির প্রতিরোধের মুখে ভারত অভ্যন্তরে ফিরিয়ে নিতে বাধ্য হয়।

হারুন/আজহার

সিলেট নগরীর ৪টি পয়েন্টে প্রধানমন্ত্রীকে স্বাগত জানাবে বিএনপি

প্রকাশ: ১৭ জুন ২০২৬, ০৯:৫৩ এএম
আপডেট: ১৭ জুন ২০২৬, ০৯:৫৪ এএম
সিলেট নগরীর ৪টি পয়েন্টে প্রধানমন্ত্রীকে স্বাগত জানাবে বিএনপি
ছবি: সংগৃহীত

সিলেট নগরীর ভেতর দিয়ে বুধবার মৌলভীবাজার যাবেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। তাই তাকে স্বাগত জানানোর উদ্যোগ নিয়েছে সিলেট মহানগর বিএনপি। এ উপলক্ষে নগরীর চারটি পয়েন্টে নেতা-কর্মীরা অবস্থান নেবেন।

 বুধবার  (১৭ জুন) মৌলভীবাজার সফরের শুরুতে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে সিলেটের ওসমানী আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অবতরণ করবেন। এরপর তিনি সড়কপথে সিলেট নগরী হয়ে মৌলভীবাজার যাবেন। সেখানে তিনি ফ্যামিলি কার্ড কর্মসূচির তৃতীয় পর্যায়ের উদ্বোধন করবেন।

প্রধানমন্ত্রীর দায়িত্ব গ্রহণের পর এ নিয়ে দ্বিতীয়বারের মতো সিলেট বিভাগ সফর করছেন তারেক রহমান। তার সফরকে কেন্দ্র করে মৌলভীবাজারের পাশাপাশি সিলেট জেলাতেও উৎসবের আমেজ বিরাজ করছে।

সিলেট মহানগর বিএনপি সূত্রে জানা গেছে, প্রধানমন্ত্রীকে স্বাগত জানাতে সিলেট নগরীর চৌকিদেখী পয়েন্ট, আম্বরখানা পয়েন্ট, কুমারপাড়া-নাইরপুল পয়েন্ট এবং উপশহরের রোজভিউয়ের সামনে থেকে হুমায়ুন রশিদ চত্বর পয়েন্টে বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের নেতা-কর্মীরা অবস্থান নেবেন। প্রতিটি পয়েন্টে মনিটরিংয়ের জন্য দুইজন সহ-সভাপতি ও দুইজন যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক উপস্থিত থাকবেন।

চৌকিদেখী পয়েন্টে প্রধানমন্ত্রীকে স্বাগত জানাবে ৪, ৫, ৬ ও ৭ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপি এবং স্বেচ্ছাসেবক দল, কৃষক দলসহ অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের নেতা-কর্মীরা। এ কর্মসূচিতে নেতৃত্ব দেবেন সহ-সভাপতি জিয়াউল গনি আরিফিন জিল্লুর ও সাদিকুর রহমান সাদিক, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক শামীম মজুমদার ও মাহবুবুল হক চৌধুরী এবং সাংগঠনিক সম্পাদক সৈয়দ সাফেক মাহবুব।

আম্বরখানা পয়েন্টে প্রধানমন্ত্রীকে স্বাগত জানাবে ১, ২, ৩, ৮, ৯, ১০, ১১, ১২, ৩৬, ৩৭, ৩৮ ও ৩৯ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপি এবং অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের নেতা-কর্মীরা। নেতৃত্ব দেবেন সহ-সভাপতি জিয়াউল হক জিয়া ও মাহবুব কাদির শাহী, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মির্জা বেলায়েত হাসান লিটন, শাহনেওয়াজ বক্ত তারেক ও মতিউল বারী খুর্শেদ।

কুমারপাড়া থেকে নাইরপুল পয়েন্টে প্রধানমন্ত্রীকে স্বাগত জানাবে ১৩, ১৪, ১৫, ১৬, ১৭, ১৮, ১৯, ২০, ৩২, ৩৩, ৩৪ ও ৩৫ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপি এবং অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের নেতা-কর্মীরা। নেতৃত্ব দেবেন সহ-সভাপতি আমির হোসেন ও সুদীপ রঞ্জন সেন বাপ্পু, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক শুয়াইব আহমদ শোয়েব ও রেজাউল করিম আলো।

উপশহরের রোজভিউয়ের সামনে থেকে হুমায়ুন রশিদ চত্বর পয়েন্টে প্রধানমন্ত্রীকে স্বাগত জানাবে ২১, ২২, ২৩, ২৪, ২৫, ২৬, ২৭, ৩১, ৪০, ৪১ ও ৪২ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপি এবং ছাত্রদল, তাঁতীদলসহ অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের নেতা-কর্মীরা। নেতৃত্ব দেবেন সহ-সভাপতি সৈয়দ মঈন উদ্দিন সোহেল ও আফজাল উদ্দিন, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মনজুরুল হাসান মঞ্জু, নাদির খান ও আবুল কালাম।

এ ব্যাপারে সিলেট মহানগর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক ইমদাদ হোসেন চৌধুরী বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রীর এই সফরকে উৎসবমুখর পরিবেশে সফল করতে মহানগর বিএনপি ইতোমধ্যে প্রস্তুতি সভা করেছে। সভায় সিলেট নগরীর চারটি পয়েন্টে প্রধানমন্ত্রীকে স্বাগত জানানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। নেতা-কর্মীদের দায়িত্বও দেওয়া হয়েছে। প্রধানমন্ত্রীর এই সফর সফল ও উৎসবমুখর করতে বিএনপি এবং অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের নেতা-কর্মীদের ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করার আহ্বান জানাচ্ছি।’

রিফাত/