পঞ্চগড় সদর উপজেলার সাতমেরা ইউনিয়নের বড় ঝিটকীখুড়া এলাকায় বালি পাথর উত্তোলনের সময় পাওয়া গেছে একটি পরিত্যক্ত মর্টার শেল।
বুধবার (১৭ জুন) সন্ধ্যায় ওই এলাকার মাঝিপাড়া ব্রিজ-সংলগ্ন চিলকা নদী থেকে বালু ও পাথর উত্তোলনের সময়ে মর্টার শেলটি খুঁজে পান শ্রমিকরা। মূল্যবান সম্পদ ভেবে তারা সেটি বাড়িতে নিয়ে যান।
পুলিশ জানায়, ওই এলাকার শ্রমিক আনোয়ার হোসেন, ফেরদৌস ও মোমিনুল ইসলাম মর্টার শেলটি বাড়িতে নিয়ে আসার পর বিষয়টি এলাকায় জানাজানি হলে তারা বড় ঝিটকীখুড়া এলাকায় আব্দুস সালামের বাড়ির কাছে সড়কের পাশে মর্টার শেলটি ফেলে রেখে যায়।
খবর পেয়ে পঞ্চগড় সদর থানা পুলিশে টহল দল মর্টার শেলটি থানায় নিয়ে যায়।
পঞ্চগড় সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আশরাফুল ইসলাম বলেন, 'বালি, পাথর উত্তোলনের সময় পরিত্যক্ত অবস্থায় মর্টার শেলটি খুঁজে পায়। সেনাবাহিনীর বোম ডিসপোজাল ইউনিটকে খবর দেওয়া হয়েছে। তারা এসে এটি নিষ্ক্রিয় করবেন।'
রনি মিয়াজী/তামান্না রুপা/
সিলেটে গত ২৪ ঘণ্টায় হামের উপসর্গ নিয়ে আরও দুই শিশুর মৃত্যু হয়েছে। এ নিয়ে সিলেটে হামে আক্রান্ত হয়ে ও হাম উপসর্গ নিয়ে ৭৪ শিশুর মৃত্যু হলো। নিশ্চিত হাম রোগে মৃত্যুর সংখ্যা ৪ জন।
এছাড়া গত ২৪ ঘণ্টায় সিলেটে নতুন করে আরও ২ জনের শরীরে হামের সংক্রমণ শনাক্ত হয়েছে। সেই সঙ্গে সন্দেহজনক রোগী হিসেবে নতুন ভর্তি হয়েছেন ৭১ জন।
বৃহস্পতিবার (১৮ জুন) বিভাগীয় স্বাস্থ্য পরিচালকের প্রতিবেদনে এসব তথ্য জানানো হয়।
বিভাগীয় স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের প্রতিবেদনে বলা হয়, গত ২৪ ঘণ্টায় সিলেট ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় সিলেটের ওসমানীনগর উপজেলার ইলশাপুর গ্রামের দিপন পালের ৯ মাস বয়সী মেয়ে দিবানি পাল মারা যায়। একই হাসপাতালে সুনামগঞ্জের দোয়ারাবাজার উপজেলার চাতুরবাগ, বিলাইউরি গ্রামের মনোয়ারের ২ মাস ২৪ দিন বয়সী ছেলে রাইয়ান মারা যায়।
চলতি বছরের ১ জানুয়ারি থেকে ৬ জুন পর্যন্ত মোট ৩২৫ জনের পরীক্ষাগারে হামের সংক্রমণ পাওয়া গেছে। এর মধ্যে হবিগঞ্জে ২৪ জন (২ জন রুবেলা), মৌলভীবাজারে ১৬ জন, সুনামগঞ্জে ১৭৮ জন এবং সিলেট জেলায় ১০৭ জন।
বর্তমানে সিলেট বিভাগের বিভিন্ন হাসপাতাল ও স্বাস্থ্যকেন্দ্রে মোট ২৬৮ জন সন্দেহজনক রোগী চিকিৎসাধীন রয়েছেন। এর মধ্যে সর্বোচ্চ ১০০ জন ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে, ৭৫ জন ভর্তি আছেন শহীদ শামসুদ্দিন আহমদ হাসপাতালে, ও ৩২ জন সুনামগঞ্জ জেলা সদর হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। বিভিন্ন সরকারি-বেসরকারি হাসপাতালে রোগীরা চিকিৎসা নিচ্ছেন।
শাকিলা ববি/খাদিজা রুমি/
মুন্সীগঞ্জে আরিফ হোসেন হত্যার বিচার ও জড়িতদের গ্রেপ্তারের দাবিতে মানববন্ধন ও বিক্ষোভ করেছেন নিহতের স্বজন ও স্থানীয়রা।
বৃহস্পতিবার (১৮ জুন) সকাল সাড়ে ১০টার দিকে মুন্সীগঞ্জ প্রেসক্লাবের সামনে এ মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়।
গত ১৪ জুন লেনদেন সংক্রান্ত বিরোধের জেরে শহরের মুন্সিরহাট জসিমনগর এলাকা থেকে আরিফ হোসেনকে বাড়ি থেকে ডেকে নিয়ে হত্যা করা হয়। ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের দ্রুত গ্রেপ্তার করে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানান তারা।
মানববন্ধন শেষে অংশগ্রহণকারীরা মিছিল নিয়ে মুন্সীগঞ্জ সদর থানায় যান। সেখানে তারা পুলিশের কাছে বিচার নিশ্চিত করার দাবি জানান।
সুমন/তামান্না রুপা/
গাজীপুরের কালিয়াকৈরে একটি তৈরি পোশাক কারখানায় পানি পান করে দুই শতাধিক শ্রমিক অসুস্থ হয়ে পড়েছেন। তাদের উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সসহ বিভিন্ন হাসপাতালে নেওয়া হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (১৮ জুন) সকাল সাড়ে ৯টায় জেলার কালিয়াকৈর উপজেলার চন্দ্রা এলাকায় অবস্থিত ড্রেসম্যান গার্মেন্টস লিমিটেডে এ ঘটনা ঘটে।
শ্রমিকরা জানান, বৃহস্পতিবার সকালে কারখানায় আসেন শ্রমিকরা। কাজ শুরুর কিছুক্ষণ পর তারা কারখানার পানি পান করেন। এর কিছুক্ষণ পর কারখানার চতুর্থ তলায় কয়েকজন শ্রমিক অসুস্থ হয়ে পড়েন। অনেকেই মাথা ঘুরে পড়ে যাওয়া, বমিসহ নানা রকম অস্বাভাবিকতা দেখা দেয়। ধীরে ধীরে কারখানার অন্যান্য ফ্লোরের শ্রমিকরাও অসুস্থ হয়ে পড়েন। অসুস্থদের মধ্যে বেশিরভাগই নারী শ্রমিক।
কালিয়াকৈর উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. সাদিয়া তাসনিম মুনমুন জানান, সকাল সাড়ে ১০টার দিকে অসুস্থ অবস্থায় বহু শ্রমিককে হাসপাতালে আনা হয়েছে। একের পর এক রোগী আসছেন। আমরা যথাক্রমে তাদের চিকিৎসা দিচ্ছি।
ওই কারখানার অ্যাসিস্ট্যান্ট জেনারেল ম্যানেজার আতিকুল ইসলাম বলেন, ‘সকাল সাড়ে ৮টার দিকে আমাদের কারখার একজন মেয়ে শ্রমিক বমি করে। পরে সঙ্গে আমাদের হাসপাতালে ভর্তি করি। সাড়ে ৯টার দিকে আরও ৫-৬ জন অসুস্থ হয়ে যায়। পরে আমরা কালিয়াকৈর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স এ পাঠিয়ে দেওয়া হয়। পরে আমরা কারখানা ছুটি দিয়েছি। তবে আমাদের কারখানার যে পানি সেটিতে কোনো সমস্যা নেই।’
পলাশ প্রধান/খাদিজা রুমি/
রাঙামাটির বরকল সীমান্ত দিয়ে ভারতে পাচারের সময় ১৮ বস্তা রসুন ও ৯ বস্তা সার জব্দ করেছে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)। তবে পাচারকারীরা পালিয়ে যাওয়ায় কাউকে আটক করা যায়নি।
বৃহস্পতিবার (১৮ জুন) ভোরে সীমান্ত এলাকায় অভিযান চালিয়ে এসব পণ্য জব্দ করা হয়।
বিজিবি সূত্রে জানা যায়, অবৈধভাবে ভারতে পাচারের উদ্দেশ্যে মালামালগুলো সীমান্তের দিকে নিয়ে যাওয়া হচ্ছিল। এ সময় পণ্যগুলো জব্দ করা হয়।
বিজিবি জানায়, জব্দ ১৮ বস্তা রসুন ও ৯ বস্তা সার আইনি প্রক্রিয়ায় সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে হস্তান্তরের করা হবে। সীমান্ত এলাকায় চোরাচালান ও পাচার রোধে বিজিবির নিয়মিত অভিযান অব্যাহত থাকবে।
জুয়েল/থিওটোনিয়াস