চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ডের সলিমপুর ইউনিয়নের ফৌজদারহাট সমুদ্র উপকূলে এম এ কাশেম রাজার মালিকানাধীন কোহিনুর স্টিল নামে জাহাজভাঙা কারখানার ভবন অবৈধ স্থাপনা ঘোষণা দিয়ে উচ্ছেদ করেছে জেলা প্রশাসন।
বুধবার (২৫ জুন) সকালে পরিচালিত অভিযানে উপস্থিত ছিলেন জেলাপ্রশাসনের তিন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট, সেনাবাহিনী, র্যাব ও পুলিশ।
তবে ভবন ভাঙচুর বিষয়টিকে অবৈধ বলে দাবি করেছে কারখানার মালিক এম এ কাশেম রাজা। তার দাবি, এ-সংক্রান্ত উচ্চ আদালতে দুটি মামলা বিচারাধীন। মামলার রায় আসার আগেই অবৈধভাবে জেলা প্রশাসন কারও নির্দেশনায় এমন কাজ করছে। এতে তার অর্ধশত কোটি টাকা ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে।
সরেজমিনে দেখা যায়, সকাল ৮টার দিকে ওই কারখানা যাওয়ার সবগুলো প্রবেশ পথে অবস্থান নেন সেনাবাহিনীর সদস্যরা। এ সময় ওই পথে কাউকে যাতায়াত করতে দেননি তারা। সকাল ৯টার দিকে দুটি লরিতে দুটি এক্সক্যাভেটর ঘটনাস্থলে আনা হয়। এর কিছুক্ষণপর ঘটনাস্থলে আসে অসংখ্য পুলিশ ও জেলাপ্রশাসনের দুই নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ও সীতাকুণ্ডের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট আবদুল্লাহ আল মামুন। এরপর শুরু হয় ভবন ভাঙার কাজ।
জেলা প্রশাসনের ম্যাজিষ্ট্রেট আল আমিন জানান, কোহিনুর শিপ ব্রেকিং ইয়ার্ডের স্থাপনাটির অবস্থান তুলাতলী মৌজার ১ নম্বর খাস খতিয়ান অন্তর্ভুক্ত জায়গায়। কিন্তু ওই জায়গাটি ইজারা না নিয়ে জাহাজভাঙা কারখানা কর্তৃপক্ষ অবৈধভাবে ভবন করেছেন। তারা অবৈধ স্থাপনাটি উচ্ছেদের জন্য কার্যক্রম চালিয়েছেন। তবে ওই মালিকের উত্তর সলিমপুর মৌজায় যতটুকু ইজারাভুক্ত জায়গা রয়েছে, তা তারা উচ্ছেদ করছেন না বলে জানান।