ছবি: খবরের কাগজ
কক্সবাজারের টেকনাফে ডিউটিরত পুলিশ সদস্য ও একটি মামলার গ্রেপ্তার আসামিকে বহনকারী সিএনজিচালিত অটোরিকশাকে দ্রুতগতির একটি কাভার্ডভ্যান ধাক্কা দিলে দুই উপ-পরিদর্শকসহ (এসআই) অন্তত চারজন গুরুতর আহত হয়েছেন। এ ঘটনায় কাভার্ডভ্যানটি জব্দ করে চালক-হেলপারসহ তিনজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।
রবিবার (৭ জুন) ভোররাত আনুমানিক ৩টার দিকে টেকনাফ-কক্সবাজার মহাসড়কের হোয়াইক্যং ইউনিয়নের নোয়াপাড়া এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে।
গ্রেপ্তাররা হলেন- মো. রুমান মিয়া (৪১), মাঈন উদ্দিন (৩৫) ও মো. রাকিব (২৩)। তারা যথাক্রমে নোয়াখালী, রংপুর ও নেত্রকোনা জেলার বাসিন্দা বলে জানিয়েছে পুলিশ।
টেকনাফ মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. সাইফুল ইসলাম জানান, নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনের একটি মামলার আসামি মো. মেহেদীকে গ্রেপ্তারের পর অপর আসামি এবং অপহৃত ভিকটিমকে উদ্ধারের লক্ষ্যে এসআই (নি.) জাফর আলম, এসআই (নি.) মোরশেদ আলম, এএসআই শাহ আলম, এএসআই আলাউদ্দিনসহ পুলিশের একটি দল অভিযান পরিচালনা করে।
অভিযান শেষে গ্রেপ্তার আসামিকে নিয়ে সিএনজিযোগে হ্নীলা ইউনিয়নের ফুলের ডেইল এলাকা থেকে হোয়াইক্যংয়ের তেচ্ছিব্রিজ এলাকায় যাওয়ার পথে নোয়াপাড়ায় পৌঁছালে কক্সবাজার থেকে টেকনাফগামী একটি দ্রুতগতির কাভার্ডভ্যান সিএনজিটিকে সজোরে ধাক্কা দেয়।
দুর্ঘটনায় এসআই জাফর আলম, মামলার ভিকটিমের ভাই আলতাফ মোহাম্মদ খালেক এবং গ্রেপ্তার আসামি মো. মেহেদী গুরুতর আহত হন। এছাড়া এসআই মোরশেদ আলম ও সিএনজিচালক মো. তৈয়ব আহত হয়েছেন।
দুর্ঘটনার পর কাভার্ডভ্যানটি পালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করলে স্থানীয় জনতা ও পুলিশের সহায়তায় আহতদের উদ্ধার করে টেকনাফ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হয়। পরে গুরুতর আহত তিনজনকে উন্নত চিকিৎসার জন্য কক্সবাজার সদর হাসপাতালে পাঠানো হয়।
খবর পেয়ে টেকনাফ মডেল থানার পুলিশ অভিযান চালিয়ে টেকনাফ পৌরসভার নাইট্যংপাড়া ব্রিজ এলাকা থেকে দুর্ঘটনায় জড়িত কাভার্ডভ্যান (ঢাকা মেট্রো-উ-১১-৭৯৭৬) আটক করে। এ সময় চালক ও হেলপারসহ তিনজনকে গ্রেপ্তার করা হয়।
ওসি মো. সাইফুল ইসলাম বলেন, ‘ঘটনার বিষয়ে প্রয়োজনীয় আইনি প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।’
শাহীন/রিফাত/