ঢাকা ২২ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩, শুক্রবার, ০৫ জুন ২০২৬

সর্বশেষ
মাস্টার বাড়ি কোরবানির চামড়া বিক্রিতে ধস কৃষি শব্দকোষ টাঙ্গাইলে ১৪৪ ধারা উপেক্ষা করে আবারও সংঘর্ষ জীবনধারা বদলান, বিদ্যুৎ সাশ্রয় করুন খবরের কাগজে পদোন্নতি-বাণিজ্যের প্রতিবেদন প্রকাশ: তদন্তে নেমেছে আইন মন্ত্রণালয় ফরিদপুরে হামে মৃতের সংখ্যা বেড়ে ২১ মেধাবীদের বিদেশে উচ্চশিক্ষার প্রবণতা কী বার্তা দিচ্ছে পারিশ্রমিক না পেয়ে ম্যাচ বয়কট ব্রাদার্সের ক্রিকেটারদের অস্তিত্ব সংকটে হাঁড়িধোয়া নদী উত্তরবঙ্গ শিল্পোন্নত হোক দীনেশচন্দ্র সেন ও লোককাহিনির মঞ্চ-পরিবাহন মোস্তফা কামালের বিষাদ বসুধা স্বাধীনতার অবিনাশী ছাত্র ও যুব নেতৃত্ব চাকরি দিচ্ছে ওয়ালটন, রয়েছে বিভিন্ন সুযোগ-সুবিধা বিদ্যুৎ-জ্বালানির মূল্যবৃদ্ধি: জীবনযাত্রা হবে আরও ব্যয়বহুল বিদ্যুতের অস্বাভাবিক মূল্যবৃদ্ধি ক্ষুধা লাগলে মায়ের চিতায় ছুটে যান ৩ ভাই নওগাঁ সীমান্তে ১৭ জনকে পুশইনের চেষ্টা বিএসএফের নেইমারকে ছাড়াই খেলবে ব্রাজিল সুন্দর পুরুষ টিভিতে আজকের খেলা কেমন হবে মুমিনের হজ-পরবর্তী জীবন ভূরুঙ্গামারীতে অগ্নিকাণ্ডে পুড়ল অর্ধশতাধিক দোকান জীবন একদিন শেষ হয়ে যায়! মুন্সীগঞ্জে বিদেশি বিয়ারসহ গ্রেপ্তার ৩ ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় পিকআপের ধাক্কায় মা-ছেলেসহ নিহত ৩ বাকলিয়ায় শিশু ধর্ষণের ঘটনায় অভিযোগপত্র দাখিল বিষাদ-বেদনার আঙুলে চুমো খাও নির্বাচনের খরা কাটল মাসুদুজ্জামানের
Nagad desktop

নগরকান্দায় চোর সন্দেহে গণপিটুনি, নিহত ১

প্রকাশ: ২৪ নভেম্বর ২০২৫, ১১:২০ এএম
নগরকান্দায় চোর সন্দেহে গণপিটুনি, নিহত ১
ছবি: খবরের কাগজ

ফরিদপুরের নগরকান্দা উপজেলার রামনগর ইউনিয়নের দেবীনগর গ্রামে চোর সন্দেহে গণপিটুনিতে একজন নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় আহত হয়েছেন আরও তিনজন।

রবিবার (২৩ নভেম্বর) রাত দুইটার দিকে এ ঘটনা ঘটে।

আহতদের নগরকান্দা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে। 

জানা যায়, নিহত ব্যক্তির নাম শাহীন শিকদার (২৮)। তিনি ওই ইউনিয়নের গজগাঁ গ্রামের মোস্তফা শিকদারের ছেলে। আহতরা হলেন, একই গ্রামের সুমন, পারভেজ ও ইনামুল।

পুলিশ ও স্থানীয়রা জানায়, দেবীনগর গ্রামের রাস্তায় গভীর রাতে তাদের ঘোরাঘুরি করতে দেখে স্থানীয়দের সন্দেহ হয়। পরে তাদের পাঁচজনকে আটক করে গণপিটুনি দেয়। এদের মধ্যে একজন পালিয়ে গেলেও অপর চারজন মারাত্মক আহত হন। আহতদের মধ্যে শাহিন শিকদারকে ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন। অপর তিনজনকে নগরকান্দা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে ভর্তি করা হয়েছে।

নগরকান্দা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রেজাউল করিম জানান, আমরা স্থানীয়দের মাধ্যমে বিষয়টি জেনে ঘটনাস্থলে ফোর্স পাঠিয়েছি। এ নিয়ে আইনি ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন।

সঞ্জিব দাস/অমিয়/

টাঙ্গাইলে ১৪৪ ধারা উপেক্ষা করে আবারও সংঘর্ষ

প্রকাশ: ০৫ জুন ২০২৬, ০২:১৩ পিএম
আপডেট: ০৫ জুন ২০২৬, ০৩:০৪ পিএম
টাঙ্গাইলে ১৪৪ ধারা উপেক্ষা করে আবারও সংঘর্ষ
ছবি: খবরের কাগজ

টাঙ্গাইলের গোপালপুর ও ভূঞাপুর উপজেলায় সংঘর্ষের ঘটনায় ১৪৪ ধারা জারি করা হলেও তা উপেক্ষা করে আবারও সংঘর্ষ, অগ্নিসংযোগ ও ভাঙচুরের ঘটনা ঘটেছে।  

শুক্রবার (৫ জুন) সকালে এ ঘটনা ঘটে। 

এদিকে বিশৃঙ্খলারোধে গোপালপুরের নলীন বাজার, গোলপেঁচা এবং ভূঞাপুর উপজেলার জগৎপুরা এলাকায় বিপুল সংখ্যক পুলিশ সদস্য মোতায়েন করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার রাতে সংঘর্ষে একজন মারা যাওয়ায় ঘরবাড়ি ভাঙচুর, অগ্নিসংযোগ এবং আরেক দফায় মাইকিং করে সহিংসতার ডাক দেয় গোপালপুরের লোকজন। 

পরিস্থিতি স্বাভাবিক করতে বৃহস্পতিবার রাত ১২টার পরই গোপালপুর ও ভূঞাপুরে ১৪৪ ধারা জারি করে স্থানীয় প্রশাসন। 

তবে আজ সকালে ১৪৪ ধারা উপেক্ষা করে অন্তত তিনটি বাড়িতে অগ্নিসংযোগ এবং ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে ভাঙচুরের ঘটনা ঘটেছে।

ভূঞাপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. মাহবুব হাসান খবরের কাগজকে বলেন, প্রথমে দুই গ্রামবাসীর মধ্যে সংঘর্ষ হলেও এখন একাধিক গ্রামে এই সংঘর্ষ ছড়িয়ে পড়েছে। ১৪৪ ধারা উপেক্ষা করে সংঘর্ষ ও অগ্নিসংযোগ খুবই অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা। আমরা সবাইকে আইনের প্রতি শ্রদ্ধাশীল হওয়ার আহ্বান জানিয়েছি। 

উল্লেখ্য, দোকানে বাকি খাওয়াকে কেন্দ্র করে গোপালপুর উপজেলার গোল পেঁচা ও ভূঞাপুর উপজেলার জগৎকুড়া গ্রামের মধ্যে গত ২২ এপ্রিল দফায় দফায় সংঘর্ষ ও ভাঙচুরের ঘটনা ঘটে। এই ঘটনার জের ধরে বৃহস্পতিবার বিকেলে পুনরায় সংঘর্ষে জড়ান দুই গ্রামের লোকজন। দেশীয় অস্ত্রে দফায় দফায় চলে সংঘর্ষ, ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগের ঘটনা। সংঘর্ষে কালাম তালুকদারসহ অনেকেই আহত হন। পরে তাদের ভূঞাপুর হাসপাতালে নেওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক ডা. ফাতেমা কালামকে মৃত ঘোষণা করেন। আহত অন্যদের টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। 

জুয়েল রানা/থিও

ফরিদপুরে হামে মৃতের সংখ্যা বেড়ে ২১

প্রকাশ: ০৫ জুন ২০২৬, ১২:৫৮ পিএম
আপডেট: ০৫ জুন ২০২৬, ০৩:১১ পিএম
ফরিদপুরে হামে মৃতের সংখ্যা বেড়ে ২১
ছবি: খবরের কাগজ

ফরিদপুরে হামের উপসর্গ নিয়ে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তানহা (১৮ মাস) নামে আরও এক শিশুর মৃত্যু হয়েছে। এ নিয়ে জেলায় হামের উপসর্গে মৃত শিশুর সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ২১ জন। 

বৃহস্পতিবার (৪ জুন) ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় শিশুটির মৃত্যু হয়।

ফরিদপুরের সিভিল সার্জন ডা. মাহমুদুল হাসান জানান, গত ২৪ ঘণ্টায় জেলার বিভিন্ন সরকারি হাসপাতালে হামের উপসর্গ নিয়ে ৬২ জন রোগী ভর্তি হয়েছে। চিকিৎসা শেষে সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছে ৪১ জন। বর্তমানে জেলার বিভিন্ন সরকারি হাসপাতালে হামের উপসর্গে নিয়ে ১৭৮ জন রোগী চিকিৎসাধীন রয়েছেন। আক্রান্তদের মধ্যে অধিকাংশই শিশু। 

হামের সংক্রমণ বৃদ্ধি পাওয়ায়- শিশুদের টিকাদান নিশ্চিত করার পাশাপাশি জ্বর, সর্দি, কাশি ও শরীরে লালচে দাগ দেখা দিলে দ্রুত চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়ার আহ্বান জানান সিভিল সার্জন ।

এনকেবি নয়ন/তামান্না রুপা

ক্ষুধা লাগলে মায়ের চিতায় ছুটে যান ৩ ভাই

প্রকাশ: ০৫ জুন ২০২৬, ১২:০৬ পিএম
আপডেট: ০৫ জুন ২০২৬, ০১:০৯ পিএম
ক্ষুধা লাগলে মায়ের চিতায় ছুটে যান ৩ ভাই
ছবি: খবরের কাগজ

মায়ের মৃত্যুর পর যেন থমকে গেছে বিশেষ চাহিদা সম্পন্ন তিন ভাইয়ের জীবন। ক্ষুধা লাগলে নির্বাক এই তিন ভাই হাতে খাবারের প্লেট নিয়ে বসে থাকেন মায়ের চিতার পাশে। পটুয়াখালীর বাউফলে মানবেতর জীবনযাপন করা এই তিন ভাই এখন বেঁচে আছেন কেবল প্রতিবেশীদের সহায়তার ওপর ভর করে।

পটুয়াখালীর বাউফল উপজেলার ধূলিয়া ইউনিয়নের চাদকাঠী গ্রামের দাসনগর এলাকায় একটি জরাজীর্ণ টিনের ঘরে বসবাস করেন রিপন দাস (৪৫), সাধন দাস (৩৮) ও নিদু দাস (৩৫)। জন্ম থেকেই নানা প্রতিবন্ধকতা নিয়ে বেড়ে ওঠা এই তিন ভাইয়ের মধ্যে সাধন দৃষ্টিপ্রতিবন্ধী, আর রিপন ও নিদু বাক ও বুদ্ধিপ্রতিবন্ধী। ক্ষুধা লাগলে তারা ঠিকমতো খাবারও চাইতে পারেন না। 

একসময় বাবা রতন চন্দ্র দাস ও মা সরস্বতী রানীর স্নেহ-ভালোবাসায় কোনোমতে চলছিল তাদের জীবন। কিন্তু ২০২৫ সালে বাবা মারা যাওয়ার পর সংসারের পুরো দায়িত্ব এসে পড়ে মায়ের কাঁধে। অসুস্থ শরীর নিয়েও তিন সন্তানকে আগলে রেখেছিলেন তিনি। দীর্ঘদিন লিভার ও কিডনি রোগে ভুগে গত মাসে মারা যান মা সরস্বতী রানীও। এরপর থেকেই আশ্রয়হীন হয়ে পড়েন তিন প্রতিবন্ধী ভাই।

পরিবারের পাঁচ ভাইবোনের মধ্যে বড় বোন প্রায় ২০ বছর আগে ভারতে চলে যান। অপর এক ভাই দিনমজুরের কাজ করে নিজের সংসার চালাতেই হিমশিম খাচ্ছেন। ফলে তিন প্রতিবন্ধী ভাইয়ের দায়িত্ব নেওয়ার মতো সামর্থ্য তারও নেই।

স্থানীয়রা খবরের কাগজকে জানান, এখন তাদের জীবন চলে প্রতিবেশীদের দেওয়া খাবারে। কেউ খাবার দিলে তারা খেতে পারেন, না দিলে অনেক সময় না খেয়েই দিন কাটাতে হয়। ক্ষুধার কষ্টে কখনও কখনও তারা খাবারের প্লেট হাতে মায়ের কবরের পাশে গিয়ে বসে থাকেন।

স্থানীয় এক বাসিন্দা খবরের কাগজকে বলেন, ‘এক বেলা খাবার খাইলে দুই বেলা না খাইয়া থাকতে হয়। আমরা যদি খাবার না দেই, তাইলে না খাইয়া দিন কাটে। প্রতিবেশীরা তো সবসময় সাহায্য করতে পারে না। সমাজের বিত্তবান মানুষ যদি এগিয়ে আসে, তাহলে তাদের একটু উপকার হয়।’

আরেক প্রতিবেশী বলেন, ‘বাবা মারা যাওয়ার পরও তাদের মা অনেক কষ্ট করে তিন সন্তানকে আগলে রাখছিলেন। কিন্তু মা মারা যাওয়ার পর তারা একেবারে অসহায় হয়ে গেছে। এখন দুই বেলা খাবার দেওয়ার মতোও কেউ নাই। কেউ দিলে খায়, না দিলে না খাইয়াই থাকতে হয়।’

এদিকে, তিন ভাইয়ের দুর্দশার খবর পেয়ে পাশে দাঁড়িয়েছে উপজেলা প্রশাসন। বাউফল উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) সালেহ আহমেদ খবরের কাগজকে বলেন, ‘তিন প্রতিবন্ধী ভাই আমাদের সঙ্গে যোগাযোগ করেছেন। উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে ৫০ কেজি চাল ও ১০ হাজার টাকা সহায়তা দেওয়া হয়েছে। এ ছাড়াও তাদের পরিবারের যে সুস্থ ভাই আছেন, তার জন্য একটি কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করার পরিকল্পনা রয়েছে। প্রশাসন সবসময় তাদের পাশে থাকবে।’

মা-বাবা হারিয়ে অসহায় হয়ে পড়া তিন প্রতিবন্ধী ভাইয়ের জীবনে এখন সবচেয়ে বড় অনিশ্চয়তা দুবেলা খাবার। ক্ষণস্থায়ী সরকারি সহায়তা মিললেও দীর্ঘমেয়াদে বেঁচে থাকার জন্য প্রয়োজন স্থায়ী সহযোগিতা। স্থানীয়দের আশা, সমাজের বিত্তবান ব্যক্তি ও মানবিক সংগঠনগুলো এগিয়ে এলে নতুন করে বাঁচার স্বপ্ন দেখতে পারবেন এ তিন ভাই।

মশিউর মিলন/থিও

নওগাঁ সীমান্তে ১৭ জনকে পুশইনের চেষ্টা বিএসএফের

প্রকাশ: ০৫ জুন ২০২৬, ১২:০৬ পিএম
আপডেট: ০৫ জুন ২০২৬, ১২:৪৯ পিএম
নওগাঁ সীমান্তে ১৭ জনকে পুশইনের চেষ্টা বিএসএফের
ছবি: সংগৃহীত

নওগাঁর হাপানিয়া সীমান্ত এলাকা দিয়ে ১৭ জনকে পুশইনের চেষ্টা করেছে ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনী (বিএসএফ)।

শুক্রবার (৫ জুন) সকাল সাড়ে ৭টার দিকে সীমান্তের ২৩৮ নম্বর পিলার এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।

নওগাঁ ব্যাটালিয়নের (১৬ বিজিবি) অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল মহম্মদ আরিফুল ইসলাম মাসুম বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। 

তিনি জানান, ভারতীয় ৮৮ বিএসএফ ব্যাটালিয়নের পান্নাছড়া বিএসএফ ক্যাম্পের সদস্যরা ১৭ জনকে বাংলাদেশে পুশইন করে। যাদের মধ্যে ৬ জন পুরুষ, ৬ জন নারী এবং ৫ জন শিশু রয়েছে। তবে হাপানিয়া বিওপির টহল দল ওই ব্যক্তিদের ভারতীয় সীমান্তের শূন্য লাইনেই আটকে দিয়েছে।

বর্তমানে তাদের কাঁটাতারবিহীন অংশ দিয়ে ভারতীয় ভূখণ্ডে ফেরত পাঠানোর চেষ্টা চলছে বলেও জানান তিনি।

তামান্না রুপা/

ভূরুঙ্গামারীতে অগ্নিকাণ্ডে পুড়ল অর্ধশতাধিক দোকান

প্রকাশ: ০৫ জুন ২০২৬, ১১:৪৩ এএম
আপডেট: ০৫ জুন ২০২৬, ১২:৫৬ পিএম
ভূরুঙ্গামারীতে অগ্নিকাণ্ডে পুড়ল অর্ধশতাধিক দোকান
ছবি: খবরের কাগজ

কুড়িগ্রামের ভূরুঙ্গামারী উপজেলা বাজারে অগ্নিকাণ্ডে অর্ধশতাধিক দোকান পুড়ে ছাই হয়ে গেছে। এতে কোটি টাকা ক্ষতি হয়েছে বলে দাবি করছেন ব্যবসায়ীরা।

শুক্রবার (৫ জুন) সকাল সাড়ে ৬টার দিকে এ ঘটনা ঘটে। 

ব্যবসায়ীরা জানান, শুক্রবার সকাল সাড়ে ৬টার দিকে আগুনের সূত্রপাত হলে নাগেশ্বরী ফায়ার সার্ভিসে খবর দেওয়া হয়। ঘণ্টাখানেক পর ফায়ার সার্ভিসের দুটি ইউনিট এসে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে। বিদ্যুতের শর্টসার্কিট থেকে আগুনের সূত্রপাত হতে পারে বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে। 

বাজারে কাপড়, কসমেটিকস, ফলের দোকানসহ বিভিন্ন পণ্যের দোকান ছিল বলে জানান স্থানীয় ব্যবসায়ীরা।

ভূরুঙ্গামারী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) অমৃত দেব নাথ বলেন, আমরা বিষয়টি খতিয়ে দেখছি এবং ক্ষতির পরিমাণ নির্ণয়ের চেষ্টা চলছে।

তামান্না রুপা/