নোয়াখালী জেলা কারাগারে বন্দি আছেন ৯৪১ জন। এরমধ্যে পোস্টাল ব্যালটে ভোট দেওয়ার আবেদন করেছেন মাত্র ৪৪ জন। যা মোট বন্দির ৪ দশমিক ৭ শতাংশ।
বুধবার (১৪ জানুয়ারি) জেল সুপার আবদুল বারেক খবরের কাগজকে এ তথ্য জানান।
তিনি বলেন, বন্দিরা ১২ ফেব্রুয়ারি ভোটের আগে জামিনের আশায় পোস্টাল ব্যালটে আবেদন করতে রাজি হয়নি। কারণ এখানে আবেদন করে জামিন পেলে কেন্দ্রে গিয়ে ভোট দেওয়া যাবে না। আমরা অনেক বুঝিয়ে ৪৪ জনকে রাজি করিয়ে আবেদন করেছি।
এছাড়া, দেশের বিভিন্ন কারাগারে নোয়াখালীর ছয়টি আসনের মোট ৭২ জন বন্দি পোস্টাল ব্যালটের জন্য আবেদন করেছেন। এরমধ্যে নোয়াখালী-১ আসনে ১২ জন, নোয়াখালী-২ আসনে ৬ জন, নোয়াখালী-৩ আসনে ৭ জন, নোয়াখালী-৪ আসনে ৩১ জন, নোয়াখালী-৫ আসনে ১২ জন ও নোয়াখালী-৬ আসনে ৪ জন আবেদন করেছেন।
খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, সরকারি চাকরীজীবীসহ নোয়াখালীর মোট ১৩ হাজার ৮৫১ জন পোস্টাল ব্যালটের আবেদন করেছেন। এরমধ্যে পুরুষ ১০ হাজার ২৪৬ জন ও মহিলা ৩ হাজার ৬০৫ জন। এছাড়া সরকারি চাকরীজীবী ৯ হাজার ৯৪৪ জন, নির্বাচনি দায়িত্বপ্রাপ্ত ৩ হাজার ৭০৪ জন, আনসার ও ভিডিপি ১৩১ জন ও কারাবন্দি ৭২ জন আবেদন করেছেন।
সরকারি তথ্যমতে, বিভিন্ন দেশ থেকে নোয়াখালীর ছয়টি আসনের মোট ৬১ হাজার ২৫১ জন প্রবাসী পোস্টাল ব্যালটের জন্য আবেদন করেছেন। এরমধ্যে নোয়াখালী-১ আসনে ১৩ হাজার ৬৬৭ জন, নোয়াখালী-২ আসনে ৯ হাজার ২২৭ জন, নোয়াখালী-৩ আসনে ১২ হাজার ৮৫৯ জন, নোয়াখালী-৪ আসনে ১০ হাজার ৩৬০ জন, নোয়াখালী-৫ আসনে ১১ হাজার ৭০৩ জন ও নোয়াখালী-৬ আসনে ৩ হাজার ৪৩৫ জন আবেদন করেছেন।
জেলা সিনিয়র নির্বাচন কর্মকর্তা মোহাম্মদ সাদেকুল ইসলাম খবরের কাগজকে বলেন, পোস্টাল ব্যালটগুলো জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তার কাছে ডাকযোগে এসে পৌঁছলে সেগুলো ছয়টি আসনের বক্সে রাখা হবে। ১২ ফেব্রুয়ারি ভোটের দিন বিকেল সাড়ে ৪টার পরে প্রার্থীদের মনোনীত অ্যাযেন্টদের সামনে খোলা হবে।
ইকবাল হোসেন/নাঈম