ঢাকা ১ আষাঢ় ১৪৩৩, সোমবার, ১৫ জুন ২০২৬

সর্বশেষ
রাসুলুল্লাহ (সা.) যেভাবে চুলের সিঁথি কাটতেন বন্ধুদের সাথে গোসল করতে নেমে নিখোঁজ, পরে মিলল মাদরাসাছাত্রের মরদেহ মাধবদীতে অবৈধ বেকারিকে ৫০ হাজার টাকা জরিমানা দিনাজপুরে চুরির প্রস্তুতির অভিযোগে যুবককে পিটিয়ে হত্যা বাজেট বাস্তবায়নের ত্রিমুখী পথনকশা: অর্থ পাচার রোধ, দুর্নীতি দমন ও জনসচেতনতা বন্দরে পড়ে থাকা পণ্যনিলামে বিক্রির উদ্যোগ স্বপ্নের রাজপুত্র ইয়ামাল শান্তি সূচকে দক্ষিণ এশিয়ায় চতুর্থ বাংলাদেশ অন্তর্ভুক্তিমূলক অর্থায়নে অবদানের জন্য বাংলাদেশ ব্যাংকের স্বীকৃতি পেল আইপিডিসি সজীবতার গান গেয়ে এল বর্ষা বন্ধ চিনিকল চালুর উদ্যােগ ১৫ জুন: তুলা, বৃশ্চিক, ধনু, মকর, কুম্ভ ও মীনের আজকের রাশিফল সোনারগাঁওয়ে মামলার পর আতঙ্কে ঘরছাড়া ধর্ষণের শিকার গৃহবধূ ১৫ জুন: মেষ, বৃষ, মিথুন, কর্কট, সিংহ ও কন্যার আজকের রাশিফল বগুড়ায় মলম ট্যাবলেটে সীমাবদ্ধ সেবা বুড়িগঙ্গা নদী থেকে জাবি শিক্ষার্থীর মরদেহ উদ্ধার চীনের গোয়েন্দা তথ্য সংগ্রহে ওয়েবসাইট চালু তাইওয়ানের দিল্লি বিমানবন্দর থেকে ফিরে আসছেন প্রধানমন্ত্রীর তথ্য উপদেষ্টা আতঙ্কে ‘মোস্ট ওয়ান্টেড’ আসামিরা বাজেট প্রস্তাবের পর শেয়ারবাজারে উত্থান চমৎকার জয়ফুল মথ টাকা সাদা করার সুবিধা আছে, না নেই! সেনাসংকটে ইউক্রেনে যুদ্ধ চালাতে চাপে পুতিন নেপালের অতিরিক্ত বিদ্যুৎ বাংলাদেশে রপ্তানির অনুমোদন দেয়নি ভারত প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের সচিব নিয়োগ হয়নি তিন মাসেও ট্রিলিয়নিয়ার হলেও ইলন মাস্ক থাকেন ৪০০ ফুটের ছোট্ট বাড়িতে সোনালি দিনের খোঁজে স্পেন একসময়ের দাতা এখন গ্রহীতা নীল হাঙরের নাবিক রায়ান মেন্দেস লা রোজার সামনে রূপকথার নায়ক!
Nagad desktop

জামালপুরে ছোট ভাইয়ের ছুরিকাঘাতে বড় ভাই নিহত

প্রকাশ: ০৯ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ০৫:৫০ পিএম
জামালপুরে ছোট ভাইয়ের ছুরিকাঘাতে বড় ভাই নিহত
মেলান্দহ থানা

জামালপুরের মেলান্দহে জমি নিয়ে বিরোধের জেরে ছোট ভাইয়ের ছুরিকাঘাতে বড় ভাই নিহত হয়েছেন।

সোমবার (৯ ফেব্রুয়ারি) সকালে মেলান্দহ উপজেলার দেওলাবাড়ি গ্রামের দেবপাড়ায় এ ঘটনা ঘটে। নিহত বড় ভাই নূর নবী (৩৫) একই এলাকার মৃত সুরুজ শেখের ছেলে।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, মেলান্দহ উপজেলার দেওলাবাড়ি গ্রামের দেবপাড়া এলাকায় দুই ভাই নূর নবী (৩৫) ও আলমের (৩০) মধ্যে দীর্ঘদিন ধরে বসতবাড়ির জমি নিয়ে বিরোধ চলে আসছিল। এ নিয়ে গ্রামবাসী কয়েকদফা সালিশ করলেও তাদের কলহ থামেনি। আজ সোমবার সকালে জমি নিয়ে দুই ভাইয়ের মধ্যে কথা কাটাকাটি হয়। এক পর্যায়ে ছোট ভাই আলম ক্ষিপ্ত হয়ে বড় ভাই নূর নবীকে ছুরিকাঘাত করে।

প্রতিবেশীরা আহত অবস্থায় নূর নবীকে মেলান্দহ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করে।

মেলান্দহ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ওবায়দুর রহমান জানান, পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে। মরদেহ উদ্ধার করে মর্গে পাঠানো হয়েছে। এ ঘটনায় মামলার প্রস্তুতি চলছে।

আসমাউল আসিফ/সুমন

বন্ধুদের সাথে গোসল করতে নেমে নিখোঁজ, পরে মিলল মাদরাসাছাত্রের মরদেহ

প্রকাশ: ১৫ জুন ২০২৬, ০৯:১৫ এএম
আপডেট: ১৫ জুন ২০২৬, ০৯:৩৯ এএম
বন্ধুদের সাথে গোসল করতে নেমে নিখোঁজ, পরে মিলল মাদরাসাছাত্রের মরদেহ
প্রতীকী ছবি

চাঁদপুরের মতলব দক্ষিণ উপজেলায় বন্ধুদের সঙ্গে খালে গোসল করতে গিয়ে পানিতে ডুবে মাহমুদুল হাসান তাহা (১৪) নামে এক মাদরাসাছাত্রের মৃত্যু হয়েছে। 

রবিবার (১৪ জুন) বিকেলে মতলব পৌরসভার চরমুকুন্দি এলাকায় খালে ঘটনাটি ঘটে। 

মৃত মাহমুদুল হাসান তাহা মতলব দারুল উলুম ইসলামিয়া ফাজিল মাদরাসার ৮ম শ্রেণির ছাত্র এবং কোরআনে হাফেজ ছিল। তার বাবা হাফেজ মাওলানা মোফাজ্জল পাটোয়ারী। তাদের গ্রামের বাড়ী উপজেলার তুষপুর পাটোয়ারী বাড়ি। 

এলাকাবাসীরা জানান, মাহমুদুল হাসান তাহা তার সহপার্ঠীদের সঙ্গে খেলাধুলার পর ৫-৭ জন চরমুকুন্দি গ্রামের খালে গোসল করতে যায়। হঠাৎ সে স্রোতে তলিয়ে যায়। তাকে না দেখে সহপাঠীরা চিৎকার শুরু করে। 

পরে এলাকাবাসী ও ফায়ার সার্ভিসের লোকজনের চেষ্টায় মাহমুদুল হাসান তাহাকে পানির নিচ থেকে উদ্ধার করে মতলব দক্ষিণ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।

এ বিষয়ে কোনো অভিযোগ না থাকায় মরদেহটি তাদের পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন মতলব দক্ষিণ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. হাফিজুর রহমান মানিক।

সাহাদাত হোসেন/আজহার

মাধবদীতে অবৈধ বেকারিকে ৫০ হাজার টাকা জরিমানা

প্রকাশ: ১৫ জুন ২০২৬, ০৯:১৪ এএম
আপডেট: ১৫ জুন ২০২৬, ০৯:৩৭ এএম
মাধবদীতে অবৈধ বেকারিকে ৫০ হাজার টাকা জরিমানা
ছবি: খবরের কাগজ

নরসিংদীতে মাধবদী বাজারে বিএসটিআইয়ের অনুমোদন ছাড়া খাদ্যপণ্য উৎপাদন এবং অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে বেকারি চালানোয় একটি বেকারির মালিককে ৫০ হাজার টাকা জরিমানা করেছে ভ্রাম্যমাণ আদালত।

রবিবার (১৪ জুন) বিকেলে নরসিংদী সদর উপজেলার মাধবদী বাজারে অবস্থিত নয়ন বেকারিতে এ অভিযান চালানো হয়।

অভিযানে বেকারিটির অস্বাস্থ্যকর পরিবেশ এবং প্রয়োজনীয় বিএসটিআই অনুমোদন না থাকায় ভোক্তা অধিকার ও সংশ্লিষ্ট আইনের এ জরিমানা করা হয়। জরিমানা অনাদায়ে ছয় মাসের কারাদণ্ডের আদেশ দেওয়া হয়।

ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করেন সহকারী কমিশনার ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট মো. খালিদ হোসেন শিমুল।

অভিযানে বাংলাদেশ স্ট্যান্ডার্ডস অ্যান্ড টেস্টিং ইনস্টিটিউশনের (বিএসটিআই) ফিল্ড অফিসার মোহাম্মদ পারভেজ মিয়া ও র‌্যাবের সদস্যরা ছিলেন।

প্রশাসন জানায়, জনস্বাস্থ্য সুরক্ষা এবং নিরাপদ খাদ্য নিশ্চিত করতে এ ধরনের অভিযান ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে।

শাওন খন্দকার শাহিন/খাদিজা রুমি/ 

দিনাজপুরে চুরির প্রস্তুতির অভিযোগে যুবককে পিটিয়ে হত্যা

প্রকাশ: ১৫ জুন ২০২৬, ০৯:০৬ এএম
আপডেট: ১৫ জুন ২০২৬, ০৯:২৮ এএম
দিনাজপুরে চুরির প্রস্তুতির অভিযোগে যুবককে পিটিয়ে হত্যা
ছবি: খবরের কাগজ

দিনাজপুর নবাবগঞ্জের একটি আদিবাসী পল্লীতে চুরির প্রস্তুতির অভিযোগে হীরা মিয়া (৩৫) নামে এক যুবককে গণপিটুনিতে হত্যার ঘটনা ঘটেছে।

এ ঘটনার পর গ্রেপ্তার আতঙ্কে গ্রামের অধিকাংশ পুরুষ এলাকা ছেড়ে আত্মগোপনে চলে গেছেন। ফলে পুরো পল্লীটি এখন প্রায় পুরুষশূন্য হয়ে পড়েছে।

রবিবার (১৪ জুন) ভোরে উপজেলার পুঁটিমারা ইউনিয়নের শ্যামপুর টঙ্গীপাড়া গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।

নিহত হীরা মিয়া জাটিহার গ্রামের মৃত আজিজার রহমানের ছেলে। তিনি পেশায় কৃষিশ্রমিক ছিলেন। 

পুলিশ জানায়, তিনি মাদকাসক্ত ছিলেন এবং পূর্বে একটি মামলায় কারাভোগও করেছেন।

স্থানীয় ইউপি সদস্য এমদাদুল হক ও পুলিশ জানায়, ভোর আনুমানিক ৪টার দিকে শ্যামপুর গ্রামের বাসিন্দা অনীল টুডু তার বাড়ির একটি ঘরের জানালা ভাঙার শব্দ শুনে ঘুম থেকে জেগে ওঠেন। ঘর থেকে বের হয়ে তিনি জানালার পাশে হীরা মিয়াকে দেখতে পান। এ সময় তাকে আটক করে আশপাশের লোকজনকে ডাক দেন।

পরে স্থানীয় গ্রামবাসীরা ঘটনাস্থলে এসে হীরা মিয়াকে লাঠিসোঁটা দিয়ে মারধর করেন। একপর্যায়ে তিনি অসুস্থ হয়ে পড়েন। পরে ভোর ৬টার দিকে তার মৃত্যু হয়।

ঘটনার খবর পেয়ে বিরামপুর সার্কেলের সহকারী পুলিশ সুপার হারেজ উদ্দিন, নবাবগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আবদুল কুদ্দুস এবং উপ-পরিদর্শক (এসআই) ডেভিড হিমাদ্রি বর্মনের নেতৃত্বে পুলিশের একটি দল ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন।

মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য দিনাজপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের ফরেনসিক বিভাগে পাঠানোর প্রক্রিয়া চলছে।

হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় থানায় মামলার প্রস্তুতি চলছে এবং তদন্ত অব্যাহত রয়েছে।

সুলতান মাহমুদ/তামান্না রুপা/

বন্দরে পড়ে থাকা পণ্যনিলামে বিক্রির উদ্যোগ

প্রকাশ: ১৫ জুন ২০২৬, ০৯:০১ এএম
আপডেট: ১৫ জুন ২০২৬, ০৯:০৯ এএম
বন্দরে পড়ে থাকা পণ্যনিলামে বিক্রির উদ্যোগ
ছবি: খবরের কাগজ

চট্টগ্রাম বন্দরে দীর্ঘদিন ধরে পড়ে থাকা ১০২টি অব্যবহৃত কনটেইনারের পণ্য অনলাইন নিলামের মাধ্যমে বিক্রির উদ্যোগ নিয়েছে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর) এবং চট্টগ্রাম কাস্টমস হাউস। এই উদ্যোগ বন্দরের কনটেইনার জট কমানোর পাশাপাশি আমদানি-রপ্তানি কার্যক্রমকে আরও গতিশীল করবে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা। আগামী ১৭ জুন দুপুরে অনুষ্ঠিত হবে এ ই-অকশন।

জানা গেছে, বিভিন্ন কারণে আমদানিকারকদের একটি অংশ নির্ধারিত সময়ের মধ্যে তাদের পণ্য খালাস করেন না। ফলে এসব কনটেইনার দীর্ঘ সময় ধরে বন্দরে অবস্থান করে মূল্যবান স্থান দখল করে রাখে। এর ফলে বন্দরের ধারণক্ষমতার ওপর অতিরিক্ত চাপ সৃষ্টি হয় এবং নতুন কনটেইনার হ্যান্ডলিং কার্যক্রম ব্যাহত হয়। একই সঙ্গে নিরাপত্তা, সংরক্ষণ ও ব্যবস্থাপনা ব্যয়ও বৃদ্ধি পায়।

কাস্টমস সূত্রে জানা যায়, ই-অকশন বা অনলাইন নিলামের জন্য নির্ধারিত কনটেইনারগুলোতে বিভিন্ন ধরনের পণ্য রয়েছে। এর মধ্যে রাসায়নিক দ্রব্য, শিল্পকারখানার যন্ত্রপাতি ও খুচরা যন্ত্রাংশ, কাগজজাত পণ্য, ফ্রিজার, জেনারেটর, কাপড়, গৃহস্থালি সামগ্রী, ট্রান্সফরমার এবং কোয়ার্টজ পাউডারসহ নানা ধরনের আমদানিকৃত পণ্য অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।


সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানান, আধুনিক ও স্বচ্ছ প্রক্রিয়া নিশ্চিত করতে অনলাইন ই-অকশন ব্যবস্থার মাধ্যমে নিলাম কার্যক্রম পরিচালিত হবে। এতে আগ্রহী ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠান নির্ধারিত নিয়ম অনুসরণ করে অংশ নিতে পারবেন। নিলাম-সংক্রান্ত বিস্তারিত তথ্য ও শর্তাবলি কাস্টমসের নির্ধারিত ই-অকশন প্ল্যাটফর্মে প্রকাশ করা হবে।

চট্টগ্রাম বন্দর সূত্রে জানা গেছে, বর্তমানে বন্দরের ইয়ার্ডে ৯ হাজার ৩১৪ টিইউএসএস নিলামযোগ্য কনটেইনার জমা রয়েছে। নিলামের মাধ্যমে বন্দরের ইয়ার্ড খালি করার জন্য চট্টগ্রাম কাস্টমসকে বার বার তাগাদা দেওয়া হয় বন্দর থেকে। কিন্তু কিছু নিলাম হলে পরে আবার নিলাম যোগ্য কনটেইনার ইয়ার্ডে এসে ভর্তি হয়ে যাচ্ছে।

বন্দর কর্মকর্তাদের মতে, দীর্ঘদিন ধরে পড়ে থাকা এসব কনটেইনার দ্রুত অপসারণ করা গেলে বন্দরের কার্যক্রমে ইতিবাচক প্রভাব পড়বে। এতে কনটেইনার ধারণক্ষমতা বৃদ্ধি পাবে, পণ্য খালাসের গতি বাড়বে এবং আমদানি-রপ্তানি বাণিজ্যে সময় ও ব্যয় উভয়ই কমবে। পাশাপাশি নিলাম থেকে সরকারের রাজস্ব আয়ও বৃদ্ধি পাবে।

চট্টগ্রাম কাস্টমসের নিয়মিত নিলামকারী বা বিডার ইয়াকুব চৌধুরী বলেন, বন্দরের সক্ষমতা বাড়াতে নিয়মিতভাবে অব্যবহৃত ও অখালাসকৃত পণ্য অপসারণের উদ্যোগ অব্যাহত রাখা প্রয়োজন। এতে দেশের প্রধান সমুদ্রবন্দর হিসেবে চট্টগ্রাম বন্দরের কার্যকারিতা আরও উন্নত হবে এবং আন্তর্জাতিক বাণিজ্য কার্যক্রমে গতি আসবে।

চট্টগ্রাম কাস্টম হাউসের সহকারী কমিশনার (নিলাম) মোহাম্মদ আবু সুফিয়ান বলেন, চলতি বছরের চতুর্থ ই-অকশন অনুষ্ঠিত হচ্ছে আগামী ১৭ জুন। ই-অকশনে দেশের যেকোনো প্রান্ত থেকে যে কেউ অংশগ্রহণ করতে পারবেন। বন্দরের ইয়ার্ড খালি করার লক্ষ্যে দ্রুত ই-অকশন দেওয়া হচ্ছে। এ ছাড়া পচনশীল পণ্য প্রকাশ্যে অকশন দেওয়া হয়। নিলামের মাধ্যমে কাস্টম হাউসের রাজস্ব আয় বৃদ্ধি করা আমাদের লক্ষ্য। অনেক সময় নানা জটিলতায় পণ্য নিলামে তুলতে পারি না। অনেক চালানের মামলা থেকে যায়। সেগুলো মামলা নিষ্পত্তির জন্য অপেক্ষা করতে হয়। তাই দেরি হয় নিলাম করতে।

সোনারগাঁওয়ে মামলার পর আতঙ্কে ঘরছাড়া ধর্ষণের শিকার গৃহবধূ

প্রকাশ: ১৫ জুন ২০২৬, ০৮:৫২ এএম
সোনারগাঁওয়ে মামলার পর আতঙ্কে ঘরছাড়া ধর্ষণের শিকার গৃহবধূ
ছবি: সংগৃহীত

নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁওয়ে সংঘবদ্ধ ধর্ষণের শিকার এক গৃহবধূ এখন চরম আতঙ্কে দিন কাটাচ্ছেন। ভয়ে তিনি নিজের বাড়িতে ফিরতে পারছেন না। বর্তমানে স্বামী ও সন্তানদের নিয়ে তিনি নারায়ণগঞ্জ জেনারেল (ভিক্টোরিয়া) হাসপাতালে আছেন। অবশ্য পুলিশ জানিয়েছে, ভুক্তভোগী পরিবার চাইলে তাদের সর্বোচ্চ নিরাপত্তা দেওয়া হবে।

এই ঘটনায় এরই মধ্যে স্থানীয় এক যুবদল নেতাসহ দুজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। তবে অভিযুক্ত আরেকজন এখনো পলাতক। ঘটনাটি নিয়ে এলাকায় বেশ চাঞ্চল্য তৈরি হয়েছে। স্থানীয় বাসিন্দারা অভিযুক্তদের দ্রুত বিচার এবং ভুক্তভোগী পরিবারের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার দাবি জানিয়েছেন। গ্রেপ্তার ব্যক্তিরা হলেন- জামপুর ইউনিয়নের ২ নম্বর ওয়ার্ড যুবদলের সাধারণ সম্পাদক শহীদ মিয়া (৪০) এবং তার সহযোগী একই এলাকার শাহিন মিয়া (৩৮)।

পুলিশ ও ভুক্তভোগী পরিবার সূত্রে জানা গেছে, উপজেলার জামপুর ইউনিয়নের সিরাবো গ্রামে একটি ভাড়া বাসায় দুই সন্তান নিয়ে ওই দম্পতি থাকেন। গত বুধবার বিকেলে রাজমিস্ত্রি স্বামী যখন কাজে ছিলেন, তখন অভিযুক্তরা বাড়িতে ঢোকে। তারা দুই শিশুসন্তানকে ভয় দেখিয়ে অপহরণ করে। এরপর পাশের বাড়ির একটি বিল্ডিংয়ের কক্ষে নিয়ে ওই গৃহবধূকে জোরপূর্বক সংঘবদ্ধ ধর্ষণ করে।

ভুক্তভোগী পরিবারের অভিযোগ, ঘটনাটি জানাজানি হওয়ার পর স্থানীয় কয়েকজন প্রভাবশালী ব্যক্তি বিষয়টি সালিশের মাধ্যমে মীমাংসার চেষ্টা করেন। পরে শুক্রবার বিকেলে ভুক্তভোগী নারী সোনারগাঁও থানায় নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে মামলা করেন। মামলার পরপরই পুলিশ অভিযান চালিয়ে দুই আসামিকে গ্রেপ্তার করে। তবে ওই নারীর স্বামীর দাবি, থানায় মামলা করতে গেলে বিএনপির এক প্রভাবশালী নেতা বাধা দেন। সেখানেও তাদের ভয়ভীতি দেখানো হয়েছে। নিরাপত্তার কারণে তিনি ওই নেতার নাম প্রকাশ করতে রাজি হননি।

এদিকে গত শনিবার ভুক্তভোগীর স্বাস্থ্য পরীক্ষা শেষ হয়েছে। কিন্তু নিরাপত্তাহীনতার কারণে তিনি বাড়ি ফিরতে সাহস পাচ্ছেন না। তার স্বামীর দাবি, মামলা করায় এলাকায় ফিরলে তারা নানা সমস্যায় পড়বেন। এ ছাড়া নিজের পরিবারের সদস্যদেরও তারা এখনো বিষয়টি জানাননি। ফলে কোথায় আশ্রয় নেবেন, তা নিয়ে চরম দুশ্চিন্তায় আছেন।

ভুক্তভোগী নারীর স্বামী জানান, অভিযুক্তদের পরিবার ওই এলাকায় প্রভাবশালী এবং তারা সরকারদলীয় রাজনীতি করেন। ফলে তাদের বিরুদ্ধে মামলা ও গ্রেপ্তারের পর থেকে তারা আতঙ্কে আছেন। এই মামলার কারণে তাদের পরিবারের সদস্যদের প্রাণনাশের আশঙ্কাও রয়েছে।

সোনারগাঁও থানার পরিদর্শক (তদন্ত) মো. জামাল উদ্দিন বলেন, মামলা হওয়ার পর দ্রুত দুই আসামিকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। পলাতক অপর আসামিকেও ধরার চেষ্টা চলছে। ভুক্তভোগী পরিবার চাইলে তারা নিজ বাড়িতে নিরাপদে বসবাস করতে পারবেন। তাদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে স্থানীয় পুলিশ ফাঁড়িকেও প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।