ঢাকা ৩ আষাঢ় ১৪৩৩, বুধবার, ১৭ জুন ২০২৬

সর্বশেষ
ডলার স্থিতিশীল, বেড়েছে ইউরো ও পাউন্ডের দাম রাসুল (সা.)-এর চুল সাদা হলেও যেমন দেখাত ১৯৭৮ সালে এসেছিলেন প্রেসিডেন্ট বাবা, ৪৮ বছর পর একই মাঠে প্রধানমন্ত্রী ছেলে সিলেটে বৃষ্টিতে ভিজে প্রধানমন্ত্রীকে স্বাগত জানালেন চা শ্রমিকরা ‘সমর্থকরা আর্জেন্টিনার এই দলকে নিয়ে পাগল’, ইতিহাস গড়ার পর মেসি সিলেট পৌঁছেছেন প্রধানমন্ত্রী বিশ্বকাপে ইতিহাস বদলানোর হুঙ্কার টমাস টুখেলের ঘণ্টায় ১০ লাখ ডলার খরচ করলেও ১১৪ বছরে শেষ হবে না মাস্কের সম্পদ প্রধানমন্ত্রীকে বরণে প্রস্তুত মৌলভীবাজারবাসী রংপুরে আওয়ামী লীগ নেতা আখতারুজ্জামান ভুট্টু গ্রেপ্তার আজকের আবহাওয়ার পূর্বাভাস কচুয়া উপজেলা বিএনপি সভাপতির হুমকি, ‘সাংবাদিকতা ছুটিয়ে দেব’ ৬০ বছরের অপেক্ষা বনাম ক্রোয়াট ধারাবাহিকতা নওগাঁ সীমান্তে স্থানীয়দের হাতে আটক সন্দেহভাজন ব্যক্তি সিলেট নগরীর ৪টি পয়েন্টে প্রধানমন্ত্রীকে স্বাগত জানাবে বিএনপি জাহাঙ্গীরনগরে অভিযুক্ত শিক্ষকদের দায়মুক্তির প্রতিবাদে শিক্ষার্থীদের বিক্ষোভ, পুনঃতদন্তের দাবি লিওনেল মেসির হ্যাটট্রিকে আলজেরিয়ার বিপক্ষে আর্জেন্টিনার ৩-০ গোলের জয় প্রকল্পের অনিয়মে জড়িতদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা শাহরাস্তিতে নারীর পেট থেকে ৩ কেজি ওজনের টিউমার অপসারণ সিরাজগঞ্জে ট্রাকচাপায় ট্রাফিক পুলিশ নিহত কালুখালীতে অগ্নিদগ্ধ মরদেহ: মূল পরিকল্পনাকারীসহ গ্রেপ্তার ৩ ওমরাহ যাত্রীদের অর্থ আত্মসাৎ: দুই পীরজাদার বিরুদ্ধে মামলা নগরকান্দা উপজেলা আওয়ামী লীগ নেতার পদত্যাগ ধামরাইয়ের কালামপুর সাব-পোস্ট অফিস: নাক-মুখ চেপে নিতে হয় সেবা বিশ্বমঞ্চে মেসির প্রথম হ্যাটট্রিক, ক্লোসাকে ছুঁয়ে বিশ্বকাপের সর্বোচ্চ গোলদাতা! স্বপ্ন ছোঁয়ার শেষ মিশনে রোনালদো নারায়ণগঞ্জে পদ্মার উড়াল সেতুর পিলারের মাটি গেছে শ্রমিক লীগ নেতার ভাটায় বাকৃবিতে নজর কাড়ছে পেলে-ম্যারাডোনার গ্রাফিতি জাল ভিসায় ইউরোপে মানব পাচারের অভিযোগ টি-টোয়েন্টি সিরিজে আত্মবিশ্বাসী বাংলাদেশ
Nagad desktop

ইকোপার্কের জঙ্গলে হাঁটছিল গলাকাটা শিশু, নেওয়া হয় হাসপাতালে

প্রকাশ: ০২ মার্চ ২০২৬, ১০:১৪ এএম
ইকোপার্কের জঙ্গলে হাঁটছিল গলাকাটা শিশু, নেওয়া হয় হাসপাতালে
ইরা। ছবি: খবরের কাগজ

চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ডে বোটানিক্যাল গার্ডেন ও ইকোপার্কের জঙ্গল থেকে এক গলাকাটা জীবিত মেয়ে শিশুকে উদ্ধার করা হয়েছে। পরে তাকে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়। 

রবিবার (১মার্চ) দুপুর ২টার দিকে ইকোপার্ক এলাকায় তাকে খুঁজে পাওয়া যায়।

গলাকাটা অবস্থায় শিশুটি হাসপাতালে স্বল্প শব্দে জানায়, তার নাম ইরা (৭)। সীতাকুণ্ডের কুমিরা ইউনিয়নের মাস্টার পাড়ার মনিরুল ইসলামের মেয়ে সে। স্থানীয় মসজিদ্দা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের দ্বিতীয় শ্রেণিতে লেখাপড়া করে। তার এলাকার এক ব্যক্তি তাকে ইকোপার্ক নিয়ে আসে। ইশারায় মাধ্যমে জানায়, ওই ব্যক্তিকে সে দেখলে চিনতে পারবে। 

ইকোপার্ক সড়কের শ্রমিক ও স্থানীয় যুবক রবিউল হাসান বলেন, ‘আমিসহ কয়েকজন সেখানে সড়কের কাজ করছিলাম। দুপুরে কাজ চলার সময় আমাদের ভেকুচালক শিশুটিকে গলাকাটা অবস্থায় হেঁটে আসতে দেখেন। তখন তাকে একটি ট্রাকে করে শিশুটিকে হাসপাতালে নিয়ে আসি। কে বা কারা তার গলা কেটেছে তা জানি না।’ 

সীতাকুণ্ড স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের জরুরি বিভাগের চিকিৎসক ডা. ইসরাত জাহান মুহুয়া বলেন, ‘শিশুটির অবস্থা খুবই ক্রিটিক্যাল। তার গলা কাটা। তাকে চট্টগ্রাম মেডিকেলের ওয়ানস্টপ ক্রাইসিস সেন্টারে পাঠানো হয়েছে।’

সীতাকুণ্ড মডেল থানার ওসি মহিনুল ইসলাম বলেন, ‘খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পুলিশের একটি টিম পাঠানো হয়েছে। মেয়েটিকে কুমিরা থেকে তুলে আনা হয়েছিল। ইকোপার্কের সড়কে কর্মরত তিন যুবক গলাকাটা রক্তাক্ত মেয়েটিকে উদ্ধার করে স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসার ব্যবস্থা করে। বিষয়টি তদন্ত করে দেখা হচ্ছে।

প্রধানমন্ত্রীকে বরণে প্রস্তুত মৌলভীবাজারবাসী

প্রকাশ: ১৭ জুন ২০২৬, ১০:১৩ এএম
প্রধানমন্ত্রীকে বরণে প্রস্তুত মৌলভীবাজারবাসী
প্রধানমন্ত্রীর সমাবেশ উপলক্ষে মৌলভীবাজার সরকারি উচ্চবিদ্যালয় মাঠে প্রস্তুত প্যান্ডেল। ছবি: খবরের কাগজ

একগুচ্ছ স্বপ্ন ও দীর্ঘদিনের প্রত্যাশা বুকে নিয়ে প্রধানমন্ত্রীকে বরণ করে নিতে অধীর আগ্রহে প্রহর গুনছেন প্রবাসী ও পর্যটন-অধ্যুষিত চায়ের রাজধানীখ্যাত মৌলভীবাজার জেলার লাখো মানুষ।

বুধবার (১৭ জুন) প্রধানমন্ত্রী নির্বাচিত হওয়ার পর এই প্রথম মৌলভীবাজার সফরে আসছেন তিনি।

প্রশাসন, বিএনপি ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, বুধবার সকালে ঢাকা থেকে সিলেট ওসমানী আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর হয়ে মৌলভীবাজার আসবেন প্রধানমন্ত্রী। দুপুরে মৌলভীবাজারের শ্রীমঙ্গল উপজেলার ভিক্টোরিয়া উচ্চবিদ্যালয় মাঠ এবং পরে মৌলভীবাজার জেলা সদরের মৌলভীবাজার সরকারি উচ্চবিদ্যালয় মাঠে উপস্থিত থেকে ফ্যামিলি কার্ড বিতরণ করবেন।

এই কর্মসূচির আওতায় শ্রীমঙ্গল উপজেলার মির্জাপুর ইউনিয়নের ১ নম্বর ওয়ার্ডের ১৫৫টি পরিবার এবং রাজনগর উপজেলার টেংরা ইউনিয়নের ৭ নম্বর ওয়ার্ডের ১৫২টি পরিবারকে তৃতীয় পর্যায়ের পাইলট কার্যক্রমে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। নির্বাচিত প্রতিটি পরিবার প্রতি মাসে ২ হাজার ৫০০ টাকা করে আর্থিক সহায়তা পাবে।

প্রধানমন্ত্রীর এই আগমনকে কেন্দ্র করে কয়েক দিন ধরে জেলাবাসীর মধ্যে নানা ধরনের আলোচনা শুরু হয়েছে। এতে নতুন করে পুরোনো দাবিগুলো আলোচনায় ফিরে এসেছে। দীর্ঘদিন ধরে মৌলভীবাজারে একটি মেডিকেল কলেজ ও একটি পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয় স্থাপন, প্রবাসীবহুল ও পর্যটন এলাকা হিসেবে শমসেরনগর বিমানবন্দর চালু, জেলার হাওরগুলোর উন্নয়নে প্রকল্প গ্রহণসহ নানা দাবি সামনে এসেছে।

জেলা বিএনপির আহ্বায়ক ফয়জুল করিম ময়ূন বলেন, ‘মৌলভীবাজারের মানুষের জন্য এটি একটি গুরুত্বপূর্ণ দিন। প্রধানমন্ত্রীর সফর জেলার উন্নয়ন কর্মকাণ্ডে নতুন গতি সঞ্চার করবে বলে আমরা আশা করছি।’

মৌলভীবাজার-৩ আসনের সংসদ সদস্য এম নাসের রহমান বলেন, ‘নির্বাচনের সময় দেওয়া প্রতিশ্রুতিগুলো বাস্তবায়নে আমরা প্রধানমন্ত্রীর কাছে জেলার গুরুত্বপূর্ণ দাবিগুলো উপস্থাপন করব।’

পুলক/রিফাত/

নওগাঁ সীমান্তে স্থানীয়দের হাতে আটক সন্দেহভাজন ব্যক্তি

প্রকাশ: ১৭ জুন ২০২৬, ০৯:৫৪ এএম
আপডেট: ১৭ জুন ২০২৬, ১০:২৪ এএম
নওগাঁ সীমান্তে স্থানীয়দের হাতে আটক সন্দেহভাজন ব্যক্তি
নওগাঁ সীমান্তে ৭০ উর্ধ্ব সন্দেহভাজন ব্যক্তি। ছবি:খবরের কাগজ

নওগাঁ সীমান্তে ৭০ বছর বয়সী সন্দেহভাজন এক ব্যক্তিকে ধরে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ-এর (বিজিবি) কাছে সোপর্দ করেছেন স্থানীয়রা।

মঙ্গলবার (১৬ জুন) সন্ধ্যার ঠিক আগে নওগাঁর চকিলাম বিজিবি বিওপির আওতায় চকশবদল সীমান্ত থেকে তাকে আটক করা হয়।

নওগাঁ ১৪ বিজিবি ব্যাটেলিয়ানের অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল আব্দুল্লাহ আল মামুন ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন।

তিনি জানান, মঙ্গলবার সন্ধ্যার কিছু আগে চকিলাম এলাকায় লুঙ্গি-গেঞ্জি পরিহিত বয়স্ক এক ব্যক্তিকে ঘুরতে দেখেন স্থানীয়রা। সন্দেহ হলে তাকে আটক করে বিজিবির হাতে তুলে দেন গ্রামবাসী। তবে তিনি তার নাম ঠিকানা কিংবা পরিচয় কিছুই বলতে পারেননি। ধারণা করা হচ্ছে সে মানসিক প্রতিবন্ধী। এরই মধ্যে বিষয়টি স্থানীয় বিএসএফ কর্মকর্তাদের জানানো হয়েছে।

অধিনায়ক জানান, ১৪ বিজিবির আওতাধীন পুরো সীমান্ত এলাকায় টহল জোরদার আছে। কোনো ভাবেই বাংলাদেশ অভ্যন্তরে অবৈধভাবে কাউকে ঢুকতে দেওয়া হবে না। সীমান্ত এলাকায় অপরিচিত লোক দেখলেই জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে। স্থানীয় গ্রামবাসীও বিজিবিকে সহযোগিতা করছেন।

গত ৫ জুন নওগাঁর হাপানীয়া ও ৭ জুন নীতপুর সীমান্ত দিয়ে কয়েকজন ব্যক্তিকে পুশইনের চেষ্টা করে বিএসএফ। তবে তা বিজিবির প্রতিরোধের মুখে ভারত অভ্যন্তরে ফিরিয়ে নিতে বাধ্য হয়।

হারুন/আজহার

সিলেট নগরীর ৪টি পয়েন্টে প্রধানমন্ত্রীকে স্বাগত জানাবে বিএনপি

প্রকাশ: ১৭ জুন ২০২৬, ০৯:৫৩ এএম
আপডেট: ১৭ জুন ২০২৬, ০৯:৫৪ এএম
সিলেট নগরীর ৪টি পয়েন্টে প্রধানমন্ত্রীকে স্বাগত জানাবে বিএনপি
ছবি: সংগৃহীত

সিলেট নগরীর ভেতর দিয়ে বুধবার মৌলভীবাজার যাবেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। তাই তাকে স্বাগত জানানোর উদ্যোগ নিয়েছে সিলেট মহানগর বিএনপি। এ উপলক্ষে নগরীর চারটি পয়েন্টে নেতা-কর্মীরা অবস্থান নেবেন।

 বুধবার  (১৭ জুন) মৌলভীবাজার সফরের শুরুতে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে সিলেটের ওসমানী আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অবতরণ করবেন। এরপর তিনি সড়কপথে সিলেট নগরী হয়ে মৌলভীবাজার যাবেন। সেখানে তিনি ফ্যামিলি কার্ড কর্মসূচির তৃতীয় পর্যায়ের উদ্বোধন করবেন।

প্রধানমন্ত্রীর দায়িত্ব গ্রহণের পর এ নিয়ে দ্বিতীয়বারের মতো সিলেট বিভাগ সফর করছেন তারেক রহমান। তার সফরকে কেন্দ্র করে মৌলভীবাজারের পাশাপাশি সিলেট জেলাতেও উৎসবের আমেজ বিরাজ করছে।

সিলেট মহানগর বিএনপি সূত্রে জানা গেছে, প্রধানমন্ত্রীকে স্বাগত জানাতে সিলেট নগরীর চৌকিদেখী পয়েন্ট, আম্বরখানা পয়েন্ট, কুমারপাড়া-নাইরপুল পয়েন্ট এবং উপশহরের রোজভিউয়ের সামনে থেকে হুমায়ুন রশিদ চত্বর পয়েন্টে বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের নেতা-কর্মীরা অবস্থান নেবেন। প্রতিটি পয়েন্টে মনিটরিংয়ের জন্য দুইজন সহ-সভাপতি ও দুইজন যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক উপস্থিত থাকবেন।

চৌকিদেখী পয়েন্টে প্রধানমন্ত্রীকে স্বাগত জানাবে ৪, ৫, ৬ ও ৭ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপি এবং স্বেচ্ছাসেবক দল, কৃষক দলসহ অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের নেতা-কর্মীরা। এ কর্মসূচিতে নেতৃত্ব দেবেন সহ-সভাপতি জিয়াউল গনি আরিফিন জিল্লুর ও সাদিকুর রহমান সাদিক, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক শামীম মজুমদার ও মাহবুবুল হক চৌধুরী এবং সাংগঠনিক সম্পাদক সৈয়দ সাফেক মাহবুব।

আম্বরখানা পয়েন্টে প্রধানমন্ত্রীকে স্বাগত জানাবে ১, ২, ৩, ৮, ৯, ১০, ১১, ১২, ৩৬, ৩৭, ৩৮ ও ৩৯ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপি এবং অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের নেতা-কর্মীরা। নেতৃত্ব দেবেন সহ-সভাপতি জিয়াউল হক জিয়া ও মাহবুব কাদির শাহী, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মির্জা বেলায়েত হাসান লিটন, শাহনেওয়াজ বক্ত তারেক ও মতিউল বারী খুর্শেদ।

কুমারপাড়া থেকে নাইরপুল পয়েন্টে প্রধানমন্ত্রীকে স্বাগত জানাবে ১৩, ১৪, ১৫, ১৬, ১৭, ১৮, ১৯, ২০, ৩২, ৩৩, ৩৪ ও ৩৫ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপি এবং অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের নেতা-কর্মীরা। নেতৃত্ব দেবেন সহ-সভাপতি আমির হোসেন ও সুদীপ রঞ্জন সেন বাপ্পু, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক শুয়াইব আহমদ শোয়েব ও রেজাউল করিম আলো।

উপশহরের রোজভিউয়ের সামনে থেকে হুমায়ুন রশিদ চত্বর পয়েন্টে প্রধানমন্ত্রীকে স্বাগত জানাবে ২১, ২২, ২৩, ২৪, ২৫, ২৬, ২৭, ৩১, ৪০, ৪১ ও ৪২ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপি এবং ছাত্রদল, তাঁতীদলসহ অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের নেতা-কর্মীরা। নেতৃত্ব দেবেন সহ-সভাপতি সৈয়দ মঈন উদ্দিন সোহেল ও আফজাল উদ্দিন, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মনজুরুল হাসান মঞ্জু, নাদির খান ও আবুল কালাম।

এ ব্যাপারে সিলেট মহানগর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক ইমদাদ হোসেন চৌধুরী বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রীর এই সফরকে উৎসবমুখর পরিবেশে সফল করতে মহানগর বিএনপি ইতোমধ্যে প্রস্তুতি সভা করেছে। সভায় সিলেট নগরীর চারটি পয়েন্টে প্রধানমন্ত্রীকে স্বাগত জানানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। নেতা-কর্মীদের দায়িত্বও দেওয়া হয়েছে। প্রধানমন্ত্রীর এই সফর সফল ও উৎসবমুখর করতে বিএনপি এবং অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের নেতা-কর্মীদের ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করার আহ্বান জানাচ্ছি।’

রিফাত/

শাহরাস্তিতে নারীর পেট থেকে ৩ কেজি ওজনের টিউমার অপসারণ

প্রকাশ: ১৭ জুন ২০২৬, ০৯:৩১ এএম
আপডেট: ১৭ জুন ২০২৬, ১০:১১ এএম
শাহরাস্তিতে নারীর পেট থেকে ৩ কেজি ওজনের টিউমার অপসারণ
অস্ত্রোপচারের মাধ্যমে প্রায় ৩ কেজি ওজনের একটি টিউমার অপসারণ। ছবি: খবরের কাগজ

চাঁদপুরের শাহরাস্তি উপজেলায় ২২ বছর বয়সী এক নারীর পেট থেকে অস্ত্রোপচারের মাধ্যমে প্রায় তিন কেজি ওজনের একটি টিউমার অপসারণ করা হয়েছে। 

মঙ্গলবার (১৬ জুন) রাতে উপজেলার একটি বেসরকারি ক্লিনিকে এ অস্ত্রোপচার সম্পন্ন হয়।

এর আগে গত এপ্রিল মাসে একই হাসপাতালে আরেক নারীর পেট থেকে ৮ কেজি ২০০ গ্রাম ওজনের বিশাল টিউমার অপসারণ করা হয়েছিল।

হাসপাতাল সূত্রে জানা গেছে, শাহরাস্তি উপজেলার টামটা দক্ষিণ ইউনিয়নের ওই তরুণী দীর্ঘদিন ধরে পেটে অস্বাভাবিক ফোলাভাব ও ব্যথা অনুভব করছিলেন। পরে বিভিন্ন পরীক্ষা-নিরীক্ষায় তার পেটে বড় আকারের টিউমার শনাক্ত করা হয়। চিকিৎসকদের পরামর্শে পরে অস্ত্রোপচারের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। দেড় ঘণ্টাব্যাপী অস্ত্রোপচারে রোগীর পেট থেকে টিউমারটি অপসারণ করা হয়।

অস্ত্রোপচারকারী সার্জন ডা. মো. আরিফ উল হাসান বলেন, রোগী দীর্ঘদিন ধরে সমস্যায় ভুগছিলেন। প্রয়োজনীয় পরীক্ষা-নিরীক্ষার মাধ্যমে টিউমার শনাক্ত হওয়ার পর অস্ত্রোপচার করা হয়। সফলভাবে টিউমার অপসারণ করা সম্ভব হয়েছে। রোগী এখন শঙ্কামুক্ত রয়েছেন।

ওমরাহ যাত্রীদের অর্থ আত্মসাৎ: দুই পীরজাদার বিরুদ্ধে মামলা

প্রকাশ: ১৭ জুন ২০২৬, ০৯:১৮ এএম
আপডেট: ১৭ জুন ২০২৬, ০৯:২৩ এএম
ওমরাহ যাত্রীদের অর্থ আত্মসাৎ: দুই পীরজাদার বিরুদ্ধে মামলা
পীরজাদা হাম্মাদ চৌধুরী ও বাকী বিল্লাহ মিশকাত চৌধুরী। ছবি: খবরের কাগজ

চাঁদপুরের হাজীগঞ্জ উপজেলার ঐতিহ্যবাহী সাদ্রা দরবারের দুই পীরজাদা হাম্মাদ চৌধুরী ও বাকী বিল্লাহ মিশকাত চৌধুরীর বিরুদ্ধে ওমরাহ যাত্রীদের বিপুল অঙ্কের অর্থ আত্মসাৎ ও প্রতারণার অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগ রয়েছে, ওমরাহ কার্যক্রম পরিচালনার নামে সংগ্রহ করা প্রায় দুই কোটি টাকা নিয়ে তারা আত্মগোপনে রয়েছেন।

এ ঘটনায় ওমরাহ কাফেলার প্রধান মাওলানা মো. গোলাম মাওলা চেক ডিজঅনারের মামলা করেছেন। এ ছাড়া নিবন্ধনবিহীনভাবে ‘এসবি ওভারসিজ’ নামে ব্যবসা পরিচালনা করে আরও কয়েকজনের কাছ থেকেও অর্থ নেওয়ার অভিযোগ রয়েছে তাদের বিরুদ্ধে। ভুক্তভোগীদের বক্তব্য, মামলার নথি ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর কাছে জমা দেওয়া অভিযোগ থেকে এসব তথ্য জানা গেছে।

প্রাপ্ত তথ্যে জানা গেছে, জেলার কচুয়া উপজেলার আইনগিরি গ্রামের লোকমান হোসেনের ছেলে মাওলানা মো. গোলাম মাওলা বিভিন্ন লোকজনের মাধ্যমে অভিযুক্ত হাম্মাদ ও মিশকাতের সঙ্গে পরিচিত হন। এর আগে তিনি বিভিন্ন ওমরাহ এজেন্সির মাধ্যমে ওমরাহ যাত্রী সৌদিতে পাঠিয়েছেন। নিজ জেলা ও পীরজাদা হিসেবে হাম্মাদ এবং মিশকাতের ওপর বিশ্বাস রেখে ২০২৫ সালের জানুয়ারি মাস থেকে ওমরাহ যাত্রীদের পাঠানোর জন্য টাকা লেনদেন শুরু করেন। ৬৫ জন ওমরাহ যাত্রীর জন্য গোলাম মাওলা নগদ এবং ইসলামী ব্যাংকের মাধ্যমে ৯৫ লাখ ৮০ হাজার টাকা লেনদেন করেন। এর মধ্যে অর্থ লেনদেন হয় হাম্মাদের ব্যাংক অ্যাকাউন্টে এবং বাকি নগদ টাকা দেওয়া হয় হাম্মাদের বাবা মুহাম্মদ যাকারিয়া চৌধুরীর হাতে।

ভুক্তভোগী গোলাম মাওলা জানান, তিনি এর আগে ‘হোসাইনিয়া হজ্জ কাফেলা’ নামের প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে সফলভাবে বেশ কয়েকবার ওমরাহ যাত্রীদের সৌদি আরবে পাঠিয়েছেন। ২০২৫ সালে হাম্মাদ ও মিশকাত চৌধুরীর অনুরোধে তাদের মাধ্যমে যাত্রীদের ওমরায় পাঠানোর কাজ শুরু করেন তিনি। ওই বছরের ১৪ জানুয়ারি থেকে এপ্রিল মাস পর্যন্ত হাম্মাদ ও মিশকাত তার কাছ থেকে মোট ৯৫ লাখ ৮০ হাজার টাকা নেন। কিন্তু নির্দিষ্ট সময়ে যাত্রীদের ওমরায় পাঠাতে তারা গড়িমসি করতে থাকেন। এতে তাদেরকে সন্দেহ হয় এবং তাদের মধ্যে মতবিরোধ দেখা দেয়। পরে খোঁজ নিয়ে তিনি জানতে পারেন, ‘এসবি ওভারসিজ’ নামের তাদের ওই প্রতিষ্ঠানটির কোনো নিবন্ধন নেই।

তিনি বলেন, ‘তারা ওমরাহ যাত্রীদের পাঠাতে ব্যর্থ হয়ে আমাকে ভুয়া ভিসা ও এয়ার টিকিট দেন। এই বিষয়ে তাদের সঙ্গে কথা হলে একপর্যায়ে আমাকে ২০ ও ২৫ লাখ টাকার দুটি চেক দেন ইসলামী ব্যাংকের। ওই চেকগুলোতে পর্যাপ্ত টাকা না থাকায় শেষ পর্যন্ত হাম্মাদ চৌধুরীকে আসামি করে ঢাকার আদালতে পৃথক দুটি মামলা করি। মামলায় দুটি হাজিরার নির্ধারিত তারিখে হাম্মাদ উপস্থিত হননি। তার বাবা যাকারিয়া চৌধুরী সন্তানদের অপরাধের দায়ভার নিতে নারাজ। হাম্মাদ ঢাকায় আত্মগোপনে এবং মিশকাত চৌধুরী বিদেশে রয়েছেন। এসব বিষয় আমি মৌখিকভাবে চাঁদপুরের জেলা প্রশাসক এবং লিখিত অভিযোগ দিয়েছি পুলিশ সুপারের কাছে।’

এই ভুক্তভোগী বলেন, তাদের কাছ থেকে আমি হজযাত্রীদের টাকা উদ্ধারে সামাজিকভাবে চেষ্টা করেও ব্যর্থ হয়েছি। তারা শুধু আমার নয়, বহু ওমরাহ যাত্রীর টাকা নিয়ে আত্মগোপনে গেছেন। এখন বড় সমস্যা হচ্ছে যারা আমাকে ওমরাহ করার জন্য টাকা দিয়েছেন তাদের আমি টাকাও ফেরত দিতে পারছি না এবং ওমরাহ করার ব্যবস্থা হচ্ছে না। তাদের জীবনের সর্বশেষ স্বপ্ন ভেঙেছে। যার ফলে আমি এখন পথে বসার উপক্রম। এই প্রতারক চক্রের কাছ থেকে যাত্রীদের টাকা উদ্ধারের জন্য আমি প্রশাসনের সহযোগিতা কামনা করি।’

আরেক ভুক্তভোগী কুমিল্লার মুরাদ নগরের নছরুল্লাহ হুসাইন বলেন, ‘আমার ১৭৬ জন ওমরাহ যাত্রীর ভিসা ও এয়ার টিকিট বাবদ মিশকাত চৌধুরী তার দুই ভাই হাম্মাদ ও ইয়াহিয়া চৌধুরীর ব্যাংক হিসাব নম্বরে নিয়েছেন ১ কোটি ৪ লাখ টাকা। যাত্রীদের কাজ করে দিতে না পেরে আমাকে ৭৫ লাখ টাকার চেক দিয়েছেন। সময় পার হয়ে যাওয়ার পর আমি ওই দুই চেকের বিপরীতে কুমিল্লা আদালতে দুটি মামলা করেছি।

ওই মামলায় শিগগিরই তাদের বিরুদ্ধে ওয়ারেন্ট হবে। তাদের এই ধরনের প্রতারণায় আমি পথে বসার উপক্রম। দেশের বিভিন্ন স্থানে আরও লোকের সঙ্গে তারা এই ধরনের প্রতারণা করেছে। এসব বিষয়ে বক্তব্যের জন্য হাম্মাদ চৌধুরী ও মিশকাত চৌধুরীর ব্যক্তিগত মোবাইল নম্বরে একাধিকবার ফোন দেওয়া হয়। তারা ফোন রিসিভ করেননি। পরবর্তীতে তাদের পরিচয় দিয়ে কথা বলার জন্য খুদে বার্তা দেওয়া হয়, তাতেও তারা কোনো সাড়া দেননি। যার ফলে তাদের বক্তব্য নেওয়া সম্ভব হয়নি।’

এসব ঘটনার বিষয় জানেন হাম্মাদ ও মিশকাতের বাবা মুহাম্মদ যাকারিয়া চৌধুরী। তিনি মুঠোফোনে বলেন, ‘ছেলেরা প্রাপ্তবয়স্ক। তারা ব্যবসা করেন লোকজনের সঙ্গে। এসব বিষয়ে আমাকে জড়াবে কেন। মামলায় আমাকে জড়ানো হয়েছে। বলা হচ্ছে আমি নগদ অর্থ নিয়েছি। এটি সম্পূর্ণ মিথ্যা। আমার সঙ্গে কোনো লেনদেন হয়নি। এসব ঝামেলার কারণে আমি ছেলেদের সঙ্গে এখন যোগাযোগ রাখি না। কারণ লোকজন আমার সঙ্গে ঝামেলা করে।’