সিলেটের দক্ষিণ সুরমা উপজেলার লালাবাজার ইউনিয়নে সাড়ে চার কিলোমিটার ধনপুর খাল খনন কর্মসূচি উদ্বোধন করেছেন সিলেট-৩ আসনের সংসদ সদস্য ও বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা এম এ মালিক।
বুধবার (৪ মার্চ) দুপুরে তিনি খাল খনন উদ্বোধন করেন। এ খাল খনন কর্মসূচী বাস্তবায়ন করছে সিলেট বিভাগে ভূ-উপরিস্থ পানি ব্যবস্থাপনা ও ব্যবহারের মাধ্যমে কৃষি উৎপাদন বৃদ্ধি প্রকল্প।
দক্ষিণ সুরমা উপজেলা বিএডিসি, উপজেলা প্রশাসন এবং ডিএই আয়োজিত উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন দক্ষিণ সুরমা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) এস এম অনিক চৌধুরীসহ বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মকর্তা, সিলেট জেলা বিএনপির প্রচার সম্পাদক লোকমান আহমেদ, সিলেট মহানগর বিএনপির সহসভাপতি রিয়াসাদ আজিম আদনানসহ স্থানীয় কৃষক, জনপ্রতিনিধি, বিএনপির নেতা-কর্মীরা।
উদ্বোধনকালে সংসদ সদস্য এম এ মালিক কৃষি উৎপাদন বৃদ্ধি ও কৃষকের ন্যায্য অধিকার নিশ্চিত করতে খাল খননকে সরকারের অগ্রাধিকারমূলক কর্মসূচি হিসেবে উল্লেখ করেন এবং খাল খনন কর্মসূচি বাস্তবায়নের মাধ্যমে এলাকার কৃষি উৎপাদন বৃদ্ধি ও জলাবদ্ধতা নিরসনে ইতিবাচক পরিবর্তন আসবে বলে আশা প্রকাশ করেন।
তিনি বলেন, দক্ষিণ সুরমা উপজেলা ও সিলেট-৩ আসনের উন্নয়নে সংশ্লিষ্ট প্রকল্প পরিচালক (পিডি) ও সরকারি কর্মকর্তারা আন্তরিকভাবে কাজ করে যাচ্ছেন। আমি তাদের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করছি এবং দলীয় নেতা-কর্মী, ইউনিয়ন ও উপজেলা পর্যায়ের দায়িত্বশীলদের সহযোগিতা অব্যাহত রাখার আহ্বান জানাচ্ছি।
তিনি আরও বলেন, এই খাল খনন কর্মসূচির আওতায় ১০হাজারের বেশি কৃষক উপকৃত হবেন। আধুনিক বাংলাদেশের কৃষি উন্নয়নের ধারাবাহিকতায় শহিদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের সময়েও এ ধরনের কর্মসূচি গ্রহণ করা হয়েছিল। সে উদ্যোগের ধারাবাহিকতায় বর্তমান সরকারও কৃষকবান্ধব নীতি বাস্তবায়ন করছে।
এম এ মালিক বলেন, প্রধানমন্ত্রী ঘোষিত ৩১ দফা কর্মসূচি বাস্তবায়নের লক্ষ্যে সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে। কৃষকের ন্যায্য মূল্য নিশ্চিত করা, সেচ ব্যবস্থার উন্নয়ন এবং গ্রামীণ অবকাঠামো উন্নয়নে খাল খনন গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। পাশাপাশি স্থানীয় সড়ক উন্নয়নের দাবির বিষয়ে প্রয়োজনীয় আবেদন দিলে তা বিবেচনা করা হবে এবং আমি নিজেও সুপারিশ করবো।
পাশাপাশি পবিত্র রমজান মাস উপলক্ষে সরকারের পক্ষ থেকে চাল-ডাল ও ভিজিএফ সহায়তা প্রকৃত দরিদ্রদের মধ্যে সুষমভাবে বিতরণের নির্দেশনা দেন।
দলীয় নেতা-কর্মীদের উদ্দেশে তিনি বলেন, প্রকৃতভাবে বঞ্চিতদের তালিকা প্রস্তুত করে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কাছে পাঠাতে হবে, যাতে ন্যায্যভাবে সহায়তা পৌঁছে দেওয়া যায়।
নাঈম/