হামের উপসর্গ নিয়ে হাসপাতালে আসা রোগীদের পরীক্ষা করার কোনো ব্যবস্থা নেই কুমিল্লায়। ফলে সন্দেহভাজন রোগীদের থেকে নমুনা সংগ্রহ করে তা পাঠানো হয় ঢাকায়। ঢাকা থেকে ৪৮ ঘণ্টা পর আসে রিপোর্ট। এই আটচল্লিশ ঘণ্টা সময় রোগীকে আইসোলেটেড করে রাখা হয়।
বিষয়টি নিশ্চিত করে কুমিল্লার সিভিল সার্জন কার্যালয়ের মেডিকেল অফিসার ডা. মো. শরিফুল ইসলাম পিয়াস বলেন, হাম সাসপেক্টেড রোগীদের নমুনা সংগ্রহ করে আমরা ঢাকায় পাঠিয়ে দেই। ল্যাব পরীক্ষা হয় ঢাকার ন্যাশনাল পোলিও অ্যান্ড মেজালস্-রুবেলা ল্যাবরেটরিতে। নমুনা পাঠানোর ৪৮ ঘণ্টা পর সেখান থেকে রিপোর্ট আসে। তবে এই সময়টাতে আমরা সাসপেক্টেড রোগীদেরকে আইসোলেটেড করে ফেলি। সেখানেই প্রয়োজনীয় চিকিৎসা কার্যক্রম চালানো হয়। পরবর্তীতে যদি রেজাল্ট পজেটিভ আসে তাহলে সেখানে চিকিৎসা চলতে থাকে। আর যদি নেগেটিভ আসে তাহলে আমরা সবার সঙ্গে একত্র করে ফেলি।
জেলার সিভিল সার্জন কার্যালয় সূত্রে জানা গেছে, গত ২৪ ঘণ্টায় জেলার বিভিন্ন হাসপাতালে হামের উপসর্গ নিয়ে তিনজন রোগী ভর্তি হয়েছেন। সবমিলিয়ে কুমিল্লার বিভিন্ন হাসপাতালে হাম আক্রান্ত ৩০ জন রোগী ভর্তি আছে। আর গত ১৮ মার্চ থেকে এখন পর্যন্ত কুমিল্লায় হাম আক্রান্ত হয়ে ঢাকায় চিকিৎসা নিতে যাওয়া তিনজনের মৃত্যু হয়েছে।
জহির শান্ত/নাঈম