ঢাকা ২৭ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩, বুধবার, ১০ জুন ২০২৬

সর্বশেষ
সরকারি ভাতা বিতরণে নগদের প্রতি আস্থা অব্যাহত আলিয়ঁসে শুরু  হচ্ছে তিন শিল্পীর ‘ত্রিবন্ধন’ জাকসু ভিপি ও জিএসের ছাত্রত্ব শেষ: পদে বহাল থাকা নিয়ে নতুন সংকট ঢাকাসহ ১২ জেলায় রাত ১টার মধ্যে বজ্রবৃষ্টির আভাস ধানমন্ডিতে বহুতল ভবনে আগুন সময়টা কি তবে শেষ! রাসুল (সা.)-এর বর্ণনায় আজকের সমাজ বড় বাজেটের বড় প্রশ্ন সুর-ছন্দের আন্তর্জাতিক মেলবন্ধনে মেতে উঠছে ঢাকা ফুটবল বিশ্বকাপ উপলক্ষ্যে দেশজুড়ে সনি-স্মার্টের ‘গোল্ডেন গোল অফার’ শুরু প্রেমিকার সঙ্গে কথা বলতে বলতেই রাবি শিক্ষার্থীর গলায় ফাঁস চতুর্থবারের মতো সিলেট বিভাগের শ্রেষ্ঠ ওসি হলেন রতন শেখ নির্বাচনি প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নে ৫ বছরের মেগা কর্মপরিকল্পনা নিয়েছে সরকার গণতন্ত্রমুখী বাজেট ও প্রত্যাশার সমীকরণ পশ্চিমবঙ্গে নতুন মন্ত্রিসভার দপ্তর বণ্টন আদ্-দ্বীন হাসপাতালের জবাব সন্তোষজনক নয়, বললেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী সালমান শাহর মরদেহ কবর থেকে উত্তোলনের নির্দেশ হাতে টর্চ-লাঠি ও বাঁশি নিয়ে রাতভর পাহারায় পঞ্চগড় সীমান্তের মানুষ ফ্যাটি লিভারের চিকিৎসায় নতুন পথ বের হলো চীনা মহাকাশ স্টেশনে চীনের সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য ও পর্যটনের গল্প পাকিস্তান সেনাবাহিনীর হেলিকপ্টার বিধ্বস্ত, সবাই নিহত ছয় দফা দাবি জানিয়ে প্রধানমন্ত্রীকে স্মারকলিপি দারিদ্র‍্য থেকে মুক্তি–পথের সন্ধানে পরিবেশ স্টার্টআপ তহবিল গঠনের প্রস্তাব জোবাইদা রহমানের আম উৎসব আয়োজন করল স্বপ্ন, সুবিধাবঞ্চিতদের মাঝে মৌসুমি আনন্দের ছোঁয়া সিলেট সীমান্তে সতর্কতায়ও থেমে নেই চোরাচালান, ৬৬ লাখ টাকার পণ্য জব্দ তিন ঘণ্টা পর জামালপুর-ঢাকা ট্রেন চলাচল শুরু শিল্পকলায় নতুন নাটকের উৎসব গোপালগঞ্জে দুধ দিয়ে গোসল করে আর্জেন্টিনায় যোগ দিলেন ব্রাজিল সমর্থক শেষ বিশ্বকাপের আগে শিশুর মতো উচ্ছ্বসিত নেইমার বান্ধবীকে ৩৭০ টাকার বিরিয়ানি খাইয়ে ‘উসুল’ করতে চেয়েছিলেন তরুণ
Nagad desktop

সিলেটে হামে ৫ মাসের শিশুর মৃত্যু

প্রকাশ: ১৫ মে ২০২৬, ০৩:২৪ পিএম
সিলেটে হামে ৫ মাসের শিশুর মৃত্যু
শহীদ শামসুদ্দিন আহমদ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন হাম আক্রান্ত শিশুরা। ছবি: খবরের কাগজ

সিলেট বিভাগে হাম ও রুবেলার প্রাদুর্ভাব আরও উদ্বেগজনক আকার ধারণ করেছে। গত ২৪ ঘণ্টায় হামে আক্রান্ত হয়ে আরও এক শিশুর মৃত্যু হয়েছে। এ নিয়ে বিভাগে মোট ৩২ জনের মৃত্যু হয়েছে। 

এদিকে পাঁচ মাস বয়সী শিশুর নাম বন্ধন। হবিগঞ্জ জেলার লাখাই উপজেলার বলাকান্দি গ্রামের নির্মল দাসের সন্তান। বন্ধন সিলেট ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ছিল। 

শুক্রবার (১৫ মে) বিভাগীয় স্বাস্থ্য পরিচালকের প্রতিবেদনে এসব তথ্য জানানো হয়।

বিভাগীয় স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের প্রতিবেদন অনুযায়ী, চলতি বছরের ১ জানুয়ারি থেকে ১৫ মে পর্যন্ত মোট ১৪৯ জনের পরীক্ষাগারে সংক্রমণ পাওয়া গেছে। এর মধ্যে হবিগঞ্জে ১৬ জন (২ জন রুবেলা), মৌলভীবাজারে ১৬ জন, সুনামগঞ্জে ৭৫ জন এবং সিলেট জেলায় ৪২ জন।

বর্তমানে সিলেট বিভাগের বিভিন্ন হাসপাতাল ও স্বাস্থ্যকেন্দ্রে মোট ৩১১ জন সন্দেহজনক রোগী চিকিৎসাধীন রয়েছেন। এর মধ্যে সর্বোচ্চ ৯৮ জন ভর্তি আছেন শহীদ শামসুদ্দিন আহমদ হাসপাতালে এবং ৫৯ জন সুনামগঞ্জ জেলা সদর হাসপাতালে। এছাড়া ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালসহ বিভিন্ন সরকারি-বেসরকারি হাসপাতালে রোগীরা চিকিৎসা নিচ্ছেন।

চতুর্থবারের মতো সিলেট বিভাগের শ্রেষ্ঠ ওসি হলেন রতন শেখ

প্রকাশ: ১০ জুন ২০২৬, ০৬:১৩ পিএম
চতুর্থবারের মতো সিলেট বিভাগের শ্রেষ্ঠ ওসি হলেন রতন শেখ
বুধবার সকালে সিলেটের ডিআইজি কার্যালয় থেকে সিলেট বিভাগের শ্রেষ্ঠ ওসির পুরস্কার গ্রহণ করছেন রতন শেখ (মাঝে)। ছবি: খবরের কাগজ

চতুর্থবারের মতো সিলেট বিভাগের শ্রেষ্ঠ ওসি নির্বাচিত হয়েছেন সুনামগঞ্জ সদর থানার বর্তমান ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রতন শেখ। 

সোমবার (১০ জুন) ওসি রতন শেখ বিভাগ শ্রেষ্ঠ ওসির পুরস্কার ও সনদপত্র গ্রহণ করেন। সকালে ডিআইজি সিলেট রেঞ্জের কার্যালয় মাসিক ক্রাইম কনফারেন্সে সিলেট বিভাগের সব ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের উপস্থিতিতে এ শ্রেষ্ঠত্বের পুরস্কার হাতে তুলে দেন সিলেট রেঞ্জের ডিআইজি ড. মো জিল্লুর রহমান।

ওসির একটি ঘটনা হলো, তিনটি ছাগলছানা নিয়ে এক বৃদ্ধা নারী থানায় এসেছিলেন। জানালেন, মা ছাগলটি চুরি হয়ে গেছে। ওসি বৃদ্ধার কথা ও তিনটি ছাগলছানা নিয়ে অমানবিক ঘটনাটির ভিডিও ফেসবুকে আপলোড করেন। মুহূর্তেই ঘটনাটি ছড়িয়ে পড়ে। ঘণ্টাখানেকের মধ্যে মা ছাগলটি চুরির কাহিনি বের হলো। পাশাপাশি মন্ত্রীরও দৃষ্টি আকর্ষণ হয়। মা ছাগলটি চোর চুরি করে কসাইখানায় বিক্রি করে দিয়েছিল। আর কসাই সেটি জবাইও করেছেন। এ অবস্থায় ফেসবুক লাইভে আসেন মন্ত্রীও। তার নির্দেশে প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তর মা-হারা তিনটি ছাগলছানার দায়িত্ব নেয়। ওসি পরবর্তীতে আরেকটি লাইভ দিয়ে ছাগলছানার আপডেট সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে অবহিত করেন।

কেবল এ ঘটনা নয়, সামাজিকভাবে ছড়িয়ে দিয়ে সুফল পাওয়ার প্রায় সব ঘটনা এভাবে ফেসবুকে উপস্থাপন করে প্রতিকার পাওয়া এই পুলিশ ইন্সপেক্টরের নাম রতন শেখ। তিনি বর্তমানে সুনামগঞ্জ সদর থানার ওসি। পুলিশি সেবায় ‘ফেসবুক ফার্স্ট’ বিবেচনায় তাকে সিলেট বিভাগের সেরা ওসি ঘোষণা করে পুরস্কৃত করেছে সিলেট রেঞ্জ ডিআইজি দপ্তর।

সংক্ষিপ্ত প্রতিক্রিয়ায় ওসি রতন শেখ খবরের কাগজকে জানান, ‘এটা আমার ভালো কাজের স্বীকৃতি। এ নিয়ে চতুর্থবারের মতো সিলেট বিভাগের ওসিদের মধ্যে শ্রেষ্ঠত্ব অর্জন করলাম। সিলেট জেলায় থাকাকালীন দুইবার, সুনামগঞ্জ সদর মডেল থানায় যোগদান পর দুইবার।’

জানা গেছে, ওসি রতন শেখ টুরিস্ট পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ছিলেন। তার কর্মস্থল ছিল সিলেটের জাফলং। এরপর সিলেটের বাইরে থানার ওসি হিসেবে এক দফা দায়িত্ব পালন শেষে ফের সিলেট ফেরেন। সেই ফেরাটা ছিল সিলেটের প্রাকৃতিক পর্যটনকেন্দ্র সাদাপাথর লুটপাট ঠেকানোর জন্য। তাকে সাদাপাথর এলাকার থানা কোম্পানীগঞ্জের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) নিযুক্ত করা হয়। ওই সময় থেকে তিনি ফেসবুকে সব তথ্য-উপাত্ত উপস্থাপন শুরু করেন। সাদাপাথর এলাকায় স্থিতিশীলতা ফিরলে কোম্পানীগঞ্জে থেকে তাকে বদলি করা হয় সুনামগঞ্জ সদর থানায়। সেখানে কর্মরত আছেন প্রায় দুই বছর। টুরিস্ট পুলিশ থেকে থানা পুলিশে পদায়নের পর চারবার তিনি শ্রেষ্ঠ ওসির পুরস্কার পান। এর আগে একবার ‘পিপিএম’ পদকেও ভূষিত হয়েছেন।

ফেসবুকে ‘সুনামগঞ্জ সদর থানা’ নামে একটি পেজ রয়েছে। তথ্য আদান-প্রদান, পুলিশি সেবা ও জানতে চাওয়ার বিষয়ে এ পেজটি ব্যবহার করেন ওসি রতন শেখ। সেখানে ঢুকে দেখা গেছে প্রায় ৬৩ হাজার প্লাস ফলোয়ার রয়েছেন। মানবিক, অমানবিক ও নিখোঁজ বা অন্য যে কোনো বিষয়ে জনসাধারণকে অবহিত করা কিংবা পুলিশি পদক্ষেপ এবং ভূমিকার বিষয়ে তাৎক্ষণিক অবহিত করা হয়।

ফেসবুকে ভিডিও আপলোড করার ঘণ্টাখানেকের মাথায় স্কুলছাত্রকে ফিরে পাওয়ার আরেকটি ভিডিও পেজে পাওয়া যায়। স্কুলছাত্রের অভিভাবক বলেছেন, ওসিকে জানানোর পর তিনি স্কুলছাত্রের ছবি দিয়ে একটি বার্তা দেন। এক ঘণ্টার মধ্যে একটি রেস্তরাঁয় সন্ধান মেলে স্কুলছাত্রর। এ ঘটনার পর ওসি রতন শেখ ওই স্কুলছাত্রটির সঙ্গে উদ্দীপনামূলক কথাও বলতে দেখা গেছে।

স্কুলছাত্রটি বাবার সঙ্গে রাগ করে একটি রেস্তোরাঁ কর্মীর চাকরি নিয়েছিল। তাকে ফিরে পাওয়ার পর ওসি স্কুলছাত্রের বাবাকে সতর্ক থাকার পরামর্শ দিয়ে স্কুলছাত্রকে বলেন, ‘বাবা তুমি সেখানে কাজ করলে বড় হয়ে একজন রেস্তোরাঁ কর্মী হতে পারতে। আর পড়াশোনা করলে এ রকম রেস্তোরাঁর মালিক হতে পারবে। তুমিই বলো মালিক হবে না কর্মী হবে? ওসির এ প্রশ্নে স্কুলছাত্র মাথা নেড়ে মালিক হওয়ার কথা জানায়। অর্থাৎ পড়াশোনা করবে বলে জানায়।

সর্বশেষ বুধবার বিকেল পাঁচটায় পেজটিতে দেখা গেছে একটি মর্মান্তিক ঘটনা। একটি স্ট্যাটাসে লেখা, ‘হৃদয় নাড়িয়ে দেওয়া ট্রাজেডি, ঘটনা! সুনামগঞ্জ উচ্চ বালিকা বিদ্যালয়ের নবম শ্রেণির মেধাবী ছাত্রী ১ রোল নম্বরের তুলি নামের মেয়েটি বোনে বোনে মোবাইলফোন ব্যবহার করা নিয়ে পিতার শাসনের ফলে মনের কষ্টে আত্মহত্যা করেছে মর্মে প্রাথমিক তথ্য পাওয়া যাচ্ছে। আইনি ব্যবস্থা নেওয়ার সময় দেখা যায় যে, রুমে মেয়েটি গলায় দড়ি দিয়েছে, গলায় দড়ি দেওয়ার আগে সে তার সমস্ত সার্টিফিকেট, মেডেল, ক্রেস্ট ছিন্ন ভিন্ন করে ছড়িয়ে ছিটিয়ে ফেলার পর আত্মহত্যা করে।’ ফেসবুকে এ তথ্যের সঙ্গে প্রাসঙ্গিক কিছু ছবিও দেওয়া। এরপর যে পরামর্শ দেওয়া হয়, তা সবার জন্য বিশেষ সতর্ক বার্তা। বলা হয়, ‘সন্তানদের শাসন করার ক্ষেত্রে একটু সতর্ক হবো আমরা’।

নাঈম/

হাতে টর্চ-লাঠি ও বাঁশি নিয়ে রাতভর পাহারায় পঞ্চগড় সীমান্তের মানুষ

প্রকাশ: ১০ জুন ২০২৬, ০৫:৫১ পিএম
হাতে টর্চ-লাঠি ও বাঁশি নিয়ে রাতভর পাহারায় পঞ্চগড় সীমান্তের মানুষ
ছবি: খবরের কাগজ

দিনের ব্যস্ততা শেষে যখন গ্রামের মানুষ ঘুমিয়ে পড়েন, তখন পঞ্চগড়ের সীমান্তবর্তী অনেক গ্রামের মানুষের শুরু হয় অন্য এক দায়িত্ব। হাতে টর্চ লাইট, লাঠি আর বাঁশি নিয়ে তারা রাতভর পাহারা দেন নিজ এলাকার সীমান্ত। উদ্দেশ্য একটাই, অবৈধ অনুপ্রবেশ ও পুশইন প্রতিরোধ।  

সাম্প্রতিক সময়ে সীমান্ত এলাকায় পুশইনের অভিযোগ ও অনুপ্রবেশের আশঙ্কা বাড়ার পর মানুষের মধ্যে সতর্কতা বেড়েছে। ফলে বিভিন্ন সীমান্তের গ্রামের বাসিন্দারা স্বতঃস্ফূর্তভাবে রাতভর টহল দিচ্ছেন। কেউ গাছতলায় অবস্থান করছেন, কেউ বাজারের দোকানের সামনে, আবার কেউ চা বাগানের ভেতরে কিংবা সীমান্তসংলগ্ন বিভিন্ন স্থানে নজরদারি চালাচ্ছেন।

বুধবার রাতে জেলার তেঁতুলিয়া উপজেলার ভজনপুর ইউনিয়নের ফকিরপাড়া ও একই উপজেলার তিরনইহাট ইউনিয়নের ইসলামবাগ এলাকার সরজমিনে গিয়ে দেখা যায়, স্থানীয় যুবকসহ নানা বয়সী মানুষ সীমান্তে পাহারা দিচ্ছেন। তারা কয়েকটি দলে বিভক্ত হয়ে রাতভর পাহারার দায়িত্ব পালন করছেন। বিপদের আভাস পেলেই বাঁশি বাজিয়ে অন্যদের সতর্ক করছেন।

স্থানীয়দের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, সীমান্তে কোনো সন্দেহজনক ব্যক্তিকে দেখলেই তারা সঙ্গে সঙ্গে বিজিবিকে খবর দেয়। এতে সীমান্তে নজরদারি আরও কার্যকর হচ্ছে।

গত কয়েক দিন ধরে বিজিবি সদস্যরা সীমান্তবর্তী বিভিন্ন গ্রামে প্রচার-প্রচারণা, সচেতনতামূলক মাইকিং ও উঠান বৈঠক করছেন। স্থানীয় জনপ্রতিনিধি ও সাধারণ মানুষকে সম্পৃক্ত করে যৌথভাবে সচেতনতামূলক কার্যক্রম পরিচালনা করছে। এর ফলে সীমান্ত এলাকায় মানুষের অংশগ্রহণও বেড়েছে।

এরই মধ্যে জেলার সদর উপজেলার হাড়িভাসা ইউনিয়নের বড়বাড়ি সীমান্তে ১০ জনকে পুশইনের চেষ্টায় ঘটনাটি স্থানীয়দের মধ্যে ব্যাপক আলোচনা জন্ম দেয়। স্থানীয় বাসিন্দারা প্রথমে ওই ব্যক্তিদের দেখতে পান এবং তাৎক্ষণিকভাবে বিজিবিকে অবহিত করেন। পরে বিজিবি ঘটনাস্থলে গিয়ে স্থানীয়দের সঙ্গে নিয়ে সেখানে অবস্থান নেয়। স্থানীয় মানুষ ও বিজিবির সতর্ক অবস্থানের কারণে ওই ব্যক্তিরা বাংলাদেশের অভ্যন্তরে প্রবেশ করতে পারেনি এবং ভারতীয় সীমান্ত এলাকাতেই অবস্থান করতে বাধ্য হন। 

জানা গেছে, পঞ্চগড় জেলার মোট সীমান্ত এলাকার দৈর্ঘ্য ২৭৭ দশমিক ৯১৫ কিলোমিটার। এর মধ্যে পঞ্চগড় ব্যাটালিয়ন (১৮ বিজিবি) দায়িত্ব পালন করছে ১৩৫ দশমিক ৫৯১ কিলোমিটার, ঠাকুরগাঁও ব্যাটালিয়ন (৫০ বিজিবি) ১৩ দশমিক ৪ কিলোমিটার এবং নীলফামারী ব্যাটালিয়ন (৫৬ বিজিবি) ১২৮ দশমিক ৯২৪ কিলোমিটার সীমান্ত এলাকায় দায়িত্ব পালন করছে।ং

তেঁতুলিয়া উপজেলার ভজনপুর ইউনিয়নের ফকিরপাড়া এলাকার যুবক খাইরুল ইসলাম বলেন, আমরা সীমান্ত এলাকার মানুষরা হোসেনের ঘটনায় আতঙ্কে রয়েছি। আমরা কোনোভাবেই পুশইন নেবো না। তাই আমরা বিজিবির সঙ্গে সীমান্তে পাহারা দেই। যারা দিনে সময় পায় দিনে, আর যারা রাতের সময় পাই রাতে সীমান্তে পাহারা দেই। 

বারেকুল ইসলাম নামে আরেক ব্যক্তি বলেন, আমরা সীমান্তের মানুষ শান্তিপ্রিয়। আমরা কোনোভাবেই ভারতীয় মানুষকে বাংলাদেশে প্রবেশ করতে দেবো না। তাই আমরা কষ্ট হলেও দেশের স্বার্থে সীমান্তে টহল দেই। 

ইসলামবাগ এলাকার যুবক রাহাত আলী বলেন, আমরা দিনে কাজ শেষ করে বাড়ি ফেরার পর রাতের খাবার খেয়ে সীমান্ত পাহারা দিতে বের হই। আমাদের সবার কাছে লাঠি, টর্চলাইট ও বাঁশি থাকে। বাঁশি বাজলেই আমরা বুঝে নিই কোথাও সমস্যা হয়েছে। পরে সঙ্গে সঙ্গে আমরা বিজিবি ও স্থানীয়রা সেখানে উপস্থিত হই এবং বিষয়টি তদন্ত করি। 

এদিকে তেঁতুলিয়ার বোয়ালমারী এলাকার সাব্বির হোসেন বলেন, আমার পকেটে সব সময় একটি বাঁশি থাকে। বাশিটি আমাকে বিজিবি দিয়ে গেছে। সীমান্তে কোনো ঘটনা ঘটলে বাঁশি বাজার শব্দ শোনা মাত্রই বিজিবি ছুটে আসেন। গত কয়েকদিন থেকে আমরা এভাবে সীমান্তে পাহারা দিচ্ছি। 

ভজনপুর ইউনিয়ন পরিষদের সদস্য তবিবর রহমান বলেন, বিজিবির উদ্যোগে স্থানীয় মানুষ অনেক সচেতন হয়েছেন। সবাই মিলে কাজ করায় সীমান্তে নজরদারি আরও শক্তিশালী হয়েছে। আমরা সবাই রাত জেগে আমাদের সীমান্ত পাহারা দিচ্ছি। 

পঞ্চগড়-১৮ ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল আব্দুল্লাহ মোহাম্মদ কায়েস বলেন, সীমান্তে অনুপ্রবেশ ও পুশইন ঠেকাতে আমরা সব সময় তৎপর রয়েছি। আমরা অবস্থানের পাশাপাশি টহল জোরদার করেছি। এ বিষয়ে স্থানীয় মানুষদের সচেতন করছি। স্থানীয়রাও আমাদের অনেক সহযোগিতা করছেন। গ্রামবাসীরা রাত জেগে আমাদের সঙ্গে পাহারা দিচ্ছেন। 

রনি/নাঈম

এনসিটি ইজারা না দিতে স্কপের বিক্ষোভ সমাবেশ ছয় দফা দাবি জানিয়ে প্রধানমন্ত্রীকে স্মারকলিপি

প্রকাশ: ১০ জুন ২০২৬, ০৫:৩৪ পিএম
ছয় দফা দাবি জানিয়ে প্রধানমন্ত্রীকে স্মারকলিপি
ছবি: খবরের কাগজ

চট্টগ্রাম বন্দরের গুরুত্বপূর্ণ ও লাভজনক নিউমুরিং কনটেইনার টার্মিনাল (এনসিটি) বিদেশি প্রতিষ্ঠানের হাতে তুলে না দিতে বিক্ষোভ সমাবেশ করেছে শ্রমিক কর্মচারী ঐক্য পরিষদ (স্কপ)। পরবর্তীতে সংগঠনটির নেতারা এনসিটি ইজারা না দেওয়ার দাবিতে প্রধানমন্ত্রী বরাবর স্বারকলিপি দিয়েছে। সেখানে তারা ৬ দফা দাবিও তুলে ধরেন। 

বুধবার (১০ জুন) সকালে জেলা পরিষদ কার্যালয়ের সামনে বিক্ষোভ সমাবেশ করেন তারা। 

চট্টগ্রাম স্কপের যুগ্ম সমন্বকায়রী এস কে খোদা তোতনের সভাপতিত্বে এবং স্কপের আরেক যুগ্ম সমন্বয়কারী ইফতেখার কামাল খানের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠিত বিক্ষোভ সমাবেশে বক্তব্য দেন টিইউসি চট্টগ্রাম জেলার সভাপতি তপন দত্ত, জাতীয়তাবাদী শ্রমিক দল চট্টগ্রাম বিভাগীয় কমিটির সাধারণ সম্পাদক কাজী শেখ নুরুল্লাহ বাহার, ট্রেড ইউনিয়ন সংঘের সভাপতি খোরশেদ আলম, বিএফটিইউসির সাধারন সম্পাদক কে এম শহিদুল্লাহ, বিএলএফ এর সভাপতি নুরুল আবছার তৌহিদ, সমাজতান্ত্রিক শ্রমিক ফ্রন্টের হেলাল উদ্দিন কবির, ডক শ্রমিক দলের সভাপতি মো. হারুন, সাধারণ সম্পাদক তসলিম হোসেন সেলিম প্রমুখ।

এসময় বক্তারা বলেন, এনসিটি দেশের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ কনটেইনার টার্মিনাল। এটি লাভজনকও বটে। টার্মিনালটি বিদেশি অপারেটরের হাতে তুলে দেওয়ার সিদ্ধান্ত শ্রমিক ও জাতীয় স্বার্থের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়। এনসিটি ইজারা দেওয়ার উদ্যোগ বাতিল করতে হবে। টার্মিনালটি চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষের নিজস্ব ব্যবস্থাপনায় পরিচালনার দাবি জানান তারা। 

বিক্ষোভ সমাবেশ শেষে তারা মিছিল সহকারে চট্টগ্রাম জেলা প্রশাসক (ডিসি) মোহাম্মদ জাহিদুল ইসলাম মিঞার কাছে যান। ডিসির মাধ্যমে প্রধানমন্ত্রী বরাবর স্মারকলিপি প্রদান করেন নেতারা। স্মারকলিপিতে ছয় দফা দাবি তুলে ধরা হয়। 

ছয় দফা দাবির মধ্যে রয়েছে- চট্টগ্রাম বন্দরের এনসিটি, সিসিটি, জিসিবিসহ কোনো টার্মিনাল বিদেশি অপারেটরকে হস্তান্তরের সকল উদ্যোগ অবিলম্বে বন্ধ করতে হবে। ডিপি ওয়ার্ল্ড বা অন্য কোনো বিদেশি প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে এ সংক্রান্ত চলমান আলোচনা ও প্রক্রিয়া বাতিল করতে হবে। বন্দর পরিচালনায় দেশীয় সক্ষমতা বৃদ্ধি, প্রযুক্তিগত আধুনিকায়ন এবং দক্ষ জনবল উন্নয়নের মাধ্যমে জাতীয় নিয়ন্ত্রণ অক্ষুণ্ণ রাখতে হবে। বন্দর শ্রমিক-কর্মচারীদের বিরুদ্ধে দায়েরকৃত হয়রানিমূলক মামলা ও দমনমূলক কার্যক্রম প্রত্যাহার করতে হবে। চট্টগ্রাম শ্রমিক-কর্মচারী ঐক্য পরিষদের প্রতিনিধিদের সঙ্গে জরুরি বৈঠকের ব্যবস্থা করে তাদের মতামত ও উদ্বেগ সরাসরি শোনার উদ্যোগ গ্রহণ করতে হবে। চট্টগ্রাম বন্দর বিদেশি নিয়ন্ত্রণে দেওয়া হবে না—এ মর্মে সরকারের সুস্পষ্ট ও আনুষ্ঠানিক ঘোষণা প্রদান করতে হবে। 

এর আগে গত ৪ জুন এনসিটি ইস্যুতে দুটি দাপ্তরিক চিঠি ইস্যু করে নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়। প্রথম চিঠিতে চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যানকে উদ্দেশ করে নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়ের উন্নয়ন-১ অধিশাখার সিনিয়র সহকারী সচিব ফারজানা হোসেন স্বাক্ষরিত লেখা চিঠিতে বলা হয়, চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষের এনসিটি টার্মিনাল পরিচালনা প্রতিষ্ঠান নিয়োগের লক্ষ্যে চলমান নেগোসিয়েশন এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার জন্য অথবা নেগোসিয়েশন এগিয়ে নিতে ইচ্ছুক না হলে সে ক্ষেত্রে এ প্রক্রিয়া বাতিল করার বিষয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য নির্দেশক্রমে অনুরোধ করা হলো।

সেদিন প্রকল্পটির বাস্তবায়ন নিয়ে পর্যালোচনা করতে নৌপরিবহনমন্ত্রীর সভাপতিত্বে একটি সভা অনুষ্ঠিত হয়। ওই সভা শেষে মন্ত্রণালয়ের একই কর্মকর্তা স্বাক্ষরিত আরেকটি চিঠি ইস্যু হয়। ওই চিঠিতে বন্দর চেয়ারম্যানের উদ্দেশে বলা হয়, পিপিপি প্রকল্প বাস্তবায়ন পর্যালোচনার লক্ষ্যে নৌপরিবহনমন্ত্রীর সভাপতিত্বে ৪ জুনের সভায় আলোচনা মোতাবেক ওই প্রকল্পের পরিচালনা প্রতিষ্ঠান নিয়োগের লক্ষ্যে নেগোসিয়েশন কার্যক্রম অব্যাহত রাখার জন্য নির্দেশক্রমে অনুরোধ করা হলো। 

তাই বলা যায়, এনসিটি পরিচালনার কাজ দিতে দুবাইভিত্তিক কোম্পানি ডিপি ওয়ার্ল্ড এফজেডইর সঙ্গে আলোচনা এগিয়ে নিতে চায় মন্ত্রণালয়। গত ৪ জুনের চিঠিতে এনসিটি পরিচালনায় ইন্টারন্যাশনাল টার্মিনাল অপারেটর (আইটিও) নিয়োগের লক্ষ্যে ডিপি ওয়ার্ল্ডের সঙ্গে চলমান আলোচনা এগিয়ে নিতে নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। 

এনসিটি নিয়ে একই দিন মন্ত্রণালয়ের দুই ধরনের চিঠি ইস্যু হওয়ার বিষয়টিকে ভালোভাবে নিচ্ছেন না বন্দরের শ্রমিকনেতা ও কর্মচারীরা। মন্ত্রণালয়ের এমন কাজে তাদের মনে সন্দেহের দানা বাঁধতে শুরু করেছে বলে জানান তারা। তাদের দাবি, তারা বিদেশি বিনিয়োগের বিরুদ্ধে নন। বে-টার্মিনালের তিনটি টার্মিনাল নির্মাণ ও পরিচালনার দায়িত্ব বিদেশি প্রতিষ্ঠানের কাছে দেওয়ার উদ্যোগে কোনো শ্রমিকনেতা ও কর্মচারী আপত্তি জানাননি।

পাশাপাশি পতেঙ্গা কনটেইনার টার্মিনাল (পিসিটি) পরিচালনার দায়িত্ব সৌদি আরবের রেড সি গেটওয়েকে দেওয়ার সময়ও কেউ বাধা দেননি। কিন্তু এনসিটি যন্ত্রপাতিতে স্বয়ংসম্পূর্ণ। টার্মিনালটির অপারেশনাল কার্যক্রম গতিশীল ও লাভজনক। এই টার্মিনালের সেবার মান নিয়ে বন্দরের কোনো স্টেকহোল্ডার কখনো কোনো অভিযোগ দেননি। তাহলে একটি পূর্ণাঙ্গ, সুসজ্জিত ও লাভজনক টার্মিনাল কেন বিদেশি প্রতিষ্ঠানের হাতে তুলে দিতে হবে?- এটাই তাদের প্রশ্ন। 

এসএন/

 

সিলেট সীমান্তে সতর্কতায়ও থেমে নেই চোরাচালান, ৬৬ লাখ টাকার পণ্য জব্দ

প্রকাশ: ১০ জুন ২০২৬, ০৫:২৫ পিএম
সিলেট সীমান্তে সতর্কতায়ও থেমে নেই চোরাচালান, ৬৬ লাখ টাকার পণ্য জব্দ
সীমান্তে বিজিবির চোরাচালানবিরোধী অভিযানে জব্দ করা ভারতীয় মদ। ছবি: খবরের কাগজ

সীমান্তে পুশইন সতর্কতার মধ্যেও থামছে না চোরাচালান। সিলেট ও সুনামগঞ্জ সীমান্তের ৯টি স্পটে অভিযান চালিয়ে মদসহ ৬৬ লাখ ৫৩ হাজার টাকার ভারতীয় চোরাইপণ্য জব্দ করেছে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)।

বুধবার (১০ জুন) সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানিয়েছে বিজিবি। 

সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে সিলেট ব্যাটালিয়নের (৪৮ বিজিবি) দায়িত্বাধীন সীমান্তবর্তী এলাকার সোনালীচেলা, প্রতাপপুর, বাংলাবাজার, বিছনাকান্দি, দমদমিয়া, তামাবিল, সংগ্রাম, সোনারহাট এবং লাফার্জ বিওপি অভিযান চালিয়ে বিপুল পরিমাণ ভারতীয় সানগ্লাস, গরু, শাড়ি, কম্বল, সুপারি, চিনি এবং মদ জব্দ করা হয়। জব্দ করা এসব পণ্যের আনুমানিক সিজারমূল্য ৬৬ লাখ ৫৩ হাজার ২০০ টাকা।

সিলেট ব্যাটালিয়নের (৪৮ বিজিবি) অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল মো. নাজমুল হকের বরাত দিয়ে সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, সীমান্তে নিরাপত্তা রক্ষা, চোরাচালান এবং মাদকদ্রব্য পাচার প্রতিরোধে বিজিবির আভিযানিক কার্যক্রম ও গোয়েন্দা তৎপরতা অব্যাহত রয়েছে। এরই ধারাবাহিকতায় সীমান্তবর্তী এলাকায় অভিযান চালিয়ে বিপুল পরিমাণ চোরাচালানির মালামাল জব্দ করে প্রয়োজনীয় আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।

সালমান/

তিন ঘণ্টা পর জামালপুর-ঢাকা ট্রেন চলাচল শুরু

প্রকাশ: ১০ জুন ২০২৬, ০৫:২৩ পিএম
আপডেট: ১০ জুন ২০২৬, ০৫:২৬ পিএম
তিন ঘণ্টা পর জামালপুর-ঢাকা ট্রেন চলাচল শুরু
ছবি: সংগৃহীত

ময়মনসিংহে আন্তঃনগর ব্রহ্মপুত্র এক্সপ্রেস ট্রেনের বগি লাইনচ্যুত হওয়ার তিন ঘণ্টা পর জামালপুরের সঙ্গে ঢাকার ট্রেন যোগাযোগ স্বাভাবিক হয়েছে।

বুধবার (১০ জুন) পরে দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে লাইনচ্যুত বগি উদ্ধার করলে ওই রুটে ট্রেন চলাচল শুরু হয়।

বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন ময়মনসিংহ রেলওয়ে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আকতার হোসেন।

তিনি বলেন, সকালে জামালপুরের দেওয়ানগঞ্জ থেকে ছেড়ে আসা যাত্রীবাহী আন্তঃনগর ব্রহ্মপুত্র এক্সপ্রেস ট্রেনটি ঢাকার উদ্দেশ্যে ছেড়ে আসে। সকাল সাড়ে ৯টার দিকে ময়মনসিংহ নগরীর কলেজরোড এলাকায় রেলক্রসিং পর্যন্ত আসতেই ট্রেনের একটি বগি লাইনচ্যুত হয়। এসময় থেকেই জামালপুর- ঢাকা রুটে ট্রেন চলাচল বন্ধ হয়ে যায়।

লাইনচ্যুত হওয়া ট্রেনের বগি উদ্ধার করতে নগরীর কেওয়াটখালী থেকে রিলিফ ট্রেন ঘটনাস্থলে নিয়ে যাওয়া হচ্ছিল। সকাল সোয়া ১০টার দিকে রিলিফ ট্রেন ময়মনসিংহ রেলওয়ে স্টেশন এলাকার কাছাকাছি পর্যন্ত আসতেই এটিও লাইনচ্যুত হয়।

ওসি বলেন, রিলিফ ট্রেনের বগি উদ্ধার না হলেও বেলা সাড়ে ১২টার দিকে ব্রহ্মপুত্র এক্সপ্রেস ট্রেনের লাইনচ্যুত হওয়া বগি উদ্ধার করা হয়েছে। এসময় থেকেই জামালগঞ্জের সঙ্গে ময়মনসিংহ ও জামালপুরের সঙ্গে ঢাকার ট্রেন যোগাযোগ স্বাভাবিক হয়। ইঞ্জিন কেটে লাইনচ্যুত হওয়া রিলিফ ট্রেন উদ্ধারের চেষ্টা চলছে।

কামরুজ্জামান মিন্টু/এসএন