ঢাকা ২২ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩, শুক্রবার, ০৫ জুন ২০২৬

সর্বশেষ
মাস্টার বাড়ি কোরবানির চামড়া বিক্রিতে ধস কৃষি শব্দকোষ টাঙ্গাইলে ১৪৪ ধারা উপেক্ষা করে আবারও সংঘর্ষ জীবনধারা বদলান, বিদ্যুৎ সাশ্রয় করুন খবরের কাগজে পদোন্নতি-বাণিজ্যের প্রতিবেদন প্রকাশ: তদন্তে নেমেছে আইন মন্ত্রণালয় ফরিদপুরে হামে মৃতের সংখ্যা বেড়ে ২১ মেধাবীদের বিদেশে উচ্চশিক্ষার প্রবণতা কী বার্তা দিচ্ছে পারিশ্রমিক না পেয়ে ম্যাচ বয়কট ব্রাদার্সের ক্রিকেটারদের অস্তিত্ব সংকটে হাঁড়িধোয়া নদী উত্তরবঙ্গ শিল্পোন্নত হোক দীনেশচন্দ্র সেন ও লোককাহিনির মঞ্চ-পরিবাহন মোস্তফা কামালের বিষাদ বসুধা স্বাধীনতার অবিনাশী ছাত্র ও যুব নেতৃত্ব চাকরি দিচ্ছে ওয়ালটন, রয়েছে বিভিন্ন সুযোগ-সুবিধা বিদ্যুৎ-জ্বালানির মূল্যবৃদ্ধি: জীবনযাত্রা হবে আরও ব্যয়বহুল বিদ্যুতের অস্বাভাবিক মূল্যবৃদ্ধি ক্ষুধা লাগলে মায়ের চিতায় ছুটে যান ৩ ভাই নওগাঁ সীমান্তে ১৭ জনকে পুশইনের চেষ্টা বিএসএফের নেইমারকে ছাড়াই খেলবে ব্রাজিল সুন্দর পুরুষ টিভিতে আজকের খেলা কেমন হবে মুমিনের হজ-পরবর্তী জীবন ভূরুঙ্গামারীতে অগ্নিকাণ্ডে পুড়ল অর্ধশতাধিক দোকান জীবন একদিন শেষ হয়ে যায়! মুন্সীগঞ্জে বিদেশি বিয়ারসহ গ্রেপ্তার ৩ ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় পিকআপের ধাক্কায় মা-ছেলেসহ নিহত ৩ বাকলিয়ায় শিশু ধর্ষণের ঘটনায় অভিযোগপত্র দাখিল বিষাদ-বেদনার আঙুলে চুমো খাও নির্বাচনের খরা কাটল মাসুদুজ্জামানের
Nagad desktop

কুমিল্লায় কোরবানি ঘিরে ২ হাজার কোটি টাকার বাজার

প্রকাশ: ২২ মে ২০২৬, ০৯:৫৮ এএম
কুমিল্লায় কোরবানি ঘিরে ২ হাজার কোটি টাকার বাজার
কুমিল্লার সদর উপজেলার দূর্গাপুর গ্রামে কোরবানির হাটে নেওয়ার জন্য প্রস্তুত করা হচ্ছে একটা গরু। সম্প্রতি তোলা/ খবরের কাগজ

পবিত্র ঈদুল আজহাকে সামনে রেখে কুমিল্লায় জমে উঠেছে কোরবানির পশুর বাজার। জেলার ১৭ উপজেলায় এবার চাহিদার চেয়ে বেশি পশু প্রস্তুত হয়েছে। কোরবানির পশু কেনাবেচা, হাট ইজারা, পরিবহন ও সংশ্লিষ্ট ব্যবসা মিলিয়ে প্রায় ২ হাজার কোটি টাকার লেনদেনের সম্ভাবনা দেখছেন সংশ্লিষ্টরা।

জেলা প্রাণিসম্পদ অফিসসূত্রে জানা গেছে, এবার কুমিল্লায় খামারি ও প্রান্তিক পর্যায়ে লালন-পালন করা হয়েছে প্রায় ২ লাখ ৫৯ হাজার গবাদিপশু। জেলার চাহিদা রয়েছে প্রায় ২ লাখ ৪৭ হাজার পশু। সে হিসাবে উদ্বৃত্ত থাকবে প্রায় ১২ হাজার পশু। এসব পশু দেশের অন্য জেলাতেও সরবরাহ করা যাবে বলে জানিয়েছে প্রাণিসম্পদ বিভাগ।

জেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা মোহাম্মদ সামছুল আলম বলেন, ‘আমরা ধারণা করছি কুমিল্লায় শুধু কোরবানির পশু বেচাকেনাই প্রায় ১ হাজার ৯০০ কোটি টাকার লেনদেন হতে পারে। এ ছাড়া হাট ইজারা, পরিবহন, রশি, বাঁশের খুঁটি, মসলা বিক্রি ও পশু জবাইকে কেন্দ্র করেও বড় অঙ্কের অর্থের লেনদেন হবে। এতে স্থানীয় অর্থনীতিতে গতি আসবে।’

তিনি বলেন, ‘জেলার ১৭ উপজেলায় ৪৩২টি পশুর হাট বসবে। এসব হাটে স্থানীয় খামারি ও প্রান্তিক কৃষকদের পশুই বেশি বিক্রি হবে। ভারত ও মিয়ানমার সীমান্ত দিয়ে অবৈধ পশু প্রবেশ ঠেকানো ও মহাসড়কে পশুবাহী যানবাহনের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা বড় চ্যালেঞ্জ।’

এদিকে সীমান্ত এলাকায় নজরদারি বাড়িয়েছে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)। কুমিল্লা-১০ বিজিবির অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল মীর আলী এজাজ বলেন, আমাদের আওতাধীন ৯৬ কিলোমিটার সীমান্ত এলাকায় গরু পাচারের তেমন প্রবণতা নেই। তার পরও ঈদকে সামনে রেখে নিরাপত্তা ও টহল বাড়ানো হয়েছে। দেশীয় খামারিদের স্বার্থরক্ষায় সীমান্ত এলাকায় নজরদারি বাড়ানো হয়েছে।

কুমিল্লা জেলা প্রাণিসম্পদ কার্যালয় সূত্রমতে, কোরবানির জন্য প্রস্তুত পশুর মধ্যে গরু, ষাঁড়, বলদ ও মহিষ রয়েছে ২ লাখ ৭১৭টি। এ ছাড়া ছাগল, ভেড়া ও অন্যান্য প্রাণী রয়েছে ৫৮ হাজার ২৮৩টি। এর মধ্যে কুমিল্লা আদর্শ সদর উপজেলায় ২০ হাজার ৯২৩টি, বুড়িচংয়ে ১৮ হাজার ৭৯৪, বরুড়ায় ১৭ হাজার ৬৪৭ এবং চৌদ্দগ্রামে ১৬ হাজার ৯০৮, কুমিল্লা সদর দক্ষিণ উপজেলায় ১৪ হাজার ৫১৭ এবং মেঘনা উপজেলায় ৮ হাজার ৭৩২টি পশু প্রস্তুত রয়েছে।

কুমিল্লা নগরীর কালিয়াজুড়ি এলাকার নূর জাহান এগ্রো ফার্মের মালিক মনির হোসেন বলেন, ‘আমার খামারে এবার ৭২টি গরু প্রস্তুত করা হয়েছে। এর মধ্যে ব্রাহমা ও শাহীওয়াল জাতের গরুও রয়েছে। গরুগুলোর নাম রাখা হয়েছে বাহুবলী, তুফান, ফাইটার ও মামা-ভাগিনা।’

সদর দক্ষিণ উপজেলার লক্ষ্মীনগর এলাকার রাফি এগ্রো ফার্মে গিয়ে দেখা গেছে, কোরবানির জন্য প্রস্তুত করা হয়েছে গরু, মহিষ, গয়াল। সেই সঙ্গে বিক্রির জন্য একটি উটও এনেছেন খামার মালিক জুয়েল। তিনি বলেন, ‘আমাদের কাছে ৮০ হাজার টাকা থেকে শুরু করে ১০ লাখ টাকা মূল্যের গরু রয়েছে।’

বানাসোয়া এলাকার খামারি জামাল হোসেন বলেন, ‘আমার খামারে ছোট-বড় মিলিয়ে ১০৪টি গরু রয়েছে। মধ্যবিত্ত ও সাধারণ মানুষের সামর্থ্যের মধ্যে থাকা গরুর সংখ্যাই বেশি।’

সদর দক্ষিণ উপজেলার বাগমারা এলাকার খামারি আব্দুল মমিন মিয়া বলেন, অনেক খামারি এখন আধুনিক পদ্ধতিতে গরু পালন করছেন। সরকারিভাবে প্রশিক্ষণ ও পরামর্শ পাওয়ায় খামারিরা লাভবান হচ্ছেন। এবার দেশীয়ভাবে উৎপাদিত গরুর চাহিদাই বেশি।

জেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা মোহাম্মদ সামছুল আলম বলেন, ‘কুমিল্লায় এবার কোরবানির পশুর সংকট নেই। খামারিদের উৎসাহ, সরকারি সহযোগিতা ও তদারকির কারণে নিরাপদ ও স্বাস্থ্যসম্মত পশু উৎপাদন বেড়েছে। পশুর হাটগুলোয় ৮৪টি ভেটেরিনারি টিম দায়িত্ব পালন করবে। অসুস্থ বা ক্ষতিকর উপায়ে মোটাতাজা করা পশু যেন বাজারে না আসে, সেদিকে কঠোর নজরদারি থাকবে।’

টাঙ্গাইলে ১৪৪ ধারা উপেক্ষা করে আবারও সংঘর্ষ

প্রকাশ: ০৫ জুন ২০২৬, ০২:১৩ পিএম
আপডেট: ০৫ জুন ২০২৬, ০৩:০৪ পিএম
টাঙ্গাইলে ১৪৪ ধারা উপেক্ষা করে আবারও সংঘর্ষ
ছবি: খবরের কাগজ

টাঙ্গাইলের গোপালপুর ও ভূঞাপুর উপজেলায় সংঘর্ষের ঘটনায় ১৪৪ ধারা জারি করা হলেও তা উপেক্ষা করে আবারও সংঘর্ষ, অগ্নিসংযোগ ও ভাঙচুরের ঘটনা ঘটেছে।  

শুক্রবার (৫ জুন) সকালে এ ঘটনা ঘটে। 

এদিকে বিশৃঙ্খলারোধে গোপালপুরের নলীন বাজার, গোলপেঁচা এবং ভূঞাপুর উপজেলার জগৎপুরা এলাকায় বিপুল সংখ্যক পুলিশ সদস্য মোতায়েন করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার রাতে সংঘর্ষে একজন মারা যাওয়ায় ঘরবাড়ি ভাঙচুর, অগ্নিসংযোগ এবং আরেক দফায় মাইকিং করে সহিংসতার ডাক দেয় গোপালপুরের লোকজন। 

পরিস্থিতি স্বাভাবিক করতে বৃহস্পতিবার রাত ১২টার পরই গোপালপুর ও ভূঞাপুরে ১৪৪ ধারা জারি করে স্থানীয় প্রশাসন। 

তবে আজ সকালে ১৪৪ ধারা উপেক্ষা করে অন্তত তিনটি বাড়িতে অগ্নিসংযোগ এবং ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে ভাঙচুরের ঘটনা ঘটেছে।

ভূঞাপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. মাহবুব হাসান খবরের কাগজকে বলেন, প্রথমে দুই গ্রামবাসীর মধ্যে সংঘর্ষ হলেও এখন একাধিক গ্রামে এই সংঘর্ষ ছড়িয়ে পড়েছে। ১৪৪ ধারা উপেক্ষা করে সংঘর্ষ ও অগ্নিসংযোগ খুবই অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা। আমরা সবাইকে আইনের প্রতি শ্রদ্ধাশীল হওয়ার আহ্বান জানিয়েছি। 

উল্লেখ্য, দোকানে বাকি খাওয়াকে কেন্দ্র করে গোপালপুর উপজেলার গোল পেঁচা ও ভূঞাপুর উপজেলার জগৎকুড়া গ্রামের মধ্যে গত ২২ এপ্রিল দফায় দফায় সংঘর্ষ ও ভাঙচুরের ঘটনা ঘটে। এই ঘটনার জের ধরে বৃহস্পতিবার বিকেলে পুনরায় সংঘর্ষে জড়ান দুই গ্রামের লোকজন। দেশীয় অস্ত্রে দফায় দফায় চলে সংঘর্ষ, ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগের ঘটনা। সংঘর্ষে কালাম তালুকদারসহ অনেকেই আহত হন। পরে তাদের ভূঞাপুর হাসপাতালে নেওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক ডা. ফাতেমা কালামকে মৃত ঘোষণা করেন। আহত অন্যদের টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। 

জুয়েল রানা/থিও

ফরিদপুরে হামে মৃতের সংখ্যা বেড়ে ২১

প্রকাশ: ০৫ জুন ২০২৬, ১২:৫৮ পিএম
আপডেট: ০৫ জুন ২০২৬, ০৩:১২ পিএম
ফরিদপুরে হামে মৃতের সংখ্যা বেড়ে ২১
ছবি: খবরের কাগজ

ফরিদপুরে হামের উপসর্গ নিয়ে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তানহা (১৮ মাস) নামে আরও এক শিশুর মৃত্যু হয়েছে। এতে জেলায় হামের উপসর্গে মৃত শিশুর সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ২১ জন। 

বৃহস্পতিবার (৪ জুন) ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়।

ফরিদপুরের সিভিল সার্জন ডা. মাহমুদুল হাসান জানান, গত ২৪ ঘণ্টায় জেলার বিভিন্ন সরকারি হাসপাতালে হামের উপসর্গ নিয়ে ৬২ জন রোগী ভর্তি হয়েছেন। চিকিৎসা শেষে সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছেন ৪১ জন। বর্তমানে জেলার বিভিন্ন সরকারি হাসপাতালে হামের উপসর্গ নিয়ে ১৭৮ জন রোগী চিকিৎসাধীন রয়েছেন। আক্রান্তদের মধ্যে অধিকাংশই শিশু। 

হামের সংক্রমণ বৃদ্ধি পাওয়ায় শিশুদের টিকাদান নিশ্চিত করার পাশাপাশি জ্বর, সর্দি, কাশি ও শরীরে লালচে দাগ দেখা দিলে দ্রুত চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়ার আহ্বান জানান সিভিল সার্জন।

এনকেবি নয়ন/তামান্না রুপা/

নওগাঁ সীমান্তে ১৭ জনকে পুশইনের চেষ্টা বিএসএফের

প্রকাশ: ০৫ জুন ২০২৬, ১২:০৬ পিএম
আপডেট: ০৫ জুন ২০২৬, ১২:৪৯ পিএম
নওগাঁ সীমান্তে ১৭ জনকে পুশইনের চেষ্টা বিএসএফের
ছবি: সংগৃহীত

নওগাঁর হাপানিয়া সীমান্ত এলাকা দিয়ে ১৭ জনকে পুশইনের চেষ্টা করেছে ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনী (বিএসএফ)।

শুক্রবার (৫ জুন) সকাল সাড়ে ৭টার দিকে সীমান্তের ২৩৮ নম্বর পিলার এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।

নওগাঁ ব্যাটালিয়নের (১৬ বিজিবি) অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল মহম্মদ আরিফুল ইসলাম মাসুম বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। 

তিনি জানান, ভারতীয় ৮৮ বিএসএফ ব্যাটালিয়নের পান্নাছড়া বিএসএফ ক্যাম্পের সদস্যরা ১৭ জনকে বাংলাদেশে পুশইন করে। যাদের মধ্যে ৬ জন পুরুষ, ৬ জন নারী এবং ৫ জন শিশু রয়েছে। তবে হাপানিয়া বিওপির টহল দল ওই ব্যক্তিদের ভারতীয় সীমান্তের শূন্য লাইনেই আটকে দিয়েছে।

বর্তমানে তাদের কাঁটাতারবিহীন অংশ দিয়ে ভারতীয় ভূখণ্ডে ফেরত পাঠানোর চেষ্টা চলছে বলেও জানান তিনি।

তামান্না রুপা/

ভূরুঙ্গামারীতে অগ্নিকাণ্ডে পুড়ল অর্ধশতাধিক দোকান

প্রকাশ: ০৫ জুন ২০২৬, ১১:৪৩ এএম
আপডেট: ০৫ জুন ২০২৬, ১২:৫৬ পিএম
ভূরুঙ্গামারীতে অগ্নিকাণ্ডে পুড়ল অর্ধশতাধিক দোকান
ছবি: খবরের কাগজ

কুড়িগ্রামের ভূরুঙ্গামারী উপজেলা বাজারে অগ্নিকাণ্ডে অর্ধশতাধিক দোকান পুড়ে ছাই হয়ে গেছে। এতে কোটি টাকা ক্ষতি হয়েছে বলে দাবি করছেন ব্যবসায়ীরা।

শুক্রবার (৫ জুন) সকাল সাড়ে ৬টার দিকে এ ঘটনা ঘটে। 

ব্যবসায়ীরা জানান, শুক্রবার সকাল সাড়ে ৬টার দিকে আগুনের সূত্রপাত হলে নাগেশ্বরী ফায়ার সার্ভিসে খবর দেওয়া হয়। ঘণ্টাখানেক পর ফায়ার সার্ভিসের দুটি ইউনিট এসে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে। বিদ্যুতের শর্টসার্কিট থেকে আগুনের সূত্রপাত হতে পারে বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে। 

বাজারে কাপড়, কসমেটিকস, ফলের দোকানসহ বিভিন্ন পণ্যের দোকান ছিল বলে জানান স্থানীয় ব্যবসায়ীরা।

ভূরুঙ্গামারী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) অমৃত দেব নাথ বলেন, আমরা বিষয়টি খতিয়ে দেখছি এবং ক্ষতির পরিমাণ নির্ণয়ের চেষ্টা চলছে।

তামান্না রুপা/

মুন্সীগঞ্জে বিদেশি বিয়ারসহ গ্রেপ্তার ৩

প্রকাশ: ০৫ জুন ২০২৬, ১১:৩০ এএম
আপডেট: ০৫ জুন ২০২৬, ০১:০১ পিএম
মুন্সীগঞ্জে বিদেশি বিয়ারসহ গ্রেপ্তার ৩
ছবি: খবরের কাগজ

মুন্সীগঞ্জে বিদেশি বিয়ারসহ যৌথ অভিযানে তিনজনকে গ্রেপ্তার করেছে গোয়েন্দা ও মুন্সীগঞ্জ থানা পুলিশ। 

বৃহস্পতিবার (৪ জুন) রাত ৯টা ৩০ মিনিটে সদর থানার টরকী উচ্চ বিদ্যালয় (জুনিয়র স্কুল) সংলগ্ন ব্রীজের ওপর থেকে তাদের আটক করা হয়।

এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে জানা গিয়েছে, আটককৃতরা হলেন, সুমন মিঝি (২৮), খান জাহান আলী (২৪), মো: লিংক মিঝি। আটক তিনজনই সদর উপজেলার টরকী এলাকার বাসিন্দা।

বিজ্ঞপ্তিতে আরও জানানো হয়েছে, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে এ অভিযান পরিচালনা করা হয়। অভিযানে সুমন মিঝি, খান জাহান আলী ও মোঃ লিংক মিঝি কে ২৪ ক্যান করে মোট ৭২ ক্যান বিয়ারসহ গ্রেপ্তার করা হয়।

পরবর্তীতে সুমন মিঝি ও খান জাহান আলীর দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে রাত আনুমানিক দশটার দিকে জাহেদ মিঝি গংদের পুকুর পাড়ের ঝোপের মধ্যে থেকে ১৬৮ ক্যান বিয়ার জব্দ করা হয়।

এ বিষয়ে মুন্সীগঞ্জ সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মমিনুল ইসলাম খবরের কাগজকে বলেন, আমাদের এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে।

সুমন/থিও/