শখ করে নাম রাখা হয়েছে ‘সঞ্চয়’। চলনে-বলনে যেন রাজকীয় ভাব। লম্বা ঝুলন্ত কান, বাদামি-সাদা-কালো রঙের আকর্ষণীয় গড়ন আর বিশাল দেহের কারণে হাটে সবার নজর কাড়ছে খাসিটি। উচ্চতা প্রায় চার ফুট এবং ওজন প্রায় দেড় মণ।
কোরবানির ঈদকে সামনে রেখে শরীয়তপুরের মনোহর বাজার গরুর হাটে বিক্রির জন্য আনা হয়েছে এই খাসিটি। মালিক এর দাম চাচ্ছেন ১ লাখ ২০ হাজার টাকা।
খোঁজ নিয়ে জানা যায়, প্রায় আড়াই বছর আগে নাটোর থেকে তিন মাস বয়সী একটি তোতাপুরি জাতের খাসির বাচ্চা কিনেন শরীয়তপুর সদর উপজেলার ডোমসার এলাকার বাসিন্দা কামরুল হাসান। তখন খাসিটির দাম ছিল ২০ হাজার টাকা। এরপর দীর্ঘদিন ধরে যত্ন ও ভালোবাসায় লালন-পালন করে তিনি খাসিটিকে কোরবানির উপযোগী করে তোলেন। আদর করে নাম রাখেন ‘সঞ্চয়’।
সোমবার দুপুরে মনোহর বাজার গরুর হাটে খাসিটি বিক্রির জন্য নিয়ে আসেন কামরুল হাসান। বিশাল আকৃতির খাসিটি দেখতে হাটে ক্রেতা ও দর্শনার্থীদের ভিড় জমে যায়।
হাটে আসা মারুফ বলেন, এমন খাসি আমি এর আগে দেখিনি। খাসিটি লাফিয়ে মানুষের ওপর উঠে আসে। দেখতেও বেশ আকর্ষণীয়। হাটে তোলার পর থেকে সবাই খাসিটিকে দেখতে হাজির হয়েছে। অনেকে এসে দামদর করছেন।
খাসিটির মালিক কামরুল হাসান বলেন, অনেক যত্ন করে খাসিটিকে বড় করেছি। খাওয়া-দাওয়া ও পরিচর্যায় কোনো কমতি রাখিনি। তাই এর দাম ১ লাখ ২০ হাজার টাকা চেয়েছি। কিন্তু এখন পর্যন্ত আশানুরূপ ক্রেতা পাওয়া যায়নি। হাটে সবাই খাসিটি দেখে প্রশংসা করছেন। তবে কাঙ্ক্ষিত দাম না ওঠায় কিছুটা হতাশ লাগছে। এখানে বিক্রি না হলে খাসিটিকে ঢাকায় বিক্রির উদ্দেশ্যে নিয়ে যাব।
বিধান মজুমদার/অমিয়/