ঢাকা ৩ আষাঢ় ১৪৩৩, বুধবার, ১৭ জুন ২০২৬

সর্বশেষ
ওমরাহ যাত্রীদের অর্থ আত্মসাৎ: দুই পীরজাদার বিরুদ্ধে মামলা বিশ্বমঞ্চে মেসির প্রথম হ্যাটট্রিক, ক্লোসাকে ছুঁয়ে বিশ্বকাপের সর্বোচ্চ গোলদাতা! স্বপ্ন ছোঁয়ার শেষ মিশনে রোনালদো নারায়ণগঞ্জে পদ্মার উড়াল সেতুর পিলারের মাটি গেছে শ্রমিক লীগ নেতার ভাটায় বাকৃবিতে নজর কাড়ছে পেলে-ম্যারাডোনার গ্রাফিতি জাল ভিসায় ইউরোপে মানব পাচারের অভিযোগ জিআই স্বীকৃতি পেল মানিকগঞ্জেরঐতিহ্যবাহী হাজারি গুড় টি-টোয়েন্টি সিরিজে আত্মবিশ্বাসী বাংলাদেশ যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে বাণিজ্য চুক্তি অর্থনীতি ধ্বংসের বোমা: ফরিদা আখতার প্রায় ৫ বছর মেয়াদোত্তীর্ণ ইবি ছাত্রদল কমিটি পবিত্র আশুরা ২৬ জুন জলবায়ু পরিবর্তনের কবলে ব্রহ্মপুত্র কমবে পানি, বাড়বে খরার ঝুঁকি দুই বছরেও চালু হয়নি খুবির বধ্যভূমি জাদুঘর, তালাবদ্ধ ইতিহাসের সাক্ষী ১৭ জুন: তুলা, বৃশ্চিক, ধনু, মকর, কুম্ভ ও মীনের আজকের রাশিফল মেসির জোড়া গোলে এগিয়ে আর্জেন্টিনা শিশু-কিশোরদের সোশ্যাল মিডিয়া ব্যবহারে বিধিনিষেধ সময়ের দাবি ১৭ জুন: মেষ, বৃষ, মিথুন, কর্কট, সিংহ ও কন্যার আজকের রাশিফল উজবেকিস্তান-কলম্বিয়া: স্বপ্ন বনাম প্রত্যাবর্তন কর্মসংস্থানের রূপরেখা বাস্তবায়ন নিয়ে প্রশ্ন জ্যোতিদের প্রতিপক্ষ আজ অস্ট্রেলিয়া এবার কত দূর যাবে পর্তুগাল? ঘানা-পানামা: বাঁচা-মরার শুরু ১৭ জুন  ২০২৬ তারিখের নামাজের সময়সূচি আলজেরিয়ার বিপক্ষে আর্জেন্টিনার একাদশে আছেন যারা হালান্ডের জোড়া গোল, বিশ্বকাপে উড়ন্ত সূচনা নরওয়ের শেষ সুযোগ মদ্রিচের অস্ট্রেলিয়া সিরিজ স্মরণীয় করতে চান ইমন হালান্ডের জোড়া গোলে প্রথমার্ধে এগিয়ে নরওয়ে আর্জেন্টিনার প্রথম ম্যাচের আগে ডি মারিয়ার হৃদয়ছোঁয়া বার্তা ইরানের ড্রেসিংরুমে গিয়ে যা বললেন ফিফা সভাপতি
Nagad desktop

হেডফোন লাগিয়ে হাঁটার সময় ট্রেনের ধাক্কায় কিশোর নিহত

প্রকাশ: ০৯ জুন ২০২৬, ০৮:২৯ পিএম
আপডেট: ০৯ জুন ২০২৬, ১০:১১ পিএম
হেডফোন লাগিয়ে হাঁটার সময় ট্রেনের ধাক্কায় কিশোর নিহত
নিহত কিশোর মো. টিপু। ছবি: খবরের কাগজ

কানে হেডফোন লাগিয়ে চট্টগ্রাম-কক্সবাজার রেললাইনের পাশ দিয়ে হাঁটার সময় ট্রেনের হুইস্‌ল শুনতে না পেয়ে ট্রেনের ধাক্কায় মো. টিপু (১৮) নামে এক কিশোর নিহত হয়েছেন।

মঙ্গলবার (৯ জুন) সন্ধ্যা পৌনে ৬টার দিকে সাতকানিয়া সদর ইউনিয়নের ৮ নম্বর ওয়ার্ডের বারদোনা গ্রামের শরিফ পাড়ায় এ দুর্ঘটনা ঘটে।

নিহত মো. টিপু কক্সবাজার জেলার চাকরিয়া উপজেলার হারবাং ইউনিয়নের মো. শাহজাহানের ছেলে। সে গত কয়েকদিন আগে বারদোনা গ্রামের শরিফ পাড়ায় নানার বাড়িতে বেড়াতে এসেছিল।

বিষয়টি নিশ্চিত করে নিহতের মামা মো. খলিল বলেন, আমি আসরের নামাজ পড়ে বের হয়ে দেখি কক্সবাজারগামী একটি ট্রেন অবিরত হুইস্‌ল বাজিয়ে ছুটে চলছে। তখন দৌড়ে গিয়ে রেললাইনে কাউকে দেখতে না পেয়ে ফিরে আসি। পরে স্থানীয়দের মাধ্যমে জানতে পারি, আমার ভাগিনা টিপু কানে হেডফোন দিয়ে রেললাইনের পাশ দিয়ে হাঁটার সময় পেছন থেকে আসা ট্রেনের হুইস্‌ল ও শব্দ শুনতে পায়নি। এ সময় ট্রেনের ধাক্কায় সে গুরুতর আহত হয়। পরে তাকে লোহাগাড়া ট্রমা সেন্টারে নিয়ে গেলে সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

সাতকানিয়া রেলওয়ে স্টেশনের সহকারী স্টেশন মাস্টার মংইউ মারমা খবরের কাগজকে বলেন, দুর্ঘটনার বিষয়ে এখনো পর্যন্ত কেউ আমাদেরকে জানায়নি। তবে চট্টগ্রাম থেকে আগত কক্সবাজারগামী প্রবাল এক্সপ্রেস বিকেল সাড়ে ৫টার দিকে সাতকানিয়া রেলওয়ে স্টেশন অতিক্রম করেছিল।

আরিফুল ইসলাম/নাঈম

ওমরাহ যাত্রীদের অর্থ আত্মসাৎ: দুই পীরজাদার বিরুদ্ধে মামলা

প্রকাশ: ১৭ জুন ২০২৬, ০৯:১৮ এএম
আপডেট: ১৭ জুন ২০২৬, ০৯:২৩ এএম
ওমরাহ যাত্রীদের অর্থ আত্মসাৎ: দুই পীরজাদার বিরুদ্ধে মামলা
পীরজাদা হাম্মাদ চৌধুরী ও বাকী বিল্লাহ মিশকাত চৌধুরী। ছবি: খবরের কাগজ

চাঁদপুরের হাজীগঞ্জ উপজেলার ঐতিহ্যবাহী সাদ্রা দরবারের দুই পীরজাদা হাম্মাদ চৌধুরী ও বাকী বিল্লাহ মিশকাত চৌধুরীর বিরুদ্ধে ওমরাহ যাত্রীদের বিপুল অঙ্কের অর্থ আত্মসাৎ ও প্রতারণার অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগ রয়েছে, ওমরাহ কার্যক্রম পরিচালনার নামে সংগ্রহ করা প্রায় দুই কোটি টাকা নিয়ে তারা আত্মগোপনে রয়েছেন।

এ ঘটনায় ওমরাহ কাফেলার প্রধান মাওলানা মো. গোলাম মাওলা চেক ডিজঅনারের মামলা করেছেন। এ ছাড়া নিবন্ধনবিহীনভাবে ‘এসবি ওভারসিজ’ নামে ব্যবসা পরিচালনা করে আরও কয়েকজনের কাছ থেকেও অর্থ নেওয়ার অভিযোগ রয়েছে তাদের বিরুদ্ধে। ভুক্তভোগীদের বক্তব্য, মামলার নথি ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর কাছে জমা দেওয়া অভিযোগ থেকে এসব তথ্য জানা গেছে।

প্রাপ্ত তথ্যে জানা গেছে, জেলার কচুয়া উপজেলার আইনগিরি গ্রামের লোকমান হোসেনের ছেলে মাওলানা মো. গোলাম মাওলা বিভিন্ন লোকজনের মাধ্যমে অভিযুক্ত হাম্মাদ ও মিশকাতের সঙ্গে পরিচিত হন। এর আগে তিনি বিভিন্ন ওমরাহ এজেন্সির মাধ্যমে ওমরাহ যাত্রী সৌদিতে পাঠিয়েছেন। নিজ জেলা ও পীরজাদা হিসেবে হাম্মাদ এবং মিশকাতের ওপর বিশ্বাস রেখে ২০২৫ সালের জানুয়ারি মাস থেকে ওমরাহ যাত্রীদের পাঠানোর জন্য টাকা লেনদেন শুরু করেন। ৬৫ জন ওমরাহ যাত্রীর জন্য গোলাম মাওলা নগদ এবং ইসলামী ব্যাংকের মাধ্যমে ৯৫ লাখ ৮০ হাজার টাকা লেনদেন করেন। এর মধ্যে অর্থ লেনদেন হয় হাম্মাদের ব্যাংক অ্যাকাউন্টে এবং বাকি নগদ টাকা দেওয়া হয় হাম্মাদের বাবা মুহাম্মদ যাকারিয়া চৌধুরীর হাতে।

ভুক্তভোগী গোলাম মাওলা জানান, তিনি এর আগে ‘হোসাইনিয়া হজ্জ কাফেলা’ নামের প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে সফলভাবে বেশ কয়েকবার ওমরাহ যাত্রীদের সৌদি আরবে পাঠিয়েছেন। ২০২৫ সালে হাম্মাদ ও মিশকাত চৌধুরীর অনুরোধে তাদের মাধ্যমে যাত্রীদের ওমরায় পাঠানোর কাজ শুরু করেন তিনি। ওই বছরের ১৪ জানুয়ারি থেকে এপ্রিল মাস পর্যন্ত হাম্মাদ ও মিশকাত তার কাছ থেকে মোট ৯৫ লাখ ৮০ হাজার টাকা নেন। কিন্তু নির্দিষ্ট সময়ে যাত্রীদের ওমরায় পাঠাতে তারা গড়িমসি করতে থাকেন। এতে তাদেরকে সন্দেহ হয় এবং তাদের মধ্যে মতবিরোধ দেখা দেয়। পরে খোঁজ নিয়ে তিনি জানতে পারেন, ‘এসবি ওভারসিজ’ নামের তাদের ওই প্রতিষ্ঠানটির কোনো নিবন্ধন নেই।

তিনি বলেন, ‘তারা ওমরাহ যাত্রীদের পাঠাতে ব্যর্থ হয়ে আমাকে ভুয়া ভিসা ও এয়ার টিকিট দেন। এই বিষয়ে তাদের সঙ্গে কথা হলে একপর্যায়ে আমাকে ২০ ও ২৫ লাখ টাকার দুটি চেক দেন ইসলামী ব্যাংকের। ওই চেকগুলোতে পর্যাপ্ত টাকা না থাকায় শেষ পর্যন্ত হাম্মাদ চৌধুরীকে আসামি করে ঢাকার আদালতে পৃথক দুটি মামলা করি। মামলায় দুটি হাজিরার নির্ধারিত তারিখে হাম্মাদ উপস্থিত হননি। তার বাবা যাকারিয়া চৌধুরী সন্তানদের অপরাধের দায়ভার নিতে নারাজ। হাম্মাদ ঢাকায় আত্মগোপনে এবং মিশকাত চৌধুরী বিদেশে রয়েছেন। এসব বিষয় আমি মৌখিকভাবে চাঁদপুরের জেলা প্রশাসক এবং লিখিত অভিযোগ দিয়েছি পুলিশ সুপারের কাছে।’

এই ভুক্তভোগী বলেন, তাদের কাছ থেকে আমি হজযাত্রীদের টাকা উদ্ধারে সামাজিকভাবে চেষ্টা করেও ব্যর্থ হয়েছি। তারা শুধু আমার নয়, বহু ওমরাহ যাত্রীর টাকা নিয়ে আত্মগোপনে গেছেন। এখন বড় সমস্যা হচ্ছে যারা আমাকে ওমরাহ করার জন্য টাকা দিয়েছেন তাদের আমি টাকাও ফেরত দিতে পারছি না এবং ওমরাহ করার ব্যবস্থা হচ্ছে না। তাদের জীবনের সর্বশেষ স্বপ্ন ভেঙেছে। যার ফলে আমি এখন পথে বসার উপক্রম। এই প্রতারক চক্রের কাছ থেকে যাত্রীদের টাকা উদ্ধারের জন্য আমি প্রশাসনের সহযোগিতা কামনা করি।’

আরেক ভুক্তভোগী কুমিল্লার মুরাদ নগরের নছরুল্লাহ হুসাইন বলেন, ‘আমার ১৭৬ জন ওমরাহ যাত্রীর ভিসা ও এয়ার টিকিট বাবদ মিশকাত চৌধুরী তার দুই ভাই হাম্মাদ ও ইয়াহিয়া চৌধুরীর ব্যাংক হিসাব নম্বরে নিয়েছেন ১ কোটি ৪ লাখ টাকা। যাত্রীদের কাজ করে দিতে না পেরে আমাকে ৭৫ লাখ টাকার চেক দিয়েছেন। সময় পার হয়ে যাওয়ার পর আমি ওই দুই চেকের বিপরীতে কুমিল্লা আদালতে দুটি মামলা করেছি।

ওই মামলায় শিগগিরই তাদের বিরুদ্ধে ওয়ারেন্ট হবে। তাদের এই ধরনের প্রতারণায় আমি পথে বসার উপক্রম। দেশের বিভিন্ন স্থানে আরও লোকের সঙ্গে তারা এই ধরনের প্রতারণা করেছে। এসব বিষয়ে বক্তব্যের জন্য হাম্মাদ চৌধুরী ও মিশকাত চৌধুরীর ব্যক্তিগত মোবাইল নম্বরে একাধিকবার ফোন দেওয়া হয়। তারা ফোন রিসিভ করেননি। পরবর্তীতে তাদের পরিচয় দিয়ে কথা বলার জন্য খুদে বার্তা দেওয়া হয়, তাতেও তারা কোনো সাড়া দেননি। যার ফলে তাদের বক্তব্য নেওয়া সম্ভব হয়নি।’

এসব ঘটনার বিষয় জানেন হাম্মাদ ও মিশকাতের বাবা মুহাম্মদ যাকারিয়া চৌধুরী। তিনি মুঠোফোনে বলেন, ‘ছেলেরা প্রাপ্তবয়স্ক। তারা ব্যবসা করেন লোকজনের সঙ্গে। এসব বিষয়ে আমাকে জড়াবে কেন। মামলায় আমাকে জড়ানো হয়েছে। বলা হচ্ছে আমি নগদ অর্থ নিয়েছি। এটি সম্পূর্ণ মিথ্যা। আমার সঙ্গে কোনো লেনদেন হয়নি। এসব ঝামেলার কারণে আমি ছেলেদের সঙ্গে এখন যোগাযোগ রাখি না। কারণ লোকজন আমার সঙ্গে ঝামেলা করে।’

জিআই স্বীকৃতি পেল মানিকগঞ্জেরঐতিহ্যবাহী হাজারি গুড়

প্রকাশ: ১৭ জুন ২০২৬, ০৯:০২ এএম
আপডেট: ১৭ জুন ২০২৬, ০৯:১৩ এএম
জিআই স্বীকৃতি পেল মানিকগঞ্জেরঐতিহ্যবাহী হাজারি গুড়
মানিকগঞ্জের হাজারি গুড়। ছবি: খবরের কাগজ

সম্প্রতি শিল্প মন্ত্রণালয়ের অধীন পেটেন্ট, শিল্প-নকশা ও ট্রেড মার্কস অধিদপ্তরের (ডিপিডিটি) ভৌগোলিক নির্দেশক ইউনিট ‘মানিকগঞ্জের হাজারি গুড়’-এর নিবন্ধন সনদ প্রদান করে। সনদ অনুযায়ী, এটি বাংলাদেশের ৬৪তম জিআই পণ্য হিসেবে স্বীকৃতি পেয়েছে। জেলা প্রশাসক, মানিকগঞ্জের নামে এ নিবন্ধন দেওয়া হয়েছে।

সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, ২০২৪ সালের ২০ ফেব্রুয়ারি তৎকালীন জেলা প্রশাসক রেহেনা আক্তার মানিকগঞ্জের হাজারি গুড়কে জিআই নিবন্ধনের জন্য আবেদন করেন। দীর্ঘ প্রক্রিয়া শেষে গত ১৫ জুন শিল্প মন্ত্রণালয়ের পেটেন্ট, শিল্প-নকশা ও ট্রেড মার্কস অধিদপ্তরের মহাপরিচালক মো. জাহাঙ্গীর হোসেন আনুষ্ঠানিকভাবে জিআই নিবন্ধন সনদ দেন।

জেলা প্রশাসন ও সংশ্লিষ্টরা বলছেন, মানিকগঞ্জের বিশেষ জলবায়ু, মাটির গুণাগুণ এবং স্থানীয় গাছিদের ঐতিহ্যবাহী উৎপাদন পদ্ধতির কারণে হাজারি গুড় স্বতন্ত্র বৈশিষ্ট্য অর্জন করেছে। এর অনন্য স্বাদ, সুগন্ধ ও গুণগত মানের কারণে দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে দীর্ঘদিন ধরেই এ গুড়ের ব্যাপক চাহিদা রয়েছে। বিশেষ করে মানিকগঞ্জের হরিরামপুর উপজেলার ঝিটকা ও গোপীনাথপুর এলাকার উৎপাদিত হাজারি গুড় সারা দেশে পরিচিত।

শীত মৌসুমে এসব এলাকার প্রায় ২০ থেকে ৩০টি পরিবার হাজারি গুড় উৎপাদন ও বিপণনের সঙ্গে জড়িত থাকে। স্থানীয় অর্থনীতিতেও এ গুড়ের গুরুত্বপূর্ণ অবদান রয়েছে।

স্থানীয়দের ভাষ্য, হাজারি গুড়ের বিশেষত্ব শুরু হয় এর উৎপাদন প্রক্রিয়া থেকেই। খেজুরগাছ থেকে প্রথম কাটার যে রস সংগ্রহ করা হয়, সেই উৎকৃষ্ট মানের রস দিয়েই তৈরি করা হয় হাজারি গুড়। আগের দিন গাছে হাঁড়ি বেঁধে রাখা হয়। ভোরে সংগ্রহ করা রস দীর্ঘ সময় ধরে জ্বাল দিয়ে বিশেষ প্রক্রিয়ায় মাটির পাত্রে সংরক্ষণ করা হয়। এক কেজি হাজারি গুড় তৈরিতে প্রয়োজন হয় প্রায় ১০ থেকে ১২ লিটার কাঁচা রস।

অসাধারণ স্বাদ ও সুগন্ধের কারণে বাজারে হাজারি গুড়ের দামও তুলনামূলক বেশি। প্রতি কেজি হাজারি গুড় ১ হাজার ৮০০ থেকে ২ হাজার টাকায় বিক্রি হয়। চলতি মৌসুমে ঝিটকা ও গোপীনাথপুর গ্রামের ২৮টি গাছি পরিবার প্রায় কোটি টাকার গুড় বিক্রির আশা করছে।

স্থানীয়দের দাবি, মানিকগঞ্জের হাজারি গুড় শুধু দেশেই নয়, বিদেশেও সমাদৃত। লোকমুখে প্রচলিত রয়েছে, ইংল্যান্ডের রানি দ্বিতীয় এলিজাবেথও একসময় এই গুড় খেয়ে প্রশংসা করেছিলেন। সেই খ্যাতিকে কেন্দ্র করে বর্তমানে গড়ে উঠেছে কোটি টাকার বাজার।

জিআই স্বীকৃতির ফলে হাজারি গুড়ের বাজারমূল্য আরও বৃদ্ধি পাবে বলে মনে করছেন উৎপাদক ও ব্যবসায়ীরা। পাশাপাশি নকল পণ্যের বিস্তার রোধ, ব্র্যান্ড পরিচিতি বৃদ্ধি এবং রপ্তানি সম্ভাবনা সম্প্রসারণেও এ স্বীকৃতি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে তারা আশা করছেন।

জেলা প্রশাসক নাজমুন আরা সুলতানা বলেন, ‘জিআই সনদ পাওয়ার মাধ্যমে মানিকগঞ্জের ঐতিহ্যবাহী এই পণ্যের স্বকীয়তা আন্তর্জাতিকভাবে সুরক্ষিত হলো। ভবিষ্যতে রপ্তানি বাজার সম্প্রসারণ এবং স্থানীয় উৎপাদকদের অর্থনৈতিক উন্নয়নে এ স্বীকৃতি ইতিবাচক প্রভাব ফেলবে বলে আশা করছি।’

উল্লেখ্য, ভৌগোলিক নির্দেশক বা জিআই হলো এমন একটি স্বীকৃতি, যা কোনো নির্দিষ্ট অঞ্চলের বিশেষ বৈশিষ্ট্যসম্পন্ন পণ্যের ভৌগোলিক পরিচয়, সুনাম ও স্বত্ব সংরক্ষণ করে। ‘মানিকগঞ্জের হাজারি গুড়’ জিআই সনদ পাওয়ার মধ্য দিয়ে জেলার ঐতিহ্যবাহী খাদ্যপণ্য নতুন মর্যাদা অর্জন করল এবং বিশ্ববাজারে পরিচিতি বাড়ানোর নতুন সম্ভাবনার দ্বার উন্মোচিত হলো।

জিআই স্বীকৃতি পেল মানিকগঞ্জের ঐতিহ্যবাহী হাজারি গুড়

প্রকাশ: ১৬ জুন ২০২৬, ১০:৫৫ পিএম
জিআই স্বীকৃতি পেল মানিকগঞ্জের ঐতিহ্যবাহী হাজারি গুড়
ছবি: খবরের কাগজ

অবশেষে ভৌগোলিক নির্দেশক (জিআই) পণ্যের স্বীকৃতি পেল মানিকগঞ্জের ঐতিহ্যবাহী ‘হাজারি গুড়’। কয়েকশত বছরের ঐতিহ্য বহনকারী এই খেজুরের গুড়কে জিআই পণ্য হিসেবে নিবন্ধন দিয়েছে সরকার। এর ফলে দেশের অন্যতম সুপরিচিত এ খাদ্যপণ্য জাতীয় ও আন্তর্জাতিক পর্যায়ে বিশেষ স্বীকৃতি ও আইনি সুরক্ষা লাভ করলো।

সম্প্রতি শিল্প মন্ত্রণালয়ের অধীন পেটেন্ট, শিল্প-নকশা ও ট্রেডমার্কস অধিদপ্তরের (ডিপিডিটি) ভৌগোলিক নির্দেশক ইউনিট ‘মানিকগঞ্জের হাজারি গুড়’-এর নিবন্ধন সনদ প্রদান করে। সনদ অনুযায়ী, এটি বাংলাদেশের ৬৪তম জিআই পণ্য হিসেবে স্বীকৃতি পেয়েছে। জেলা প্রশাসক, মানিকগঞ্জের নামে এ নিবন্ধন প্রদান করা হয়েছে।

সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, ২০২৪ সালের ২০ ফেব্রুয়ারি তৎকালীন জেলা প্রশাসক রেহেনা আক্তার মানিকগঞ্জের হাজারি গুড়কে জিআই নিবন্ধনের জন্য আবেদন করেন। দীর্ঘ প্রক্রিয়া শেষে গত ১৫ জুন ২০২৬ তারিখে শিল্প মন্ত্রণালয়ের পেটেন্ট, শিল্প-নকশা ও ট্রেডমার্কস অধিদপ্তরের মহাপরিচালক মো. জাহাঙ্গীর হোসেন আনুষ্ঠানিকভাবে জিআই নিবন্ধন সনদ প্রদান করেন।

জেলা প্রশাসন ও সংশ্লিষ্টরা বলছেন, মানিকগঞ্জের বিশেষ জলবায়ু, মাটির গুণাগুণ এবং স্থানীয় গাছিদের ঐতিহ্যবাহী উৎপাদন পদ্ধতির কারণে হাজারি গুড় স্বতন্ত্র বৈশিষ্ট্য অর্জন করেছে। এর অনন্য স্বাদ, সুগন্ধ ও গুণগত মানের কারণে দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে দীর্ঘদিন ধরেই এ গুড়ের ব্যাপক চাহিদা রয়েছে।

বিশেষ করে মানিকগঞ্জের হরিরামপুর উপজেলার ঝিটকা ও গোপীনাথপুর এলাকার উৎপাদিত হাজারি গুড় সারা দেশে পরিচিত। শীত মৌসুমে এসব এলাকার প্রায় ২০ থেকে ৩০টি পরিবার হাজারি গুড় উৎপাদন ও বিপণনের সঙ্গে জড়িত থাকে। স্থানীয় অর্থনীতিতেও এ শিল্পের গুরুত্বপূর্ণ অবদান রয়েছে।

স্থানীয়দের ভাষ্য, হাজারি গুড়ের বিশেষত্ব শুরু হয় এর উৎপাদন প্রক্রিয়া থেকেই। খেজুর গাছ থেকে প্রথম কাটার যে রস সংগ্রহ করা হয়, সেই উৎকৃষ্ট মানের রস দিয়েই তৈরি করা হয় হাজারি গুড়। আগের দিন গাছে হাঁড়ি বেঁধে রাখা হয়। ভোরে সংগ্রহ করা রস দীর্ঘ সময় ধরে জ্বাল দিয়ে বিশেষ প্রক্রিয়ায় মাটির পাত্রে সংরক্ষণ করা হয়। এক কেজি হাজারি গুড় তৈরিতে প্রয়োজন হয় প্রায় ১০ থেকে ১২ লিটার কাঁচা রস।

অসাধারণ স্বাদ ও সুগন্ধের কারণে বাজারে হাজারি গুড়ের দামও তুলনামূলক বেশি। প্রতি কেজি হাজারি গুড় ১ হাজার ৮০০ থেকে ২ হাজার টাকায় বিক্রি হয়। চলতি মৌসুমে ঝিটকা ও গোপীনাথপুর গ্রামের ২৮টি গাছি পরিবার প্রায় কোটি টাকার গুড় বিক্রির আশা করছে।

স্থানীয়দের দাবি, মানিকগঞ্জের হাজারি গুড় শুধু দেশেই নয়, বিদেশেও সমাদৃত। লোকমুখে প্রচলিত রয়েছে, ইংল্যান্ডের রানী দ্বিতীয় এলিজাবেথও একসময় এই গুড় খেয়ে প্রশংসা করেছিলেন। সেই খ্যাতিকে কেন্দ্র করে বর্তমানে গড়ে উঠেছে কোটি টাকার বাজার।

জিআই স্বীকৃতির ফলে হাজারি গুড়ের বাজারমূল্য আরও বৃদ্ধি পাবে বলে মনে করছেন উৎপাদক ও ব্যবসায়ীরা। পাশাপাশি নকল পণ্যের বিস্তার রোধ, ব্র্যান্ড পরিচিতি বৃদ্ধি এবং রপ্তানি সম্ভাবনা সম্প্রসারণেও এ স্বীকৃতি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে তারা আশা করছেন।

জেলা প্রশাসক নাজমুন আরা সুলতানা বলেন, ‘জিআই সনদ পাওয়ার মাধ্যমে মানিকগঞ্জের ঐতিহ্যবাহী এই পণ্যের স্বকীয়তা আন্তর্জাতিকভাবে সুরক্ষিত হলো। ভবিষ্যতে রপ্তানি বাজার সম্প্রসারণ এবং স্থানীয় উৎপাদকদের অর্থনৈতিক উন্নয়নে এ স্বীকৃতি ইতিবাচক প্রভাব ফেলবে বলে আশা করছি।’

উল্লেখ্য, ভৌগোলিক নির্দেশক বা জিআই হলো এমন একটি স্বীকৃতি, যা কোনো নির্দিষ্ট অঞ্চলের বিশেষ বৈশিষ্ট্যসম্পন্ন পণ্যের ভৌগোলিক পরিচয়, সুনাম ও স্বত্ব সংরক্ষণ করে। ‘মানিকগঞ্জের হাজারি গুড়’ জিআই সনদ পাওয়ার মধ্য দিয়ে জেলার ঐতিহ্যবাহী খাদ্যপণ্য নতুন মর্যাদা অর্জন করলো এবং বিশ্ববাজারে পরিচিতি বাড়ানোর নতুন সম্ভাবনার দ্বার উন্মোচিত হলো।

আসাদ জামান/এসএন

‘দারুণ মজা!’—কালাই রুটির প্রেমে মার্কিন রাষ্ট্রদূত

প্রকাশ: ১৬ জুন ২০২৬, ১০:২৮ পিএম
‘দারুণ মজা!’—কালাই রুটির প্রেমে মার্কিন রাষ্ট্রদূত
ছবি: খবরের কাগজ

রাজশাহীর ঐতিহ্যবাহী খাবার কালাই রুটির স্বাদে মুগ্ধ হয়েছেন বাংলাদেশে নিযুক্ত মার্কিন রাষ্ট্রদূত ব্রেন্ট টি. ক্রিস্টেনসেন। খাবারটি খাওয়ার পর নিজের অনুভূতি প্রকাশ করতে গিয়ে তিনি বলেন, 'দারুণ মজা!'

মঙ্গলবার (১৬ জুন) বিকেলে নগরীর উপশহর নিউ মার্কেট এলাকার ঐতিহ্যবাহী ‘রুমন কালাই হাউজ’ পরিদর্শন করেন মার্কিন রাষ্ট্রদূত। এ সময় তিনি রাজশাহীর বিখ্যাত কালাই রুটির পাশাপাশি বেগুন ভর্তা ও রাজহাঁসের মাংসের স্বাদ গ্রহণ করেন।

খাবার উপভোগের আগে তিনি দীর্ঘ সময় ধরে কালাই রুটি তৈরির পুরো প্রক্রিয়া আগ্রহভরে পর্যবেক্ষণ করেন। দোকানের কর্মীরা কীভাবে রুটি প্রস্তুত করছেন, তা মনোযোগ দিয়ে দেখেন এবং নিজের মোবাইল ফোনে ছবি ধারণ করেন। এ সময় তিনি কয়েকটি সেলফিও তোলেন। শুধু কালাই রুটি নয়, বেগুন ভর্তা তৈরি ও রাজহাঁসের মাংস রান্নার প্রক্রিয়াও ঘুরে ঘুরে দেখেন তিনি।

পরে স্ত্রীকে সঙ্গে নিয়ে কালাই রুটি ও রাজহাঁসের মাংস খেতে বসেন রাষ্ট্রদূত। খাবার শেষে উপস্থিত সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলতে গিয়ে তিনি বলেন, কালাই রুটি, হাঁসের মাংস ও বেগুন ভর্তার স্বাদ ছিল চমৎকার। স্থানীয় ঐতিহ্যবাহী এই খাবারের প্রতি তাঁর মুগ্ধতা স্পষ্টভাবে ফুটে ওঠে।

মার্কিন রাষ্ট্রদূতের আগমনের খবর ছড়িয়ে পড়লে ‘রুমন কালাই হাউজে’ স্থানীয় মানুষের ভিড় জমে যায়। অনেকেই একনজর তাঁকে দেখতে এবং তাঁর খাবার উপভোগের দৃশ্য প্রত্যক্ষ করতে সেখানে উপস্থিত হন। এ সময় পুরো এলাকা ছিল উৎসুক জনতার পদচারণায় মুখর।

সফরকালে রাষ্ট্রদূতের সঙ্গে তাঁর সফরসঙ্গীরাও উপস্থিত ছিলেন। নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা কঠোর নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করেন।

এনায়েত করিম/এসএন

বেদে পল্লীতে এসি লাগিয়ে মাদক কারবার, গুঁড়িয়ে দিল প্রশাসন

প্রকাশ: ১৬ জুন ২০২৬, ১০:০২ পিএম
বেদে পল্লীতে এসি লাগিয়ে মাদক কারবার, গুঁড়িয়ে দিল প্রশাসন
ছবি: সংগৃহীত

নোয়াখালীর চাটখিলে শীতাতপ নিয়ন্ত্রণ যন্ত্র (এসি) লাগিয়ে মাদক কারবারের অভিযোগে সরকারি জায়গায় নির্মিত বেদে পল্লীর কয়েকটি ঘর ভেঙে গুঁড়িয়ে দিয়েছে প্রশাসন।

মঙ্গলবার (১৬ জুন) চাটখিল পৌরসভার ৪ নম্বর ওয়ার্ডের ভীমপুর গ্রামে ওই অভিযান চালানো হয়। এতে নেতৃত্ব দেন চাটখিল উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) মিজানুর রহমান।

স্থানীয় বাসিন্দাদের অভিযোগ, বেদে পল্লীর সাধারণ ঝুপড়ি ঘরের আড়ালে ববিতা আক্তার সুমাইয়া (৩৫) নামে এক নারী দীর্ঘদিন ধরে বিলাসবহুল আস্তানা বানিয়ে মাদকের পাশাপাশি পতিতাবৃত্তির বিশাল সাম্রাজ্য গড়ে তোলেন। এতে সামাজিক পরিবেশ বিনষ্ট হওয়ায় এলাকার লোকজন বিক্ষুব্ধ হয়ে ওঠে।

খবর পেয়ে রবিবার (১৪ জুন) ওই আস্তানায় অভিযান চালায় পুলিশ। এসময় এসির রিমোট, সিসিটিভি ক্যামেরা এবং মাদক ও মাদক সেবনের সরঞ্জাম জব্দ কর হয়। তবে পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে সাত মাদক মামলার আসামি ও আস্তানার মূলহোতা ববিতা আক্তার সুমাইয়া পালিয়ে গেলেও ঘটনাস্থল থেকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য তার মেয়ে ও ভাগ্নিকে আটক করে পুলিশ।

পুলিশ জানায়, ববিতা ও তার সিন্ডিকেট সড়ক ও জনপথ (সওজ) বিভাগের খাস জায়গা অবৈধভাবে দখল করে অপরাধের আখড়া তৈরি করেছিল। বর্তমানে ওই জায়গার ওপর দিয়ে সরকারের একটি গুরুত্বপূর্ণ চারলেন রাস্তা নির্মাণের কাজ চলমান রয়েছে। মাদক ব্যবসা এবং অনৈতিক কর্মকাণ্ডের অভিযোগের পাশাপাশি চলমান সড়ক সম্প্রসারণের জন্য মঙ্গলবার দুপুরে উপজেলা প্রশাসন বুলডোজার দিয়ে পুরো আস্তানাটি ভেঙে দিয়েছে।

চাটখিল উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) মিজানুর রহমান বলেন, সরকারি জায়গা অবৈধভাবে দখল করে কোনো ধরনের অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড চলতে দেওয়া হবে না। চারলেন রাস্তার উন্নয়ন কাজ নির্বিঘ্ন করতে এবং এলাকাকে সব ধরনের সামাজিক অপরাধমুক্ত করতে এ অভিযান চালানো হয়েছে।

অভিযানে নোয়াখালী জেলা সওজের উপবিভাগীয় প্রকৌশলী মো. সফিকুল ইসলামসহ সড়ক ও জনপদ বিভাগের কর্মকর্তাবৃন্দ, চাটখিল থানার উপপরিদর্শক শাহজাহানসহ পুলিশের একটি টিম, উপজেলা প্রশাসন ও চাটখিল পৌরসভার কর্মকর্তাবৃন্দ, বিদ্যুৎ বিভাগের কর্মকর্তাবৃন্দ এবং আনসার বাহিনী এই অভিযানে সহায়তা করেন। 

এদিকে প্রশাসন ও পুলিশের এমন দ্রুত ও কঠোর পদক্ষেপে স্বস্তি ফিরে এসেছে স্থানীয়দের মাঝে। এলাকাবাসী এই মাদক ও পতিতাবৃত্তি সিন্ডিকেটের মূল হোতা ববিতাসহ এর নেপথ্যে থাকা গডফাদারদের দ্রুত গ্রেফতার ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন।

ইকবাল হোসেন মজনু/এসএন