গাজীপুরের টঙ্গীতে দুই শিশুকে কুপিয়ে হত্যার ঘটনায় তাদের মায়ের সম্পৃক্ততা রয়েছে বলে জানিয়েছেন গাজীপুর মেট্রোপলিটনের পুলিশের (জিএমপি) উপ-কমিশনার এন এম নাসির উদ্দিন।
শনিবার (১৯ এপ্রিল) তিনি এ তথ্য জানান।
এন এম নাসির উদ্দিন বলেন, শুক্রবার বিকেল ৫টার দিকে টঙ্গী পূর্ব থানার পূর্ব আরিচপুরের রূপবানের টেক এলাকার একটি আটতলা ভবনের তৃতীয় তলায় শিশু আব্দুল্লাহ বিন (৪) ও তার বোন মালিহা আক্তারের (৬) রক্তাক্ত মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। ঘটনার পর নিহত শিশুদের বাবা-মাকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য হেফাজতে নেওয়া হয়।
পরে, আজ শনিবার সকালে আব্দুল বাতেন মিয়া বাদী হয়ে অজ্ঞাতদের আসামি করে টঙ্গী পূর্ব থানায় একটি মামলা করেন বলেও জানান উপ-পুলিশ কমিশনার।
উপ-পুলিশ কমিশনার আরও বলেন, ঘটনার পরপরই তদন্ত শুরু হয়। সিসিটিভির ফুটেজ সংগ্রহ করে প্রাথমিক তদন্তে, ঘটনার সঙ্গে নিহত শিশুদের মা সালেহা বেগমের সম্পৃক্ততা পাওয়ায় তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। এই জোড়া খুনের পেছনে কি কারণ, তা এখনও তদন্তাধীন।
স্থানীয়রা ঘটনাটি পূর্ণ তদন্ত করে জড়িতদের দ্রুত বিচার দাবি করেন। এলাকার প্রতিটি পাড়া-মহল্লায় আতঙ্ক বিরাজ করছে।
পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, আব্দুল বাতেন মিয়া তার পরিবার নিয়ে ওই ভবনের তৃতীয় তলায় ভাড়া থাকতেন। তাদের তিন সন্তান ছিল। তবে বড় মেয়ে ওই দিন নানার বাড়িতে বেড়াতে গিয়েছিল। শুক্রবার দুপুরে সালেহা বেগম মাথাব্যথার ওষুধ খেয়ে দুই সন্তানকে ঘরে রেখে ঘুমিয়ে পড়েন। এ সময় আব্দুল বাতেন কাজের জন্য বাইরে ছিলেন।
শুক্রবার বিকেলের দিকে টঙ্গী পূর্ব থানা পুলিশ ওই দুই সন্তানের রক্তাক্ত মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য গাজীপুর সদর সরকারি হাসপাতালে পাঠায়।
পলাশ প্রধান/অমিয়/