চট্টগ্রামের চন্দনাইশে দুই মেয়ে শিশুকে বিক্রি করে দেওয়ার কয়েক বছরের মধ্যে বাকপ্রতিবন্ধী স্ত্রী সালমা আক্তারকে হত্যার অভিযোগ উঠেছে স্বামী নুরুল হুদার বিরুদ্ধে।
গতকাল রবিবার রাতে উপজেলার দোহাজারী পৌরসভার ৬ নম্বর ওয়ার্ডের জামিজুরী গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।
সোমবার (১৬ ফেব্রুয়ারি) জরুরি সেবা নম্বর ৯৯৯-এর মাধ্যমে বিষয়টি জানতে পেরে বেলা সাড়ে ১১টায় পুলিশ মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য পাঠায়।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, পাঁচ বছর আগে নুরুল হুদা তার বাকপ্রতিবন্ধী স্ত্রীকে বাড়িতে নিয়ে আসেন। কিন্তু কোথা থেকে নিয়ে এসেছিলেন এ বিষয়ে এলাকাবাসী কিছুই জানেন না। বেশ কয়েক বছর আগে অভিযুক্ত নুরুল হুদা জন্মের পরে তার দুই শিশু কন্যাকে বিক্রি করে দেন। তার চার বছর বয়সী বড় মেয়ে নুরজাহান দাদির সঙ্গে থাকে। নুরুল হুদা থাকেও বিক্রির চেষ্টা করেন। এ ছাড়াও তিনি তার ১২ দিন বয়সী কন্যা শিশুটিকেও বিক্রি করতে চেয়েছিলেন। কিন্তু পরিবারের সদস্য ও এলাকাবাসীর বাধার মুখে পড়ে তিনি ব্যর্থ হন। সম্প্রতি ওই এলাকায় একটি চুরির ঘটনায় জড়িত থাকার অভিযোগে স্থানীয়রা তাকে গাছে বেঁধে মারধরও করেন।
চন্দনাইশ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. ইলিয়াছ হোসেন বলেন, ৯৯৯-এ কল পেয়ে মরদেহ দাফনের ঠিক আগমুহূর্তে ঘটনাস্থল থেকে সেটি উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ (চমেক) হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। ময়নাতদন্তের রিপোর্ট পেলে মৃত্যু রহস্য উদঘাটন হবে।
তিনি আরও বলেন, স্থানীয়দের মাধ্যমে জানতে পেরেছি অভিযুক্ত ব্যক্তি এর আগে তার দুই শিশু কন্যা সন্তানকে বিক্রি করে দিয়েছেন। বিষয়টি আমরা তদন্ত করছি এবং অভিযুক্তকে গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে।
আরিফুল ইসলাম/অমিয়/