ঢাকা ২৬ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩, মঙ্গলবার, ০৯ জুন ২০২৬

সর্বশেষ
ক্ষুদ্র উদ্যোক্তাদের জন্য ৫ হাজার কোটি টাকার পুনঃঅর্থায়ন তহবিল গঠন বিচারিক প্রক্রিয়ার এটি এক উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত এনসিটি ইজারা প্রক্রিয়া এগিয়ে নিতে চায় সরকার, সোচ্চার শ্রমিক-কর্মচারীরা বিদ্যুৎ মূল্যবৃদ্ধিতে রডের দাম টনে বাড়তে পারে সাড়ে ৩ হাজার টাকা বেক্সিমকো ও ইসলামী ব্যাংকের ফ্লোর প্রাইস প্রত্যাহার বাণিজ্য ঘাটতি ২২ বিলিয়ন ডলার ছাড়িয়েছে চট্টগ্রামে শিক্ষকের ৮ হাজার পদ শূন্য সাক্ষাৎকার শেষ না করেই চলে গেলেন ট্রাম্প ১০ কার্যদিবস পর কমল সূচক, লেনদেনেও ভাটা বরিশাল বিভাগে কমেছে ইলিশের উৎপাদন ৯ জুন: তুলা, বৃশ্চিক, ধনু, মকর, কুম্ভ ও মীনের আজকের রাশিফল ৯ জুন: মেষ, বৃষ, মিথুন, কর্কট, সিংহ ও কন্যার আজকের রাশিফল শির উ. কোরিয়া সফরের নেপথ্যে ভূ-রাজনৈতিক হিসাব-নিকাশ চমৎকার ফুল ক্রোসান্দ্রা স্বাস্থ্য খাতে সংকট: বরাদ্দের অর্ধেকও ব্যয় হয় না ৯ জুন  ২০২৬ তারিখের নামাজের সময়সূচি শেরপুরে নিখোঁজ ৫ ছাত্রের ৩ জনকে জীবিত উদ্ধার তনু হত্যা: দুই আসামিকে গ্রেপ্তারে ইন্টারপোলে রেড নোটিশের নির্দেশ বোয়ালখালীতে ওমান প্রবাসীকে হত্যা: শোকে পাথর অন্তঃসত্ত্বা স্ত্রী ও মা মবতন্ত্র ও উচ্ছৃঙ্খল রাজনীতি বাড়ছে: যুবদল সভাপতি অবসরপ্রাপ্ত পুলিশ কর্মকর্তা ইউনুছ হাওলাদার আর নেই মরিশাসের শ্রমবাজার খুলতে সমঝোতা চুক্তিতে সম্মত টিআইবি প্রকৃত ঘটনা জাজ করে স্টেটমেন্ট দেয় না: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী নারীর নিরাপত্তা নিয়ে অস্বস্তিকর বাস্তবতা ঈশ্বরগঞ্জে অটোরিকশাচাপায় শ্রমিকের মৃত্যু গণতন্ত্রে হতাশা এবং নেতৃত্বে অসন্তোষ শরীয়তপুরে প্রধান শিক্ষকের ওপর মব হামলা, আদালতে মামলা কন্যাশিশু নির্যাতন: আর্থ-সামাজিক, সাংস্কৃতিক-রাজনৈতিক সংকট মনপুরায় ‘জয় বাংলা’ স্লোগানকে কেন্দ্র করে মামলা, ছাত্রলীগ নেতা কারাগারে বাজেট বাস্তবায়নে ছলচাতুরি চলবে না: চরমোনাই পীর
Nagad desktop

হালিশহরে শিশুকে ধর্ষণচেষ্টা, অভিযুক্তকে গণপিটুনি

প্রকাশ: ০৭ জুন ২০২৬, ০১:৩৬ পিএম
আপডেট: ০৭ জুন ২০২৬, ০২:১৮ পিএম
হালিশহরে শিশুকে ধর্ষণচেষ্টা, অভিযুক্তকে গণপিটুনি
ছবি: খবরের কাগজ

চট্টগ্রাম নগরীর হালিশহরে পাঁচ বছর বয়সী এক শিশুকে ধর্ষণচেষ্টার অভিযোগে এক চালককে গণপিটুনি দিয়ে পুলিশে সোপর্দ করেছে স্থানীয়রা।

রবিবার (৭ জুন) সকাল ১০টার দিকে হালিশহরের ছোটপুল কাঁচাবাজার এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। পরে স্থানীয়রা রুবেল (২৮) নামের অভিযুক্ত যুবককে বৈদ্যুতিক খুঁটির সঙ্গে বেঁধে গণপিটুনি দেয়। পরে বেলা সাড়ে ১১টার দিকে তাকে উদ্ধার করে হেফাজতে নিয়েছে পুলিশ।

অভিযুক্ত রুবেল পেশায় একজন অটো-টেম্পুচালক। ভুক্তভোগী শিশুর বাবাও একজন গাড়িচালক।

স্থানীয় বাসিন্দা ও পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, ভুক্তভোগী শিশুর মা পেশায় পোশাকশ্রমিক। সকালে তিনি কর্মস্থলে চলে যান। সকাল থেকে গুঁড়ি গুঁড়ি বৃষ্টি থাকায় শিশুটির বাবা মেয়ের সঙ্গে ঘরেই ঘুমাচ্ছিলেন। সকাল ১০টার দিকে রুবেল গাড়ি বের করার কথা বলে ওই বাসায় আসেন। শিশুর বাবা বৃষ্টির কারণে গাড়ি বের করবেন না জানালে রুবেল ঘর থেকে চলে যাওয়ার ভান করে। এরপর শিশুর বাবা আবার ঘুমিয়ে পড়লে রুবেল পুনরায় ঘরে ঢুকে শিশুটিকে ধর্ষণের চেষ্টা চালায়।

শিশুটির বাবা বলেন, ‘হঠাৎ মেয়ের চিৎকার শুনে আমার ঘুম ভেঙে যায়। পরে মেয়ের মুখে সব শুনে আমি রুবেলকে খোঁজাখুঁজি শুরু করি। একপর্যায়ে স্থানীয় লোকজনের সহযোগিতায় তাকে ধরা হয়।’

হালিশহর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) কাজী মুহাম্মদ সুলতান আহসান উদ্দীন বলেন, ‘স্থানীয় লোকজনের মাধ্যমে খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়। অভিযুক্ত ব্যক্তিকে উদ্ধার করে থানা হেফাজতে নেওয়া হয়েছে। তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে। এই ঘটনায় আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন।’

এর আগে, মঙ্গলবার (২ জুন) একই থানা এলাকার বি ব্লক পাবলিক স্কুল মোড়ে আইসক্রিমের লোভ দেখিয়ে ৯ বছরের শিশুকে ধর্ষণচেষ্টার অভিযোগে স্থানীয় দোকানদার ৬০ বছর বয়সী বৃদ্ধকে পুলিশের হাতে তুলে দেয় স্থানীয়রা।

তামান্না রুপা/

বোয়ালখালীতে ওমান প্রবাসীকে হত্যা: শোকে পাথর অন্তঃসত্ত্বা স্ত্রী ও মা

প্রকাশ: ০৮ জুন ২০২৬, ১০:২৯ পিএম
বোয়ালখালীতে ওমান প্রবাসীকে হত্যা: শোকে পাথর অন্তঃসত্ত্বা স্ত্রী ও মা
ছবি: খবরের কাগজ

বিশ বছর ধরে চরম অর্থকষ্ট আর পাহাড়সম সংগ্রামের মধ্য দিয়ে তিন সন্তানকে বুকে আগলে বড় করেছিলেন মা গুলতাজ বেগম। ভেবেছিলেন, সুদিন বুঝি এবার এল। কিন্তু ভাগ্যের নির্মম পরিহাসে সেই সুখের দেখা পাওয়ার আগেই স্তব্ধ হয়ে গেল একটি পরিবারের সব স্বপ্ন। নিখোঁজ হওয়ার চার দিন পর চট্টগ্রামের বোয়ালখালীর দুর্গম পাহাড়ি এলাকার একটি লিচু বাগান থেকে উদ্ধার করা হয়েছে ওমান প্রবাসী মো. ওমর ফারুকের (২৫) হাত-পা বাঁধা মরদেহ।

শনিবার (৬ জুন) সকালে বোয়ালখালীর জ্যৈষ্ঠপুরা এলাকার একটি পাহাড়ি লিচু বাগানে হাত-পা বাঁধা অবস্থায় এক যুবকের মরদেহ পড়ে থাকতে দেখে পুলিশে খবর দেয় স্থানীয় বাসিন্দারা। পরে পরিবারের সদস্যরা গিয়ে ফারুকের মরদেহ শনাক্ত করেন।

এ ঘটনায় একদিকে বুকফাটা আর্তনাদে মূর্ছা যাচ্ছেন মা, অন্যদিকে স্বামীর ফেরার অপেক্ষায় দিন গুনছেন কয়েকদিন পরই সন্তানের জন্ম দিতে যাওয়া তার অন্তঃসত্ত্বা স্ত্রী। যে শিশুটি পৃথিবীর আলো দেখবে, সে আর কোনোদিন তার বাবাকে ডাকতে পারবে না—এই নির্মম সত্য যেন কিছুতেই মেনে নিতে পারছে না পরিবারটি।

নিহত ওমর ফারুক চট্টগ্রামের রাঙ্গুনিয়া উপজেলার দক্ষিণ রাঙ্গুনিয়া সরফভাটা ইউনিয়নের ১ নম্বর ওয়ার্ডের মীরেরখীল এলাকার ওসমান আলীর মেঝ ছেলে। প্রায় সাত বছর ওমানে প্রবাস জীবন কাটিয়ে দেড় বছর আগে তিনি দেশে ফেরেন এবং বিয়ে করে নতুন সংসার জীবন শুরু করেন।

স্থানীয় ও পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, গত ২ জুন (মঙ্গলবার) বাড়ি থেকে বের হওয়ার পর আর ফিরে আসেননি ফারুক। আত্মীয়-স্বজনসহ সম্ভাব্য সব জায়গায় খোঁজাখুঁজি করেও তার কোনো হদিস মেলেনি। 

নিহত ফারুকের মা বুকফাটা কান্না জনিত কণ্ঠে বলেন “আজ সুখের সময় কেন আমার বুকের মানিককে এভাবে হত্যা করা হলো! আমার ছেলের স্ত্রী অন্তঃসত্ত্বা, আর কয়েকদিন পরই সন্তান পৃথিবীর মুখ দেখবে। সেই শিশুটি তার বাবাকে কোথায় পাবে?

মরদেহ উদ্ধারের স্থান ও আইনি প্রক্রিয়ার বিষয়ে দক্ষিণ রাঙ্গুনিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. হিলাল উদ্দিন আহমেদ জানান, যেহেতু মরদেহটি বোয়ালখালী থানা এলাকা থেকে উদ্ধার করা হয়েছে, তাই মূল মামলা এবং আইনি প্রক্রিয়া বোয়ালখালী থানাতেই সম্পন্ন হবে। ঘটনার সুষ্ঠু রহস্য উদ্ঘাটনে রাঙ্গুনিয়া থানা পুলিশ বোয়ালখালী পুলিশকে সর্বোচ্চ সহযোগিতা করছে এবং একটি ছায়াতদন্ত চালাচ্ছে।

এই নৃশংস ও বর্বরোচিত হত্যাকাণ্ডের খবর ছড়িয়ে পড়লে পুরো রাঙ্গুনিয়া ও বোয়ালখালী এলাকায় গভীর শোকের ছায়া নেমে আসে। ক্ষোভে ফেটে পড়ে স্থানীয় এলাকাবাসী। রেমিট্যান্স যোদ্ধা ফারুকের এমন করুণ পরিণতি কোনোভাবেই মেনে নিতে পারছেন না কেউ। নিহত ফারুকের পরিবার ও এলাকাবাসীর এখন একটাই দাবি— অনতিবিলম্বে এই নির্মম হত্যাকাণ্ডের পেছনের প্রকৃত রহস্য উদ্ঘাটন করা হোক এবং জড়িত খুনিদের গ্রেপ্তার করে দৃষ্টান্তমূলক সর্বোচ্চ শাস্তি দেওয়া হোক।

তৈয়্যবুল ইসলাম/নাঈম

হালুয়াঘাটে ছুরিকাঘাতে প্রাণ গেল যুবকের

প্রকাশ: ০৮ জুন ২০২৬, ০৮:০৮ পিএম
হালুয়াঘাটে ছুরিকাঘাতে প্রাণ গেল যুবকের
হালুয়াঘাট উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিহতের স্বজনরা। ছবি: খবরের কাগজ

ময়মনসিংহের হালুয়াঘাটে প্রকাশ্য দিবালোকে ছুরিকাঘাতে হেলাল উদ্দিন (২৯) নামে এক যুবকের মৃত্যু হয়েছে। 

সোমবার (৮ জুন) বিকেল চারটার দিকে পৌরশহরে উপজেলা ভূমি অফিসের পেছনে এ ঘটনা ঘটে। নিহত হেলাল পৌর শহরের কাঁচারীপাড়া এলাকার মৃত আলী হোসেনের ছেলে। তিনি অটোরিকশা চালাতেন।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, হেলালের সঙ্গে স্থানীয় কয়েকজন যুবকের কথা-কাটাকাটি হয়। এ সময় তার পেটে ছুরি দিয়ে আঘাত করে ওই যুবকেরা। এ অবস্থায় সে দৌড়ে পাশের একটি বাড়িতে আশ্রয় নিতে চাইলে ঘাতকরা সেখানেও তার ওপর হামলা করে। পরে ঘটনাস্থল থেকে তারা পালিয়ে যায়। গুরুতর আহত অবস্থায় হেলালকে স্থানীয়রা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে আসার কিছুক্ষণ পর তার মৃত্যু হয়।

এ বিষয়ে হালুয়াঘাট সার্কেল এএসপি মো. মিজানুর রহমান বলেন, প্রাথমিকভাবে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য একজনকে আটক করা হয়েছে। এ বিষয়ে হালুয়াঘাট থানায় হত্যা মামলা প্রক্রিয়াধীন।

কামরুজ্জামান মিন্টু/নাঈম

রামুতে জোড়া হত্যা মামলার প্রধান আসামি গ্রেপ্তার

প্রকাশ: ০৮ জুন ২০২৬, ০১:২৭ পিএম
আপডেট: ০৮ জুন ২০২৬, ০১:৩৬ পিএম
রামুতে জোড়া হত্যা মামলার প্রধান আসামি গ্রেপ্তার
ছবি: সংগৃহীত

কক্সবাজারে পাহাড়তলী এলাকার আলোচিত আসিফ ও হৃদয় হত্যা মামলার প্রধান আসামি জিয়াউর রহমান জিয়াকে (৩৫) গ্রেপ্তার করেছে র‌্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র‌্যাব)।

সোমবার (৮ জুন) ভোরে রামু উপজেলার উখিয়ার ঘোনা (গনিয়া কাটা) এলাকা থেকে বিশেষ অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেপ্তার করা হয় বলে জানিয়েছেন র‌্যাব-১৫ এর সহকারী পরিচালক আ ম ফারুক।

গ্রেপ্তার জিয়া কক্সবাজার পৌরসভার ৭নং ওয়ার্ডের পাহাড়তলী ইসলামপুর এলাকার মৃত নজির আহমেদের ছেলে।

আ ম ফারুক জানান, গত ২ জুন রাতে পাহাড়তলী এলাকার ইসলামপুরে আসিফ ও হৃদয় নামে দুই যুবককে নির্মমভাবে হত্যা করা হয়। এ ঘটনায় নিহত আসিফের বাবা মো. ইসমাইল বাদী হয়ে ৫ জুন কক্সবাজার সদর মডেল থানায় হত্যা মামলা করেন। হত্যাকাণ্ডের পর থেকেই মামলার আসামিদের গ্রেপ্তারে র‌্যাব গোয়েন্দা নজরদারি শুরু করে। পরে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে মামলার প্রধান আসামি জিয়াউর রহমান জিয়াকে গ্রেপ্তার করা হয়। 

তিনি আরও জানান, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে জিয়া আত্মগোপনের বিষয়টি স্বীকার করেছেন। তার অপরাধের ইতিহাস পর্যালোচনায় দেখা গেছে, এ জোড়া হত্যা মামলাসহ তার বিরুদ্ধে কক্সবাজার সদর থানায় দুটি হত্যা মামলা, একটি মাদক মামলা এবং বিভিন্ন অভিযোগে মোট আটটি মামলা রয়েছে।

তারেকুর রহমান/খাদিজা রুমি/

যশোরে স্ত্রীকে হত্যার পর স্বামীর আত্মহত্যার চেষ্টা

প্রকাশ: ০৮ জুন ২০২৬, ১২:৪৩ পিএম
আপডেট: ০৮ জুন ২০২৬, ১২:৫০ পিএম
যশোরে স্ত্রীকে হত্যার পর স্বামীর আত্মহত্যার চেষ্টা
যশোর

যশোরে স্বামীর ছুরিকাঘাতে ছামিনা আক্তার নামে এক গৃহবধূ নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় অভিযুক্ত স্বামী নিজ শরীরেও ছুরি দিয়ে আঘাত করে আত্মহত্যার চেষ্টা করেন।

সোমবার (৮ জুন) ভোরে শহরের শেখহাটি তমালতলা এলাকায় ঘটনাটি ঘটে। 

নিহত ছামিনা আক্তার পাশের গ্রাম তরফ নওয়াপাড়া গ্রামের বাসিন্দা। আর স্বামী সুজনের বাড়ি টাঙ্গাইল জেলায়। 

স্থানীয় ও পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, সোমবার (৮ জুন) ভোর সাড়ে ৫টার দিকে বাসায় অবস্থানকালে নেশার টাকার বিষয় নিয়ে স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে ঝগড়া শুরু হয়। এক পর্যায়ে সুজন ক্ষিপ্ত হয়ে স্ত্রী ছামিনা আক্তারকে ধারালো ছুরি দিয়ে শরীরের বিভিন্ন স্থানে আঘাত করেন। এতে তিনি গুরুতর রক্তাক্ত জখম হন। 

পরিবারের সদস্যরা দ্রুত তাকে উদ্ধার করে যশোর ২৫০ শয্যা জেনারেল হাসপাতালের জরুরি বিভাগে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক ছামিনাকে মৃত ঘোষণা করেন। ঘটনার পর সুজন নিজ শরীরেও ছুরি দিয়ে একাধিক স্থানে আঘাত করে গুরুতর আহত হয়েছেন। পরে স্বজনরা তাকে উদ্ধার করে একই হাসপাতালে ভর্তি করেন। বর্তমানে তিনি যশোর সদর হাসপাতালে চিকিৎসাধীন।

নিহত ছামিনার মামা পিয়াস জানান, সুজন আগে বিদেশে কর্মরত ছিলেন। প্রায় ছয় মাস আগে ভালোবেসে তারা বিয়ে করেন এবং পরে আলাদা ভাড়া বাসায় বসবাস শুরু করেন। বর্তমানে সুজন বেকার ছিলেন এবং পুনরায় বিদেশে যাওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছিলেন। এর মধ্যেই এই মর্মান্তিক ঘটনা ঘটে। 

যশোর জেনারেল হাসপাতালের জরুরি বিভাগের চিকিৎসক ডা. শাকিরুল ইসলাম জানান, ছামিনাকে হাসপাতালে আনার আগেই তার মৃত্যু হয়েছিল। এছাড়া সুজনের শরীরেও একাধিক আঘাতের চিহ্ন রয়েছে। তাকে প্রাথমিক চিকিৎসা দিয়ে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

যশোর কোতোয়ালি থানার পরিদর্শক (তদন্ত) কাজী বাবুল বলেন, ঘটনার তদন্ত শুরু হয়েছে। প্রাথমিকভাবে জানা গেছে, তারা আত্মীয়তার সম্পর্কের মধ্যে বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হয়ে আলাদাভাবে বসবাস করতেন। পারিবারিক বিভিন্ন বিষয় নিয়ে তাদের মধ্যে বিরোধ চলছিল। ঘটনার প্রকৃত কারণ উদঘাটনে সব বিষয় খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

এইচ আর তুহিন/অন্তরা

গাইবান্ধায় প্রতিপক্ষের ছুরিকাঘাতে নিহত ছোট ভাই, আশঙ্কাজনক বড় ভাই

প্রকাশ: ০৮ জুন ২০২৬, ১০:১১ এএম
আপডেট: ০৮ জুন ২০২৬, ১০:২১ এএম
গাইবান্ধায় প্রতিপক্ষের ছুরিকাঘাতে নিহত ছোট ভাই, আশঙ্কাজনক বড় ভাই
প্রতীকী ছবি

গাইবান্ধা জমি সংক্রান্ত বিরোধে প্রতিপক্ষের ছুরিকাঘাতে ছোট ভাই রুমন (১৮) নিহত হয়েছেন। আহত বড় ভাই রুহিতের (২০) অবস্থা আশঙ্কাজনক। এ সময় খুনিরা পালিয়ে গেলেও দুই নারীকে আটক করেছে পুলিশ।

রবিবার (৭ জুন) রাত সাড়ে ৯টার দিকে গাইবান্ধা সদরের পূর্ব পিয়ারাপুরে এ ঘটনা ঘটে।

পুলিশ ও এলাকাবাসী খবরের কাগজকে জানান, পূর্ব পিয়ারাপুর গ্রামের রাকিবের সঙ্গে মৃত ফারুকের ছেলে রুহিতের দীর্ঘদিন ধরে জমির সীমানা নিয়ে বিরোধ চলে আসছিল। এক পর্যায়ে রবিবার রাত সাড়ে ৯টার দিকে উভয়ের মধ্যে বাক-বিতণ্ডা শুরু হলে রাকিব  ছুরি দিয়ে রুহিতকে আঘাত করেন।

এ সময় রুহিতের ছোট ভাই রুমন এগিয়ে এলে তাকেও ছুরিকাঘাত করেন রাকিব। পরে স্থানীয়রা মুমূর্ষু অবস্থায় সহোদর রুহিত ও রুমনকে গাইবান্ধা জেনারেল হাসপাতালে নিলে কর্তব্যরত চিকিৎসক রুমনকে মৃত ঘোষণা করেন। গুরুতর আহত রুহিত হাসপাতালে চিকিৎসাধীন।

গাইবান্ধা সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আব্দুল্লাহ আল মামুন রবিবার রাত সাড়ে ১২টায় খবরের কাগজকে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। 

তিনি বলেন, এ ঘটনায় খুনিদের গ্রেপ্তারে অভিযান চলছে। জিজ্ঞাসাবাদের জন্য রাকিবের মা বেবি বেগম ও তার স্ত্রী ইতি বেগমকে আটক করা হয়েছে। থানায় মামলার প্রস্তুতি চলছে' বলেও জানান তিনি।

মিলন খন্দকার/থিও