ঢাকা ২৭ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩, বুধবার, ১০ জুন ২০২৬

সর্বশেষ
নড়াইলে পুকুরে ডুবে দুই ভাইয়ের মৃত্যু ভোলায় স্ত্রী-সন্তানদের ফিরে পেতে ‘জ্বিনের বাদশা’র বিরুদ্ধে সংবাদ সম্মেলন ক্রিকেটার নাসির হোসাইন ও তার স্ত্রী তাম্মি খালাস চুয়াডাঙ্গা সীমান্তে নেই পুশইনের চেষ্টা, সতর্ক বিজিবি পরীক্ষার আগে স্মৃতিশক্তি বাড়াতে ও উদ্বেগ কমাতে অক্সিজেন থেরাপি নিচ্ছেন শিক্ষার্থীরা বাধ্যতামূলক সেনা নিয়োগে বদলে যাচ্ছে মায়ানমারের গৃহযুদ্ধের চিত্র ভবিষ্যত নিয়ে ভাবছেন না রোনালদো মাধবপুরে ট্রাক-অটোরিকশা সংঘর্ষে নিহত ২ অতীত থেকে শিক্ষা নিয়ে দেশ গড়ার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর পাকিস্তানের বিমান হামলায় আফগানিস্তানে নিহত ১২ বেলফাস্টে ছুরিকাঘাতের পর বিক্ষোভকারীদের অগ্নিসংযোগ ও সহিংসতা ইংল্যান্ড ফেবারিট না হলেও বিশ্বজয়ের স্বপ্ন দেখতেই পারে: টুখেল যুক্তরাষ্ট্রে মজুত কমে যাওয়ায় বাড়ল তেলের দাম লাইনচ্যুত বগি উদ্ধার করতে গিয়ে রিলিফ ট্রেনও লাইনচ্যুত! হেলিকপ্টার হারিয়ে ইরানে হামলা যুক্তরাষ্ট্রের, প্রতিশোধের হুঁশিয়ারি তেহরানের আজকের মুদ্রার বাজার: ১০ জুন, ২০২৬ বগি লাইনচ্যুত, জামালপুর- ঢাকা রুটে ট্রেন চলাচল বন্ধ ভারতে সাজাভোগের পর তামাবিল দিয়ে ফিরলেন ৭ বাংলাদেশি কেমন ছিল নবিজি (সা.)-এর গায়ের বর্ণ? আবারও কমল সোনার দাম, নতুন দর কত? ক্লিন ইমেজের আলী রেজাও দুদকের জালে দেশে ৫০ লাখ মামলা বিচারাধীন রয়েছে: চট্টগ্রামের ডিসি বাবাকে খাবার দিতে গিয়ে নদীতে তলিয়ে গেল শিশু গজারিয়ায় আকস্মিক ঝড়ে অর্ধশত গাছ উপড়ে পড়েছে, মহাসড়কে তীব্র যানজট প্রেমিকের সঙ্গে পালিয়ে এসে আত্মহত্যা প্রেমিকার শাবিপ্রবিতে ৩২৫ গবেষকের অংশগ্রহণে ওশেনোগ্রাফি বিভাগের সিম্পোজিয়াম আর্জেন্টিনার উত্তাপে গলে গেল আইসল্যান্ড ক্যাম্প থেকে পালিয়ে সীমান্তে মাছ ধরায় ১৯ রোহিঙ্গা আটক বাড়ছে না বিড়ির দাম সারাদেশে মাঝারি ধরনের বৃষ্টির সম্ভাবনা
Nagad desktop

প্রাচীন বাংলার রাজনৈতিক ইতিহাস অধ্যায়ের ১টি সৃজনশীল প্রশ্নোত্তর, ৫ম পর্ব, এসএসসি বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্ব সভ্যতা

প্রকাশ: ০১ ডিসেম্বর ২০২৪, ০১:২৯ পিএম
প্রাচীন বাংলার রাজনৈতিক ইতিহাস অধ্যায়ের ১টি সৃজনশীল প্রশ্নোত্তর, ৫ম পর্ব, এসএসসি বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্ব সভ্যতা
পাল রাজাদের মধ্যে ধর্মপাল অন্যতম শ্রেষ্ঠ শাসক ছিলেন। প্রতীকী ছবি- সংগৃহীত

চতুর্থ অধ্যায় : প্রাচীন বাংলার রাজনৈতিক ইতিহাস (৩২৬ খ্রিষ্টপূর্বাব্দ থেকে ১২০৪ খ্রিষ্টাব্দ)

সৃজনশীল প্রশ্ন ও উত্তর-৫

উদ্দীপকটি পড়ে নিচের প্রশ্নগুলোর উত্তর লেখ।

হবিগঞ্জ অঞ্চলের রাজা বৌদ্ধ হলেও সব ধর্মাবলম্বী প্রজার প্রতি ছিল তার সমান পৃষ্ঠপোষকতা। তিনি একটি হিন্দু মন্দিরের জন্য করমুক্ত ভূমি দান করেছিলেন। 

ক) শশাঙ্ক কোন ধর্মের উপাসক ছিলেন? ১
খ) সেন শাসকদের ব্রহ্মক্ষত্রিয় বলে মনে করা হয় কেন?  ২
গ) উদ্দীপকের রাজার কর্মকাণ্ডের সঙ্গে তোমার পঠিত কোন পাল রাজার কর্মকাণ্ডের মিল লক্ষ করা যায়? ব্যাখ্যা করো। ৩
ঘ) তুমি কী মনে করো ওই শাসকই ছিলেন পাল রাজাদের মধ্যে সর্বশ্রেষ্ঠ? উত্তরের স্বপক্ষে যুক্তি দাও।  ৪

উত্তর: ক) শশাঙ্ক ছিলেন হিন্দু ধর্মের উপাসক। তিনি শৈব বা শিবের পূজারি ছিলেন এবং বৌদ্ধধর্মের বিরোধী মনোভাব পোষণ করতেন। তার শাসনামলে বৌদ্ধ মঠ ও ভিক্ষুদের ওপর নির্যাতনের প্রমাণ পাওয়া যায়।

খ) সেন শাসকদের ব্রহ্মক্ষত্রিয় বলা হয়, কারণ তারা উচ্চবর্ণের ব্রাহ্মণ হলেও তারা রাজনৈতিক ক্ষমতার অধিকারী হয়ে রাজ্য শাসন করতেন এবং সামরিক নেতৃত্ব দিতেন। ব্রহ্মক্ষত্রিয় বলতে এমন এক শ্রেণিকে বোঝায়, যারা ব্রাহ্মণ হিসেবে ধর্মীয় জ্ঞানসম্পন্ন হলেও যুদ্ধ ও শাসন কাজে অংশগ্রহণ করেন। সেন রাজারা ব্রাহ্মণ বংশীয় ছিলেন, কিন্তু তারা ক্ষমতায় অধিষ্ঠিত হয়ে সমাজ ও রাজ্য শাসনে নিজেদের নিয়োজিত করেন।
গ) উদ্দীপকের রাজার কর্মকাণ্ডের সঙ্গে পাল বংশের অন্যতম শ্রেষ্ঠ রাজা ধর্মপাল এবং দেবপালের কর্মকাণ্ডের মিল পাওয়া যায়। উদ্দীপকের রাজা, যদিও নিজে বৌদ্ধ ধর্মের অনুসারী ছিলেন, তবু তিনি তার রাজ্যের সব ধর্মাবলম্বী মানুষের প্রতি সমান আচরণ করতেন এবং হিন্দু ধর্মাবলম্বীদের জন্য করমুক্ত ভূমি দান করেছিলেন। ধর্মপাল এবং দেবপালও এই ধরনের উদারতা ও ধর্মীয় সহিষ্ণুতা প্রদর্শন করতেন।

ধর্মপাল ও দেবপালের ধর্মীয় সহিষ্ণুতা ও উদারতা:

১. ধর্মীয় সহিষ্ণুতা: ধর্মপাল এবং দেবপাল উভয়েই ধর্মীয় সহিষ্ণুতার প্রতি অত্যন্ত শ্রদ্ধাশীল ছিলেন। পাল রাজারা বৌদ্ধ ধর্মাবলম্বী হলেও তারা হিন্দু ধর্মের প্রতি সহানুভূতিশীল ছিলেন এবং নিজেদের রাজ্যে হিন্দু মন্দির প্রতিষ্ঠা এবং সংস্কারের জন্য ভূমি দান করতেন। উদাহরণস্বরূপ, পাল রাজারা হিন্দু দেবদেবীর মন্দির এবং মঠ নির্মাণের জন্য ভূমি ও পৃষ্ঠপোষকতা করতেন। এতে বোঝা যায় যে পাল রাজাদের মধ্যে ধর্মীয় সহিষ্ণুতা ও উদারতা ছিল।

আরো পড়ুন : প্রাচীন বাংলার রাজনৈতিক ইতিহাস অধ্যায়ের ১টি সৃজনশীল প্রশ্নোত্তর, ৪র্থ পর্ব

২. সব ধর্মাবলম্বীর প্রতি সমান আচরণ: পাল শাসকরা, বিশেষত ধর্মপাল, সব ধর্মাবলম্বী প্রজার প্রতি সমান আচরণ করতেন এবং তাদের ধর্মীয় কর্মকাণ্ডের প্রতি সমর্থন জানাতেন। উদ্দীপকের রাজাও তার রাজ্যের হিন্দু ধর্মাবলম্বীদের জন্য করমুক্ত ভূমি দান করেন, যা পাল রাজাদের এই সহিষ্ণু ও সমানাধিকার নীতির সঙ্গে সাদৃশ্যপূর্ণ।

৩. ধর্মীয় স্থাপনার পৃষ্ঠপোষকতা: পাল রাজারা বৌদ্ধ ধর্মের পৃষ্ঠপোষক হলেও তারা অন্য ধর্মের ধর্মীয় স্থানগুলোকেও সহায়তা করতেন। উদ্দীপকের রাজার কর্মকাণ্ডও একইভাবে প্রজাদের ধর্মীয় স্বাধীনতা নিশ্চিত করতে ভূমিকা রাখে।
পাল রাজারা যেমন ধর্মীয় সহিষ্ণুতা ও সমানাধিকারের ওপর গুরুত্বারোপ করেছেন, তেমনি উদ্দীপকের রাজার কর্মকাণ্ডও ধর্মীয় সহিষ্ণুতার একটি উদাহরণ। পাল রাজাদের শাসনামলে এই উদার মনোভাব এবং প্রজাদের প্রতি শ্রদ্ধাশীল আচরণ তাদের শাসনব্যবস্থাকে শান্তি ও স্থিতিশীলতায় অবদান রাখতে সহায়ক হয়েছিল।

ঘ) ওই শাসককে যদি আমরা ধর্মপাল বা দেবপাল হিসেবে ধরে নিই, তবে বলা যেতে পারে যে তিনি পাল রাজাদের মধ্যে অন্যতম শ্রেষ্ঠ শাসক ছিলেন। পাল বংশের শাসকরা বাংলা অঞ্চলে দীর্ঘস্থায়ী স্থিতিশীলতা, সামরিক সাফল্য এবং সংস্কৃতির বিকাশে অসামান্য অবদান রেখেছেন। পাল রাজাদের মধ্যে ধর্মপালকে অন্যতম শ্রেষ্ঠ শাসক হিসেবে গণ্য করা হয়। তার শাসনামলে বাংলা একটি শক্তিশালী সাম্রাজ্য হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হয় এবং অনেকগুলো গুরুত্বপূর্ণ অর্জন করা সম্ভব হয়।

ধর্মপাল বা দেবপালের শ্রেষ্ঠত্বের পক্ষে যুক্তি:

১. সাম্রাজ্যের বিস্তৃতি: ধর্মপাল তার শাসনামলে বাংলার সাম্রাজ্যকে অত্যন্ত শক্তিশালী করে গড়ে তোলেন এবং তার সাম্রাজ্য উত্তর ভারত পর্যন্ত বিস্তৃত হয়। তিনি মহাজনপদ ও মিথিলার মতো অঞ্চল দখল করেন এবং পাঞ্জাবের গন্ধর্বরাজ্য পর্যন্ত পাল সাম্রাজ্যের বিস্তৃতি করেন। এটি তাকে এক অনন্য শাসক হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করে।

২. শিক্ষা ও সংস্কৃতির বিকাশ: ধর্মপালের শাসনকালে শিক্ষা ও সংস্কৃতির ব্যাপক বিকাশ ঘটে। তিনি বিক্রমশিলা মহাবিহারের মতো উচ্চশিক্ষা প্রতিষ্ঠান প্রতিষ্ঠা করেন। তার রাজত্বকালে বাংলায় বৌদ্ধ ধর্ম এবং সংস্কৃতি ব্যাপকভাবে প্রসারিত হয়।

৩. ধর্মীয় সহিষ্ণুতা: ধর্মপাল এবং দেবপাল ধর্মীয় সহিষ্ণুতার জন্য পরিচিত ছিলেন। তারা বৌদ্ধ হলেও হিন্দু ধর্মাবলম্বীদের প্রতি সমান উদার ছিলেন এবং তাদের ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানের জন্য সাহায্য করতেন। এটি তাদের মহান হিসেবে চিহ্নিত করে।

৪. রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা: ধর্মপাল তার শাসনামলে বাংলায় দীর্ঘমেয়াদি রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা নিশ্চিত করেন। তার শাসনকাল বাংলার মানুষের জন্য একটি শান্তিপূর্ণ ও সমৃদ্ধ সময় হিসেবে বিবেচিত হয়।

ওই শাসকই ছিলেন পাল রাজাদের মধ্যে শ্রেষ্ঠ শাসক, কারণ তার শাসনকালে শিক্ষা, সংস্কৃতি, এবং সামরিক শক্তি একত্রিত হয়ে পাল সাম্রাজ্যকে একটি স্থিতিশীল এবং শক্তিশালী সাম্রাজ্যে পরিণত করেছিল। তার শাসনব্যবস্থা পাল বংশের গৌরবকে আরও বৃদ্ধি করেছিল এবং বাংলার ইতিহাসে এক সোনালি অধ্যায় রচনা করেছিল।

লেখক : সহকারী শিক্ষক
সাভার অধরচন্দ্র সরকারি উচ্চবিদ্যালয়, সাভার, ঢাকা

কবীর

জীবের আবাসস্থল অধ্যায় থেকে ১টি অনুশীলনীর প্রশ্ন ও উত্তর, ৪র্থ পর্ব, পঞ্চম শ্রেণির বিজ্ঞান

প্রকাশ: ০৯ জুন ২০২৬, ০৩:৩১ পিএম
জীবের আবাসস্থল অধ্যায় থেকে ১টি অনুশীলনীর প্রশ্ন ও উত্তর, ৪র্থ পর্ব, পঞ্চম শ্রেণির বিজ্ঞান
স্থলজ উদ্ভিদ। প্রতীকী ছবি- সংগৃহীত


প্রথম অধ্যায় : জীবের আবাসস্থল 

অনুশীলনীর প্রশ্ন ও উত্তর 

প্রশ্ন: সামুদ্রিক পরিবেশের প্রাণীদের অভিযোজনের ক্ষেত্রগুলো কী কী? উদাহরণসহ ব্যাখ্যা করো।

উত্তর: সামুদ্রিক পরিবেশের প্রাণীদের অভিযোজনের ক্ষেত্রগুলো হলো–
i. লবণাক্ত পানি ও প্রবল চাপ সহ্য করার অভিযোজন
উদাহরণ: সামুদ্রিক মাছ।
সমুদ্রের পানি লবণাক্ত এবং এর গভীর পানিতে চাপ বেশি থাকে। সামুদ্রিক মাছ এসব প্রতিকূল অবস্থার সঙ্গে খাপ খাইয়ে নিতে সক্ষম। এদের দেহের ভেতরের গঠন এমনভাবে অভিযোজিত যে লবণাক্ত পরিবেশেও তারা স্বাভাবিকভাবে বেঁচে থাকতে পারে।
ii. দেহের গঠনের অভিযোজন।
উদাহরণ: সামুদ্রিক মাছ।
সামুদ্রিক মাছের দেহ মাঝখানে চওড়া এবং মাথা ও লেজের দিকে সরু হয়। মাছের এই ধরনের দেহগঠন পানির মধ্যে সহজে চলাচল করতে এবং প্রবল স্রোতের সঙ্গে খাপ খাওয়াতে সাহায্য করে।

আরো পড়ুন : জীবের আবাসস্থল অধ্যায় থেকে ২টি অনুশীলনীর প্রশ্ন ও উত্তর, ৩য় পর্ব, পঞ্চম শ্রেণির বিজ্ঞান

iii. পাখনা ও লেজের অভিযোজন
উদাহরণ: সামুদ্রিক মাছ।
সামুদ্রিক মাছের পাখনা ও লেজ শক্তিশালী হয়। এগুলো মাছকে দ্রুত সাঁতার কাটতে এবং দিক পরিবর্তনে সাহায্য করে।
iv. দীর্ঘ সময় বাতাস ধরে রাখার অভিযোজন
উদাহরণ: তিমি ও ডলফিন।
সামুদ্রিক স্তন্যপায়ী প্রাণীদের ফুসফুস দীর্ঘ সময় ধরে বাতাস জমা রাখতে পারে। এর ফলে তারা দীর্ঘ সময় পানির নিচে অবস্থান করতে পারে এবং প্রয়োজনে উপরে উঠে আবার শ্বাস নেয়।
v. আত্মরক্ষা ও শিকারের অভিযোজন
উদাহরণ: বিভিন্ন সামুদ্রিক প্রাণী।
সামুদ্রিক পরিবেশের কিছু প্রাণী আত্মরক্ষা ও শিকারের জন্য আলো, রং পরিবর্তন এবং বিষাক্ত তরল ব্যবহার করতে পারে। এসব অভিযোজন তাদের শত্রুর হাত থেকে রক্ষা করে এবং খাদ্য সংগ্রহে সাহায্য করে।

লেখক : সাবেক শিক্ষক
ফকিরের,পুল সরকারি প্রাথমিক, বিদ্যালয়, ঢাকা

কবীর

ছয় বিষয়ের অনার্স কোর্স কি আসলেই বাতিল হচ্ছে? যা জানালেন প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা

প্রকাশ: ০৯ জুন ২০২৬, ০১:১৩ পিএম
আপডেট: ০৯ জুন ২০২৬, ০১:৪৮ পিএম
ছয় বিষয়ের অনার্স কোর্স কি আসলেই বাতিল হচ্ছে? যা জানালেন প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা
ডা. জাহেদ উর রহমান

বাংলা, ইতিহাস দর্শনসহ ছয়টি বিষয়ে অনার্স (সম্মান) কোর্স বাতিল হতে পারে বলে গণমাধ্যমে প্রকাশিত খবরের বিষয়ে কথা বলেছেন প্রধানমন্ত্রীর তথ্য সম্প্রচার উপদেষ্টা ডা. জাহেদ উর রহমান। তিনি জানান, সরকারের পক্ষ থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে কিছু জানানোর আগ পর্যন্ত এই খবরটিকে গুরুত্ব দেওয়ার প্রয়োজন নেই।

মঙ্গলবার ( জুন) সচিবালয়ে তথ্য অধিদপ্তরের সম্মেলনকক্ষে আয়োজিত এক ব্রিফিংয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি কথা বলেন।

প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা বলেন, ‘এই বিষয়গুলোতে অনার্স থাকবে না, আমি এমনটা মনে করি না। তবে এগুলো কতগুলো জায়গায় বা কয়টি বিশ্ববিদ্যালয়ে রাখা হবে, তা নিয়ে আলোচনা হতেই পারে।’

দেশের কর্মসংস্থান দক্ষ জনগোষ্ঠীর প্রয়োজনীয়তার কথা উল্লেখ করে তিনি আরও বলেন, প্রতি বছর দেশে প্রায় ২১ থেকে ২২ লাখ মানুষ কর্মবাজারে প্রবেশ করেন। কিন্তু সরকারি বেসরকারি খাত মিলিয়ে সর্বোচ্চ সাত থেকে আট লাখের বেশি মানুষের কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি করা সম্ভব হয় না। তাই দক্ষ জনগোষ্ঠী গড়ে তোলার ওপর জোর দিচ্ছে সরকার।

আজহার/অমিয়/

পড়ে পাওয়া গল্প থেকে ৭টি বহুনির্বাচনি প্রশ্ন ও উত্তর, ১ম পর্ব, অষ্টম শ্রেণির বাংলা

প্রকাশ: ০৯ জুন ২০২৬, ১১:১৮ এএম
আপডেট: ০৯ জুন ২০২৬, ১১:১৯ এএম
পড়ে পাওয়া গল্প থেকে ৭টি বহুনির্বাচনি প্রশ্ন ও উত্তর, ১ম পর্ব, অষ্টম শ্রেণির বাংলা
‘পড়ে পাওয়া’ রচনাটির লেখক বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়। প্রতীকী ছবি- সংগৃহীত

গল্প : পড়ে পাওয়া

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন ও উত্তর

১। বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়ের পৈতৃক বাড়ি পশ্চিমবঙ্গের চব্বিশ পরগনা জেলার কোন গ্রামে? 
(ক) বারাকপুরে     (খ) নির্বিষখোলায়        
(গ) অম্বরপুরে      (ঘ) চাঁপাতলীতে

২। বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায় কত সালের কত তারিখে জন্মগ্রহণ করেন? 
(ক) ১৮৯০ সালের ১ মার্চ    
(খ) ১৮৯৩ সালের ১৫ মে
(গ) ১৮৯৪ সালের ১২ সেপ্টেম্বর    
(ঘ) ১৮৯৫ সালের ২৭ জুন

৩। ‘পড়ে পাওয়া’ রচনাটির লেখক কে? 
(ক) বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়    
(খ) মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
(গ) শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়    
(ঘ) রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর

৪। বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়ের মায়ের নাম কী? 
(ক) বামাসুন্দরী দেবী    (খ) স্বর্ণকুমারী দেবী
(গ) মৃণালিনী দেবী       (ঘ) রানী বিলাসমনি

আরো পড়ুন : অতিথির স্মৃতি গল্প থেকে ৪টি বহুনির্বাচনি প্রশ্ন ও উত্তর, ১২তম পর্ব, অষ্টম শ্রেণির বাংলা

৫। বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়ের বাবার নাম কী? 
(ক) মহারাজ বন্দ্যোপাধ্যায় 
(খ) মহানন্দ বন্দ্যোপাধ্যায়
(গ) নারায়ণ বন্দ্যোপাধ্যায়    
(ঘ) নরেন বিশ্বাস

৬। বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়ের বাবার পেশা কী ছিল? 
(ক) কবিরাজি                        (খ) শিক্ষকতা
(গ) কথকতা ও পৌরোহিত্য    (ঘ) ঠিকাদারি

৭। বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়ের শ্রেষ্ঠ কীর্তি ও বাংলা সাহিত্যের অমূল্য সম্পদ হলো-
(ক) পথের পাঁচালী উপন্যাস     
(খ) অপরাজিত উপন্যাস
(গ) দুটোই    
(ঘ) একটিও নয়

উত্তর: ১. ক, ২. গ, ৩. ক, ৪. গ, ৫. খ, ৬. গ, ৭. গ।

লেখক : সহকারী অধ্যাপক, বাংলা বিভাগ
রাজউক উত্তরা মডেল কলেজ, ঢাকা

কবীর

প্রযুক্তিনির্ভর শিক্ষায় জোর: বাতিল হতে পারে ৬ বিষয়ে অনার্স কোর্স

প্রকাশ: ০৯ জুন ২০২৬, ১০:৪৮ এএম
আপডেট: ০৯ জুন ২০২৬, ১১:১৬ এএম
প্রযুক্তিনির্ভর শিক্ষায় জোর: বাতিল হতে পারে ৬ বিষয়ে অনার্স কোর্স
ছবি: সংগৃহীত

দেশের শিক্ষাব্যবস্থাকে যুগোপযোগী কর্মমুখী করতে বড় ধরনের পরিবর্তনের পরিকল্পনা করছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়। মন্ত্রণালয়ের একটি নতুন খসড়া মডেল অনুযায়ী- বাংলা, ইতিহাস দর্শনসহ প্রায় ৬টি বিষয়ের অনার্স (সম্মান) কোর্স বাতিল করা হতে পারে। তবে এই বিষয়গুলো একেবারে বাদ না দিয়ে অন্যান্য বিষয়ের সঙ্গে সমন্বয় করা হবে।

একই সঙ্গে আইটি (তথ্যপ্রযুক্তি) কারিগরি শিক্ষার পরিধি বাড়ানো হচ্ছে। শিক্ষার সঙ্গে কর্মসংস্থানের সরাসরি সংযোগ স্থাপনের লক্ষ্যে পাঠ্যক্রমে যুক্ত হচ্ছে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই), সাইবার সিকিউরিটি, আউটসোর্সিং এবং অন্যান্য প্রযুক্তিনির্ভর দক্ষতাভিত্তিক বিষয়।

এছাড়া কলেজ পর্যায় থেকেই ফ্রিল্যান্সিং প্রশিক্ষণ চালু করা, ক্যারিয়ার সেন্টার প্রতিষ্ঠা এবং শিক্ষার্থীদের সাতটি বিদেশি ভাষা শেখানোর উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে।

শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের একাধিক শীর্ষ কর্মকর্তা সংবাদমাধ্যমকে জানিয়েছেন, বিষয়টি নিয়ে এখনো আলোচনা চলছে এবং সবার মতামত নিয়েই চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।

এর আগে প্রধানমন্ত্রী সনদনির্ভর শিক্ষার পরিবর্তে দক্ষতাভিত্তিক, প্রযুক্তিনির্ভর এবং বাস্তবমুখী শিক্ষাব্যবস্থা গড়ে তোলার জন্য শিক্ষামন্ত্রীকে নির্দেশনা দেন। পরবর্তীতে একাধিক অনুষ্ঠানে শিক্ষামন্ত্রী এহছানুল হক মিলন বলেন, সরকার এমন একটি শিক্ষাব্যবস্থা গড়ে তুলতে চায়, যেখানে শুধু ডিগ্রি অর্জন নয়, বরং দক্ষ কর্মক্ষম মানবসম্পদ তৈরি হবে। দৈনিক ইত্তেফাকের একটি প্রতিবেদনে এই তথ্যগুলো উঠে এসেছে।

শিক্ষাবিদদের মতে, দেশের প্রচলিত শিক্ষা ব্যবস্থা কর্মসংস্থানের সঙ্গে সংযোগ স্থাপন করতে পারছে না। ফলে দিন দিন শিক্ষিত তরুণ বেকারের সংখ্যা আশঙ্কাজনকভাবে বাড়ছে। বিশেষ করে উচ্চশিক্ষিতদের মধ্যে বেকারত্বের হার গত ১৩ বছরে প্রায় আট গুণ বেড়েছে অথচ দেশের ৮৫ শতাংশ কর্মসংস্থানই অপ্রাতিষ্ঠানিক খাতের।

দেশের সবচেয়ে বড় দুটি পাবলিক পরীক্ষা- এসএসসি এইচএসসির বিষয়ের সংখ্যা এবং পরীক্ষা গ্রহণের কর্মদিবস উল্লেখযোগ্য হারে কমিয়ে আনার পরিকল্পনা করা হচ্ছে। জাতীয় শিক্ষাক্রম পাঠ্যপুস্তক বোর্ড (এনসিটিবি) এরই মধ্যে সংক্রান্ত একটি প্রাথমিক ধারণাপত্র কর্মপরিকল্পনা তৈরি করে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের অনুমোদনের জন্য পাঠিয়েছে বলে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা নিশ্চিত করেছেন।

এনসিটিবি সূত্রে জানা গেছে, বর্তমানে এসএসসি পরীক্ষা শেষ করতে ২৫ থেকে ৩০ কর্মদিবস এবং এইচএসসিতে ৩০ থেকে ৩৫ কর্মদিবস বা তারও বেশি সময় লেগে যায়। দীর্ঘ সময় ধরে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলো পরীক্ষাকেন্দ্র হিসেবে ব্যবহৃত হওয়ায় হাজার হাজার স্কুলে স্বাভাবিক পাঠদান বন্ধ থাকে। এতে অন্য শ্রেণির শিক্ষার্থীদের শিখন ঘণ্টা (লার্নিং আওয়ার্স) মারাত্মকভাবে কমে যায়। পাশাপাশি দীর্ঘমেয়াদী পরীক্ষার কারণে পরীক্ষার্থীরাও অসহনীয় মানসিক চাপে ভোগে। এই জটলা শিক্ষার্থীদের মানসিক চাপ কমানোই সরকারের নতুন পরিকল্পনার মূল লক্ষ্য।

সরকার ২০২৮ সাল থেকে যে নতুন শিক্ষাক্রম চালুর পরিকল্পনা হাতে নিয়েছে, তাতে নতুন চারটি বিষয় যুক্ত করার কথা জানিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী এহছানুল হক মিলন। এর মধ্যে চতুর্থ শ্রেণি থেকে ক্রীড়া সংস্কৃতি নিয়ে দুটি বিষয় পড়তে হবে। আর ষষ্ঠ শ্রেণি থেকে যুক্ত হবেকারিগরি বৃত্তিমূলক শিক্ষাএবংলার্নিং উইথ হ্যাপিনেস’ (সুখে শিখন) এছাড়া নতুন শিক্ষাক্রমে বাংলা ইংরেজির পাশাপাশি তৃতীয় একটি ভাষা শিক্ষায় গুরুত্ব দেওয়া হবে, যা কোনো একটি বিষয়ের সঙ্গেবড় অধ্যায়হিসেবে যুক্ত হতে পারে।

সোমবার ( জুন) বিকেলে সচিবালয়ে মাধ্যমিক উচ্চ শিক্ষা বিভাগের সম্মেলন কক্ষে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে শিক্ষামন্ত্রী এহছানুল হক মিলন নতুন শিক্ষাক্রমের এসব পরিকল্পনা তুলে ধরেন।

তিনি বলেন, ‘আমরা প্রথমত বিদ্যমান শিক্ষাক্রমকে সঠিকভাবে পরিমার্জন করে, বাস্তব সম্মতভাবে এটাকে আমরা রিভাইজ করে এই ২০২৭ সালে দিচ্ছি। আর টোটাল চেইঞ্জ যেটা আশা করছেন, সেটা আমরা কাজ শুরু করেছি। ২০২৮ সালে গিয়ে আপনারা সেটা দেখতে পারবেন, এখন নয়। কারিকুলাম খুব সুন্দর হচ্ছে এবং চারটি নতুন বিষয় যুক্ত হচ্ছে।’

এর আগে প্রধানমন্ত্রীর শিক্ষা, প্রাথমিক গণশিক্ষা বিষয়ক উপদেষ্টা মাহদী আমিন নতুন শিক্ষাক্রমে এই চারটি নতুন বিষয় অন্তর্ভুক্ত হওয়ার কথা জানান।

তিনি বলেন, ১৬ বছরের সব সমস্যা হয়তো এক দিনে বা এক বছরে সমাধান করা যাবে না। তবে আমরা বিশ্বাস করি, আমাদের সর্বোচ্চ আন্তরিকতা রয়েছে। যতটা দ্রুত সম্ভব আমরা প্রয়োজনীয় পরিবর্তন আনব। এখানে কারিকুলামের ভেতরে একটি অংশ রয়েছে, যেখানে প্রয়োজনীয় সংযোজন, বিয়োজন পরিমার্জন করতে হবে। পাশাপাশি নতুন কিছু বিষয় আমরা যুক্ত করছি।‘

প্রাকৃতিক ভূগোল অধ্যায়ের ১৩টি বহুনির্বাচনি প্রশ্ন ও উত্তর, ১ম পর্ব, এইচএসসির ভূগোল ১ম পত্র

প্রকাশ: ০৮ জুন ২০২৬, ০৪:১৭ পিএম
প্রাকৃতিক ভূগোল অধ্যায়ের ১৩টি বহুনির্বাচনি প্রশ্ন ও উত্তর, ১ম পর্ব, এইচএসসির ভূগোল ১ম পত্র
পৃথিবীর প্রাকৃতিক ভৌগোলিক অবস্থা। ছবি- সংগৃহীত

প্রথম অধ্যায় : প্রাকৃতিক ভূগোল

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন ও উত্তর

১. আধুনিক ভূগোলের জনক কে?
ক) ইমানুয়েল কান্ট    
খ) রিচার্ড হার্টশোন
গ) ভন হামবোল্ট    
ঘ) হোমার

২. সমুদ্রবিদ্যার আলোচিত বিষয় হলো-
i. সমুদ্র স্রোত    
ii. জাহাজ ও স্টিমার
iii. জোয়ারভাটা
নিচের কোনটি সঠিক?
ক) i ও ii       খ) i ও iii
গ) ii ও iii     ঘ) i, ii ও iii

৩. ভূগোলের জনক কে?
ক) ইরাটোসথেনিস    খ) ডাডলি স্ট্যাম্প
গ) কার্ল রিটার           ঘ) ম্যাকনি

৪. প্রাকৃতিক ভূগোলের মূল বিষয়বস্তু কী?
ক) সমুদ্র           খ) পৃথিবী
গ) সৌরজগৎ    ঘ) ভূমিরূপ 

৫. প্রাকৃতিক ভূগোলের নবীনতম শাখা কোনটি?
ক) জীবভূগোল    খ) জলবায়ুবিদ্যা
গ) সমুদ্রবিদ্যা     ঘ) ভূমিরূপবিদ্যা

৬. প্রাকৃতিক ভূগোলের অন্তর্ভুক্ত হলো-
i. প্রাকৃতিক উপাদানগুলোর স্থানিক ও কালিক বিশ্লেষণ
ii. আঞ্চলিক তারতম্য বিশ্লেষণ
iii. মানুষ ও প্রকৃতির মিথস্ক্রিয়া
নিচের কোনটি সঠিক?
ক) i ও ii    খ) i ও iii
গ) ii ও iii    ঘ) i, ii ও iii

৭. ‘Geography’ শব্দটি প্রথম ব্যবহার করেছিলেন কে?
ক) কার্ল রিটার          খ) টলেমি
গ) ইরাটোসথেনিস    ঘ) স্ট্রারো

৮. প্রাকৃতিক ভূগোলের কোন শাখায় নদীর কার্য নিয়ে বর্ণনা রয়েছে?
ক) জলবায়ুবিদ্যায়    খ) ভূমিরূপবিদ্যায়
গ) বারিমণ্ডলে          ঘ) জীবমণ্ডলে

৯. প্রাকৃতিক ভূগোলের পরিসরের অন্তর্ভুক্ত কোনটি?
ক) জনসংখ্যা ভূগোল    খ) বসতি ভূগোল
গ) কৃষি ভূগোল             ঘ) সমুদ্র ভূগোল

১০. প্রাকৃতিক ভূগোলের গুরুত্বপূর্ণ আলোচ্য বিষয় নিচের কোনটি?
ক) মৃত্তিকা বিশ্লেষণ    
খ) মহাকাশ গবেষণা
গ) জীবের উৎপত্তি    
ঘ) বায়ুমণ্ডলীয় তাৎপর্য

১১. প্রাকৃতিক ভূগোলে আলোচিত হয়-
i. সাগর, মহাসাগরের তলদেশের ভূ-প্রকৃতি
ii. বিশ্ব যোগাযোগ ব্যবস্থা
iii. পৃথিবীর জলবায়ু অঞ্চলের বৈশিষ্ট্য
নিচের কোনটি সঠিক?
ক) i ও ii      খ) i ও iii
গ) ii ও iii     ঘ) i, ii ও iii

১২. ভূমিধসের বিষয় আলোচনা করা হয়-    
ক) বাস্তুবিদ্যায়    খ) ভূমিরূপবিদ্যায়
গ) সমুদ্রবিদ্যায়    ঘ) জলবায়ুবিদ্যায়

১৩. ভূগোলের যাত্রা শুরু হয় কোন যুগে?
ক) রোমান যুগে    খ) গ্রিক যুগে
গ) মিসরীয় যুগে    ঘ) মুসলিম যুগে

উত্তর: ১. গ, ২. খ, ৩. ক, ৪. খ, ৫. ক, ৬. ঘ, ৭.গ, ৮. খ,  ৯. ঘ, ১০. ঘ, ১১. খ, ১২. খ, ১৩. খ।

লেখক : প্রভাষক
ভিকারুননিসা নূন স্কুল অ্যান্ড কলেজ, ঢাকা

কবীর