ঢাকা ১ আষাঢ় ১৪৩৩, সোমবার, ১৫ জুন ২০২৬

সর্বশেষ
পেছনে যুদ্ধ, সামনে বিশ্বকাপ মরুর সাহস, উরুগুয়ের ইতিহাস দুর্দান্ত বেলজিয়ামের সামনে সালাহর মিসর নেদারল্যান্ডসকে জিততে দিল না জাপান প্রথম ম্যাচে যে রেকর্ড ডাকছে মেসিকে কুরাসাওয়ের কোচের বিশ্বরেকর্ড প্রত্যাবর্তন জয়ে রাঙাতে চায় সুইডেন গোলশূন্য থেকে বিরতিতে জাপান-নেদারল্যান্ডস কুরাসাওকে ৭-১ গোলে হারিয়ে ব্রাজিল ম্যাচের স্মৃতি ফেরাল জার্মানি কুরাসাওয়ের জালে ৭ গোল জার্মানির খুদে বিজ্ঞানীদের হাতে পুরস্কার তুলে দিলেন ডা. জুবাইদা রহমান প্রথমার্ধে ইতিহাস গড়ল কুরাসাও, ৩ গোল দিল জার্মানি মমতার দলে সংকট আরও গভীর, বিদ্রোহী এমপি বেড়ে ২২ জোটার স্মরণে বিশ্বকাপে বিশেষ উদ্যোগ নিল পর্তুগাল হোম অব ক্রিকেটে লিটনের অন্য রকম প্রথম ইনোভেশন আইডিয়া শোকেসিং প্রোগ্রামে চাঁদপুরের তিন প্রতিষ্ঠানের কৃতিত্ব চট্টগ্রামে মা-মেয়েকে হত্যা, নেপথ্যে অটোরিকশার চুক্তিপত্র নিয়ে বিরোধ বেরোবির রাজস্ব বাজেট ৮২ কোটি ৮১ লাখ টাকা ট্রাম্পের ৮০তম জন্মদিন আজ ধর্ষণ ও ভ্রূণ নষ্টে গ্রেপ্তারের কথা শুনে চোখ খুলছেন না শিবির নেতা জিসান ইসলামী ব্যাংকের পরিচালনা পর্ষদ ভেঙে দিল বাংলাদেশ ব্যাংক ১২ ফেব্রুয়ারির নির্বাচন মেনে না নিলে দেশে গৃহযুদ্ধ শুরু হতো: শফিকুর রহমান গাংনীতে কুকুরের কামড়ে শিশুসহ আহত ১৭ পাবনায় স্কুলছাত্রীকে শ্লীলতাহানি, অভিযুক্তের ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে ভাঙচুর-অগ্নিসংযোগ ফটিকছড়িতে বায়তুল ক্বোবা তৈয়্যবিয়া জামে মসজিদ প্রতিষ্ঠার জন্য ভূমি হস্তান্তর শ্রমিক অবরোধে আড়াই ঘণ্টা স্থবির ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়ক বন্দরে বেতনের দাবিতে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়ক অবরোধ আইএইচএফ ট্রফিতে দুই বিভাগে রূপা জিতল বাংলাদেশ আলু সংরক্ষণাগারে কেজিপ্রতি ৫ টাকা ভাড়ার দাবি, ৭ দিনের আল্টিমেটাম বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ ৩৫.৬৩ বিলিয়ন ডলার
Nagad desktop

Unit-5, Lesson-1-এর ১০টি প্রশ্নোত্তর, ১ম পর্ব, এইচএসসি ইংরেজি ১ম পত্র

প্রকাশ: ৩১ ডিসেম্বর ২০২৪, ০৫:০০ পিএম
Unit-5, Lesson-1-এর ১০টি প্রশ্নোত্তর, ১ম পর্ব, এইচএসসি ইংরেজি ১ম পত্র
গ্রীক দার্শনিক অ্যারিস্টটল বলেছেন, ‘মানুষ প্রকৃতিগতভাবে সামাজিক প্রাণী।’ ছবি- সংগৃহীত

Unit-5, Lesson-1

1. Read the passage and answer question A.

The famous Greek philosopher Aristotle said, ‘Man is by nature a social animal.’ What he meant was that man, by instinct, seeks company of others and establishes relationships, much like most animals of the wild, for companionship and for and for physical and emotional support. Unlike the animals however, man’s relationships give meaning to his existence and inspires him to do well in education, in workplace or in a profession that he pursues. Relationships are of different kinds. Some are familial and intimate, formed by blood and by marriage; some are social like the ones we have with friends, and some are made in school where we form close bonds with classmates and teachers. Relationships can also be fostered in workplace, which may quickly change from professional to social. There are relationships also between human beings and animals, between children and their toys that they cannot part with. All these relationships keep us close with each other and provide us with all kinds of support, love and affection. A person who has no family feels the pain of loneliness and isolation. There is no one to laugh or cry with him/her. When we share our joy with someone, it simply redoubles, and when we suffer a loss, and someone shares our sorrow, it lessens. Relationships are thus needed for our emotional health. 

A. Choose the correct answer from the alternatives. 
  
(a) Sharing gives --- to joy.
i. honor ii. evaluation iii. increase iv. decrease 
Ans: iii. increase.    
                                         
(b) Human beings --- to live with one another. 
i. near        ii. avoid 
iii. dislike    iv. like
Ans: iv. like   

(c) According to the passage, a synonym of ‘instinct’ is ---. 
i. mind ii. character iii. nature  iv. mentality
Ans: iii. nature.

(d) The phrase ‘the wild’ refers to ---.
i. society            ii. natural world 
iii. civilization     iv. city areas  
Ans: ii. natural world.

(e) Emotional support includes ---.  
i. love and affection      ii. happiness 
iii. mentality                  iv. sorrow 
Ans: i. love and affection.

আরো পড়ুন : Unit-4, Lesson-5-এর ৫টি প্রশ্নোত্তর, ২য় পর্ব

(f) Human relationships ---.  
i. are confined              ii. includes all 
iii. remain constant      iv. expand widely
Ans: iv. expand widely.

(g) The word ‘foster’ may be replaced best with---.     
i. set up ii. maintain iii. nurture  iv. grow
Ans: iii. nurture

(h) The expression ‘part with’ means ---. 
i. go away ii. go with iii. give away iv. give with 
Ans: iii. give away.

(i) In the passage, loneliness and isolation have been regarded as ---. 
i. negative       ii. positive 
iii. inclement   iv. neutral 
Ans: i. negative.

(j) According to the passage, human beings are --- society. 
i. detached from         ii. part of
iii. part with                iv. attached in   
Ans: ii. part of.

লেখক : সহযোগী অধ্যাপক ও বিভাগীয় চেয়ারম্যান
ইংরেজি বিভাগ, ঢাকা কমার্স কলেজ, ঢাকা

কবীর

 

প্রাকৃতিক ভূগোল অধ্যায়ের ১১টি বহুনির্বাচনি প্রশ্ন ও উত্তর, ২য় পর্ব, এইচএসসির ভূগোল ১ম পত্র

প্রকাশ: ১৪ জুন ২০২৬, ০৫:৫৮ পিএম
প্রাকৃতিক ভূগোল অধ্যায়ের ১১টি বহুনির্বাচনি প্রশ্ন ও উত্তর, ২য় পর্ব, এইচএসসির ভূগোল ১ম পত্র
পৃথিবীর প্রাকৃতিক ভৌগোলিক অবস্থা। ছবি- সংগৃহীত

প্রথম অধ্যায় : প্রাকৃতিক ভূগোল

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন ও উত্তর

১৪. প্রাকৃতিক ভূগোলের উপাদান কোনটি?
ক) পানিচক্র    খ) বসতি
গ) নগরায়ণ     ঘ) শিল্পায়ন

১৫. জোয়ারভাটা প্রাকৃতিক ভূগোলের কোন অংশের অন্তর্ভুক্ত?
ক) ভূমিরূপবিদ্যা    খ) জলবায়ুবিদ্যা
গ) সমুদ্রবিদ্যা         ঘ) জীববিদ্যা

১৬. ভূগোলের কোন শাখা আবহাওয়া ও জলবায়ু সম্পর্কে আলোচনা করে?
ক) প্রাকৃতিক ভূগোল    খ) অর্থনৈতিক ভূগোল
গ) কৃষি ভূগোল            ঘ) জীব ভূগোল

১৭. ভূমিরূপবিদ্যার বিষয়বস্তু নিচের কোনটি?
ক) পানিচক্র    খ) জীবকূল
গ) জলবায়ু      ঘ) প্লেট সঞ্চালন

১৮. বায়ুমণ্ডল ভূগোলের কোন শাখার অন্তর্ভুক্ত? 
ক) মানব ভূগোলের    
খ) আঞ্চলিক ভূগোলের
গ) প্রাকৃতিক ভূগোলের    
ঘ) রাজনৈতিক ভূগোলের

১৯. প্রাকৃতিক ভূগোলের কোন শাখায় নদ-নদীর উৎপত্তি নিয়ে আলোচনা করা হয়?
ক) পানিবিদ্যা    খ) জলবায়ুবিদ্যা
গ) সমুদ্রবিদ্যা    ঘ) ভূমিরূপবিদ্যা

আরো পড়ুন : প্রাকৃতিক ভূগোল অধ্যায়ের ১৩টি বহুনির্বাচনি প্রশ্ন ও উত্তর, ১ম পর্ব, এইচএসসির ভূগোল ১ম পত্র

২০. ভূমিরূপবিদ্যার পরিসরভুক্ত হলো-
i. খনিজ ও শিলা    
ii. ভূমিরূপ ও আগ্নেয়গিরি
iii. মহীসোপান ও মহীঢাল
নিচের কোনটি সঠিক?
ক) i ও ii     খ) i ও iii
গ) ii ও iii     ঘ) i, ii ও iii

নিচের উদ্দীপকটি পড়ে ২১ ও ২২ নম্বর প্রশ্নের উত্তর লেখ।

একাদশ শ্রেণির ছাত্রী লিপি তার ভূগোল বই থেকে জানতে পেরেছে পৃথিবী বিভিন্ন অবস্থার মধ্য দিয়ে বর্তমান অবস্থায় পৌঁছেছে অর্থাৎ পৃথিবীতে জলভাগ, স্থলভাগ ও বায়ুমণ্ডলের উৎপত্তি হয়েছে।

২১. ওপরের উদ্দীপকের বিষয়গুলো কোন ভূগোলে আলোচনা করা হয়?
ক) গাণিতিক ভূগোলে    খ) মানব ভূগোলে
গ) প্রাকৃতিক ভূগোলে    ঘ) জ্যোতির্বিদ্যায়

২২. পৃথিবী ওই অবস্থায় পৌঁছেছে- 
i.  তরল অবস্থার মধ্য দিয়ে    
ii. কঠিন অবস্থার মধ্য দিয়ে
iii. বাষ্পীয় অবস্থার মধ্য দিয়ে
নিচের কোনটি সঠিক?
ক) i ও ii             খ) i ও iii
গ) ii ও iii            ঘ) i, ii ও iii

২৩. ভূগোলের কোন শাখায় প্রাণ ও পরিবেশের মিথস্ক্রিয়া পর্যালোচনা করা হয়?
ক) সমুদ্রবিদ্যায়       খ) জলবায়ুবিদ্যায়
গ) ভূমিরূপবিদ্যায়    ঘ) বাস্তুবিদ্যায়

২৪. ভূগোল বিষয়টি কীসের আলোকে পৃথিবী ও মানুষের আন্তঃসম্পর্ক আলোচনা করে?
ক) স্থান ও কাল        খ) স্থান ও পানি
গ) কাল ও বিবর্তন    ঘ) সময় ও সুযোগ

উত্তর: ১৪. ক, ১৫. গ,  ১৬. ক, ১৭. ঘ, ১৮. গ, ১৯. ঘ, ২০. ক, ২১. গ, ২২. খ, ২৩. ঘ, ২৪. ক।

লেখক : প্রভাষক
ভিকারুননিসা নূন স্কুল অ্যান্ড কলেজ, ঢাকা

কবীর

বাংলাদেশের বেসরকারি সমাজ উন্নয়ন কার্যক্রম অধ্যায়ের ১টি প্রশ্ন ও উত্তর, ২য় পর্ব, এইচএসসির সমাজকর্ম দ্বিতীয় পত্র

প্রকাশ: ১৪ জুন ২০২৬, ০৪:৪৩ পিএম
বাংলাদেশের বেসরকারি সমাজ উন্নয়ন কার্যক্রম অধ্যায়ের ১টি প্রশ্ন ও উত্তর, ২য় পর্ব, এইচএসসির সমাজকর্ম দ্বিতীয় পত্র
শিক্ষার্থীরা শিক্ষকের লেকচার শুনছে ও নোট করছে। ছবি- খবরের কাগজ

সপ্তম অধ্যায় : বাংলাদেশের বেসরকারি সমাজ উন্নয়ন কার্যক্রম

নমুনা প্রশ্ন ও উত্তর

প্রশ্ন: গ্রামীণ ব্যাংকের ক্ষুদ্র ঋণ কার্যক্রম সম্পর্কে সংক্ষেপে লেখ।

উত্তর: গ্রামীণ ব্যাংকের ক্ষুদ্রঋণ কার্যক্রম: গ্রামীণ ভূমিহীন ও দরিদ্র লোকদের আত্মনির্ভরশীল করার জন্য গ্রামীণ ব্যাংক কতিপয় মহৎ ও গুরুত্বপূর্ণ কাজ করে থাকে। গ্রামীণ ব্যাংকের উদ্দেশ্য ও লক্ষ্যকে সামনে রেখে বিভিন্ন শাখার মাধ্যমে তার যাবতীয় কার্যাবলি সম্পাদন করে। কমপক্ষে দুটি ইউনিয়ন নিয়ে গ্রামীণ ব্যাংকের একটি শাখা স্থাপন করা হয়। প্রতিটি শাখার কাজ সম্পাদন করার জন্য ১ জন ম্যানেজার, ৩ জন নারী ও ৩ জন পুরুষ ব্যাংক কর্মী নিয়োগ করা হয়। তাদের মূল কাজ হলো ঋণ বিতরণ ও কিস্তি আদায় করা। গ্রামীণ ব্যাংক থেকে ঋণ গ্রহণের মাধ্যমে বহু ভূমিহীন আবার ভূমির মালিক হয়েছে, দুস্থ জনগোষ্ঠী পেয়েছে তাদের বাঁচার আশা। আর্থসামাজিক উন্নয়নে গ্রামীণ ব্যাংক ব্যাপক ভূমিকা পালন করেছে।
গ্রামীণ ব্যাংক তার উদ্দেশ্য ও লক্ষ্যার্জনে যেসব কার্য সম্পাদন করে তা নিচে উপস্থাপন করা হলো- 
১। ক্ষুদ্র ঋণ কার্যক্রম: গ্রামীণ ব্যাংকের প্রধান কাজ হচ্ছে ক্ষুদ্র ঋণ দেওয়া। এ কর্মসূচির আওতায় গ্রামীণ ব্যাংক গ্রামের দরিদ্র ও ভূমিহীন জনসাধারণকে বিনা জামানতে সহজ শর্তে ঋণ দিয়ে থাকে। কৃষিকাজ, ব্যবসা-বাণিজ্য, পশুপালন, গ্রামীণ শিল্প, যানবাহন, মৎস্য চাষ, খাদ্য প্রক্রিয়াজাতকরণ ও বাজারজাতকরণ, হাঁস-মুরগি পালন ও গাভি পালন ইত্যাদি বিষয়ে ঋণ দেওয়া হয়। গ্রামীণ ব্যাংকের ঋণ প্রদানের খাতগুলো হলো-
i) উৎপাদন ও প্রক্রিয়াজাতকরণ: এ খাতের মাধ্যমে ঋণগ্রহীতাদের স্থানীয় সম্পদের সদ্ব্যবহারের মাধ্যমে আত্মকর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি, সঞ্চয় ও পুঁজিগঠন এবং আত্মনির্ভরশীলতা অর্জনের লক্ষ্যে গ্রামীণ ব্যাংক ঋণ দিয়ে থাকে। এক্ষেত্রে যেসব বিষয়ের ওপর ঋণ দেওয়া হয় তা হলো— বাঁশ ও বেতের কাজ, ছাতা মেরামত, মিষ্টি তৈরি, দর্জির কাজ ইত্যাদি।

আরো পড়ুন : বাংলাদেশের বেসরকারি সমাজ উন্নয়ন কার্যক্রম অধ্যায়ের ১টি প্রশ্ন ও উত্তর, ১ম পর্ব, এইচএসসির সমাজকর্ম ২য় পত্র

ii) পশুপালন ও মৎস্য চাষ: ভূমিহীনদের জীবনযাত্রার মান উন্নয়ন ও দেশের পশুসম্পদ বৃদ্ধির লক্ষ্যে গ্রামীণ ব্যাংক গাভি পালন, গরু-বাছুর মোটা-তাজাকরণ, মহিষ, ছাগল, ভেড়া ইত্যাদি গবাদিপশু পালন এবং হাঁস-মুরগির খামার করার জন্য ঋণ দিয়ে থাকে। সে সঙ্গে মৎস্য চাষ, মাছ ধরার জাল ও নৌকা কেনার জন্যও ঋণ দিয়ে থাকে।
iii) কৃষি খামার ও বনায়ন: দরিদ্র কৃষকদের জীবনমান উন্নয়নের জন্য গ্রামীণ ব্যাংক ধান, গম, ভুট্টা আখ, শাকসবজি, ফলমূল ইত্যাদি চাষ, বৃক্ষরোপণসহ প্রভৃতি লাভজনক খাতে ঋণ দিয়ে থাকে।
iv) গৃহনির্মাণ কার্যক্রম: গ্রামীণ ব্যাংক দুস্থ ও বিত্তহীন সদস্যদের গৃহনির্মাণে সহায়তা করার জন্য ১৯৮৪ সালে গৃহনির্মাণ কার্যক্রম গ্রহণ করে। প্রতি গৃহের জন্য সর্বোচ্চ ঋণের পরিমাণ ১৫ হাজার টাকা। এ পর্যন্ত মোট ৬ লাখ ৯১ হাজার ৩২২টি গৃহনির্মাণে ঋণ দেওয়া হয়েছে।
v) সেবা খাত: কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি ও আয় বৃদ্ধির লক্ষ্যে গ্রামীণ ব্যাংক রিকশা কেনা, সেলুন পরিচালনা, ডেকোরেটর, নির্মাণকাজ ইত্যাদি খাতে ঋণ দিয়ে থাকে।
vi) দোকানদারি: গ্রামীণ ব্যাংকের ঋণদানের অপর খাত হলো মুদি দোকান, চা দোকান, পল্লির উপযোগী মনিহারি দোকান, পান দোকান ইত্যাদি।
vii) ফেরি ও ব্যবসা: গ্রামীণ ব্যাংক বাঁশের ঝুড়ি, বেতের ঝুড়ি, পাটের তৈরি জিনিস, কাপড়, সাবান, ধান, চাল, কাঠ, গুড় ও অন্যান্য ব্যবসায় ঋণ দিয়ে থাকে।
viii) যৌথ কার্যক্রম: অধিক আয় ও অধিক পুঁজি গঠনের মাধ্যমে জীবনযাত্রার মানোন্নয়ন ও দেশের অর্থনীতিকে সমৃদ্ধিশালী করে তোলা এ খাতে ঋণদানের উদ্দেশ্য। এ খাতের ঋণ গ্রুপকে দেওয়া হয়। যৌথভাবে পরিচালনাযোগ্য কার্যক্রম যেমন- হাঁস-মুরগির খামার প্রতিষ্ঠা, বাজারঘাটের নিলাম, ধান ও চিড়ার কল কেনা ও প্রতিষ্ঠা, হ্যাচারি খামার, মৎস্য চাষ প্রভৃতি কার্যক্রমে গ্রামীণ ব্যাংক ঋণ দিয়ে থাকে।

লেখক : প্রভাষক, সমাজকর্ম
শের-ই-বাংলা স্কুল অ্যান্ড কলেজ, মধুবাগ, মগবাজার, ঢাকা

কবীর

রয়্যাল বেঙ্গল টাইগার পাঠ থেকে ৪টি অনুশীলনীর প্রশ্ন ও উত্তর, ২য় পর্ব, পঞ্চম শ্রেণির বাংলা

প্রকাশ: ১৪ জুন ২০২৬, ০৩:৩৭ পিএম
রয়্যাল বেঙ্গল টাইগার পাঠ থেকে ৪টি অনুশীলনীর প্রশ্ন ও উত্তর, ২য় পর্ব, পঞ্চম শ্রেণির বাংলা
রয়্যাল বেঙ্গল টাইগার। ছবি- সংগৃহীত

পাঠ-৮ : রয়্যাল বেঙ্গল টাইগার

অনুশীলনীর প্রশ্ন ও উত্তর

প্রশ্ন: কোন কোন বৈশিষ্ট্য বাঘকে দক্ষ শিকারি বানিয়েছে?

উত্তর: নিচের বৈশিষ্ট্যগুলো বাঘকে দক্ষ শিকারি বানিয়েছে–
দৃষ্টি, শ্রবণ ও ঘ্রাণশক্তি: বাঘের দৃষ্টি, শ্রবণ ও ঘ্রাণশক্তি খুবই প্রখর।
শক্তিশালী থাবা ও নখ: তাদের আছে শক্তিশালী থাবা, যা নরম ও লোমযুক্ত হওয়ায় চলার সময় শব্দ হয় না। শিকার ধরার সময় থাবা থেকে নখ বেরিয়ে আসে।
দাঁত ও চোয়াল: খাবার চিবানোর জন্য এদের রয়েছে তীক্ষ্ণ ও ধারালো দাঁত আর মজবুত চোয়াল।

প্রশ্ন: রয়্যাল বেঙ্গল টাইগার কমে যাওয়ার কারণ কী?

উত্তর: প্রাকৃতিক দুর্যোগ এবং মানুষের শিকারের ফলে রয়্যাল বেঙ্গল টাইগার কমে যাচ্ছে। প্রাকৃতিক দুর্যোগ দেখা দিলে বাঘের জীবন বিপন্ন হয়। এছাড়াও কিছু লোক চামড়া ও অন্যান্য অঙ্গ-প্রত্যঙ্গের লোভে বাঘ মেরে ফেলে। ফলে বাঘ এখন বিলুপ্তির পথে। 

আরো পড়ুন : রয়্যাল বেঙ্গল টাইগার পাঠ থেকে ২টি অনুশীলনীর প্রশ্ন ও উত্তর, ১ম পর্ব, পঞ্চম শ্রেণির বাংলা

প্রশ্ন: বিড়ালকে বাঘের মাসি বলা হয় কেন?

উত্তর:  বিড়াল প্রজাতির সবচেয়ে বড় প্রাণী বাঘ।  এ কারণে বিড়ালকে বাঘের মাসি বলা হয়।

প্রশ্ন: বাঘের সাঁতারের ব্যাপারে কী বলা হয়?

উত্তর: বাঘ খুব ভালো সাঁতার কাটতে পারে। বাঘ সাঁতার কাটার সময় অর্থাৎ  নদী বা খাল পার হওয়ার সময়ে সে ঠিক সোজাসুজি এগিয়ে যায়। যদি স্রোতের কারণে কিছুদূর সরে যায়, তবে আবার ঠিক আগের জায়গায় ফিরে আসে।

লেখক : সহকারী শিক্ষক
ভিকারুননিসা নূন স্কুল অ্যান্ড কলেজ, বসুন্ধরা, ঢাকা

কবীর

ব্যাপন, অভিস্রবণ ও প্রস্বেদন অধ্যায়ের ৯টি বহুনির্বাচনি প্রশ্ন ও উত্তর, ১ম পর্ব, অষ্টম শ্রেণির বিজ্ঞান

প্রকাশ: ১৪ জুন ২০২৬, ১২:৩১ পিএম
ব্যাপন, অভিস্রবণ ও প্রস্বেদন অধ্যায়ের ৯টি বহুনির্বাচনি প্রশ্ন ও উত্তর, ১ম পর্ব, অষ্টম শ্রেণির বিজ্ঞান
উদ্ভিদের ব্যাপন ও অভিস্রবণ প্রক্রিয়া। প্রতীকী ছবি- সংগৃহীত

তৃতীয় অধ্যায় : ব্যাপন, অভিস্রবণ ও প্রস্বেদন

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন ও উত্তর

১। নিচের কোনটি ভেদ্য পর্দা?
ক) পলিথিন        খ) মাছের পটকার পর্দা 
গ) কোষপ্রাচীর    ঘ) কিউটিনযুক্ত কোষপ্রাচীর

২। তাপমাত্রা বাড়লে সাধারণত ব্যাপনের হার-
ক) কমে                    খ) বাড়ে 
গ) অতিরিক্ত বাড়ে     ঘ) অপরিবর্তিত থাকে

৩। নিচের কোনটি অভেদ্য পর্দা?
ক) পলিথিন     
খ) মাছের পটকার পর্দা 
গ) কোষপ্রাচীর     
ঘ) কিউটিনযুক্ত কোষপ্রাচীর

৪। নিচের কোন পর্দা ভিন্ন ধরনের?
ক) কোষ পর্দা     
খ) ডিমের খোসার ভেতরের পর্দা 
গ) কোষপ্রাচীর     
ঘ) কিউটিনযুক্ত কোষপ্রাচীর

৫। ব্যাপন প্রক্রিয়ায় কোষে নিচের কোনটি প্রবেশ করে?
ক) নাইট্রোজেন     খ) অক্সিজেন 
গ) হাইড্রোজেন     ঘ) কার্বন

আরো পড়ুন : জীবের বৃদ্ধি ও বংশগতি অধ্যায় থেকে ৫টি বহুনির্বাচনি প্রশ্ন ও উত্তর, ৬ষ্ঠ পর্ব, অষ্টম শ্রেণির বিজ্ঞান

৬। কোনটি ‘Necessary evil’ নামে খ্যাত?
ক) অভিস্রবণ     খ) ব্যাপন 
গ) প্রস্বেদন        ঘ) ইমবাইবিশন

৭। রক্ত থেকে পুষ্টি উপাদান কোষে প্রবেশ করে কোন প্রক্রিয়ায়?
ক) অভিস্রবণ     খ) ব্যাপন 
গ) প্রস্বেদন        ঘ) ইমবাইবিশন

৮। জীবকোষে শ্বসনের সময় গ্লুকোজের জারণ ঘটায় নিচের কোনটি?
ক) নাইট্রোজেন     খ) অক্সিজেন 
গ) হাইড্রোজেন     ঘ) কার্বন

৯। অভিস্রবণ এক প্রকার কী?
ক) প্রস্বেদন     খ) ব্যাপন 
গ) পর্দা           ঘ) কোষ পর্দা

উত্তর: ১. গ, ২. খ, ৩. ক, ৪. গ, ৫. খ, ৬. গ, ৭. খ, ৮. খ, ৯. খ।

লেখক : সহকারী শিক্ষক
লৌহজং বালিকা পাইলট উচ্চবিদ্যালয়, মুন্সীগঞ্জ

কবীর

বাংলাদেশের প্রাকৃতিক দুর্যোগ বিষয়ক প্রবন্ধ রচনা, ১ম পর্ব, এইচএসসির বাংলা ২য় পত্র

প্রকাশ: ১৩ জুন ২০২৬, ০৬:১১ পিএম
বাংলাদেশের প্রাকৃতিক দুর্যোগ বিষয়ক প্রবন্ধ রচনা, ১ম পর্ব, এইচএসসির বাংলা ২য় পত্র
বন্যায় বাংলাদেশের অনেক অঞ্চল ডুবে গেছে। ছবি- সংগৃহীত

প্রবন্ধ রচনা : বাংলাদেশের প্রাকৃতিক দুর্যোগ

ভূমিকা : ‘এমন দেশটি কোথাও খুঁজে পাবে নাকো তুমি
            সকল দেশের রাণী সে যে আমার জন্মভূমি।’

কবির এই অমর বাণী কখনো কখনো মিথ্যা মনে হয়। যখন নানা প্রকার প্রাকৃতিক দুর্যোগ সর্বগ্রাসী শক্তি নিয়ে আমাদের ওপর চেপে বসে, তখন নিজেদের বড় অসহায় মনে হয়। সবুজ-শ্যামলে, হরিতে-হিরণে সুন্দর একটি দেশ–বাংলাদেশ এই পৃথিবীর মানচিত্রে  স্থান করে নিয়েছে। কিন্তু দুঃখজনক হলেও সত্য, লাল-সবুজের দেশটি সম্প্রতি প্রাকৃতিক দুর্যোগের লীলভূমি হিসেবে আখ্যায়িত। প্রকৃতপক্ষে বাংলাদেশ ভৌগোলিক অবস্থানের কারণে প্রাকৃতিক দুর্যোগের ঝুঁকিপ্রবণ দেশ। বঙ্গোপসাগরের উত্তরাঞ্চলে অবস্থিত এই দেশটি ঘূর্ণিঝড়, বন্যা, নদীভাঙন, ভূমিকম্প এবং জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাবে বারবার ক্ষতিগ্রস্ত হয়। এই দুর্যোগগুলো জনজীবন, কৃষি, অবকাঠামো এবং অর্থনীতির ওপর ব্যাপক প্রভাব ফেলে। জলবায়ু পরিবর্তনের ফলে দুর্যোগের তীব্রতা বেড়েছে। তবে আধুনিক পূর্বাভাস ব্যবস্থা, আশ্রয়কেন্দ্র নির্মাণ এবং জনসচেতনতা কার্যক্রম গ্রহণ করার ফলে ক্ষয়ক্ষতি কমেছে। সরকার, বেসরকারি সংস্থা এবং স্থানীয় সম্প্রদায়ের সমন্বিত প্রচেষ্টায় দুর্যোগ মোকাবিলার ক্ষমতা বৃদ্ধি পেয়েছে। দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা এবং আন্তর্জাতিক সংস্থা ও দেশের সহযোগিতার মাধ্যমে বাংলাদেশ দুর্যোগ মোকাবিলায় আরও সক্ষম হতে পারে।

বাংলাদেশের অবস্থান এবং দুর্যোগ:  বাংলাদেশ দক্ষিণ এশিয়ার একটি সমতল ও নিম্নভূমি দেশ, যা বঙ্গোপসাগরের উত্তরে অবস্থিত। এর ভৌগোলিক অবস্থান দেশটিকে প্রাকৃতিক দুর্যোগের জন্য অত্যন্ত ঝুঁকিপ্রবণ করেছে। হিমালয়ের পাদদেশে অবস্থিত হওয়ায় ভূমিকম্পের ঝুঁকি রয়েছে এবং বঙ্গোপসাগরের কাছাকাছি থাকায় ঘূর্ণিঝড় ও জলোচ্ছ্বাসের শিকার হতে হয়। পদ্মা, মেঘনা, যমুনার মতো বড় নদীগুলো বন্যা ও নদীভাঙন সৃষ্টি করে। জলবায়ু পরিবর্তন সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা বৃদ্ধি এবং অতিরিক্ত বৃষ্টির কারণে এ দেশে দুর্যোগের তীব্রতা বেড়েছে। উপকূলীয় অঞ্চলগুলো লবণাক্ততার সমস্যায় ভুগছে। এই অবস্থানের কারণে বাংলাদেশ প্রতিনিয়ত প্রাকৃতিক দুর্যোগের মুখোমুখি হয়। তবে সরকার ও স্থানীয় সম্প্রদায়ের প্রচেষ্টায় দুর্যোগ মোকাবিলার ক্ষমতা বৃদ্ধি পাচ্ছে। জনসচেতনতা ও আধুনিক প্রযুক্তির ব্যবহার দুর্যোগের ক্ষতি কমাতে সহায়ক ভূমিকা রাখছে।

দুর্যোগ ও প্রাকৃতিক দুর্যোগ: দুর্যোগের সংজ্ঞা নির্দেশ করতে গিয়ে বিশেষজ্ঞরা জানান, Disaster is an event, natural or man made, that seriously disrupts the normal functions of the civil society, thereby causing material and human losses of such severity that the affected community has to respond by taking exceptional measures nationally and internationally. মোট কথা, প্রাকৃতিক বা মানবসৃষ্ট যেসব ঘটনা মানুষের স্বাভাবিক জীবনধারাকে ব্যাহত করে, মানুষের সম্পদ ও পরিবেশের এমনভাবে ক্ষতিসাধন করে যার ফলে আক্রান্ত জনগোষ্ঠীকে জাতীয় ও আন্তর্জাতিকভাবে ব্যতিক্রমধর্মী প্রচেষ্টার মাধ্যমে মোকাবিলা করতে হয়, তা-ই দুর্যোগ। আর প্রাকৃতিক কারণে যেসব দুর্যোগ সংঘটিত হয় সেগুলো প্রাকৃতিক দুর্যোগ। যেমন- বাংলাদেশের ঘূর্ণিঝড়, বন্যা, ভূমিকম্প, নদীভাঙন, খরা, জলোচ্ছ্বাস এবং লবণাক্ততা সাধারণ প্রাকৃতিক দুর্যোগ। এগুলো দেশের অর্থনীতি, কৃষি ও জনজীবনে ব্যাপক প্রভাব ফেলে। ঘূর্ণিঝড় ও জলোচ্ছ্বাস উপকূলীয় অঞ্চলের জন্য মারাত্মক ক্ষতিকর প্রভাব ফেলে, যখন বন্যা ও নদীভাঙন নিম্নাঞ্চলকে ধ্বংস করে। ভূমিকম্প শহরাঞ্চলে ঝুঁকি সৃষ্টি করে। জলবায়ু পরিবর্তনের ফলে এই দুর্যোগগুলোর তীব্রতা বাড়ছে। তবে আধুনিক প্রযুক্তি, পূর্বাভাস ব্যবস্থা এবং আশ্রয়কেন্দ্র তৈরির কারণে ক্ষয়ক্ষতি কমেছে। সরকার ও বেসরকারি সংস্থাগুলো দুর্যোগ মোকাবিলায় কাজ করছে। জনসচেতনতা ও প্রশিক্ষণের মাধ্যমে দুর্যোগের প্রভাব কমানো সম্ভব। বাংলাদেশের প্রাকৃতিক দুর্যোগ মোকাবিলায় টেকসই পরিকল্পনা গ্রহণ করা অপরিহার্য।

প্রাকৃতিক দুর্যোগের কারণ : পরিবেশ দূষণে জলবায়ু পরিবর্তনের ফলে পৃথিবীর বহু দেশে সৃষ্টি হচ্ছে প্রাকৃতিক দুর্যোগ। তবে শতকরা ২০ থেকে ২৫ ভাগ প্রাকৃতিক দুর্যোগ জলবায়ু পরিবর্তনের  কারণে হতে পারে। তবে বেশির ভাগ পরিবর্তন হচ্ছে মনুষ্য সৃষ্ট। বিশেষজ্ঞরা জানান, জলবায়ু পরিবর্তনের জন্য সবচেয়ে বেশি দায়ী শিল্পোন্নত দেশগুলো। এদের  ভোগবিলাসিতা ও যন্ত্রনির্ভরশীলতার জন্য পৃথিবীতে গ্রিন হাউস গ্যাসের পরিমাণ বেড়ে যাচ্ছে। এসব দেশের কলকারখানা ও গাড়ি থেকে অতিমাত্রায় কার্বন ডাই-অক্সাইড নিঃসরণের ফলে বায়ুমণ্ডলের ওজোন স্তর ক্ষয় হয়ে যাচ্ছে। সেই সঙ্গে বাড়ছে তাপমাত্রা, তাতে মেরু অঞ্চল ও বিভিন্ন পর্বতে জমে থাকা বরফ গলে সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা বাড়ছে। সমুদ্র ও নদীর পানির স্রোত ও ঢেউ বাড়ছে ফলে নদী ও সমুদ্রের উপকূলে ভাঙনের হারও বেড়ে যাচ্ছে। বাংলাদেশসহ বিশ্বের দরিদ্র দেশগুলো জলবায়ু পরিবর্তনের ফলে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। জলবায়ু পরিবর্তন ও অপরিকল্পিত উন্নয়ন কর্মকাণ্ডের কারণে দেশের বেশির ভাগ নদী শুকিয়ে যাচ্ছে। পলি জমে বেশকিছু নদী দেশের মানচিত্র থেকে হারিয়ে গেছে। দেশের প্রধান নদীগুলো বিভিন্ন স্থানে এসে ভরাট হয়ে যাচ্ছে। পদ্মা, মেঘনা, ব্রহ্মপুত্র ও যমুনার মাধ্যমে হিমালয় থেকে ভারত হয়ে বাংলাদেশের নদীগুলোতে পানি এলেও এগুলোর স্রোতধারা অনেকটা কমে গেছে। ব্রহ্মপুত্রের অবস্থা অত্যন্ত নাজুক। পদ্মার বুকেও বিভিন্ন স্থানে চর পড়ে নদী ভরাট হয়ে যাচ্ছে। ফারাক্কার প্রভাবে গত তিন দশকে বাংলাদেশের ৮০টি নদীর ওপর মারাত্মক প্রভাব পড়েছে। এক সময়ের খরস্রোতা নদী হিসেবে পরিচিত দেশের ১৭টি নদী মরা নদীতে পরিণত হয়েছে। আরও আটটি নদী মৃতপ্রায়। এসব নদী ড্রেজিং করে সচল করারও কোনো ব্যবস্থা নেওয়া হয় না। ফলে বর্ষাকালে নদীর উপচে পড়া পানি প্লাবিত করে ফসলের মাঠ, জনবসতি। প্রতি বছরই বন্যা এ দেশের নিয়তি হয়ে দাঁড়িয়েছে। বন উজাড় করাও প্রাকৃতিক দুর্যোগের আরেকটি কারণ। প্রত্যেক দেশের মোট আয়তনের ২৫ শতাংশ বনাঞ্চল যেখানে থাকা প্রয়োজন সেখানে বাংলাদেশে সরকারি হিসাবে মাত্র ১৬ ভাগ বনাঞ্চল রয়েছে।

প্রাকৃতিক দুর্যোগের নাম: বাংলাদেশে বিভিন্ন ধরনের প্রাকৃতিক দুর্যোগ ঘটে। এর মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো–ঘূর্ণিঝড়, বন্যা, ভূমিকম্প, নদীভাঙন, জলোচ্ছ্বাস, খরা, লবণাক্ততা, কালবৈশাখী, টর্নেডো, বজ্রপাত, তাপপ্রবাহ, শিলাবৃষ্টি, ঘন কুয়াশা, বায়ু দূষণ, পানি দূষণ, ভূমিধস এবং তুষারপাত। এই দুর্যোগগুলো দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে বিভিন্ন তীব্রতায় আঘাত হানে। ঘূর্ণিঝড় ও জলোচ্ছ্বাস উপকূলীয় অঞ্চলে, বন্যা ও নদীভাঙন নিম্নাঞ্চলে এবং ভূমিকম্প শহরাঞ্চলে বেশি প্রভাব ফেলে। জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে এই দুর্যোগের তীব্রতা বাড়ছে। তবে, প্রতিটি দুর্যোগের জন্য অনেক দেশের পৃথক মোকাবিলা কৌশল রয়েছে। পূর্বাভাস, প্রশিক্ষণ ও অবকাঠামো উন্নয়ন এই দুর্যোগ মোকাবিলায় সহায়ক। জনসচেতনতা ও টেকসই পরিকল্পনা গ্রহণ দুর্যোগের প্রভাব কমাতে পারে। 

(বাকি অংশ ২য় পর্বে প্রকাশ করা হবে)

লেখক : সহকারী অধ্যাপক, বাংলা বিভাগ
রাজউক উত্তরা মডেল কলেজ, ঢাকা

কবীর