প্রবন্ধ : মানবকল্যাণ
জ্ঞানমূলক প্রশ্ন ও উত্তর
প্রশ্ন: প্রত্যেক মানুষ কীসের সঙ্গে সম্পর্কিত?
উত্তর: প্রত্যেক মানুষ সমাজের সঙ্গে সম্পর্কিত।
প্রশ্ন: উপলব্ধি ছাড়া মানবকল্যাণ কী হয়ে যায়?
উত্তর: স্রেফ দান-খয়রাত আর কাঙালি ভোজনের মতো মানব-মর্যাদার অবমাননাকর এক পদ্ধতি
হয়ে যায়।
প্রশ্ন: একমুষ্টি ভিক্ষা দেওয়াকে আমরা সাধারণভাবে কী মনে করে থাকি?
উত্তর: মানবকল্যাণ।
প্রশ্ন: মানুষ কোন হাত পেতে গ্রহণ করে?
উত্তর: নিচের হাত।
প্রশ্ন: অনুগ্রহকারী আর অনুগৃহীতের মধ্যে কোন দিক থেকে পার্থক্য?
উত্তর: মনুষ্যত্ব ও মানবমর্যাদার দিক থেকে পার্থক্য।
প্রশ্ন: আমাদের দৃষ্টিভঙ্গিকে কী করতে হবে?
উত্তর: আমাদের দৃষ্টিভঙ্গিকে পাল্টাতে হবে।
প্রশ্ন: কীভাবে সমস্যার মোকাবিলা করতে হবে?
উত্তর: নতুন দৃষ্টিকোণ থেকে সমস্যার মোকাবিলা করতে হবে।
প্রশ্ন: জোড়াতালি দিয়ে কী করা যায় না?
উত্তর: জোড়াতালি দিয়ে কোনো সমস্যার সমাধান করা যায় না।
প্রশ্ন: কীভাবে কল্যাণময় পৃথিবী রচনা করা সম্ভব?
উত্তর: মুক্তবুদ্ধির সহায়তায় সুপরিকল্পিত পথে কল্যাণময় পৃথিবী রচনা করা সম্ভব।
প্রশ্ন: আবুল ফজল কত খ্রিষ্টাব্দে জন্মগ্রহণ করেন?
উত্তর: আবুল ফজল ১৯০৩ খ্রিষ্টাব্দে জন্মগ্রহণ করেন।
প্রশ্ন: ছাত্রজীবনে আবুল ফজল কোন আন্দোলনে যুক্ত হন?
উত্তর: ছাত্রজীবনে আবুল ফজল বুদ্ধির মুক্তি আন্দোলনে যুক্ত হন।
প্রশ্ন: আবুল ফজল ও অন্য মনীষীরা কী প্রতিষ্ঠা করেন?
উত্তর: মুসলিম সাহিত্য সমাজ প্রতিষ্ঠা করেন।
প্রশ্ন: আবুল ফজলের লেখা ‘চৌচির’ কোন জাতীয় রচনা?
উত্তর: আবুল ফজলের লেখা ‘চৌচির’ একটি উপন্যাস।
আরো পড়ুন : মানবকল্যাণ প্রবন্ধের মূলভাব লিখন, ১ম পর্ব
প্রশ্ন: ‘রাঙা প্রভাত’ কী ধরনের রচনা?
উত্তর: ‘রাঙা প্রভাত’ একটি উপন্যাস।
প্রশ্ন: আবুল ফজল কত খ্রিষ্টাব্দে মৃত্যুবরণ করেন?
উত্তর: আবুল ফজল ১৯৮৩ খ্রিষ্টাব্দে মৃত্যুবরণ করেন।
প্রশ্ন: আবুল ফজল কোথায় মৃত্যুবরণ করেন?
উত্তর: আবুল ফজল চট্টগ্রামে মৃত্যুবরণ করেন।
প্রশ্ন: প্রচলিত ধারণায় মানবকল্যাণ কথাটা কোন অর্থে ব্যবহৃত হয়ে থাকে?
উত্তর: প্রচলিত ধারণায় মানবকল্যাণ কথাটা অনেকখানি সস্তা আর মামুলি অর্থে ব্যবহৃত
হয়ে থাকে।
প্রশ্ন: ওপরের হাত মানে কী?
উত্তর: ওপরের হাত মানে দাতা বা যে হাত তুলে ওপর থেকে অনুগ্রহ বর্ষণ করে।
প্রশ্ন: দান বা ভিক্ষা গ্রহণকারীর মাঝে কোনটি প্রতিফলিত হয়?
উত্তর: দান বা ভিক্ষা গ্রহণকারীর মাঝে দীনতা প্রতিফলিত হয়।
প্রশ্ন: ভিক্ষা গ্রহণকারীর দীনতার দৃশ্যকে লেখক কী বলে অভিহিত করেছেন?
উত্তর: বীভৎস বলে অভিহিত করেছেন।
প্রশ্ন: কোন দিক থেকে অনুগ্রহকারী আর অনুগৃহীতের মধ্যে আকাশ-পাতাল পার্থক্য?
উত্তর: মনুষ্যত্ব আর মানব-মর্যাদার দিক থেকে।
প্রশ্ন: কোনটি জাতির যৌথ জীবন আর যৌথ চেতনার প্রতীক?
উত্তর: রাষ্ট্র জাতির যৌথ জীবন আর যৌথ চেতনার প্রতীক।
প্রশ্ন: জাতিকে আত্মমর্যাদাসম্পন্ন করে তোলা কার দায়িত্ব?
উত্তর: জাতিকে আত্মমর্যাদাসম্পন্ন করে তোলা রাষ্ট্রের দায়িত্ব।
প্রশ্ন: ‘মানবকল্যাণ’ প্রবন্ধে অনুসারে রাষ্ট্রের বৃহত্তর দায়িত্ব কোনটি?
উত্তর: জাতিকে আত্মমর্যাদাসম্পন্ন করে তোলা।
প্রশ্ন: কোন ধরনের রাষ্ট্র আত্মমর্যাদাসম্পন্ন নাগরিক সৃষ্টি করতে পারে না?
উত্তর: যে রাষ্ট্র হাত পাতা আর চাটুকারিতাকে প্রশ্রয় দেয়।
প্রশ্ন: লেখক কোন কাজকে মানবকল্যাণ বলে মনে করেন না?
উত্তর: দয়া বা করুণার বশবর্তী হয়ে দান-খয়রাতকে।
প্রশ্ন: মানবকল্যাণের উৎস কোথায় নিহিত?
উত্তর: মানুষের মর্যাদাবোধ বৃদ্ধি আর মানবিক চেতনা বিকাশের মধ্যে নিহিত।
প্রশ্ন: ‘মানবকল্যাণ’ প্রবন্ধে বর্ণিত, একদিন এক ব্যক্তি কার কাছে ভিক্ষা চাইতে এসেছিল?
উত্তর: হজরত মুহাম্মদ (সা.)-এর কাছে।
প্রশ্ন: হজরত মুহাম্মদ (সা.) ভিক্ষুককে কী পরামর্শ দিয়েছিলেন?
উত্তর: বন থেকে কাঠ সংগ্রহ করে বাজারে বিক্রি করে জীবিকা অর্জনের পরামর্শ দিয়েছিলেন।
লেখক : সহকারী অধ্যাপক, বাংলা বিভাগ
আদমজী ক্যান্টনমেন্ট কলেজ, ঢাকা
কবীর