ঢাকা ২ আষাঢ় ১৪৩৩, মঙ্গলবার, ১৬ জুন ২০২৬

সর্বশেষ
মগবাজার আদ-দ্বীনের শুধু প্যাথলজি নয়, হাসপাতালের লাইসেন্সও বাতিল: স্বাস্থ্যমন্ত্রী টিভিতে আজকের খেলা আলোক মাদার অ্যান্ড চাইল্ড কেয়ারের ‘স্বাস্থ্যসেবার আজ ও আগামী’ শীর্ষক মতবিনিময় সভা নবিজির মাথায় ও দাড়িতে কয়টি সাদা চুল ছিল? বায়ুদূষণে শীর্ষে জাকার্তা, ঢাকার খবর কী মাগুরায় বরের গাড়ি বিদ্যুতের পিলারে ধাক্কা, দুপক্ষের সংঘর্ষ নিহত ১ চাঁদপুরে খাল দূষণ ও ভরাট করায় ২ রাইস মিল মালিকের জরিমানা নারী কর্মীদের সৃজনশীল ও পেশাগত উন্নয়নে এশিয়াটিক থ্রিসিক্সটি চালু করল ‘হার এশিয়াটিক সার্কেল’ চট্টগ্রামে অবৈধ বাসস্থান উচ্ছেদ বাকলিয়ায় শিশু ধর্ষণ মামলায় সাক্ষ্যগ্রহণ শেষ, মঙ্গলবার যুক্তিতর্ক বৃষ্টি নিয়ে যা জানাল আবহাওয়া অধিদপ্তর চাঁপাইনবাবগঞ্জ সীমান্তে এক নারীকে পুশইনের চেষ্টা, বিজিবি’র প্রতিরোধ গজারিয়ায় গাড়ির ধাক্কায় মানসিক ভারসাম্যহীন যুবক নিহত ক্যালিফোর্নিয়ায় বি-৫২ যুদ্ধবিমান বিধ্বস্ত, নিহত ৮ কুমিল্লায় চর দখল নিয়ে টেটাযুদ্ধ, আহত ৪০ নারায়ণগঞ্জে গ্যাসের লিকেজ থেকে বিস্ফোরণে দগ্ধ ৩ জনের মৃত্যু বাংলাদেশ ব্যাংকের সম্মাননা পেল ইউসিবি এআই চশমার ত্রুটি-বিচ্যুতি গাজীপুর-নারায়ণগঞ্জের অংশ মিশছে ঢাকায় মুরগির দাম বেড়েছে, ডিম ও মাছের দাম স্থিতিশীল জিডিপির প্রবৃদ্ধি অর্জনের স্বপ্ন বহুদূর! দক্ষিণাঞ্চলে পেঁপে চাষে নীরব বিপ্লব বেনজীরকে ফেরানোর আইনি প্রক্রিয়া চলছে স্বাস্থ্যমন্ত্রীর পেছনে টাকা নিয়ে ঘুরিনি: আদ্-দ্বীন ফাউন্ডেশন বেসরকারি ব্যবস্থাপনায় পাটকল চালু হবে শেষ মহাকাব্যের অপেক্ষায় মেসি ১৬ জুন: তুলা, বৃশ্চিক, ধনু, মকর, কুম্ভ ও মীনের আজকের রাশিফল চট্টগ্রামে সড়ক বিভাজকের লোহার পাতে ঝুঁকি ১৬ জুন: মেষ, বৃষ, মিথুন, কর্কট, সিংহ ও কন্যার আজকের রাশিফল দুই দিনে ইসলামী ব্যাংককে ৫ হাজার কোটি টাকা ধার দিয়েছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক
Nagad desktop

Internet বিষয়ক Paragraph Writing, ৫ম পর্ব, এইচএসসি ইংরেজি ২য় পত্র

প্রকাশ: ১৬ এপ্রিল ২০২৫, ০৮:০০ পিএম
Internet বিষয়ক Paragraph Writing, ৫ম পর্ব, এইচএসসি ইংরেজি ২য় পত্র
সারা বিশ্বের মানুষ এখন ইন্টারনেটের মাধ্যমে যোগাযোগ করতে পারে। প্রতীকী ছবি- সংগৃহীত

Question No. 11 & 12

PARAGRAPH WRITING

Internet

Internet is the greatest wonder of modern science & technology. Internet is very important for us. It has a lot of uses. We can get a lot of information from the internet. No single person has invented the whole internet system. But computer scientist Tim Berners-Lee invented the World Wide Web which spreads the internet. Basically, the internet started its journey as the name of ARPANET in the United States of America in 1969. Actually, Vinton Cerf and Bob Kahn are the main people who invented the internet that we are using in our everyday life. Now people all over the world can communicate through the internet. About

আরো পড়ুন : Virtual and Real life, Paragraph Writing, ২য় পর্ব, এইচএসসি ইংরেজি ২য় পত্র

4.66 billion people are using the internet in 2021. Among the 92.6 percent, people are availing internet through mobile devices. Because of this, the world has become smaller. We can find many advertisements for various things on the internet. People can buy a lot of things on the internet. Besides, Students are having many benefits from using the Internet. They can get a lot of information about their studies from the internet. A business organization may increase its sales by advertising on the internet. It has also some negative effects also. Many students waste their valuable time on internet browsing. Some criminals use internet for their evil purposes. But we can see that the internet has a lot of benefits. We should use the internet wisely. Proper use of the internet may enhance the quality of us.

লেখক : সহযোগী অধ্যাপক, ইংরেজি বিভাগ
আদমজী ক্যান্টনমেন্ট কলেজ, ঢাকা

কবীর

বাংলাদেশের প্রাকৃতিক দুর্যোগ বিষয়ক প্রবন্ধ রচনা, ২য় পর্ব, এইচএসসির বাংলা ২য় পত্র

প্রকাশ: ১৫ জুন ২০২৬, ০৬:১৭ পিএম
বাংলাদেশের প্রাকৃতিক দুর্যোগ বিষয়ক প্রবন্ধ রচনা, ২য় পর্ব, এইচএসসির বাংলা ২য় পত্র
প্রাকৃতিক দুর্যোগ কালবৈশাখী ঝড়ের সময় তীব্র বাতাস, বৃষ্টি ও বজ্রপাত হয়। ছবি- সংগৃহীত

প্রবন্ধ রচনা: বাংলাদেশের প্রাকৃতিক দুর্যোগ

(১ম পর্বের পরের অংশ)

বন্যা: প্লাবন বা বর্ষার ভয়াল রূপ হলো বন্যা। বন্যার করাল গ্রাসে মানুষের স্বাভাবিক জীবনযাত্রা বিপন্ন হয়ে যায়। অসংখ্য মানুষ ও গৃহপালিত পশু প্রাণ হারায়, ঘরবাড়ি ও ফসল বিনষ্ট হয়। চার দশক ধরে বন্যা বাংলাদেশের একটি বার্ষিক সমস্যায় পরিণত হয়েছে। ১৯৪৫ ও ১৯৫৫ সালের বন্যা মানুষের মনে এখনো বিভীষিকারূপে বিরাজ করছে। ১৯৬৪ সালের বন্যায় সারা দেশ প্লাবিত হয়েছিল। ১৯৭০ সালেও  বন্যায় দেশের লাখ লাখ মানুষ ক্ষতিগ্রস্ত হয়। ১৯৭৪ ও ১৯৮৮ সালের বন্যায় দেশের মারাত্মক ক্ষতি সাধিত হয়। ১৯৯৮ সালের বন্যাও ছিল ভয়াবহ। এসব বন্যায় ব্যাপক প্রাণহানিসহ ফসল ও সম্পদের প্রচুর ক্ষতি সাধিত হয়। শতাব্দীর সবচেয়ে ভয়াবহ বন্যা হয় ১৯৯৮ সালে। দীর্ঘস্থায়ী  এ মহাপ্লাবনে দেশের বহু খেতের ফসল, ঘরবাড়ি ও মূল্যবান সম্পদের মারাত্মক ক্ষতি হয়। স্মরণকালের ইতিহাসে ২০০৪ সালের বন্যা ছিল সবচেয়ে ভয়াবহ। এ বন্যায় দেশের সার্বিক ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ প্রায় ৪২ হাজার কোটি টাকা।

সাইক্লোন ও জলোচ্ছ্বাস: সাইক্লোন বা ঘূর্ণিঝড় ও জলোচ্ছ্বাস বাংলাদেশের উপকূলীয় অঞ্চলের জন্য মারাত্মক দুর্যোগ। বঙ্গোপসাগরে সৃষ্ট ঘূর্ণিঝড় উচ্চগতির বাতাস ও জলোচ্ছ্বাস নিয়ে উপকূলীয় জনপদে আঘাত হানে। সিডর, আইলার মতো ঘূর্ণিঝড় জানমাল ও অবকাঠামোর ব্যাপক ক্ষতি করেছে। জলোচ্ছ্বাস গ্রাম, ফসল ও মৎস্য খামার প্লাবিত করে। যদিও আধুনিক পূর্বাভাস ব্যবস্থা, আশ্রয়কেন্দ্র এবং উচ্চ বাঁধের কারণে ক্ষয়ক্ষতি কমেছে। সরকার ও বেসরকারি সংস্থার প্রচেষ্টায় জনসচেতনতা বেড়েছে। তবে, জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা বৃদ্ধি জলোচ্ছ্বাসের ঝুঁকি বাড়াচ্ছে। ঘূর্ণিঝড় প্রতিরোধে বৃক্ষরোপণ ও উপকূলীয় বাঁধ শক্তিশালী করা জরুরি। দীর্ঘমেয়াদি পুনর্বাসন ও অবকাঠামো উন্নয়ন এ ধরনের দুর্যোগ মোকাবিলায় অপরিহার্য।

ঝড়-ঝঞ্ঝা: ঝড়-ঝঞ্ঝা, বিশেষ করে কালবৈশাখী, বাংলাদেশের সাধারণ প্রাকৃতিক দুর্যোগ। এটি তীব্র বাতাস, বৃষ্টি ও বজ্রপাত নিয়ে আসে, যা ফসল, ঘরবাড়ি ও বিদ্যুৎ ব্যবস্থার ব্যাপক ক্ষতি করে। গ্রামীণ এলাকায় এর প্রভাব বেশি। পূর্বাভাস ব্যবস্থা ও সচেতনতা কার্যক্রম ক্ষতি কমিয়েছে। তবে, অপরিকল্পিত নগরায়ন, নির্মাণ কাজ ও বন উজাড় ঝড়ের প্রভাব বাড়ায়। স্থানীয় সম্প্রদায়কে ঝড়ের সময় নিরাপদ আশ্রয়ে যাওয়ার প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়। বৃক্ষরোপণ ও শক্তিশালী অবকাঠামো ঝড়ের ক্ষতি কমাতে পারে। তবু জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে ঝড়ের তীব্রতা বাড়ছে। ঝড়-ঝঞ্ঝা মোকাবিলায় দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা ও জনসচেতনতা জরুরি। এটি বাংলাদেশের জনজীবন ও কৃষিতে উল্লেখযোগ্য প্রভাব ফেলে।

অনাবৃষ্টি বা খরা: অনাবৃষ্টি বা খরা বাংলাদেশের উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলে, বিশেষ করে রাজশাহী ও রংপুর অঞ্চলের, একটি উল্লেখযোগ্য প্রাকৃতিক দুর্যোগ।  ওই অঞ্চলে বৃষ্টির অভাবে ফসল উৎপাদন কমে, যা খাদ্য সংকট ও কৃষকদের দুর্দশা সৃষ্টি করে। খরা পানি সরবরাহ হ্রাস করে এবং জীবনযাত্রার মান নষ্ট করে। জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে খরার তীব্রতা ও সময়কাল বাড়ছে। তবে, খরা-সহনশীল ফসল, সেচ ব্যবস্থা এবং গভীর নলকূপ কৃষকদের ক্ষতি কমিয়েছে। সরকার ও এনজিও কৃষকদের প্রশিক্ষণ ও আর্থিক সহায়তা দিচ্ছে। তবু দীর্ঘমেয়াদি পানি ব্যবস্থাপনা ও গবেষণার অভাব রয়েছে। খরা মোকাবিলায় বৃক্ষরোপণ ও টেকসই কৃষি পদ্ধতি জরুরি। এটি গ্রামীণ অর্থনীতি ও জনজীবনে ব্যাপক প্রভাব ফেলে।

আরো পড়ুন : বাংলাদেশের প্রাকৃতিক দুর্যোগ বিষয়ক প্রবন্ধ রচনা, ১ম পর্ব, এইচএসসির বাংলা ২য় পত্র

নদীভাঙন:  নদীভাঙন বাংলাদেশের একটি মারাত্মক প্রাকৃতিক দুর্যোগ। পদ্মা, মেঘনা, যমুনার মতো নদীগুলোয় ভাঙ্গনের ফলে প্রতি বছর গ্রাম, ফসল ও জমি ধ্বংস করে। এটি হাজার হাজার মানুষকে গৃহহীন করে এবং জীবিকার ক্ষতি করে। নদীভাঙন গ্রামীণ অর্থনীতি ও জনজীবনে ব্যাপক প্রভাব ফেলে। বাঁধ, কংক্রিট ব্লক ও বৃক্ষরোপণ নদীভাঙন কমাতে সহায়ক। তবে জলবায়ু পরিবর্তন ও অপরিকল্পিত বাঁধ নির্মাণ এটিকে তীব্র করে। স্থানীয় মানুষের পুনর্বাসন ও জীবিকার বিকল্প ব্যবস্থা জরুরি। সরকারি ও বেসরকারি সংস্থাগুলো এই সমস্যা মোকাবিলায় কাজ করছে। তবু দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা ও গবেষণার প্রয়োজন। নদীভাঙন বাংলাদেশের গ্রামীণ জনগণের জন্য বড় চ্যালেঞ্জ।

ভূমিকম্প: বাংলাদেশ ভূমিকম্পের ঝুঁকিপ্রবণ অঞ্চলে অবস্থিত। হিমালয়ের কাছাকাছি ভূ-তাত্ত্বিক প্লেটের সংঘর্ষে ভূমিকম্প হয়। ঢাকা, চট্টগ্রাম ও সিলেটের মতো শহরগুলো বিশেষভাবে ঝুঁকিপূর্ণ। ভূমিকম্পে ভবন ধস, জানমালের ক্ষতি ও অবকাঠামো ধ্বংস হয়। অপরিকল্পিত নগরায়ণ ও পুরোনো ভবন এই ঝুঁকি বাড়ায়। তবে, বর্তমানে ভূমিকম্প-প্রতিরোধী ভবন নির্মাণ ও জনসচেতনতা কার্যক্রম বাড়ছে। সরকার ভূমিকম্প মোকাবিলায় প্রশিক্ষণ ও জরুরি পরিকল্পনা গ্রহণ করছে। ভূমিকম্পের পূর্বাভাস দেওয়া কঠিন হলেও প্রস্তুতি নিলে ক্ষতি কমতে পারে। কাজেই ভবন নির্মাণের ক্ষেত্রে আধুনিক প্রযুক্তি ও নির্মাণ নীতি গ্রহণ জরুরি। ভূমিকম্প বাংলাদেশের শহরাঞ্চলের জন্য গুরুতর হুমকি।

লবণাক্ততা: উপকূলীয় অঞ্চলে লবণাক্ততা বাংলাদেশের একটি ক্রমবর্ধমান দুর্যোগ। সমুদ্রের লবণাক্ত পানি কৃষিজমি ও পানীয় জলে প্রবেশ করে, যা ফসল উৎপাদন ও জনস্বাস্থ্যের ক্ষতি করে। জলবায়ু পরিবর্তনের ফলে সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা বৃদ্ধি লবণাক্ততাকে তীব্র করছে। এটি মৎস্য ও কৃষি খাতে ক্ষতি করে। লবণাক্ততা সহনশীল ফসল, পানি শোধনাগার এবং বাঁধ নির্মাণ ক্ষতি কমিয়েছে। তবে, দীর্ঘমেয়াদি সমাধানের অভাব রয়েছে। স্থানীয় মানুষের জীবিকা ও খাদ্য নিরাপত্তা হুমকির মুখে। সরকার ও এনজিওগুলো পুনর্বাসন ও গবেষণায় কাজ করছে। তবু লবণাক্ততা মোকাবিলায় আন্তর্জাতিক সহযোগিতা ও প্রযুক্তি প্রয়োজন। এটি উপকূলীয় জনজীবন ও অর্থনীতিতে ব্যাপক প্রভাব ফেলে।

কালবৈশাখী এবং টর্নেডো:  কালবৈশাখী এবং টর্নেডো বাংলাদেশের তীব্র প্রাকৃতিক দুর্যোগ। বসন্ত ও গ্রীষ্মকালে এই ঝড়গুলো তীব্র বাতাস, বৃষ্টি ও বজ্রপাত নিয়ে আসে। এটি ফসল, ঘরবাড়ি ও বিদ্যুৎ ব্যবস্থার ক্ষতি করে। গ্রামীণ এলাকায় টর্নেডোর প্রভাব বেশি। যদিও  পূর্বাভাস ব্যবস্থা ও সচেতনতা কার্যক্রম ক্ষতি কমিয়েছে। তবে, অপরিকল্পিত নির্মাণ ও বন উজাড় ঝড়ের প্রভাব বাড়ায়। বর্তমানে স্থানীয় সম্প্রদায়কে নিরাপদ আশ্রয়ে যাওয়ার প্রশিক্ষণ দেওয়া হচ্ছে। বৃক্ষরোপণ ও শক্তিশালী অবকাঠামো ঝড়ের ক্ষতি কমাতে পারে। জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে কালবৈশাখী ও টর্নেডোর তীব্রতা বাড়ছে। এটি মোকাবিলায় দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা গ্রহণ ও জনসচেতনতা জরুরি।

         (বাকি অংশ ৩য় পর্বে প্রকাশ করা হবে)

লেখক : সহকারী অধ্যাপক, বাংলা বিভাগ
রাজউক উত্তরা মডেল কলেজ, ঢাকা

কবীর

প্রোগ্রামিং ভাষা অধ্যায়ের ১৪টি বহুনির্বাচনি প্রশ্ন ও উত্তর, ৭ম পর্ব, এইচএসসির তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি

প্রকাশ: ১৫ জুন ২০২৬, ০৫:৪৯ পিএম
প্রোগ্রামিং ভাষা অধ্যায়ের ১৪টি বহুনির্বাচনি প্রশ্ন ও উত্তর, ৭ম পর্ব, এইচএসসির তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি
সি প্রোগ্রামিং ভাষায় সংরক্ষিত শব্দগুলোকে কি-ওয়ার্ড বলে। প্রতীকী ছবি- সংগৃহীত

পঞ্চম অধ্যায় : প্রোগ্রামিং ভাষা

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন ও উত্তর

৮০. ওয়াটারফল মডেলের আরেক নাম কী?
ক. জলপ্রপাত মডেল     খ. সহজ মডেল 
গ. স্বচ্ছ মডেল               ঘ. ঝরনা মডেল

৮১. প্রোগ্রামিং প্রক্রিয়া ওয়াটারফল মডেলের প্রবাহ কেমন?
ক. বিপরীতমুখী     খ. এক দিকে 
গ. উভয় দিক        ঘ. ওপর থেকে নিচে

৮২. একটি কম্পিউটার প্রোগ্রামকে কার্যকর করতে প্রয়োজন- 
i. যথেষ্ট সময় 
ii. নির্ভুল কোডিং 
iii. পর্যাপ্ত শ্রম 
নিচের কোনটি সঠিক?
ক. i ও ii      খ. i. ও iii 
গ. ii. ও iii     ঘ. i, ii ও iii

৮৩. কোনটি শক্তিশালী প্রোগ্রামিং ভাষা?
ক. কোবল     খ. সি 
গ. বেসিক      ঘ. ফোরট্রান

৮৪. অ্যাপ্লিকেশন প্রোগ্রাম তৈরি করা যায় কোন ভাষায়?
ক. মেশিন ভাষায়     খ. অ্যাসেম্বলি 
গ. এসকিউএল         ঘ. সি

৮৫. লিনাক্স অপারেটিং সিস্টেম কার্নেল তৈরি কোন ভাষা দিয়ে?
ক. পাইথন                  খ. সি ভাষা
গ. অ্যাসেম্বলি ভাষা     ঘ. জাভা ভাষা

৮৬. কোড ব্লকসে কোথায় কোড লিখতে হয়?
ক. এডিটর ট্যাবে     খ. ফাইল ট্যাবে 
গ. ডক ফাইলে        ঘ. এডিট ট্যাবে

আরো পড়ুন : প্রোগ্রামিং ভাষা অধ্যায়ের ১২টি বহুনির্বাচনি প্রশ্ন ও উত্তর, ৬ষ্ঠ পর্ব, এইচএসসির তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি

৮৭. প্রোগ্রাম নির্বাহের সময় যার মান অপরিবর্তিত থাকে তাকে কী বলে?
ক. চলক        খ. ধ্রুবক 
গ. ফাংশন     ঘ. স্ট্রাকচার

৮৮. ডেটা সংরক্ষণের জন্য ব্যবহৃত মেমোরি লোকেশনের নাম বা ঠিকানাকে কী বলে?
ক. ধ্রুবক       খ. চলক 
গ. ফাংশন     ঘ. স্ট্রাকচার

৮৯. ডেটার ধরনকে কী বলে?
ক. প্রোটো টাইপ     খ. ডেটা টাইপ 
গ. ডেটা                  ঘ. তথ্য

৯০. সি প্রোগ্রামিং ভাষায় সংরক্ষিত শব্দগুলোকে কী বলে?
ক. ভ্যারিয়েবল     খ. ফাংশন 
গ. কি-ওয়ার্ড        ঘ. কনসটেন্ট

৯১. প্রোগ্রাম কার্যকর করার গুরুত্বপূর্ণ মডেল কোনটি? 
ক. ওয়াটারফল মডেল     খ. স্কাইফল মডেল 
গ. রিভারফল মডেল        ঘ. হিডেন মডেল

৯২. বাস্তব জীবনে কোনটি কার্যকর করা যথেষ্ট সময় ও শ্রমসাপেক্ষ?
ক. কম্পিউটার প্রোগ্রাম     খ. অ্যালগরিদম 
গ. প্রোগ্রাম ডিজাইন          ঘ. প্রোগ্রামিং ফ্লোচার্ট

৯৩. যেসব অপারেটর একটি অপারেন্ড নিয়ে কাজ করে তাদের কী বলে?
ক. ইউনারি অপারেটর               খ. বাইনারি অপারেটর 
গ. ইনক্রিমেন্টাল অপারেটর      ঘ. ডিক্রিমেন্টাল অপারেটর

উত্তর: ৮০. ক, ৮১. খ, ৮২. ঘ, ৮৩. খ, ৮৪. ঘ, ৮৫. খ, ৮৬. ক, ৮৭. খ, ৮৮. খ, ৮৯. খ, ৯০. গ, ৯১. ক, ৯২. ক, ৯৩. ক।

লেখক : সহকারী অধ্যাপক
রাজউক উত্তরা মডেল কলেজ, ঢাকা

কবীর

সিরাজউদ্দৌলা নাটকের ৫টি অনুধাবনমূলক প্রশ্ন ও উত্তর, ৫ম পর্ব, এইচএসসির বাংলা ১ম পত্র

প্রকাশ: ১৫ জুন ২০২৬, ০৪:২৫ পিএম
সিরাজউদ্দৌলা নাটকের ৫টি অনুধাবনমূলক প্রশ্ন ও উত্তর, ৫ম পর্ব, এইচএসসির বাংলা ১ম পত্র
শিক্ষার্থীরা শিক্ষকের লেকচার শুনছে ও নোট করছে। ছবি- খবরের কাগজ

নাটক : সিরাজউদ্‌দৌলা 

অনুধাবনমূলক প্রশ্ন ও উত্তর 

প্রশ্ন: ‘আমরা এমন কিছু করলাম যা ইতিহাস হবে।’- উক্তিটির তাৎপর্য বিশ্লেষণ করো।

উত্তর: ‘সিরাজউদ্‌দৌলা’ নাটকের দ্বিতীয় অঙ্কের তৃতীয় দৃশ্যে ইংরেজ সেনাপতি রবার্ট ক্লাইভ এ উক্তিটি করেছিলেন বাংলাকে চিরকালের জন্য নিজেদের নিয়ন্ত্রণে নিতে যাচ্ছেন, এমন প্রত্যাশা থেকে। 
সিরাজউদ্‌দৌলাকে সিংহাসনচ্যুত করে বাংলার সিংহাসন করায়ত্ত করতে চান বিশ্বাসঘাতকের দল। তাই নিজ নিজ সংকীর্ণ স্বার্থকে বাস্তবে রূপদান করার জন্য তারা ইংরেজদের সঙ্গে একটি ঘৃণ্য চুক্তি করেন। এ ঘটনার মাধ্যমেই পাক-ভারত উপমহাদেশে ইংরেজদের দীর্ঘ শাসনের বীজ রোপিত হয়। চুক্তিপত্রে এক এক করে জগৎশেঠ, মীর জাফর, রাজবল্লভ সবাই স্বাক্ষর দেন। এই চুক্তির মাধ্যমে বাংলার পরাধীনতার পথ অবারিত হয়। ক্লাইভ এ ঘটনাকে নিজের বিজয় বলে মনে করেন। সত্যিই তিনি বাংলায় ব্রিটিশ শাসনের শক্ত ভিত তৈরিতে ইতিহাস করেছিলেন। 

প্রশ্ন:  ‘তার নবাব হওয়াটাই আমার মস্ত ক্ষতি’- উক্তিটির তাৎপর্য লেখ।

উত্তর: ‘সিরাজউদ্‌দৌলা’ নাটকের তৃতীয় অঙ্কের প্রথম দৃশ্যে সিরাজউদ্‌দৌলা নবাব হওয়ায় ঘসেটি বেগমের যে স্বার্থ ক্ষুণ্ন হয় সে প্রসঙ্গে ঘসেটি বেগম এ কথা বলেছিলেন। আলীবর্দী খাঁ তার মৃত্যুর আগে দৌহিত্র সিরাজউদ্‌দৌলাকে সিংহাসনের উত্তরাধিকার দিয়ে যান। কিন্তু বড় মেয়ে ঘসেটি বেগম এ সিদ্ধান্ত মেনে নিতে পারেননি। তাই তিনি নবাব সিরাজউদ্‌দৌলার বিরুদ্ধে নানা ষড়যন্ত্রে লিপ্ত হন। একদিন ছোট বোন আমিনার সামনে ঘসেটি বেগম সিরাজের অমঙ্গল কামনা করলে আমিনা বলেন, ‘সিরাজ তোমার কোনো ক্ষতি করেনি, বড় আপা।’ এর উত্তরে ঘসেটি বেগম ক্ষতির ধরন ব্যাখ্যা করে বলেন, ‘তার নবাব হওয়াটাই তো আমার মস্ত ক্ষতি।’ সিংহাসনের প্রতি তার চরম লোভী মানসিকতা ও স্বার্থপরতার বিষয়টি এখানে প্রকাশিত হয়েছে। 

প্রশ্ন:  ‘আমার সারা অস্তিত্ব জুড়ে কেবল যেন দেয়ালের ভিড়’- উক্তিটির তাৎপর্য লেখ।

উত্তর: ‘সিরাজউদ্‌দৌলা’ নাটকের তৃতীয় অঙ্কের প্রথম দৃশ্যে নবাব সিরাজউদ্‌দৌলার বেদনাভারাক্রান্ত ও ঘনায়মান অসহায় অবস্থা প্রকাশ পেয়েছে। 
শাসনকার্য পরিচালনার শুরু থেকেই নবাব সিরাজউদ্‌দৌলা বাধা পেয়েছেন। ঘরে-বাইরে নানা ষড়যন্ত্র নবাবের শাসনকার্য পরিচালনায় প্রধান অন্তরায় হয়ে দাঁড়ায়। তাই ঘরে, বাইরে, দরবারে, সবখানে তার মনে হয়েছে শুধু প্রতিবন্ধকতার দেয়াল। আর এই দেয়ালগুলো তার অস্তিত্বকে সংকটে ফেলেছে, যা স্ত্রী লুৎফুন্নেসার সঙ্গে কথা বলে নিজের চরম দুর্বলতাকেই প্রকাশ করেছেন।

আরো পড়ুন : সিরাজউদ্দৌলা নাটকের ৪টি অনুধাবনমূলক প্রশ্ন ও উত্তর, ৪র্থ পর্ব, এইচএসসির বাংলা ১ম পত্র

প্রশ্ন:  ‘ঘরের লোক অবিশ্বাসী হলে বাইরের লোকের পক্ষে সবই সম্ভব’- বলতে কী বোঝানো হয়েছে?

উত্তর: ‘সিরাজউদ্‌দৌলা’ নাটকের তৃতীয় অঙ্কের প্রথম দৃশ্যে এ মন্তব্যটির মাধ্যমে নবাব সিরাজউদ্‌দৌলা বিশ্বাসঘাতক মীর জাফরের অপকর্ম প্রসঙ্গে এ কথা বলেছেন।
রাজ অমাত্যরা নবাব সিরাজউদ্‌দৌলার কর্তৃত্ব রক্ষায় জীবন উৎসর্গ করবেন বলে পবিত্র গ্রন্থ নিয়ে শপথ করেছিলেন। কিন্তু নবাবকে পরাজিত করতে গোপনে অনেকেই ষড়যন্ত্র করেছিলেন ইংরেজদের সঙ্গে, যা তাদের কর্মকাণ্ডে প্রকাশ পেয়েছে। এদের প্রধান হলেন প্রধান সেনাপতি মিরজাফর। অমাত্যদের এই বিশ্বাসঘাতকতার দিকটিই ওপরের মন্তব্যে প্রকাশ পেয়েছে।

প্রশ্ন:  ‘কত বড় শক্তি, তবু কত তুচ্ছ।’- উক্তিটি ব্যাখ্যা করো।

উত্তর: ‘সিরাজউদ্‌দৌলা’ নাটকের তৃতীয় অঙ্কের দ্বিতীয় দৃশ্যে ইংরেজদের তুলনায় শক্তি ও সামর্থ্য বেশি হওয়া সত্ত্বেও বিশ্বাসঘাতকদের কারণে পরাজয় অবশ্যম্ভাবী জেনেই নবাব সিরাজউদ্‌দৌলা ওপরের কথাটি মীরমদনকে উদ্দেশ্য করে বলেছেন।
নবাব সিরাজউদ্‌দৌলার পক্ষে সেনা সংখ্যা ৫০ হাজারের বেশি; অথচ ইংরেজদের মাত্র তিন হাজারের বেশি সেনা ছিল না। অস্ত্র ও গোলা-বারুদেও সিরাজউদ্‌দৌলার তুলনায় ইংরেজরা ছিল নগণ্য। মিরমর্দান যে যুদ্ধ-পরিকল্পনা-কৌশল নবাবকে দেখান তাতে কোনোভাবেই ইংরেজদের জয়ী হওয়ার কথা নয়। কিন্তু নবাব আশঙ্কা করেন তার সব সিপাহি ও সেনাপতি লড়বে না, সব কামান থেকে গোলা ছুটবে না। কারণ বিশ্বাসঘাতক সেনাপতি মীর জাফর ইংরেজদের সঙ্গে হাত মিলিয়েছেন। প্রধান সেনাপতি বেইমান হলে যুদ্ধজয়ের সম্ভাবনা আর থাকে না। যুদ্ধের আগেই তা অনুভব করে নবাব দুশ্চিন্তাগ্রস্ত হয়ে পড়েন।

লেখক : সহকারী অধ্যাপক, বাংলা বিভাগ
আদমজী ক্যান্টনমেন্ট কলেজ, ঢাকা

কবীর

ব্যাপন, অভিস্রবণ ও প্রস্বেদন অধ্যায়ের ৪টি বহুনির্বাচনি প্রশ্ন ও উত্তর, ২য় পর্ব, অষ্টম শ্রেণির বিজ্ঞান

প্রকাশ: ১৫ জুন ২০২৬, ০২:৪৮ পিএম
ব্যাপন, অভিস্রবণ ও প্রস্বেদন অধ্যায়ের ৪টি বহুনির্বাচনি প্রশ্ন ও উত্তর, ২য় পর্ব, অষ্টম শ্রেণির বিজ্ঞান
উদ্ভিদের ব্যাপন ও অভিস্রবণ প্রক্রিয়া। ছবি- সংগৃহীত

তৃতীয় অধ্যায় : ব্যাপন, অভিস্রবণ ও প্রস্বেদন

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন ও উত্তর

১০। গোলাপ ফুলের ঘ্রাণ ছড়িয়ে পড়ে নিচের কোন প্রক্রিয়ায়?
ক) অভিস্রবণ     
খ) ব্যাপন 
গ) প্রস্বেদন     
ঘ) ইমবাইবিশন

নিচের উদ্দীপকটি পড়ে ১১ ও ১২ নম্বর প্রশ্নের উত্তর লেখ।

সুমনা  বাসায় ফিরে লক্ষ করল বিরিয়ানির সুবাসে পুরো ঘর ভরে গেছে। সেই সঙ্গে সুমনা তার পাঠ্যবইয়ের একটি বিশেষ প্রক্রিয়ার মিল পেল। 

১১। ওপরের উদ্দীপকে সুমনার পছন্দের খাবারে কতটি উপাদান আছে?
ক) ৩টি     খ) ৪টি 
গ) ৫টি      ঘ) ৬টি

আরো পড়ুন : ব্যাপন, অভিস্রবণ ও প্রস্বেদন অধ্যায়ের ৯টি বহুনির্বাচনি প্রশ্ন ও উত্তর, ১ম পর্ব, অষ্টম শ্রেণির বিজ্ঞান

১২। ওপরের উদ্দীপকে উল্লিখিত প্রক্রিয়ায় নিচের কোনটি ঘটে?
i. কোষে অক্সিজেন পরিবহন করে 
ii. জীবদেহ থেকে পানি নিষ্কাশন করে
iii. জীবকোষে কার্বন ডাই-অক্সাইড প্রবেশ করে
নিচের কোনটি সঠিক?
ক) i ও iii    খ) ii ও iii 
গ) i ও ii     ঘ) i, ii ও iii

১৩। নিচের কোনটি ভিন্ন?
ক) অভিস্রবণ         
খ) ব্যাপন 
গ) প্রস্বেদন        
ঘ) ইমবাইবিশন

উত্তর: ১০. খ, ১১. ক, ১২. ঘ, ১৩. খ।

লেখক : সহকারী শিক্ষক
লৌহজং বালিকা পাইলট উচ্চবিদ্যালয়, মুন্সীগঞ্জ

কবীর

রয়্যাল বেঙ্গল টাইগার পাঠ থেকে ৩টি অনুশীলনীর প্রশ্ন ও উত্তর, ৩য় পর্ব, পঞ্চম শ্রেণির বাংলা

প্রকাশ: ১৫ জুন ২০২৬, ১২:১৮ পিএম
রয়্যাল বেঙ্গল টাইগার পাঠ থেকে ৩টি অনুশীলনীর প্রশ্ন ও উত্তর, ৩য় পর্ব, পঞ্চম শ্রেণির বাংলা
রয়্যাল বেঙ্গল টাইগার। ছবি- সংগৃহীত

পাঠ-৮ : রয়্যাল বেঙ্গল টাইগার

অনুশীলনীর প্রশ্ন ও উত্তর

প্রশ্ন: পাঠ থেকে কে, কী, কখন, কোথায়, কেন, কীভাবে ইত্যাদি ব্যবহার করে প্রশ্ন তৈরি করো।

উত্তর: কে? — কে বাঘের মাসি হিসেবে পরিচিত?
কী?— বাঘের পেটের দিকের রং কী হয়ে থাকে?
কখন? — বাঘিনী সাধারণত কখন ৩-৪টি করে বাচ্চা দেয়?
কোথায়? — রয়্যাল বেঙ্গল টাইগার বাংলাদেশের কোথায় দেখা যায়?
কেন? — কেন বাঘের সংখ্যা দিনদিন কমছে?
কীভাবে? — শিকার ধরার সময় বাঘ কীভাবে তার নখ বের করে আনে?

আরো পড়ুন : রয়্যাল বেঙ্গল টাইগার পাঠ থেকে ৪টি অনুশীলনীর প্রশ্ন ও উত্তর, ২য় পর্ব, পঞ্চম শ্রেণির বাংলা

প্রশ্ন: বিপরীত শব্দ লিখি এবং সেই শব্দ দিয়ে বাক্য তৈরি করো।

উত্তর: শব্দ / বিপরীত শব্দ / তৈরি বাক্য

নরম — শক্ত — প্রচণ্ড রোদের তাপে মাটি শুকিয়ে শক্ত হয়ে গেছে।
সুন্দর — বিশ্রী — রাস্তার পাশের নোংরা ডাস্টবিন থেকে বিশ্রী গন্ধ আসছে।
সোজা — বাঁকা — বাঁকা পথ ধরে গ্রামের দিকে যাওয়া যাবে।
তীক্ষ্ণ — ভোঁতা — দাদু তার ভোঁতা ছুরিতে ধার দিচ্ছেন।
মজবুত — দুর্বল — বয়সের ভারে লোকটি দুর্বল হয়ে গেছেন।

প্রশ্ন: চারপাশে আমরা কোন কোন পশুপাখি দেখি, তার একটি তালিকা করো।

উত্তর: আমাদের চারপাশে আশপাশে দেখতে পাওয়া পশুপাখির তালিকা নিচে দেওয়া হলো-
পশুর তালিকা: কুকুর, বিড়াল, গরু, ছাগল, মহিষ, ভেড়া, কাঠবিড়ালী, শেয়াল, ঘোড়া, শিয়াল (কখনো কখনো দেখা যায়)।
পাখির তালিকা: কাক, চড়ুই, কবুতর, শালিক, ঘুঘু, দোয়েল, টিয়া, কোকিল, বক, হাঁস ও মুরগি (গৃহপালিত)।

লেখক : সহকারী শিক্ষক
ভিকারুননিসা নূন স্কুল অ্যান্ড কলেজ, বসুন্ধরা, ঢাকা

কবীর