১০। গোলাপ ফুলের ঘ্রাণ ছড়িয়ে পড়ে নিচের কোন প্রক্রিয়ায়?
ক) অভিস্রবণ
খ) ব্যাপন
গ) প্রস্বেদন
ঘ) ইমবাইবিশন
নিচের উদ্দীপকটি পড়ে ১১ ও ১২ নম্বর প্রশ্নের উত্তর লেখ।
সুমনা বাসায় ফিরে লক্ষ করল বিরিয়ানির সুবাসে পুরো ঘর ভরে গেছে। সেই সঙ্গে সুমনা তার পাঠ্যবইয়ের একটি বিশেষ প্রক্রিয়ার মিল পেল।
১১। ওপরের উদ্দীপকে সুমনার পছন্দের খাবারে কতটি উপাদান আছে?
ক) ৩টি খ) ৪টি
গ) ৫টি ঘ) ৬টি
১২। ওপরের উদ্দীপকে উল্লিখিত প্রক্রিয়ায় নিচের কোনটি ঘটে?
i. কোষে অক্সিজেন পরিবহন করে
ii. জীবদেহ থেকে পানি নিষ্কাশন করে
iii. জীবকোষে কার্বন ডাই-অক্সাইড প্রবেশ করে
নিচের কোনটি সঠিক?
ক) i ও iii খ) ii ও iii
গ) i ও ii ঘ) i, ii ও iii
১৩। নিচের কোনটি ভিন্ন?
ক) অভিস্রবণ
খ) ব্যাপন
গ) প্রস্বেদন
ঘ) ইমবাইবিশন
উত্তর: ১০. খ, ১১. ক, ১২. ঘ, ১৩. খ।
লেখক : সহকারী শিক্ষক
লৌহজং বালিকা পাইলট উচ্চবিদ্যালয়, মুন্সীগঞ্জ
কবীর
উত্তর: কে? — কে বাঘের মাসি হিসেবে পরিচিত?
কী?— বাঘের পেটের দিকের রং কী হয়ে থাকে?
কখন? — বাঘিনী সাধারণত কখন ৩-৪টি করে বাচ্চা দেয়?
কোথায়? — রয়্যাল বেঙ্গল টাইগার বাংলাদেশের কোথায় দেখা যায়?
কেন? — কেন বাঘের সংখ্যা দিনদিন কমছে?
কীভাবে? — শিকার ধরার সময় বাঘ কীভাবে তার নখ বের করে আনে?
আরো পড়ুন : রয়্যাল বেঙ্গল টাইগার পাঠ থেকে ৪টি অনুশীলনীর প্রশ্ন ও উত্তর, ২য় পর্ব, পঞ্চম শ্রেণির বাংলা
উত্তর: শব্দ / বিপরীত শব্দ / তৈরি বাক্য
নরম — শক্ত — প্রচণ্ড রোদের তাপে মাটি শুকিয়ে শক্ত হয়ে গেছে।
সুন্দর — বিশ্রী — রাস্তার পাশের নোংরা ডাস্টবিন থেকে বিশ্রী গন্ধ আসছে।
সোজা — বাঁকা — বাঁকা পথ ধরে গ্রামের দিকে যাওয়া যাবে।
তীক্ষ্ণ — ভোঁতা — দাদু তার ভোঁতা ছুরিতে ধার দিচ্ছেন।
মজবুত — দুর্বল — বয়সের ভারে লোকটি দুর্বল হয়ে গেছেন।
উত্তর: আমাদের চারপাশে আশপাশে দেখতে পাওয়া পশুপাখির তালিকা নিচে দেওয়া হলো-
পশুর তালিকা: কুকুর, বিড়াল, গরু, ছাগল, মহিষ, ভেড়া, কাঠবিড়ালী, শেয়াল, ঘোড়া, শিয়াল (কখনো কখনো দেখা যায়)।
পাখির তালিকা: কাক, চড়ুই, কবুতর, শালিক, ঘুঘু, দোয়েল, টিয়া, কোকিল, বক, হাঁস ও মুরগি (গৃহপালিত)।
লেখক : সহকারী শিক্ষক
ভিকারুননিসা নূন স্কুল অ্যান্ড কলেজ, বসুন্ধরা, ঢাকা
কবীর
১৪. প্রাকৃতিক ভূগোলের উপাদান কোনটি?
ক) পানিচক্র খ) বসতি
গ) নগরায়ণ ঘ) শিল্পায়ন
১৫. জোয়ারভাটা প্রাকৃতিক ভূগোলের কোন অংশের অন্তর্ভুক্ত?
ক) ভূমিরূপবিদ্যা খ) জলবায়ুবিদ্যা
গ) সমুদ্রবিদ্যা ঘ) জীববিদ্যা
১৬. ভূগোলের কোন শাখা আবহাওয়া ও জলবায়ু সম্পর্কে আলোচনা করে?
ক) প্রাকৃতিক ভূগোল খ) অর্থনৈতিক ভূগোল
গ) কৃষি ভূগোল ঘ) জীব ভূগোল
১৭. ভূমিরূপবিদ্যার বিষয়বস্তু নিচের কোনটি?
ক) পানিচক্র খ) জীবকূল
গ) জলবায়ু ঘ) প্লেট সঞ্চালন
১৮. বায়ুমণ্ডল ভূগোলের কোন শাখার অন্তর্ভুক্ত?
ক) মানব ভূগোলের
খ) আঞ্চলিক ভূগোলের
গ) প্রাকৃতিক ভূগোলের
ঘ) রাজনৈতিক ভূগোলের
১৯. প্রাকৃতিক ভূগোলের কোন শাখায় নদ-নদীর উৎপত্তি নিয়ে আলোচনা করা হয়?
ক) পানিবিদ্যা খ) জলবায়ুবিদ্যা
গ) সমুদ্রবিদ্যা ঘ) ভূমিরূপবিদ্যা
আরো পড়ুন : প্রাকৃতিক ভূগোল অধ্যায়ের ১৩টি বহুনির্বাচনি প্রশ্ন ও উত্তর, ১ম পর্ব, এইচএসসির ভূগোল ১ম পত্র
২০. ভূমিরূপবিদ্যার পরিসরভুক্ত হলো-
i. খনিজ ও শিলা
ii. ভূমিরূপ ও আগ্নেয়গিরি
iii. মহীসোপান ও মহীঢাল
নিচের কোনটি সঠিক?
ক) i ও ii খ) i ও iii
গ) ii ও iii ঘ) i, ii ও iii
নিচের উদ্দীপকটি পড়ে ২১ ও ২২ নম্বর প্রশ্নের উত্তর লেখ।
একাদশ শ্রেণির ছাত্রী লিপি তার ভূগোল বই থেকে জানতে পেরেছে পৃথিবী বিভিন্ন অবস্থার মধ্য দিয়ে বর্তমান অবস্থায় পৌঁছেছে অর্থাৎ পৃথিবীতে জলভাগ, স্থলভাগ ও বায়ুমণ্ডলের উৎপত্তি হয়েছে।
২১. ওপরের উদ্দীপকের বিষয়গুলো কোন ভূগোলে আলোচনা করা হয়?
ক) গাণিতিক ভূগোলে খ) মানব ভূগোলে
গ) প্রাকৃতিক ভূগোলে ঘ) জ্যোতির্বিদ্যায়
২২. পৃথিবী ওই অবস্থায় পৌঁছেছে-
i. তরল অবস্থার মধ্য দিয়ে
ii. কঠিন অবস্থার মধ্য দিয়ে
iii. বাষ্পীয় অবস্থার মধ্য দিয়ে
নিচের কোনটি সঠিক?
ক) i ও ii খ) i ও iii
গ) ii ও iii ঘ) i, ii ও iii
২৩. ভূগোলের কোন শাখায় প্রাণ ও পরিবেশের মিথস্ক্রিয়া পর্যালোচনা করা হয়?
ক) সমুদ্রবিদ্যায় খ) জলবায়ুবিদ্যায়
গ) ভূমিরূপবিদ্যায় ঘ) বাস্তুবিদ্যায়
২৪. ভূগোল বিষয়টি কীসের আলোকে পৃথিবী ও মানুষের আন্তঃসম্পর্ক আলোচনা করে?
ক) স্থান ও কাল খ) স্থান ও পানি
গ) কাল ও বিবর্তন ঘ) সময় ও সুযোগ
উত্তর: ১৪. ক, ১৫. গ, ১৬. ক, ১৭. ঘ, ১৮. গ, ১৯. ঘ, ২০. ক, ২১. গ, ২২. খ, ২৩. ঘ, ২৪. ক।
লেখক : প্রভাষক
ভিকারুননিসা নূন স্কুল অ্যান্ড কলেজ, ঢাকা
কবীর
উত্তর: গ্রামীণ ব্যাংকের ক্ষুদ্রঋণ কার্যক্রম: গ্রামীণ ভূমিহীন ও দরিদ্র লোকদের আত্মনির্ভরশীল করার জন্য গ্রামীণ ব্যাংক কতিপয় মহৎ ও গুরুত্বপূর্ণ কাজ করে থাকে। গ্রামীণ ব্যাংকের উদ্দেশ্য ও লক্ষ্যকে সামনে রেখে বিভিন্ন শাখার মাধ্যমে তার যাবতীয় কার্যাবলি সম্পাদন করে। কমপক্ষে দুটি ইউনিয়ন নিয়ে গ্রামীণ ব্যাংকের একটি শাখা স্থাপন করা হয়। প্রতিটি শাখার কাজ সম্পাদন করার জন্য ১ জন ম্যানেজার, ৩ জন নারী ও ৩ জন পুরুষ ব্যাংক কর্মী নিয়োগ করা হয়। তাদের মূল কাজ হলো ঋণ বিতরণ ও কিস্তি আদায় করা। গ্রামীণ ব্যাংক থেকে ঋণ গ্রহণের মাধ্যমে বহু ভূমিহীন আবার ভূমির মালিক হয়েছে, দুস্থ জনগোষ্ঠী পেয়েছে তাদের বাঁচার আশা। আর্থসামাজিক উন্নয়নে গ্রামীণ ব্যাংক ব্যাপক ভূমিকা পালন করেছে।
গ্রামীণ ব্যাংক তার উদ্দেশ্য ও লক্ষ্যার্জনে যেসব কার্য সম্পাদন করে তা নিচে উপস্থাপন করা হলো-
১। ক্ষুদ্র ঋণ কার্যক্রম: গ্রামীণ ব্যাংকের প্রধান কাজ হচ্ছে ক্ষুদ্র ঋণ দেওয়া। এ কর্মসূচির আওতায় গ্রামীণ ব্যাংক গ্রামের দরিদ্র ও ভূমিহীন জনসাধারণকে বিনা জামানতে সহজ শর্তে ঋণ দিয়ে থাকে। কৃষিকাজ, ব্যবসা-বাণিজ্য, পশুপালন, গ্রামীণ শিল্প, যানবাহন, মৎস্য চাষ, খাদ্য প্রক্রিয়াজাতকরণ ও বাজারজাতকরণ, হাঁস-মুরগি পালন ও গাভি পালন ইত্যাদি বিষয়ে ঋণ দেওয়া হয়। গ্রামীণ ব্যাংকের ঋণ প্রদানের খাতগুলো হলো-
i) উৎপাদন ও প্রক্রিয়াজাতকরণ: এ খাতের মাধ্যমে ঋণগ্রহীতাদের স্থানীয় সম্পদের সদ্ব্যবহারের মাধ্যমে আত্মকর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি, সঞ্চয় ও পুঁজিগঠন এবং আত্মনির্ভরশীলতা অর্জনের লক্ষ্যে গ্রামীণ ব্যাংক ঋণ দিয়ে থাকে। এক্ষেত্রে যেসব বিষয়ের ওপর ঋণ দেওয়া হয় তা হলো— বাঁশ ও বেতের কাজ, ছাতা মেরামত, মিষ্টি তৈরি, দর্জির কাজ ইত্যাদি।
ii) পশুপালন ও মৎস্য চাষ: ভূমিহীনদের জীবনযাত্রার মান উন্নয়ন ও দেশের পশুসম্পদ বৃদ্ধির লক্ষ্যে গ্রামীণ ব্যাংক গাভি পালন, গরু-বাছুর মোটা-তাজাকরণ, মহিষ, ছাগল, ভেড়া ইত্যাদি গবাদিপশু পালন এবং হাঁস-মুরগির খামার করার জন্য ঋণ দিয়ে থাকে। সে সঙ্গে মৎস্য চাষ, মাছ ধরার জাল ও নৌকা কেনার জন্যও ঋণ দিয়ে থাকে।
iii) কৃষি খামার ও বনায়ন: দরিদ্র কৃষকদের জীবনমান উন্নয়নের জন্য গ্রামীণ ব্যাংক ধান, গম, ভুট্টা আখ, শাকসবজি, ফলমূল ইত্যাদি চাষ, বৃক্ষরোপণসহ প্রভৃতি লাভজনক খাতে ঋণ দিয়ে থাকে।
iv) গৃহনির্মাণ কার্যক্রম: গ্রামীণ ব্যাংক দুস্থ ও বিত্তহীন সদস্যদের গৃহনির্মাণে সহায়তা করার জন্য ১৯৮৪ সালে গৃহনির্মাণ কার্যক্রম গ্রহণ করে। প্রতি গৃহের জন্য সর্বোচ্চ ঋণের পরিমাণ ১৫ হাজার টাকা। এ পর্যন্ত মোট ৬ লাখ ৯১ হাজার ৩২২টি গৃহনির্মাণে ঋণ দেওয়া হয়েছে।
v) সেবা খাত: কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি ও আয় বৃদ্ধির লক্ষ্যে গ্রামীণ ব্যাংক রিকশা কেনা, সেলুন পরিচালনা, ডেকোরেটর, নির্মাণকাজ ইত্যাদি খাতে ঋণ দিয়ে থাকে।
vi) দোকানদারি: গ্রামীণ ব্যাংকের ঋণদানের অপর খাত হলো মুদি দোকান, চা দোকান, পল্লির উপযোগী মনিহারি দোকান, পান দোকান ইত্যাদি।
vii) ফেরি ও ব্যবসা: গ্রামীণ ব্যাংক বাঁশের ঝুড়ি, বেতের ঝুড়ি, পাটের তৈরি জিনিস, কাপড়, সাবান, ধান, চাল, কাঠ, গুড় ও অন্যান্য ব্যবসায় ঋণ দিয়ে থাকে।
viii) যৌথ কার্যক্রম: অধিক আয় ও অধিক পুঁজি গঠনের মাধ্যমে জীবনযাত্রার মানোন্নয়ন ও দেশের অর্থনীতিকে সমৃদ্ধিশালী করে তোলা এ খাতে ঋণদানের উদ্দেশ্য। এ খাতের ঋণ গ্রুপকে দেওয়া হয়। যৌথভাবে পরিচালনাযোগ্য কার্যক্রম যেমন- হাঁস-মুরগির খামার প্রতিষ্ঠা, বাজারঘাটের নিলাম, ধান ও চিড়ার কল কেনা ও প্রতিষ্ঠা, হ্যাচারি খামার, মৎস্য চাষ প্রভৃতি কার্যক্রমে গ্রামীণ ব্যাংক ঋণ দিয়ে থাকে।
লেখক : প্রভাষক, সমাজকর্ম
শের-ই-বাংলা স্কুল অ্যান্ড কলেজ, মধুবাগ, মগবাজার, ঢাকা
কবীর
উত্তর: নিচের বৈশিষ্ট্যগুলো বাঘকে দক্ষ শিকারি বানিয়েছে–
দৃষ্টি, শ্রবণ ও ঘ্রাণশক্তি: বাঘের দৃষ্টি, শ্রবণ ও ঘ্রাণশক্তি খুবই প্রখর।
শক্তিশালী থাবা ও নখ: তাদের আছে শক্তিশালী থাবা, যা নরম ও লোমযুক্ত হওয়ায় চলার সময় শব্দ হয় না। শিকার ধরার সময় থাবা থেকে নখ বেরিয়ে আসে।
দাঁত ও চোয়াল: খাবার চিবানোর জন্য এদের রয়েছে তীক্ষ্ণ ও ধারালো দাঁত আর মজবুত চোয়াল।
উত্তর: প্রাকৃতিক দুর্যোগ এবং মানুষের শিকারের ফলে রয়্যাল বেঙ্গল টাইগার কমে যাচ্ছে। প্রাকৃতিক দুর্যোগ দেখা দিলে বাঘের জীবন বিপন্ন হয়। এছাড়াও কিছু লোক চামড়া ও অন্যান্য অঙ্গ-প্রত্যঙ্গের লোভে বাঘ মেরে ফেলে। ফলে বাঘ এখন বিলুপ্তির পথে।
আরো পড়ুন : রয়্যাল বেঙ্গল টাইগার পাঠ থেকে ২টি অনুশীলনীর প্রশ্ন ও উত্তর, ১ম পর্ব, পঞ্চম শ্রেণির বাংলা
উত্তর: বিড়াল প্রজাতির সবচেয়ে বড় প্রাণী বাঘ। এ কারণে বিড়ালকে বাঘের মাসি বলা হয়।
উত্তর: বাঘ খুব ভালো সাঁতার কাটতে পারে। বাঘ সাঁতার কাটার সময় অর্থাৎ নদী বা খাল পার হওয়ার সময়ে সে ঠিক সোজাসুজি এগিয়ে যায়। যদি স্রোতের কারণে কিছুদূর সরে যায়, তবে আবার ঠিক আগের জায়গায় ফিরে আসে।
লেখক : সহকারী শিক্ষক
ভিকারুননিসা নূন স্কুল অ্যান্ড কলেজ, বসুন্ধরা, ঢাকা
কবীর