ঢাকা ২৬ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩, মঙ্গলবার, ০৯ জুন ২০২৬

সর্বশেষ
গোপালগঞ্জে পৃথক সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত ২ সীমান্তে মাইন বিস্ফোরণে রোহিঙ্গা যুবক নিহত কুমিল্লায় মহাসড়কে পুলিশের গাড়িতে হামলা, ভাঙচুর রায়পুরে হাসপাতাল ও ওষুধের দোকানের বর্জ্যে দূষণ, স্বাস্থ্যঝুঁকিতে এলাকাবাসী বেটিং সিন্ডিকেটের বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ান এইচআইভি চিকিৎসায় বড় সাফল্য ছয় বিষয়ের অনার্স কোর্স কি আসলেই বাতিল হচ্ছে? যা জানালেন প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা গফরগাঁওয়ে কলেজছাত্রকে কুপিয়ে হত্যা সরকার আ.লীগের কর্মকাণ্ড নিষিদ্ধই রাখতে চায়: তথ্য উপদেষ্টা দুইজনের মৃত্যুর পর ডেঙ্গুর টিকা স্থগিত সুপ্রিম কোর্ট সচিবালয় নিয়ে হাইকোর্টের রায় স্থগিত যুক্তরাষ্ট্রের ইতিহাসে সবচেয়ে বড় নাগরিকত্ব বাতিল অভিযান ট্রাম্প প্রশাসনের লাল বাহাদুর দুধ দিয়ে গোসল করে আর্জেন্টিনা ছেড়ে ব্রাজিল শিবিরে ওজন কমানোর অনুমোদনহীন ওষুধের নতুন ক্রেজ এক লাখ কর্মী পাঠানোর পরিকল্পনায় সম্মতি রাশিয়ার পাঠকের গল্প : বিষ খেতে গিয়ে প্রতারণার শিকার চায়নিজ জামাই চাকরি দেবে রেড ক্রস ও রেড ক্রিসেন্ট প্রধানমন্ত্রীর সভাপতিত্বে চলছে একনেক সভা বাংলাদেশি ব্যবহারকারীদের জন্য ফ্রি গুগল এআই প্রো নিয়ে এল টেকনো ব্রাজিলিয়ানদের সুখবর দিলেন নেইমার রংপুরে ওয়ার্ডভিত্তিক অপরাধচক্র শনাক্তের নির্দেশ আরপিএমপির ফটিকছড়িতে আওয়ামী লীগের লিফলেট তৈরির সময় আটক ২ দেশের ১৬ জেলায় বজ্রবৃষ্টির পূর্বাভাস পড়ে পাওয়া গল্প থেকে ৭টি বহুনির্বাচনি প্রশ্ন ও উত্তর, ১ম পর্ব, অষ্টম শ্রেণির বাংলা হরমুজ প্রণালীর কাছে মার্কিন সেনাবাহিনীর হেলিকপ্টার বিধ্বস্ত ইরান-ইসরায়েলের হামলা বন্ধ হলেও হুমকি চলছে দিনাজপুরে বেড়ার হোটেলে নিম্নমানের খাবারসহ একাধিক অভিযোগ ইরানে হামলা চালালে একাই লড়তে হবে: নেতানিয়াহুকে হুঁশিয়ারি ট্রাম্পের
Nagad desktop

নির্বাচিত হলেন একুশ শতকের সেরা অভিনয়শিল্পী, বেঁচে ছিলেন মাত্র ৪৬ বছর

প্রকাশ: ০১ জানুয়ারি ২০২৫, ০৯:৩৫ পিএম
আপডেট: ০২ জানুয়ারি ২০২৫, ১২:১৬ পিএম
নির্বাচিত হলেন একুশ শতকের সেরা অভিনয়শিল্পী, বেঁচে ছিলেন মাত্র ৪৬ বছর
ফিলিপ সেমোর হফম্যান। ছবি: সংগৃহীত

অভিনয় ছিল তার মনে, প্রাণে ও ধ্যানে। চরিত্রকে এমনভাবে জীবন্ত করে তুলতেন, মনেই হতো না কেউ অভিনয় করছেন। মনে হতো ঘটনাটি এই প্রথম ঘটছে, আর এই ব্যক্তির সাথেই এটি ঘটছে। অভিনয় দক্ষতার জন্য জিতে নিয়েছেন অস্কারসহ অভিনয় জগতের সব শীর্ষ পুরস্কার। তবে দর্শকদের মাঝে বেশিদিন বাঁচতে পারেননি তিনি। মাত্র ৪৬ বছরেই সোনালি ক্যারিয়ারের মাঝেই পাড়ি জমান না ফেরার দেশে। তবে মৃত্যুর পরেও গড়লে রেকর্ড, হলেন একুশ শতকের সেরা অভিনয়শিল্পী- বলছিলাম আমেরিকার প্রয়াত অভিনেতা, ‘দ্য অ্যাক্টরস অব ডেপথ’ ফিলিপ সেমোর হফম্যানের কথা।

সম্প্রতি যুক্তরাজ্যের প্রভাশালী গণমাধ্যম ‘ইন্ডিপেন্ডেন্ট’ চলচ্চিত্রে একবিংশ শতকের সেরা ৬০ অভিনয়শিল্পীর তালিকা প্রকাশ করেছে। তালিকা শীর্ষে উঠে এসেছেন হফম্যান। দ্বিতীয় স্থানে রয়েছেন জনপ্রিয় অভিনেত্রী এমা স্টোন। 

ফিলিপ হফম্যান ১৯৬৭ সালে নিউইয়র্কের ফেয়ারপোর্ট এলাকায় জন্মগ্রহণ করেন। মা-বাবা ছিলেন জাতিতে আইরিশ ও জার্মান বংশোদ্ভুত। 

ছোটবেলা থেকেই মায়ের সাথে গিয়ে থিয়েটার উপভোগ করতেন হফম্যান। তবে খেলাধুলার প্রতি তার ছিল তুমুল আসক্তি। হতে চেয়েছিলেন একজন রেসলার ও বেসবল খেলোয়ার। ১৪ বছর বয়সে কনুইতে মারাত্মক আঘাত পান তিনি। বাধ্য হয়ে নিজের স্বপ্ন থেকে ফিরে আসেন। মায়ের অনুপ্রেরণায় এরপর অভিনয়ের দিকেই মনোযোগী হন তিনি। যোগদান করেন একটি নাটকের ক্লাবে। এক্ষেত্রে সেখানকার একজন নারী অভিনেত্রীর অভিনয় তার সিদ্ধান্ত নিতে সহায়তা করে। 

ধীরে ধীরে অভিনয় হফম্যানের আবেগের জায়গায় পরিণত হয়। এ সম্পর্কে হফম্যান একবার বলেছিলেন, ‘অভিনয়ের সঙ্গ এবং এর আশেপাশের মানুষদের আমি ভালোবাসতাম, আর আমি তখনই সিদ্ধান্ত নিই যে আমি এটাই করতে চাই।’ 

১৭ বছর বয়সে হফম্যান ‘নিউ ইয়র্ক স্ট্যাট সামার স্কুল অব দ্য আর্ট’ এ যোগদানের সুযোগ পান। এখানে বেনেট মিলার ও ড্যান ফাটারম্যানের মতো ভবিষ্যৎ সহকারী অভিনেতাদের সাথে তার পরিচয় হয়। মিলার হফম্যানের প্রাথমিক অভিনয় সম্পর্কে মন্তব্যে করে একদা বলেছিলেন, ‘হফম্যান যা করতো তা সম্পর্কে সে সত্যিকার অর্থেই প্রচুর ঐকান্তিক ও আবেগপ্রবণ ছিলেন। আর তার প্রচেষ্টা দেখে আমরা খুবই আকৃষ্ট হতাম।’

এরপর হফম্যান নিউ ইয়র্ক বিশ্ববিদ্যালয়ে অভিনয়ে পড়াশোনার সুযোগ পান। ১৯৮৯ সালে তিনি সেখান থেকে ড্রামা ডিগ্রি লাভ করেন। 

স্নাতক শেষে এ অভিনেতা যোগদেন ‘অফ-ব্রডওয়ে থিয়েটার’-এ। এসময় জীবিকা নির্বাহের জন্য তিনি কাস্টমার সার্ভিসের চাকরিও করেন। ১৯৯১ সালে ‘দ্য ভায়োলেন্স অব সামার’ এর ‘ল অ্যান্ড অর্ডার’ এপিসোডে প্রথমবারের মতো তাকে পর্দায় দেখা যায়। তিনি এখানে ধর্ষণের অভিযোগে অভিযুক্ত এক ব্যক্তির চরিত্রে অভিনয় করেন। সে বছরই তার পরবর্তী কাজ ‘ট্রিপল বগে অন অ্যা পার ফাইভ হোল’ এ অভিনয় করে তিনি জনপ্রিয়তা পান। এসময় তার নাম নিয়ে তিনি বিরম্বনায় পড়েন। কেননা তার নামেই আরেকজন অভিনেতা ছিল। তাই তিনি তার দাদার নাম ‘সেমোর’ কে তার নামের মাঝে যোগ করেন। 

এরপর তিনি ‘মাই নিউ গান’, ‘লিপ অব ফেইথ’ এর মতো সিনেমাগুলোতে ছোট ছোট চরিত্রে অভিনয় করেন। তিনি প্রথম সবার নজরে আসেন আল পেচিনোর অস্কার পাওয়া সিনেমা ‘সেন্ট অব অ্যা উইমেন’-এ একজন প্রাইভেট স্কুলের শিক্ষর্থীর চরিত্রে অভিনয় করে। চরিত্রটির জন্য তাকে পাঁচবার অডিশন দিতে হয়েছিল। এই সিনেমাটি তখন বিশ্বব্যাপি ১৩৪ মিলিয়ন ডলার আয় করে। সিনেমাটি সম্পর্কে পরবর্তী সময়ে হফম্যান বলেছিলেন, ‘এই সিনেমায় যদি আমি অভিনয়ে সুযোগ না পেতাম তাহলে আজকে হয়তোবা আমি এই জায়গায় থাকতাম না।’

১৯৯৬-১৯৯৯ সালের মধ্যে উদীয়মান অভিনেতা হিসেবে হফম্যান বেশ সুনাম অর্জন করেন। এসময় তিনি ‘হার্ড এইট’, ‘টুইস্টার’, ‘বগি নাইটস’, ‘রোলিং স্টোন’, ‘মন্টানা’র মতো জনপ্রিয় সিনেমায় অভিনয় করেন।

পর্দায় অভিনয়ে জোর দিলেও একইসাথে থিয়েটারেও অভিনয় চালিয়ে যাচ্ছিলেন হফম্যান। থিয়েটারে অভিনয়ের জন্য অর্জন করেন ‘ড্রামা ডেস্ক অ্যাওয়ার্ড’, ‘টনি অ্যাওয়ার্ড’ এর মতো পুরস্কারও। 

২০০২ সালে হফম্যান প্রথমবারের প্রধান চরিত্রে অভিনয়ের সুযোগ পান। টড লুইসের ট্রাজিকমিডি ঘরণার সিনেমা ‘লাভ লিজা’তে। তবে সিনেমাটি ব্যবসাসফল হতে পারেনি। ২০০৩ সালে হফম্যানের দ্বিতীয় প্রধান চরিত্রে অভিনয় করা ‘ওনিং মাহাওনি’ সিনেমাটিও তেমন আয় করতে পারেনি। 

২০০৫ সালে ‘ক্যাপোট’ সিনেমাটিতে প্রধান চরিত্রে অভিনয় করেন হফম্যান। এ সিনেমাটিকে তার ক্যারিয়ার ঘুরানো সিনেমা হিসেবে দেখা হয়। সিনেমাটির শুটিংয়ের সময় তিনি চরিত্রটির ভেতর সারাক্ষণ নিমগ্ন থাকতেন যাতে চরিত্রের জন্য তার কণ্ঠ ও অঙ্গভঙ্গি হারিয়ে না ফেলেন। পরিশ্রম করে সফলতাও পান তিনি। সিনেমাটিতে নিজের অভিনয়ের জন্য হফম্যান বিনোদন জগতের শীর্ষ পুরস্কার ‘অস্কার’ জিতে নেন। এছাড়াও এ সিনেমার জন্য তিনি গ্লোন্ডেন গ্লোব, স্ক্রিন অ্যাক্টর গিল্ড অ্যাওয়ার্ড, বাফটা অ্যাওয়ার্ডেও ভূষিত হন। 

এরপর আর পেছনে তাকাতে হয়নি এই অভিনেতাকে। উপহার দিয়েছেন ‘চার্লি উইলসন ওয়ার্স’, ‘ডাউট’, ‘দ্য মাস্টার’, ‘দ্য আইডিয়াস অব মার্চ’, ‘দ্য সেভেজেস’-এর মতো বহু জনপ্রিয় ও ব্যবসাসফল সিনেমা। জিতেছেন বিনোদন জগতের নামকরা সব পুরস্কার। 
১৯৯৯ সালে কস্টিম ডিজাইনার মিমি ও’ডনেলের সাথে সম্পর্কে জড়ান হফম্যান। মৃত্যুর আগ পর্যন্ত ছিল তাদের সে সম্পর্ক। তাদের সংসারে এক ছেলে ও দুই মেয়ে ছিল। আমেরিকান অভিনেতা কুপার হফম্যান তাদের সন্তান। 

সোনালী এক ক্যারিয়ার গড়ে ২০১৪ সালের ফেব্রুয়ারির ২ তারিখে মারা যান হফম্যান। বাথরুম থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়। বিভিন্ন ধরনে মাদক একসাথে নেওয়ার কারণে তার মৃত্যু হয়েছিল বলে পড়ে জানা যায়। 

হাসান

শাবনূরকে নিয়ে যা বললেন পূর্ণিমা

প্রকাশ: ০৮ জুন ২০২৬, ০৩:৫৯ পিএম
শাবনূরকে নিয়ে যা বললেন পূর্ণিমা
ছবি: সংগৃহীত

ঢাকাই সিনেমার দুই নন্দিত নায়িকা শাবনূর ও পূর্ণিমা। দুজনেই অভিনয়ে অনিয়মিত। শাবনূর বর্তমানে অস্ট্রেলিয়ায় বসবাস করছেন। এদিকে পূর্ণিমা দেশে থাকলেও রুপালি পর্দায় তার উপস্থিতি নেই বললেই চলে। তবে অভিনয়ে নিয়মিত না থাকলেও এই দুই নায়িকার সম্পর্ক বেশ সৌহার্দ্যপূর্ণ। শাবনূরকে নিয়ে চিত্রনায়িকা পূর্ণিমার একটি ফেসবুক পোস্ট নেটিজেনদের মধ্যে  আলোচনার জন্ম দিয়েছে।
রবিবার (৭ জুন) নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে শাবনূরের সঙ্গে কাটানো একটি স্মরণীয় মুহূর্তের ভিডিও প্রকাশ করেন।
পোস্টের ক্যাপশনে পূর্ণিমা লিখেন, ‘কিছু মানুষ শুধু তারকা নন, তারা মানুষের হৃদয়ে চিরকাল বেঁচে থাকেন। বাংলা চলচ্চিত্রের এক উজ্জ্বল নক্ষত্র ‘শাবনূর’ আপু। পর্দার সাফল্যের বাইরেও তিনি একজন অসাধারণ মনের মানুষ। ২-৩ বছর আগে তার সঙ্গে কাটানো এই মুহূর্তটি আজও আমার জীবনের সবচেয়ে স্মরণীয় স্মৃতিগুলোর একটি।’
এই নায়িকা আরো লিখেন, ‘বাংলা সিনেমায় আপনার অবদান যেমন অবিস্মরণীয়, তেমনি মানুষ হিসেবেও আপনি অসাধারণ। আপনাকে বড় পর্দায় খুব মিস করি। ভালো থাকুন, সুস্থ থাকুন। অনেক শ্রদ্ধা ও ভালোবাসা।’
ভিডিওতে দুই নায়িকাকে হাস্যোজ্জ্বল ও আন্তরিক পরিবেশে একসঙ্গে সময় কাটাতে দেখা যায়। পোস্টটি প্রকাশের পর থেকেই তা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে।

শিশুদের নাটক ‘ডাকাত হালুম চিৎপটাং’

প্রকাশ: ০৭ জুন ২০২৬, ০৬:৪৭ পিএম
শিশুদের নাটক ‘ডাকাত হালুম চিৎপটাং’
ছবি: সংগৃহীত

নাট্যসংগঠন বটতলা কর্তৃক পরিচালিত অভিনয় শেখার স্কুল অ্যাক্টরস স্টুডিওর আওতায় শিশুদের জন্য ‘অভিনয়ে হাতেখড়ি’ শীর্ষক চার মাসব্যাপী নাট্যকর্মশালার ষষ্ঠ আবর্তন সম্পন্ন হয়েছে গত ৬ জুন। ৬ মাস প্রশিক্ষণ ও মহড়া শেষে, বাংলাদেশ মহিলা সমিতির নীলিমা ইব্রাহিম মিলনায়তনে আয়োজিত সমাপনী অনুষ্ঠানে শিশুরা পরিবেশন করে নাটক ‘ডাকাত হালুম চিৎপটাং’ নাটকের উদ্বোধনী প্রদর্শনী। 
জার্মান সাহিত্যিক ওটফিল্ড প্রুশলার-এর নন্দিত রচনা ‘ডাকাত হটজেনপ্লটয’ অবলম্বনে নাট্যরূপ দিয়েছেন শাম্মি আক্তার এবং নির্দেশনা দিয়েছেন হুমায়ূন আজম রেওয়াজ।
প্রদর্শনী শেষে শিশুদের হাতে সনদপত্র ও উপহার তুলে দেন বাংলাদেশের অষ্টম এভারেস্ট বিজয়ী নুরুন্নাহার নিম্নি, আয়রনম্যান মোহাম্মদ শামসুজ্জামান আরাফাত, লেখক ও গবেষক সামীও শীশ, কবি ও শিক্ষক সাকিরা পারভীন সুমা, বটতলার প্রতিষ্ঠাতা সদস্য মিজানুর রহমান এবং বটতলা পরিচালনা পর্ষদের সদস্য ও শিল্পী লায়েকা বশীর।
‘অভিনয়ে হাতেখড়ি’ কর্মসূচির সাফল্যের ধারাবাহিকতা শিশুদের থিয়েটার চর্চার স্বতন্ত্র পরিসর তৈরিতে বটতলা নিবিড়ভাবে কাজ করে যাচ্ছে। বিগত বছরগুলোতে অভিনয়ে হাতেখড়ি কর্মশালার মাধ্যমে বটতলা মঞ্চে এনেছে শিশুতোষ নাটক গুপীবাঘা, গালিভারস ট্রাভেলস, আমরা সবাই রাজা, হ্যামিলনের বাঁশিওয়ালা ও ফাংসাং নাটকগুলো।

জন্মদিনে এল লাকী আখান্দের অপ্রকাশিত গান

প্রকাশ: ০৭ জুন ২০২৬, ০৬:৪৩ পিএম
আপডেট: ০৭ জুন ২০২৬, ০৬:৪৬ পিএম
জন্মদিনে এল লাকী আখান্দের অপ্রকাশিত গান
ছবি: সংগৃহীত

কিংবদন্তি সংগীতশিল্পী ও সুরকার লাকী আখান্দের ৭০তম জন্মদিন ৭ জুন। জন্মদিনে তার প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে প্রকাশ পেল তারই সুরে অপ্রকাশিত গান। গানটির শিরোনাম ‘উড়ছে ধুলো ছুটছে ঘোড়া’। গীতিকবি গোলাম মোর্শেদের কথায় গানটি গেয়েছেন জনপ্রিয় সংগীতশিল্পী জয় শাহরিয়ার। গানটির লিরিক ভিডিও প্রকাশ পেয়েছে জয় শাহরিয়ার ও গান জানালার ইউটিউব চ্যানেলে। এ ছাড়া বিশ্বজুড়ে সব স্ট্রিমিং প্ল্যাটফর্মে শোনা যাচ্ছে গানটি। 
নতুন এই গান প্রসঙ্গে জয় শাহরিয়ার বলেন, ‘লাকী ভাই কিংবদন্তি শিল্পী। তার সঙ্গে কাজ করার সৌভাগ্য হয়নি সরাসরি। প্রিয় গীতিকবি গোলাম মোর্শেদ ভাইয়ের কাছে তার লেখা ও লাকী ভাইয়ের সুরে কিছু অপ্রকাশিত গান আছে জানতে পেরে আমি একটি গান করার আগ্রহ প্রকাশ করি। মোর্শেদ ভাই আমার সেই আবদার রেখে আমাকে এই গানটি দেন। আমার জীবনের একটি স্বপ্ন পূরণ হলো এর মধ্যদিয়ে। আমি চেষ্টা করেছি লাকী ভাইয়ের মূল সুরের আমেজ ধরে রাখতে। লাকী ভাইয়ের জন্মদিনে এই গান আমাদের শ্রদ্ধাঞ্জলি তার স্মৃতির প্রতি।’
গীতিকবি গোলাম মোর্শেদ বলেন, ‘লাকী ভাইয়ের সঙ্গে আমার অনেক স্মৃতি, অনেক গান। একসঙ্গে টানা কাজ করেছি আমরা। আমি লিরিক লিখে উনাকে দিতাম। সেগুলো সুর করলে মোবাইলে রেকর্ড করে রাখতাম। প্রকাশ পায়নি এমন বেশ কিছু গান রয়ে গেছে আমার কাছে। জয় শাহরিয়ার আমার স্নেহের অনুজ শিল্পী। ওর আগ্রহে এই গানটি ওকে দেওয়া। আমার খুব ভালো লেগেছে জয়ের কাজ। আশা করি লাকী ভাইয়ের শ্রোতাদেরও ভালো লাগবে।’

গানে আর ফিরবেন না রিংকু

প্রকাশ: ০৭ জুন ২০২৬, ০৫:৩৮ পিএম
গানে আর ফিরবেন না রিংকু
ছবি: সংগৃহীত

ক্লোজআপ ওয়ান খ্যাত জনপ্রিয় লোকসংগীতিশিল্পী রিংকু। দীর্ঘদিন ধরেই অসুস্থ তিনি। চারবার স্ট্রোকে আক্রান্ত হয়ে থমকে গেছে তার জীবন। ২০২০ সাল থেকে শরীরের এক পাশ অবশ হয়ে যাওয়ার পর থেকে নিভৃতে দিন কাটাচ্ছেন নিজ গ্রামে। এক সময়ে গানের ব্যস্ততা ভুলে শহর ছেড়েছেন অনেক আগেই। অসুস্থ শরীর নিয়ে জীবনের তাগিদে করেছেন কৃষি খামারও। 
এবার এই তারকা জানালেন গানের জগতে আর ফেরা হবে না তার। তার কথায় শেষ আকুতি— তার সৃষ্টিগুলো যেন হারিয়ে না যায়। 
সম্প্রতি ‘পথের গল্প’ নামের একটি ট্রাভেল ডকুমেন্টারিতে হাজির হয়ে নিজের বর্তমান শারীরিক অবস্থা, ক্যারিয়ার এবং এক সময়ের কাছের মানুষদের বদলে যাওয়া নিয়ে কথা বলেছেন রিংকু।
রিংকু বলেন, ‘পুরোপুরি গানে ফেরার ইচ্ছা আমার নেই। ইচ্ছা করলেও সেই সম্ভাবনা নেই। কারণ, চারবার স্ট্রোক হয়েছে, এর মধ্যে একবার-দুবার তো কেউ জানতই না। চারবার যখন স্ট্রোক হয়ে গেল, তখন আমি বুঝলাম সব আশা শেষ। এটা মানতে হবে, কারণ এটাই সত্য। আসলে আমি যেভাবে ব্যাক করতে চাই, সেভাবে আর হবে না। পরিপূর্ণভাবে ব্যাক করতে না পারলে ব্যাক করার দরকার নেই। আমি মরে গেলেও গানগুলো তো থাকবে। একটাই আহ্বান আমার, গানগুলো যেন নষ্ট না হয়।’
আক্ষেপ প্রকাশ করে তিনি বলেন, ‘শহরের মানুষের ভালোবাসা হচ্ছে কাজের জন্য ভালোবাসা। আর গ্রামের মানুষের ভালোবাসা অরিজিনাল। তারাই এখন আমার বন্ধু। একটা কথা আছে—কাজ করলে কাজী, কাজ ফুরালে পাজি। ঠিক তেমন হচ্ছে শহরের মানুষের ভালোবাসা। যদি কারও কাজ করে দিতাম তাহলে ভালোবাসত, কাজ না করে দিলে আমি নেই—বিষয়টি এমন আরকি। সেই সময়ের কোনো বন্ধুই নেই এখন। কেউ খোঁজ রাখে না। যদি কারও জন্য কিছু করে থাকি, সেটা আমি করেছি। কিন্তু কারও সিমপ্যাথি আমি চাই না।’

ঘোড়ার মাংস খাওয়া নিয়ে জয়ার রিটে যা নির্দেশ দিল হাইকোর্ট

প্রকাশ: ০৭ জুন ২০২৬, ০৪:১৮ পিএম
ঘোড়ার মাংস খাওয়া নিয়ে জয়ার রিটে যা নির্দেশ দিল হাইকোর্ট
ছবি: সংগৃহীত

দুই বাংলার জনপ্রিয় তারকা অভিনেত্রী জয়া আহসান। ঘোড়ার মাংস মানুষের খাদ্য হিসেবে বিক্রি ও এর বাণিজ্যিক ব্যবহার নিয়ন্ত্রণের জন্য আদালতে একটি রিট আবেদন করেছিলেন তিনি। রবিবার (৭ জুন) জয়া আহসানের দায়ের করা রিট আবেদনের শুনানি হয়েছে। শুনানি শেষে ঘোড়ার মাংস মানুষের খাদ্য হিসেবে বিক্রি ও এর বাণিজ্যিক ব্যবহার নিয়ন্ত্রণে কেন কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া হবে না, তা জানতে চেয়ে রুল জারি করেছেন হাইকোর্ট। একই সঙ্গে এ বিষয়ে আগামী ৯০ দিনের মধ্যে একটি পূর্ণাঙ্গ গাইডলাইন প্রণয়নের নির্দেশও দিয়েছেন আদালত।
গত ১১ মে দায়ের করা রিটে অভিযোগ করা হয়, অসুস্থ প্রাণীর মাংস প্রতারণামূলকভাবে মানুষের খাদ্য হিসেবে বাজারজাত করা হচ্ছে। এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে অভিযোগ জানানো হলেও কার্যকর কোনো আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি। তাই উচ্চ আদালতের হস্তক্ষেপ চাওয়া হয়।
রিটে আরো বলা হয়, মন্ত্রণালয়ে পাঠানো আগের অভিযোগগুলোর নিষ্পত্তি নিশ্চিত করা, যথাযথ আইনি প্রক্রিয়া শুরু করা এবং গাজীপুরে উন্মোচিত অবৈধ ঘোড়ার মাংসের বাণিজ্যের বিষয়ে পুঙ্খানুপুঙ্খ ও নির্দিষ্ট সময়সীমার মধ্যে তদন্তের নির্দেশ দেওয়া প্রয়োজন। পাশাপাশি তদন্ত প্রতিবেদন হাইকোর্টে দাখিলের নির্দেশনাও চাওয়া হয়েছে।
রিট আবেদনে পিটিশনকারীদের দাবি, দ্রুত বিচারিক হস্তক্ষেপ না হলে এই অবৈধ বাণিজ্য জনস্বাস্থ্যের জন্য ঝুঁকি তৈরি করতে পারে এবং প্রাণীর প্রতি নিষ্ঠুর আচরণ অব্যাহত থাকার আশঙ্কা রয়েছে।