ঢাকা ২৫ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩, সোমবার, ০৮ জুন ২০২৬

সর্বশেষ
ভয়ভীতি দেখিয়ে নারী-শিশুদের বাংলাদেশে ঠেলে দিচ্ছে বিএসএফ: ভারতের মানবাধিকার সংগঠন রাজধানীসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে ভূমিকম্প অনুভূত ভারত আন্তর্জাতিক আইন ও মানবাধিকার লঙ্ঘন করে পুশইন করছে: জাতীয় মুক্তি কাউন্সিল আবারও এশিয়ার শীর্ষ ধনী গৌতম আদানি হবিগঞ্জে বজ্রপাতে ৩ জনের মৃত্যু, আহত ৩ নিয়মের তোয়াক্কা নেই, সড়কে বেপরোয়া ডিএসসিসির ডাম্পট্রাক চার দিনের সফরে বেইজিং গেছেন তথ্যমন্ত্রী কক্সবাজারে মানবপাচার চক্রের মূলহোতা ছৈয়দুল হক আটক ডিক্যাব ও বাংলাদেশ চীন আপন মিডিয়া ক্লাবের মধ্যে সমঝোতা স্মারক সই শরীয়তপুরে মব করে প্রধান শিক্ষকের ওপর হামলা এনসিটিবিসহ চার শিক্ষা বোর্ডে নতুন নেতৃত্ব স্বপ্নে গান শোনা আসলে কীসের ইঙ্গিত? ব্যস্ত সড়কে প্রকাশ্যে ছিনতাই, নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ জেট ফুয়েলের দাম লিটারে কমল ১৫ টাকা চমেক হাসপাতালে অ্যাম্বুলেন্স চালক-এনসিপি কর্মীদের মারামারি গ্রীন চট্টগ্রাম গড়তে লাগানো হচ্ছে ১০ লাখ গাছ চসিকের সড়ক ও ফুটপাত থেকে দেড় শতাধিক ভাসমান দোকান উচ্ছেদ মনপুরায় ‘জয় বাংলা’ স্লোগান লেখা নিয়ে উত্তেজনা জ্বালানির মজুদ সম্প্রসারণ, আমদানির উৎস বহুমুখীকরণসহ ১২ দফা সুপারিশ সংসদীয় কমিটির ঢামেক ও চমেকে ইন্টার্ন চিকিৎসকদের কর্মবিরতি, ৬ দফা দাবি ভোলায় মিতু হত্যাকাণ্ডে পুলিশের ভূমিকা নিয়ে বিতর্ক, ওসিকে তলব বিসিবির সভাপতি তামিম ইকবাল কুমিল্লায়  ছাত্রলীগের ঝটিকা মিছিল থেকে ৪৫ জন আটক; ৫ বাস-মাইক্রো জব্দ গোয়েন্দারা কেন প্রকাশ্যে আসছেন? শিশুদের নাটক ‘ডাকাত হালুম চিৎপটাং’ মেট্রো স্টেশনগুলোর নিচে দুরবস্থা জন্মদিনে এল লাকী আখান্দের অপ্রকাশিত গান নূরজাহান ট্র্যাজেডির সমাজতাত্ত্বিক পাঠ কিয়ামতের ময়দানে রাসুল (সা.)-এর পাশে থাকার উপায় সরকারের প্রথম ১০০ দিনে ৬০৫ খুন: টিআইবি
Nagad desktop

দেহটাই একটা যন্ত্র, এটাকেই বাজানোর চেষ্টা করছি

প্রকাশ: ১২ মার্চ ২০২৫, ১০:০০ এএম
আপডেট: ১২ মার্চ ২০২৫, ০৪:৩৩ পিএম
দেহটাই একটা যন্ত্র, এটাকেই বাজানোর চেষ্টা করছি
ছবি: সংগৃহীত

দেশের জনপ্রিয় মিউজিশিয়ান মিঠুন চক্র। বিভিন্ন ইনস্ট্রুমেন্ট বাজানোর দক্ষতার পাশাপাশি গানও গেয়ে থাকেন এই শিল্পী। কিছুদিন আগে ইউনেসকোর হেডকোয়ার্টারে একটি অনুষ্ঠানে অংশ নিয়ে দেশে ফিরেছেন তিনি। এসব বিষয় ও অন্যান্য পরিকল্পনা নিয়ে কথা হয় তার সঙ্গে। সাক্ষাৎকার নিয়েছেন মাহমুদ শাকিল- 

সম্প্রতি ইউনেস্কোর হেডকোয়ার্টারে একটি অনুষ্ঠানে অংশ নিয়েছিলেন। সে সম্পর্কে বলুন-
আমাদের ট্যুরটি হয়েছিল ইউনেসকোর আন্ডারে, যেখানে আমি প্রথমবারের মতো সরকারিভাবে বাজানোর আমন্ত্রণ পাই। তাও আবার ইউনেসকোর আমন্ত্রণে ফ্রান্সে, যেখানে বাংলাদেশ হাইকমিশন জড়িত ছিল এবং এটার নেতৃত্বে ছিলেন আমাদের কাছের সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব ও উপদেষ্টা মোস্তফা সরোয়ার ফারুকী ভাই। সেখানে আমি ছাড়াও বিখ্যাত বংশীবাদক জালাল আহমেদ, নীরব, টুনটুন বাউল, পালাকার ভাই, পারসা, পিংকি এবং সেজান গিয়েছিলাম। খুব সুন্দর এক অভিজ্ঞতা ছিল। আমরা অনুষ্ঠানটিতে অংশগ্রহণ করেছিলাম ২১ তারিখ। সেদিন আমরা দুবার বাজিয়েছিলাম। 

অনুভূতি কেমন ছিল? 
পারফর্মের অনুভূতি ছিল অভূতপূর্ব। ইউনেসকোর মতো এত বড় একটি সংস্থায় গিয়ে বাংলাদেশকে রিপ্রেজেন্ট করা, সেটাও আবার ২১ ফেব্রুয়ারি আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবসের দিনে, অসাধারণ এক অনুভূতি। তার ওপর সেদিন সকালবেলায় শুধু আমরাই এককভাবে বাংলাদেশের সংগীত পারফর্মের সুযোগ পেয়েছিলাম। আর রাতে তো সবাই মিলে গ্রুপ পারফরমেন্স ছিলই। এটা প্রাপ্তির মধ্যে সবচেয়ে উপরের স্থান দখল করে রেখেছে। যদিও খুব নার্ভাস ছিলাম, তবে সবকিছু খুব ভালো হয়েছে। যেখানে আমরা বলতে পেরেছি ‘উই আর অল ওয়ান সাউন্ড, উই আর অল ওয়ান টুগেদার। 

এআর রহমানের সঙ্গেও আপনি একই মঞ্চে পারফর্ম করেছেন। এই অভিজ্ঞতাটা আপনার ক্যারিয়ারের জন্য কতটা গুরুত্ববহ? 
২০১৩ সালে টি-টোয়েন্টি ওয়ার্ল্ড কাপের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে অংশ নিতে এআর রহমান বাংলাদেশে এসেছিলেন। তার সঙ্গে আমার পারফর্ম করাটাও বেশ নাটকীয় ছিল। আমার গুরুজি আনন্দ শিবামনী যিনি দীর্ঘদিন যাবৎ এআর রহমানের সঙ্গে বাজাচ্ছেন, তিনিই আমাকে এ সুযোগটা করে দিয়েছিলেন। বাংলাদেশের একমাত্র মিউজিশিয়ান হয়ে তাদের সঙ্গে বাজানো, দুই-তিন দিন একসঙ্গে প্র্যাকটিস করে ফাইনালি স্টেজ শেয়ার করার ব্যাপারটা এখনো আমার মাথায় রয়ে গেছে। এটা আমাকে আরও বেশি প্রফেশনাল হতে সাহায্য করেছে।

অনেকেরই কৌতূহল, আপনি আসলে কি কি ইনস্ট্রুমেন্ট বাজাতে পারেন? 
আমি ছোটবেলা থেকেই যে ইনস্ট্রুমেন্টগুলো ছন্দ সৃষ্টি করে, সেগুলোর প্রতি আকৃষ্ট হয়েছি। তবলা বাজানো শুরু করি আড়াই বছর বয়সে। তার পর থেকে আমি যা পাই তাই বাজাতাম। এখনো বিভিন্ন কন্টিনেন্টের বিভিন্ন ছন্দযন্ত্র যা আছে, সেগুলো বাজানোর টুকিটাকি চেষ্টা করি। তবে সুরের যন্ত্রে আমি অতটা পারদর্শী নই। আমি সব সময়ই বলি, আমার দেহটাই একটা যন্ত্র আর এটাকেই বাজানোর চেষ্টা করছি।

কোক স্টুডিও বাংলার সর্বশেষ সিজনের অবিচ্ছেদ্য অংশ ছিলেন। এর বাকি অংশেও কি আপনাকে দেখা যাবে? 
কোক স্টুডিওর সিজনটা একটা জার্নির মতো। দেখতে থাকুন, যখন সব (গান) আসবে, তখন তো জানতে পারবেনই। এটা সারপ্রাইজই থাকুক।

ইনস্ট্রুমেন্টের পাশাপাশি আপনি গায়ক হিসেবেও পরিচিত। সামনে গান নিয়ে কোনো পরিকল্পনা আছে কি? 
গান আসলে আমার জীবনে একটি বড় আশীর্বাদ। কারণ আমি কখনো গান শিখিনি, আমি গায়ক নই। তবে যতটুকুই গাইতে পারি এর পুরো কৃতিত্ব আমার মায়ের। গান নিয়ে সামনে অবশ্যই অনেক প্ল্যান আছে। নিজের সলো কিছু গান, চট্টগ্রামের গান এবং সিনেমার জন্য মুখিয়ে আছি। আমি গত বছর প্রথম ‘দেয়ালের দেশ’ সিনেমায় ইমন চৌধুরীর সুরে বিসর্জনের ব্যথা গানটি গেয়েছিলাম। গানটি বেশ প্রশংসিত হয়েছিল। ও রকম আরও গান গাইতে চাই, দেখা যাক কি হয়।

এই সময়ে অনেকেই একটা/দুইটা গান করে ভাইরাল হয়ে যাচ্ছেন, অনেকে আবার খুব চেষ্টার পরও স্ট্রাগল করছেন। বর্তমানে এই যে ভাইরাল হওয়ার প্রবণতা, বিষয়টিকে আপনি কীভাবে দেখছেন? 
প্রতিটি যুগে প্রতিটি রেভ্যুলুশনের মতো এটাও একটা রেভ্যুলুশন। আগেও একটি গান গেয়ে অনেকে ফেমাস হয়েছেন, ওই গানটিই গেয়ে গেছেন। শত শত বছর ধরে এ রকম ইতিহাস আছে, এটা নতুন কিছু নয়। সো এটা হতেই থাকবে। এ বিষয়ে আমার তেমন কোনো মন্তব্য নেই। সবকিছুকেই সাধুবাদ, ধন্যবাদ। 

/শাকিল  

শিশুদের নাটক ‘ডাকাত হালুম চিৎপটাং’

প্রকাশ: ০৭ জুন ২০২৬, ০৬:৪৭ পিএম
শিশুদের নাটক ‘ডাকাত হালুম চিৎপটাং’
ছবি: সংগৃহীত

নাট্যসংগঠন বটতলা কর্তৃক পরিচালিত অভিনয় শেখার স্কুল অ্যাক্টরস স্টুডিওর আওতায় শিশুদের জন্য ‘অভিনয়ে হাতেখড়ি’ শীর্ষক চার মাসব্যাপী নাট্যকর্মশালার ষষ্ঠ আবর্তন সম্পন্ন হয়েছে গত ৬ জুন। ৬ মাস প্রশিক্ষণ ও মহড়া শেষে, বাংলাদেশ মহিলা সমিতির নীলিমা ইব্রাহিম মিলনায়তনে আয়োজিত সমাপনী অনুষ্ঠানে শিশুরা পরিবেশন করে নাটক ‘ডাকাত হালুম চিৎপটাং’ নাটকের উদ্বোধনী প্রদর্শনী। 
জার্মান সাহিত্যিক ওটফিল্ড প্রুশলার-এর নন্দিত রচনা ‘ডাকাত হটজেনপ্লটয’ অবলম্বনে নাট্যরূপ দিয়েছেন শাম্মি আক্তার এবং নির্দেশনা দিয়েছেন হুমায়ূন আজম রেওয়াজ।
প্রদর্শনী শেষে শিশুদের হাতে সনদপত্র ও উপহার তুলে দেন বাংলাদেশের অষ্টম এভারেস্ট বিজয়ী নুরুন্নাহার নিম্নি, আয়রনম্যান মোহাম্মদ শামসুজ্জামান আরাফাত, লেখক ও গবেষক সামীও শীশ, কবি ও শিক্ষক সাকিরা পারভীন সুমা, বটতলার প্রতিষ্ঠাতা সদস্য মিজানুর রহমান এবং বটতলা পরিচালনা পর্ষদের সদস্য ও শিল্পী লায়েকা বশীর।
‘অভিনয়ে হাতেখড়ি’ কর্মসূচির সাফল্যের ধারাবাহিকতা শিশুদের থিয়েটার চর্চার স্বতন্ত্র পরিসর তৈরিতে বটতলা নিবিড়ভাবে কাজ করে যাচ্ছে। বিগত বছরগুলোতে অভিনয়ে হাতেখড়ি কর্মশালার মাধ্যমে বটতলা মঞ্চে এনেছে শিশুতোষ নাটক গুপীবাঘা, গালিভারস ট্রাভেলস, আমরা সবাই রাজা, হ্যামিলনের বাঁশিওয়ালা ও ফাংসাং নাটকগুলো।

জন্মদিনে এল লাকী আখান্দের অপ্রকাশিত গান

প্রকাশ: ০৭ জুন ২০২৬, ০৬:৪৩ পিএম
আপডেট: ০৭ জুন ২০২৬, ০৬:৪৬ পিএম
জন্মদিনে এল লাকী আখান্দের অপ্রকাশিত গান
ছবি: সংগৃহীত

কিংবদন্তি সংগীতশিল্পী ও সুরকার লাকী আখান্দের ৭০তম জন্মদিন ৭ জুন। জন্মদিনে তার প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে প্রকাশ পেল তারই সুরে অপ্রকাশিত গান। গানটির শিরোনাম ‘উড়ছে ধুলো ছুটছে ঘোড়া’। গীতিকবি গোলাম মোর্শেদের কথায় গানটি গেয়েছেন জনপ্রিয় সংগীতশিল্পী জয় শাহরিয়ার। গানটির লিরিক ভিডিও প্রকাশ পেয়েছে জয় শাহরিয়ার ও গান জানালার ইউটিউব চ্যানেলে। এ ছাড়া বিশ্বজুড়ে সব স্ট্রিমিং প্ল্যাটফর্মে শোনা যাচ্ছে গানটি। 
নতুন এই গান প্রসঙ্গে জয় শাহরিয়ার বলেন, ‘লাকী ভাই কিংবদন্তি শিল্পী। তার সঙ্গে কাজ করার সৌভাগ্য হয়নি সরাসরি। প্রিয় গীতিকবি গোলাম মোর্শেদ ভাইয়ের কাছে তার লেখা ও লাকী ভাইয়ের সুরে কিছু অপ্রকাশিত গান আছে জানতে পেরে আমি একটি গান করার আগ্রহ প্রকাশ করি। মোর্শেদ ভাই আমার সেই আবদার রেখে আমাকে এই গানটি দেন। আমার জীবনের একটি স্বপ্ন পূরণ হলো এর মধ্যদিয়ে। আমি চেষ্টা করেছি লাকী ভাইয়ের মূল সুরের আমেজ ধরে রাখতে। লাকী ভাইয়ের জন্মদিনে এই গান আমাদের শ্রদ্ধাঞ্জলি তার স্মৃতির প্রতি।’
গীতিকবি গোলাম মোর্শেদ বলেন, ‘লাকী ভাইয়ের সঙ্গে আমার অনেক স্মৃতি, অনেক গান। একসঙ্গে টানা কাজ করেছি আমরা। আমি লিরিক লিখে উনাকে দিতাম। সেগুলো সুর করলে মোবাইলে রেকর্ড করে রাখতাম। প্রকাশ পায়নি এমন বেশ কিছু গান রয়ে গেছে আমার কাছে। জয় শাহরিয়ার আমার স্নেহের অনুজ শিল্পী। ওর আগ্রহে এই গানটি ওকে দেওয়া। আমার খুব ভালো লেগেছে জয়ের কাজ। আশা করি লাকী ভাইয়ের শ্রোতাদেরও ভালো লাগবে।’

গানে আর ফিরবেন না রিংকু

প্রকাশ: ০৭ জুন ২০২৬, ০৫:৩৮ পিএম
গানে আর ফিরবেন না রিংকু
ছবি: সংগৃহীত

ক্লোজআপ ওয়ান খ্যাত জনপ্রিয় লোকসংগীতিশিল্পী রিংকু। দীর্ঘদিন ধরেই অসুস্থ তিনি। চারবার স্ট্রোকে আক্রান্ত হয়ে থমকে গেছে তার জীবন। ২০২০ সাল থেকে শরীরের এক পাশ অবশ হয়ে যাওয়ার পর থেকে নিভৃতে দিন কাটাচ্ছেন নিজ গ্রামে। এক সময়ে গানের ব্যস্ততা ভুলে শহর ছেড়েছেন অনেক আগেই। অসুস্থ শরীর নিয়ে জীবনের তাগিদে করেছেন কৃষি খামারও। 
এবার এই তারকা জানালেন গানের জগতে আর ফেরা হবে না তার। তার কথায় শেষ আকুতি— তার সৃষ্টিগুলো যেন হারিয়ে না যায়। 
সম্প্রতি ‘পথের গল্প’ নামের একটি ট্রাভেল ডকুমেন্টারিতে হাজির হয়ে নিজের বর্তমান শারীরিক অবস্থা, ক্যারিয়ার এবং এক সময়ের কাছের মানুষদের বদলে যাওয়া নিয়ে কথা বলেছেন রিংকু।
রিংকু বলেন, ‘পুরোপুরি গানে ফেরার ইচ্ছা আমার নেই। ইচ্ছা করলেও সেই সম্ভাবনা নেই। কারণ, চারবার স্ট্রোক হয়েছে, এর মধ্যে একবার-দুবার তো কেউ জানতই না। চারবার যখন স্ট্রোক হয়ে গেল, তখন আমি বুঝলাম সব আশা শেষ। এটা মানতে হবে, কারণ এটাই সত্য। আসলে আমি যেভাবে ব্যাক করতে চাই, সেভাবে আর হবে না। পরিপূর্ণভাবে ব্যাক করতে না পারলে ব্যাক করার দরকার নেই। আমি মরে গেলেও গানগুলো তো থাকবে। একটাই আহ্বান আমার, গানগুলো যেন নষ্ট না হয়।’
আক্ষেপ প্রকাশ করে তিনি বলেন, ‘শহরের মানুষের ভালোবাসা হচ্ছে কাজের জন্য ভালোবাসা। আর গ্রামের মানুষের ভালোবাসা অরিজিনাল। তারাই এখন আমার বন্ধু। একটা কথা আছে—কাজ করলে কাজী, কাজ ফুরালে পাজি। ঠিক তেমন হচ্ছে শহরের মানুষের ভালোবাসা। যদি কারও কাজ করে দিতাম তাহলে ভালোবাসত, কাজ না করে দিলে আমি নেই—বিষয়টি এমন আরকি। সেই সময়ের কোনো বন্ধুই নেই এখন। কেউ খোঁজ রাখে না। যদি কারও জন্য কিছু করে থাকি, সেটা আমি করেছি। কিন্তু কারও সিমপ্যাথি আমি চাই না।’

ঘোড়ার মাংস খাওয়া নিয়ে জয়ার রিটে যা নির্দেশ দিল হাইকোর্ট

প্রকাশ: ০৭ জুন ২০২৬, ০৪:১৮ পিএম
ঘোড়ার মাংস খাওয়া নিয়ে জয়ার রিটে যা নির্দেশ দিল হাইকোর্ট
ছবি: সংগৃহীত

দুই বাংলার জনপ্রিয় তারকা অভিনেত্রী জয়া আহসান। ঘোড়ার মাংস মানুষের খাদ্য হিসেবে বিক্রি ও এর বাণিজ্যিক ব্যবহার নিয়ন্ত্রণের জন্য আদালতে একটি রিট আবেদন করেছিলেন তিনি। রবিবার (৭ জুন) জয়া আহসানের দায়ের করা রিট আবেদনের শুনানি হয়েছে। শুনানি শেষে ঘোড়ার মাংস মানুষের খাদ্য হিসেবে বিক্রি ও এর বাণিজ্যিক ব্যবহার নিয়ন্ত্রণে কেন কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া হবে না, তা জানতে চেয়ে রুল জারি করেছেন হাইকোর্ট। একই সঙ্গে এ বিষয়ে আগামী ৯০ দিনের মধ্যে একটি পূর্ণাঙ্গ গাইডলাইন প্রণয়নের নির্দেশও দিয়েছেন আদালত।
গত ১১ মে দায়ের করা রিটে অভিযোগ করা হয়, অসুস্থ প্রাণীর মাংস প্রতারণামূলকভাবে মানুষের খাদ্য হিসেবে বাজারজাত করা হচ্ছে। এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে অভিযোগ জানানো হলেও কার্যকর কোনো আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি। তাই উচ্চ আদালতের হস্তক্ষেপ চাওয়া হয়।
রিটে আরো বলা হয়, মন্ত্রণালয়ে পাঠানো আগের অভিযোগগুলোর নিষ্পত্তি নিশ্চিত করা, যথাযথ আইনি প্রক্রিয়া শুরু করা এবং গাজীপুরে উন্মোচিত অবৈধ ঘোড়ার মাংসের বাণিজ্যের বিষয়ে পুঙ্খানুপুঙ্খ ও নির্দিষ্ট সময়সীমার মধ্যে তদন্তের নির্দেশ দেওয়া প্রয়োজন। পাশাপাশি তদন্ত প্রতিবেদন হাইকোর্টে দাখিলের নির্দেশনাও চাওয়া হয়েছে।
রিট আবেদনে পিটিশনকারীদের দাবি, দ্রুত বিচারিক হস্তক্ষেপ না হলে এই অবৈধ বাণিজ্য জনস্বাস্থ্যের জন্য ঝুঁকি তৈরি করতে পারে এবং প্রাণীর প্রতি নিষ্ঠুর আচরণ অব্যাহত থাকার আশঙ্কা রয়েছে।

মা হচ্ছেন সোহিনী

প্রকাশ: ০৬ জুন ২০২৬, ০৭:৩৮ পিএম
আপডেট: ০৬ জুন ২০২৬, ০৭:৪০ পিএম
মা হচ্ছেন সোহিনী
ছবি: সংগৃহীত

কলকাতার জনপ্রিয় অভিনেত্রী সোহিনী সরকার। ভালোবেসে বিয়ে করেছেন গায়ক শোভন গঙ্গোপাধ্যায়কে। কিছুদিন ধরেই শোনা যাচ্ছিল মা হতে যাচ্ছেন সোহিনী সরকার। তবে এ নিয়ে মুখ খোলেননি এতদিন। চুপ ছিলেন তার স্বামী শোভন গঙ্গোপাধ্যায়ও। তবে বিষয়টি নিয়ে টলিপাড়ায় ফিসফাস চলছেই। ভারতীয় সংবাদমাধ্যম জানিয়েছে, চলতি বছরই মা হবেন সোহিনী। তবে চাইছেন না আগেভাগে কেউ জানুক। এ জন্য সাবধানতা অবলম্বন করে চলছেন তারা। কোথাও খুব একটা দেখাও যায় না সোহিনীকে। যান না কোনো সিনেমার প্রিমিয়ারেও। হঠাৎ ঘরকুনো হতে দেখেই গুঞ্জন আরও বেশি করে পাখা মেলেছে। 
এদিকে মুক্তির অপেক্ষায় আছে সোহিনীর সিনেমা ‘ফেরা’। সিনেমাটির পরিচালক পৃথা চক্রবর্তী। এতে আরও অভিনয় করেছেন ঋত্বিক চক্রবর্তী, সঞ্জয় মিশ্র প্রমুখ। সম্প্রতি সিনেমাটির বিশেষ প্রদর্শনীর আয়োজন করা হয়। সেখানেও ছিলেন না অভিনেত্রী।
শোভনের সঙ্গে সোহিনী বিয়ের পিঁড়িতে বসেন ২০২৪ সালের জুলাইয়ে। বছর খানেক প্রেমের পর গাঁটছড়া বাঁধেন তারা। তার দুই বছরের এল অতিথি আগমনের সুখবর। এ সুখবরে সোহিনীকে শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানিয়েছেন ভক্ত-অনুরাগীরা।