দেশের স্বনামধন্য আলোকচিত্রী চঞ্চল মাহমুদ আর নেই। শুক্রবার রাত ৯টা ৪০ মিনিট নাগাদ রাজধানীর একটি বেসরকারি হাসপাতালে তিনি ইন্তেকাল করেছেন (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাহির রাজিউন)। মৃত্যুকালে তাঁর বয়স হয়েছিল ৬৭ বছর। তিনি দীর্ঘদিন হৃদরোগে আক্রান্ত ছিলেন। বিষয়টি গণমাধ্যমকে নিশ্চিত করেছেন চঞ্চল মাহমুদের স্ত্রী রায়না মাহমুদ।
পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, চলতি বছরের ২০ জানুয়ারি ব্রেন স্ট্রোক করেছিলেন চঞ্চল মাহমুদ। এর পর থেকে ক্রমশ অবনতির দিকে যায় এই আলোকচিত্রীর শারীরিক অবস্থা। পরে শুক্রবার তাকে লাইফ সাপোর্ট দিয়েও রক্ষা করা যায়নি।
শ্রদ্ধা জানানোর জন্য আজ শনিবার (২১ জুন) বেলা ১২টায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় জামে মসজিদে চঞ্চল মাহমুদের মরদেহ রাখা হয়। সেখানে শিল্প, সাহিত্য, সংস্কৃতি ও আলোকচিত্র অঙ্গনের সহযোদ্ধারা তাঁকে শেষ শ্রদ্ধা জানান। এরপর বাদ জোহর তাঁর জানাজা অনুষ্ঠিত হয়। পরে বনানী কবরস্থান তাঁকে দাফন করা হবে।
চঞ্চল মাহমুদের ফটোগ্রাফি শুরু হয় আরোকচিত্রাচার্য মঞ্জুর আলম বেগের হাত ধরে। দেশের আধুনিক ফ্যাশন ফটো্রগাফির ধারক ছিলেন চঞ্চল মাহমুদ। সাড়ে চার দশকের বেশি সময় ধরে শীর্ষ মডেল ফটোগ্রাফার ও শিক্ষক হিসেবে কাজ করেছেন এই গুণী মানুষটি।
‘চঞ্চল মাহমুদ ফটোগ্রাফি’ নামে তার একটি প্রশিক্ষণ কেন্দ্র রয়েছে। তার ছবি নিয়ে বেশ কয়েকটি প্রদর্শনী হয়েছে। তিনি বাংলাদেশ ফটোগ্রাফিক সোসাইটির সঙ্গেও যুক্ত ছিলেন। বাংলাদেশের অনেক আলোকচিত্রী, মডেল, অভিনেতা ও অভিনেত্রীর ক্যারিয়ার শুরু হয়েছে চঞ্চল মাহমুদের হাত ধরে। তাঁর মৃত্যুতে দেশের আলোকচিত্র ও সংস্কৃতি অঙ্গনে শোকের ছায়া নেমে এসেছে।
/এমএস