ঢাকা ৩ আষাঢ় ১৪৩৩, বুধবার, ১৭ জুন ২০২৬

সর্বশেষ
যাত্রা ও সার্কাসে অশ্লীলতা বরদাশত নয় : সংস্কৃতিমন্ত্রী আজকে যে কেউ সরকারের বিরুদ্ধে নির্দ্বিধায় বলতে পারে: প্রধানমন্ত্রী যে জগৎ মানুষের অপেক্ষায় আছে চট্টগ্রামে এইডস ঝুঁকি বাড়াচ্ছে রোহিঙ্গারা মাধবদীর ‘মমতা’ সিনেমা হল বিক্রির বিজ্ঞাপন রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসন নির্ভর করছে মায়ানমারের সদিচ্ছার ওপর: পররাষ্ট্রমন্ত্রী মাঠে বসে মেসির হ্যাটট্রিকে আর্জেন্টিনার জয় দেখলেন নাদিয়া-নাঈম যুগোপযোগী পাঠদান শিক্ষার্থীদের শেখার অভিজ্ঞতা সমৃদ্ধ করবে: গ্লেনরিচে বক্তারা ফরিদপুরে ফ্যামিলি কার্ড বিতরণ শুরু বৈশ্বিক শিল্প ইতিহাসের ভূ-রাজনীতিতে নারী শিল্পী নগরায়ণ, পরিবেশ বিপর্যয় ও বরেন্দ্র জনপদের ভবিষ্যৎ বাংলাদেশের প্রাকৃতিক দুর্যোগ বিষয়ক প্রবন্ধ রচনা, ৩য় পর্ব, এইচএসসির বাংলা ২য় পত্র সহিংসতা প্রতিরোধে করণীয় নির্ধারণে অ্যাডভোকেসি ডায়ালগ জাতীয় সংসদসহ সব খাতে নারীর অংশগ্রহণ বেড়েছে: স্পিকার হাম উপসর্গে একদিনে ৪ শিশুর মৃত্যু, নতুন আক্রান্ত ১০৭৭ ট্রাম্প-মাখোঁ নৈশভোজের মাধ্যমে সমাপ্ত হচ্ছে জি-৭ সম্মেলন সিলেটে ভারতীয় সিগারেটসহ অর্ধকোটি টাকার চোরাইপণ্য জব্দ যুক্তরাষ্ট্র-ইরান লিখিত চুক্তির আড়ালেও থেকে যাবে অনেক ‘হিসাব’ সিলেটে কম্পিউটার সমিতির চেয়ারম্যান এনামুল কুদ্দুছ, সেক্রেটারি আবু সাঈদ আর কতকাল এ বৈষম্যের খেলা? প্রোগ্রামিং ভাষা অধ্যায়ের ১৬টি বহুনির্বাচনি প্রশ্ন ও উত্তর, ৮ম পর্ব, এইচএসসির তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বাজেটে ওয়াশ বরাদ্দে ইতিবাচক পুনরুদ্ধার, তবে রয়ে গেছে চরম সমতার ঘাটতি বাংলাদেশের দুর্বল শিক্ষাপদ্ধতির পরিবর্তন চাই সোনারগাঁওয়ে প্রবাসীর স্ত্রীর আত্মহনন, বিয়ের প্রলোভনে সর্বস্ব লুটের অভিযোগ শরীয়তপুরে আ. লীগ নেতার মুক্তির দাবিতে বিএনপির মিছিল বাজেট: উচ্চাকাঙ্ক্ষা, সম্ভাবনা ও বাস্তবায়নের চ্যালেঞ্জ প্ল্যান ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশের কর্মীদের ইন্স্যুরেন্স সুবিধা দেবে গার্ডিয়ান ১ বছরের মধ্যে আমরা সব চা শ্রমিককে ফ্যামিলি কার্ড দেব: প্রধানমন্ত্রী ৫৪ বছর পর ধামরাই কলেজে বাস সার্ভিস উদ্বোধন অফিসে ঝামেলা সামলানোর ৭টি টিপস
Nagad desktop

অবহেলিত নীরব সাহিত্যসাধক জগদীশ গুপ্ত

প্রকাশ: ১০ এপ্রিল ২০২৬, ১২:১৮ পিএম
অবহেলিত নীরব সাহিত্যসাধক জগদীশ গুপ্ত
আঁকা: নিয়াজ চৌধুরী তুলি

আনন্দবাজার পত্রিকায় কথাসাহিত্যিক জগদীশ গুপ্ত নিয়ে লিখেছেন, কথাসাহিত্যিক আধুনিক বাংলা সাহিত্যের পথিকৃতের সম্মান যার প্রাপ্য বলে মনে করেন অনেকে, তিনি মারা গেলেন অবহেলায়, কোনো স্বীকৃতি না পেয়ে, কঠোর দারিদ্র্যের মধ্যে। কিন্তু এ নিয়ে তার মনে কোনো অনুযোগ ছিল না। এক চিঠিতে লিখেছেন এই কথাগুলো, ‘নর-নারীর মনের গতির পরিচয় কিছু কিছু যদি এতদিন না দিয়া থাকি, তবে আমার লেখা বৃথা হইয়াছে।’

রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর জগদীশ গুপ্ত সম্বন্ধে বলেছেন, ‘জগদীশের রচনায় নৈপুণ্য আছে।’ সাহিত্য সমালোচক অনিল রায় জগদীশ গুপ্ত সম্বন্ধে মন্তব্য করেন যে: ‘তাঁর ছোটগল্পে যে ধারা প্রবর্তিত করিয়াছেন কী প্রাচ্য কী পাশ্চাত্য, কী প্রবীণ, কী আধুনিক কোথাও তাহার তুলনা নাই বললেই চলে।’ দ্বিজেন্দ্রনাথ বলেন, ‘জগদীশ গুপ্ত যত বড় লেখক, আসলে তার চেয়েও বড় লেখক ছিলেন।’
জগদীশ গুপ্ত কুষ্টিয়ার আমলাপাড়ায় ১৮৮৫ সালের ৬ জুলাই (২২ আষাঢ় ১২৯২ বঙ্গাব্দ) জন্মগ্রহণ করেন। কারও মতে জন্ম জুন ১৮৮৬। পিতা কৈলাশচন্দ্র গুপ্ত কুষ্টিয়া আদালতের বিশিষ্ট আইনজীবী এবং মাতা সৌদামিনী ছিলেন মমতাময়ী। অনেক আগে তার পৈতৃক নিবাস ছিল ফরিদপুর জেলার খোর্দ মেঘচারমি গ্রামে। ১৯০৫ সালে কলকাতা সিটি কলেজিয়েট স্কুল থেকে ম্যাট্রিক পাস করেন। অতঃপর কলকাতা রিপন কলেজে ভর্তি হন। ১৯০৭ সালে এফএ পরীক্ষা দিয়ে কলেজের পাঠ ত্যাগ করেন। পরবর্তী সময়ে কলকাতা কমার্শিয়াল ইনস্টিটিউট থেকে শর্টহ্যান্ড ও টাইপরাইটিং শিক্ষা গ্রহণ করেন। কুষ্টিয়ার কথাসাহিত্যিক জগদীশ গুপ্ত (১৮৮৫-১৯৫৭) লেখনীর মাধ্যমে ভারতজুড়ে সুনাম অর্জন করেছিলেন। একসময় হয়ে ওঠেন ভারত উপমহাদেশের অন্যতম জনপ্রিয় বাঙালি ঔপন্যাসিক এবং ছোটগল্পকার, লাভ করেন বাংলা সাহিত্যের স্থায়ী আসন। তিনি মূলত কথাসাহিত্যিক হলেও সাহিত্যিক জীবনের শুরুতে কবিতা লিখেছেন ও একটি কবিতা সংকলন প্রকাশ করেছেন। ‘বিজলী’, ‘কালিকলম’, ‘কল্লোল’ প্রভৃতি সেকালের নতুন ধরনের সব পত্রিকাতেই গল্প প্রকাশ করেছেন। গল্প ও উপন্যাসের ক্ষেত্রে প্রকাশভঙ্গির স্বাতন্ত্র্যের জন্য সাহিত্যিক মহলে বিশিষ্ট স্থান পেয়েছিলেন। গভীর জীবনবোধ, সুঠাম কাহিনিবিন্যাস ও চরিত্র চিত্রণের নৈপুণ্যে তার ছোটগল্প সমৃদ্ধ হয়েছে। মনোবৈকল্য ও মনোবিশ্লেষণ এবং দুঃখময়তার নিপুণ বর্ণনায় তার শিল্পকর্ম এক অসাধারণ সৃষ্টি হিসেবে বিবেচিত হয়েছে। সামাজিক অন্যায়-অবিচারের চেয়ে অদৃষ্টলিপিই দুঃখময়তার কারণ বলে তার গল্পে বিশ্লেষিত। কথাসাহিত্যিকরূপে (কল্লোল যুগ) পরিচিত হলেও ১৯৩২ সালে ‘অক্ষরা’ গ্রন্থের মধ্যদিয়ে কবিরূপেই তার আত্মপ্রকাশ। কবিতা, গল্প ও উপন্যাসের প্রকাশভঙ্গিতে তিনি সুগভীর জীবনবোধ, কাহিনি বিন্যাস ও চরিত্র চিত্রণে নৈপুণ্যের পরিচয় দেন। 
খুব ছোটবেলায় জগদীশ গুপ্ত লুকিয়ে লুকিয়ে পড়তেন বঙ্কিমচন্দ্রের উপন্যাস। স্ত্রী চারুবালা সেনগুপ্তের স্মৃতি থেকে জানা যায়, ‘তিন-চার বছর পর্যন্ত তিনি পতিতাদের বাড়িতে খেলাধূলা করতেন। বাড়ির জানালা দিয়ে এ পতিতাপল্লী দেখা যেত।’… জগদীশ গুপ্ত লিখেছিলেন, ‘মানুষের প্রেমের ট্র্যাজেডি মৃত্যুতে নয়, বিরহে নয়, অবসাদে আর ক্ষুদ্রতার পরিচয়ে, আর উদাসীনতায়।’
কুষ্টিয়া শহরের সিঙ্গার মোড় থেকে পূর্ব দিকে পঞ্চাশ গজ দূরে উত্তরের রাস্তায় গেলেই তার সান্নিধ্যের ছোঁয়া মিলবে। আমলাপাড়া, কুষ্টিয়ার উপেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী স্ট্রিটের তিন রাস্তার মোড় ঘেঁষে নিরিবিলি দোতলা বাড়িটিতেই বসবাস করতেন মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়ের ‘ভাবগুরু’ এবং ভারতবর্ষের বিখ্যাত লেখক ও ঔপন্যাসিক জগদীশ গুপ্ত। নব্য পাঠকসমাজ সৃষ্টিতে যিনি লেখনীকে সমকালীন সময়ে চালিত করেছিলেন মাটি ও মানুষঘেঁষা জীবনবন্দনার ভাবাবেগে ঋষির ধ্যানে মশগুল থেকে। মানিক বন্দ্যোপাধ্যায় তার লেখনী ও চেতনা দ্বারা প্রভাবিত হয়ে সাহিত্যমঞ্চে সৃষ্টির মশাল প্রজ্বালন করেছিলেন। দ্বিতীয় মহাযুদ্ধোত্তর সময়ে বিশ্ব যখন সমস্যাগ্রস্ত, দ্বিধাবিভক্ত জাতি যখন পরস্পর সীমাহীন অবিশ্বাসে রিক্ত, সেই সময়ে জগদীশের মেধা ও মননশীলতার স্ফুরণ ঘটে। তার ক্ষুরধার চিন্তাভাবনা, বিশ্বমানবতার সর্বজনীন শিক্ষা, মধ্যবিত্ত ও নিম্নবিত্তের মানসিক ক্রিয়া-প্রতিক্রিয়া তথা সমাজভাবনাকে সমন্বিত করেছেন ঐতিহ্যিক ভাবধারার সমান্তরালে। তিনি কুষ্টিয়ার সংস্কৃতিচর্চায় সংগঠক হয়ে উঠেছিলেন। মফস্বলের অনেক পত্রিকায় তার লেখনী প্রধান আকর হয়ে প্রকাশ পেত। কর্মজীবনে বীরভূম জেলার সিউড়ি জজকোর্টে টাইপিস্টের চাকরি লাভ করেন ১৯০৮ সালে। পরবর্তীতে কুষ্টিয়ায় বাস করতে থাকেন এবং লেখালেখিতে পূর্ণ মনোনিবেশ করেন। ১৯৪৭ সালে দেশ বিভাগের পর কুষ্টিয়া ত্যাগ করে কলকাতায় গমন করেন ও সেখানেই স্থায়ীভাবে বসবাস শুরু করেন। বাংলা সাহিত্যের এই অবহেলিত লেখক ১৯৫৭ সালের ১৫ এপ্রিল পশ্চিমবঙ্গে মৃত্যুবরণ করেন। আনন্দবাজার পত্রিকায় কথাসাহিত্যিক জগদীশ গুপ্ত নিয়ে লিখেছেন, কথাসাহিত্যিক আধুনিক বাংলা সাহিত্যের পথিকৃতের সম্মান যার প্রাপ্য বলে মনে করেন অনেকে, তিনি মারা গেলেন অবহেলায়, কোনো স্বীকৃতি না পেয়ে, কঠোর দারিদ্র্যের মধ্যে। কিন্তু এ নিয়ে তার মনে কোনো অনুযোগ ছিল না। এক চিঠিতে লিখেছেন এই কথাগুলো, ‘নর-নারীর মনের গতির পরিচয় কিছু কিছু যদি এতদিন না দিয়া থাকি, তবে আমার লেখা বৃথা হইয়াছে।’

কবিতা হেলিওস

প্রকাশ: ১২ জুন ২০২৬, ০৩:৫৩ পিএম
হেলিওস

একটা অবসরপ্রাপ্ত দুপুরকে নিয়ে

          অর্ধবৃত্তের মতো অবকাশ রচনা করেছি

 

আছে মা-পাখির ডিম ভেঙে যাবার প্রতিকল্পে

            সর্বজনীন বেদনা

বৃদ্ধ বাবার ঝাপসা দৃষ্টির ভেতর এক বুকচাপা

            দীর্ঘশ্বাসের সীমিত চতুর্ভুজ

রানা প্লাজাসদৃশ ব্যথিত পাণ্ডুলিপি

তরতাজা যুবকের গুম হওয়ার ন্যায়

                   একটা দীর্ঘ সকাল

আছে মায়ের জেগে থাকা চোখ

আছে একজোড়া

            সুসিদ্ধ ইকোলজি

আছে বোনের ব্যবহৃত কাঁকড়া ক্লিপের উদার সৌন্দর্য

আছে একটা গামছায় হাত মোছার দুটো অবিকল সবাক ছবি

 

এই তো আমার রূপকল্পের ইতিবৃত্ত

 

 এখন কোনো অবসরপ্রাপ্ত দুপুরকে নিয়ে

            আমি পূর্ণবয়স্ক অবকাশ রচনা করব

জীবনের সব হুলস্থূল এনে ভরে রেখে দেব

 

 দ্যাখো, হেলিওসের মতোনই তোমাদের কাছে যাব আমি

 

ছোট্ট এক টুকরো আত্মা

প্রকাশ: ১২ জুন ২০২৬, ০৩:৫১ পিএম
ছোট্ট এক টুকরো আত্মা

ছোট্ট এক টুকরো আত্মা

গহিন অতলের অবাধ চত্বরে বৈভবে থাকে

তাকে কি টুকরো টুকরো করা যায়

অবয়বে বেড়ে ওঠে না কস্মিনকালে

এক টুকরোই থেকে যায় আদিঅন্ত কাল

ভূমিদস্যুরা তবু ওই জলা দখলে মত্ত হয়

বেপরোয়া ছুরি-কাঁচির নির্মমতায়

ঝরনার উৎস স্তব্ধ করে

ফালি ফালি করা অবয়ব থেকে বেরোয়

অজস্র শোণিত ধারা

নদী পর্যন্ত যেতে পারে না শুকিয়ে জ্বলে

ভেসে ভেসে বেড়ায় নিশ্চিহ্ন কাঠামো

নিক্ষিপ্ত হয় মর্তের ঝড়ে

মর্গের ব্যবচ্ছেদে খুঁজে পায় না শিশু আত্মা

পায় শুধু

ছোট্ট এক টুকরো জীবনের অবিকাশ! অবিকাশ!

কবিতা অধরা ও কবি

প্রকাশ: ১২ জুন ২০২৬, ০৩:৪৫ পিএম
অধরা ও কবি

অধরা

সময়ের বেড়াজালে বন্দি খাঁচায়

দূর পানে চেয়ে থাকি তোমার আশায়

উজান সময় স্রোতে এই অবেলায়

তুমি আসবে তো? ভালোবাসবে তো?

 

কবি

কী আছে তোমার? অর্থ, বিত্ত, বৈভব?

প্রভাব, প্রতিপত্তি? বলো, চুপ থেকো না

, এসব তোমার নেই! এবার, তুমিই বলো

আমি কেমন করে তোমার কবিতা হই?

কেমন করে তোমার কাছে আসি

কেমন করে তোমায় ভালোবাসি?

কবিতা প‌রিণ‌তি

প্রকাশ: ১২ জুন ২০২৬, ০৩:৪২ পিএম
প‌রিণ‌তি

কালো চিমনিরধোঁয়ায় আকাশের বুকজুড়ে মে কালোমেঘ

মৃত পাখির বাসা সে ড়ে রক্তাক্ত নে

্যামল বাগানগুলো ড়ে আছে যুদ্ধাহত ক্ষতবিক্ষত সৈনিকের তো

জ্বলন্ত কয়লার পাহাড়,

জাগিয়ে তোলে মাটির গহ্বরে ঘুমিয়ে থাকা আগুনকে

প্লাস্টিকের সমুদ্দুর,

ক্ষুধার্ত দৈত্যের তো গিলে খাচ্ছে পৃথিবীকে

যুদ্ধের দামামা পোড়ামাটির ্যস বাড়াতে থাকে শুধু

বোমার ব্দে রে পড়ে পাখির পালক,

আকাশের নীল রং

ভাঙা কাচ য়ে আছড়ে ড়ে মিনে

পৃথিবীর কপালে আগুনের থার্মোমিটার

কামারের হাতুড়ির তো আছড়ে ড়ে উন্মত্ত রোদ

জ্বরে পোড়া পৃথিবীর গা থেকে ঝরতে থাকে বরফ অবিরাম

বৃদ্ধের শুভ্র দাড়ির তন

 

ক্ষুধার্ত সমুদ্র গিলে খায়,

মানুষের স্বপ্নে বোনাউঠোন

তৃষ্ণার কঙ্কা মিনে আঁকে ছড়ানো মানচিত্র

নদীর তীর ক্ষুধার্ত ষাঁড়ের তো গ্রামে ঢুকে ড়ে পাখির কিচিরমিচির বাজেয়াপ্ত হয় কোনো এক ভোরে,

বাড়তে থাকে ছিন্নমূল মানুষের ভেলা,

পৃথিবীর জ্বর নামানোর দাওয়াই খুঁজতে,

লি থেকে মাথাগুলো জড়ো হয় জাতিসংঘের টেবিলে

কথার খই ফোটে, বে চোখ বাঁধা থাকে কালো ফিতায়

 

কবিতা বলির আগে

প্রকাশ: ১২ জুন ২০২৬, ০৩:৩৪ পিএম
বলির আগে

আমার কথার পরে যদি কোনোদিন

ব্যথা পেয়ে থাকো

যদি এই দুর্দিনে সমূহ বিপদে মনে করো

ডাক দিও কোনো এক নির্মম সকালে

 

আমার বুকেরপরে দূর্বা যেমন থাকে

বেদনায় নীলপদপিষ্ট হলুদ সোহাগে

একবার চোখের জলে ধুয়ে নিও

সকল কলুষতাযেভাবে ধর্ম ছাগ

বলির আগে মুছে ফেলে যত ক্লেদ