কাজাখস্থানের আকতাউ শহরে আজারবাইজান অ্যায়ারলাইন্সের একটি যাত্রীবাহী বিমান বিধ্বস্ত হয়েছে।
বুধবার (২৫ ডিসেম্বর) এই মর্মান্তিক দুর্ঘটনার বিষয়টি নিশ্চিত করেছে কাজাখস্তানের দূর্যোগ মন্ত্রণালয়।
বার্তা সংস্থা ব্রেকিং দ্য নিউজের মতে, ৬৭ জন যাত্রী ও পাঁচ জন বিমান কর্মচারী নিয়ে রাশিয়ার গ্রজনি শহরের উদ্দেশ্যে আজারবাইজানের রাজধানী বাকু থেকে বিমানটি রওয়ানা দেয়। তবে কাজাখস্তানের সংবাদমাধ্যম বলছে, বিমানটিতে ১০৫ জন যাত্রীর পাশাপাশি বিমানের পাঁচজন ক্রু মেম্বারও ছিলেন।
সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া এক ভিডিও ফুটেজে দেখা যায়, মাটিতে আঘাত করার পরপরই উড়োজাহাজটিতে আগুন ধরে চারপাশে কালো ধোঁয়া ছড়িয়ে পড়ে।
এই দুর্ঘটনায় বিপুল হতাহতের আশংকা করছে কর্তৃপক্ষ। দুর্ঘটনাস্থলের আগুন নিভিয়ে থেকে ২৮ জন যাত্রীকে জীবিত অবস্থায় উদ্ধার করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন তারা।
উদ্ধারকৃত যাত্রীদের নিকটবর্তী হাসপাতালে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে বলে জানিয়েছেন দূর্যোগ মন্ত্রী চেঙ্গিস আরিনভ।
রাশিয়ার সংবাদমাধ্যমগুলো জানায়, আজারবাইজান অ্যায়ারলাইন্সের বিমানটি সরাসরি রাশিয়ার গ্রজনি শহরে আসার কথা থাকলেও অত্যাধিক কুয়াশার কারণে কাজাখস্তান হয়ে আসছিল।
এ বিষয়ে আজারবাইজান অ্যায়ারলাইন্স জানায়, এমব্রায়ের ১৯০-বিমানটি বাকু থেকে গ্রজনির উদ্দেশ্যে উড়াল দিয়েছিল। কিন্তু অনাকাঙ্ক্ষিত কারনবশত আকতাউ শহরে জরুরীভিত্তিতে অবতরণ করার সময় এই দুর্ঘটনার শিকার হয়।
এ ঘটনার পর নির্ধারিত সময়ের আগেই রাশিয়া সফর শেষ করেছেন আজারবাইজানের প্রেসিডেন্ট ইলহাম আলিয়েভ। দুর্ঘটনায় নিহতদের পরিবারের প্রতি সমবেদনা জানিয়েছেন তিনি।
এদিকে রাশিয়ার ছেছনিয়া অঞ্চলের নেতা রমজান কাদিরভ দুঃখ প্রকাশ করে আহতদের দ্রুত সেরে ওঠার প্রার্থনা করেন।
কাজাখস্থানের কর্তৃপক্ষ এই ঘটনার তদন্ত করছে বলে জানা গেছে।
রাশিয়ার সংবাদমাধ্যম ইন্টারফ্যাক্স বলছে, কারিগরি ত্রুটির কারণেই দুর্ঘটনাটি ঘটেছে। সূত্র: রয়টার্স
নাইমুর/