ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর স্ত্রী সারা নেতানিয়াহুর বিরুদ্ধে তদন্তের নির্দেশ দিয়েছেন দেশটির অ্যাটর্নি জেনারেল গালি বাহারভ-মিয়ারা।
বেনিয়ামিনের বিরুদ্ধে চলমান দুর্নীতি মামলার সাক্ষীদের হেনস্তা ও বিচারপ্রক্রিয়ায় বাধা সৃষ্টির অভিযোগে শনিবার (২৮ ডিসেম্বর) এই নির্দেশ দেন তিনি।
এর আগে নেতানিয়াহুর বিরুদ্ধে সাক্ষ্য দেওয়ায় সারার সাইবার আক্রমনের বিষয়টি ইসরায়েলের এক টেলিভিশন অনুষ্ঠানে জানান বেশ কয়েকজন ভুক্তভোগী।
তাদের মধ্যে সাবেক অ্যাটর্নি জেনারেলের পাশাপাশি রয়েছেন লিড প্রসিকিউটর লিয়াত বেন-আরি ও হাদাস ক্লেইন।
ঘুষ, জালিয়াতি ও জাতীয় বিশ্বাস ভঙ্গের দায়ে সম্প্রতি নেতানিয়াহু আদালতে নিয়মিত হাজিরা দিচ্ছেন।
স্ত্রীর বিরুদ্ধে উত্থাপিত অভিযোগের পর সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে প্রকাশিত চার মিনিটের এক ভিডিও বার্তায় নেতানিয়াহু বলেন, ‘বামপন্থি দল ও সংবাদমাধ্যমগুলো আমার ও আমার স্ত্রীর নেতিবাচক চরিত্রায়নে উঠেপড়ে লেগেছে। তাদের মিথ্যা ও গুজবের কোনো সীমা দেখছি না।’
এদিকে অ্যাটর্নি জেনারেলের সিদ্ধান্তের সমালোচনা করেছেন নেতানিয়াহুর দলের কর্মকর্তারাও।
দেশটির বিচারবিষয়ক মন্ত্রী ইয়ারিভ লেভিন এই ঘটনাকে ‘উদ্দেশ্যপ্রণোদিত’ বলেছেন।
এ বিষয়ে জাতীয় নিরাপত্তাবিষয়ক মন্ত্রী ইতামার বেন বলেন, ‘রাজনৈতিক উদ্দেশ্য হাসিল করতে সরকারের নেতা ও পরিবারকে হেনস্তাকারী অ্যাটর্নি জেনারেলের দায়িত্ব পালনের যোগ্য নন।’
অ্যাটর্নি জেনারেল মিয়ারা আগেও নেতানিয়াহু সরকারের বিরুদ্ধে বিচারবিভাগে হস্তক্ষেপের অভিযোগ তুলেছিলেন।
সারার বিরুদ্ধে তদন্তের দায়িত্ব বিতর্কিত পুলিশ কমিশনার ড্যানি লেভির হাতে যাওয়ায় পরিস্থিতি আরও জটিল হয়ে পড়েছে।
উদ্ভূত এই পরিস্থিতিতে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর অবস্থান নিয়ে বিশ্লেষকরা ঐক্যমতে পৌঁছাতে পারেননি।সূত্র: ফাইনানশিয়াল টাইমস
নাইমুর/