যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনের বিদায়ী ভাষণের দিনক্ষণ নির্ধারণ করা হয়েছে।
আসন্ন বুধবার (১৫ জানুয়ারি) স্থানীয় সময় রাত ৮টার দিকে এক টেলিভিশন বার্তায় জাতির উদ্দেশে ভাষণ দেবেন এ নেতা।
নিজের প্রায় পাঁচ দশকের কর্মজীবন নিয়ে বাইডেন স্মৃতিচারণামূলক বক্তব্য রাখবেন বলে জানিয়েছে স্থানীয় সংবাদ মাধ্যমগুলো।
বাইডেন সরকারের প্রেস সেক্রেটারি জেন পিয়েরে জানান, বক্তৃতায় তার শাসনামলে যুক্তরাষ্ট্রের অগ্রগতি নিয়ে সম্যক আলোচনার পাশাপাশি দেশের ভবিষ্যৎ গতিপথ নিয়েও ধারণা দেবেন।
‘শুধু দেশে নয়, আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলেও কীভাবে যুক্তরাষ্ট্র নিজের অবস্থান ধরে রাখতে পারে- এ বিষয়ে বাইডেন তার পরামর্শ দেশবাসীর কাছে উপস্থাপন করতে চান।’, বলেন পিয়েরে।
এর আগে ২০২৪ সালের নভেম্বরে অনুষ্ঠিত নির্বাচনি দৌড় থেকে প্রার্থিতা প্রত্যাহার করে নিয়েছিলেন বাইডেন। ডেমোক্র্যাট পদপ্রার্থী হিসেবে তার স্থলাভিষিক্ত হন ভাইস প্রেসিডেন্ট কমলা হ্যারিস। তবে রিপাবলিকান পার্টির ডোনাল্ড ট্রাম্পের সামনে দাঁড়াতেই পারেননি কমলা।
এরই প্রেক্ষিতে শুক্রবার (১০ জানুয়ারি) এক বিবৃতিতে বাইডেন বলেন, ‘আমি নির্বাচনে অংশ নিলে হয়তো ট্রাম্প জিততো না। তবে এখন আর এসব ভাবার সময় নেই। দলে ঐক্য বজায় রাখতে সবাইকে এগিয়ে আসতে হবে।’
আসছে সোমবার (১৩ জানুয়ারি) বাইডেন দেশটির পররাষ্ট্রবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের ভাষণে মার্কিন পররাষ্ট্রনীতির সাফল্য নিয়ে কথা বলবেন বলে জানা গেছে।
ঊর্ধ্বতন এক প্রশাসনিক কর্মকর্তা জানান, বহির্বিশ্বের সঙ্গে সম্পর্ক উন্নয়ন, চীনের কূটনৈতিক চাপ মোকাবিলা ও কোভিড মহামারি সামলানোর ক্ষেত্রে প্রশাসনিক সাফল্য তুলে ধরবেন।
তিনি বলেন, ‘যত চ্যালেঞ্জই আসুক, বাইডেন শক্ত হাতে দমন করেছেন। তার মেয়াদ শেষে যুক্তরাষ্ট্র আগের চেয়ে শক্তিশালী অবস্থানে দাঁড়িয়ে আছে।’ সূত্র: সিনএন
নাইমুর/