ঢাকা ২৬ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩, মঙ্গলবার, ০৯ জুন ২০২৬

সর্বশেষ
নিয়োগ দিচ্ছে ব্র্যাক ব্যাংক গোপালগঞ্জে ইয়াবা ও মদসহ ২ মাদককারবারি আটক গোপালগঞ্জে ইয়াবা ও ভারতীয় মদসহ দুই মাদককারবারি আটক গোপালগঞ্জে পৃথক সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত ২ ঘুমধুম সীমান্তে আবারও মাইন বিস্ফোরণ, যুবক নিহত কুমিল্লায় মহাসড়কে পুলিশের গাড়িতে হামলা, ভাঙচুর নেতানিয়াহুর প্রতি ট্রাম্পের অসন্তোষ, মধ্যপ্রাচ্যে শান্তি আলোচনা নিয়ে নতুন বার্তা রায়পুরে হাসপাতাল ও ওষুধের দোকানের বর্জ্যে দূষণ, স্বাস্থ্যঝুঁকিতে এলাকাবাসী বেটিং সিন্ডিকেটের বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ান এইচআইভি চিকিৎসায় বড় সাফল্য ছয় বিষয়ের অনার্স কোর্স কি আসলেই বাতিল হচ্ছে? যা জানালেন প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা গফরগাঁওয়ে কলেজছাত্রকে কুপিয়ে হত্যা সরকার আ.লীগের কর্মকাণ্ড নিষিদ্ধই রাখতে চায়: তথ্য উপদেষ্টা দুইজনের মৃত্যুর পর ডেঙ্গুর টিকা স্থগিত সুপ্রিম কোর্ট সচিবালয় নিয়ে হাইকোর্টের রায় স্থগিত যুক্তরাষ্ট্রের ইতিহাসে সবচেয়ে বড় নাগরিকত্ব বাতিল অভিযান ট্রাম্প প্রশাসনের লাল বাহাদুর দুধ দিয়ে গোসল করে আর্জেন্টিনা ছেড়ে ব্রাজিল শিবিরে ওজন কমানোর অনুমোদনহীন ওষুধের নতুন ক্রেজ এক লাখ কর্মী পাঠানোর পরিকল্পনায় সম্মতি রাশিয়ার পাঠকের গল্প : বিষ খেতে গিয়ে প্রতারণার শিকার চায়নিজ জামাই চাকরি দেবে রেড ক্রস ও রেড ক্রিসেন্ট প্রধানমন্ত্রীর সভাপতিত্বে চলছে একনেক সভা বাংলাদেশি ব্যবহারকারীদের জন্য ফ্রি গুগল এআই প্রো নিয়ে এল টেকনো ব্রাজিলিয়ানদের সুখবর দিলেন নেইমার রংপুরে ওয়ার্ডভিত্তিক অপরাধচক্র শনাক্তের নির্দেশ আরপিএমপির ফটিকছড়িতে আওয়ামী লীগের লিফলেট তৈরির সময় আটক ২ দেশের ১৬ জেলায় বজ্রবৃষ্টির পূর্বাভাস পড়ে পাওয়া গল্প থেকে ৭টি বহুনির্বাচনি প্রশ্ন ও উত্তর, ১ম পর্ব, অষ্টম শ্রেণির বাংলা
Nagad desktop

বিদ্রোহীদের আক্রমণে কঙ্গোতে ৫ দিনে নিহত ৭০০

প্রকাশ: ০১ ফেব্রুয়ারি ২০২৫, ১২:০৪ পিএম
আপডেট: ০১ ফেব্রুয়ারি ২০২৫, ১২:০৯ পিএম
বিদ্রোহীদের আক্রমণে কঙ্গোতে ৫ দিনে নিহত ৭০০
কঙ্গোতে বিদ্রোহী তৎপরতায় ঘরছাড়া বাসিন্দারা। ছবি: সংগৃহীত

কঙ্গোর পূর্বাঞ্চলের সীমান্তবর্তী শহর গোমায় বিদ্রোহীদের আক্রমণে পাঁচদিনে অন্তত ৭০০ জন প্রাণ হারিয়েছেন বলে দাবি জাতিসংঘের। চলমান সহিংসতায় দুই হাজার ৮০০ জন আহত হয়েছেন বলেও জানায় তারা। 

শনিবার (১ ফেব্রিয়ারি) বিবিসিতে প্রকাশিত এক প্রতিবেদন থেকে এই তথ্য জানা গেছে।

বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (ডব্লিউএইচও) ও কঙ্গো সরকার রবিবার (২৬ জানুয়ারি) থেকে বৃহস্পতিবার (৩০ জানুয়ারি) পর্যন্ত পরিচালিত জরিপে এ তথ্য উঠে এসেছে।

প্রতিবেশী দেশ রুয়ান্ডার মদদপুষ্ট বিদ্রোহী দল এম-২৩ গত রবিবার (২৬ জানুয়ারি) কঙ্গোর উত্তর কিভু প্রদেশের রাজধানী গোমা দখলের পর দেশে চরম অস্থিরতার সৃষ্টি হয়।

বিদ্রোহীরা এখন দক্ষিণ কিভু প্রদেশ দখলের চেষ্টা করছে বলে জানা গেছে।

১৯৯০ সালের পর থেকেই বিদ্রোহীদের তৎপরতায় অস্থির এই অঞ্চল।

হতাহতের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা করছেন জাতিসংঘের মুখপাত্র স্টেফান উজারিখ।

তুতসি জাতির বিদ্রোহীগোষ্ঠী এম-২৩ বলছে, তারা সংখ্যালঘুদের অধিকার নিশ্চিতে সশস্ত্র অভিযান চালাচ্ছে।

তবে কঙ্গো প্রশাসনের দাবি, অঞ্চলটির খনিজসম্পদের দখলদারত্ব আদায়ে সশস্ত্র তৎপরতা চালাচ্ছে এম-২৩।

এদিকে বিদ্রোহীদের সঙ্গে সম্পৃক্ততার বিষয়টি প্রত্যাখান করেছে রুয়ান্ডা।

এ প্রসঙ্গে রুয়ান্ডা সরকারের মুখপাত্র ইয়োলান্ডে মাকোলো বলেন, ‘কঙ্গোতে যুদ্ধ বা ক্ষমতাবদলে আমাদের কোনো স্বার্থ জড়িত নেই।’ 

অন্যদিকে জাতিসংঘের দাবি, কঙ্গোর পূর্বাঞ্চলে সহিংসতা পরিচালনায় বিদ্রোহীদের সহায়তা করছেন রুওয়ান্ডার অন্তত তিন হাজার সেনা।

উদ্ভূত পরিস্থিতি মোকাবিলায় গোমা ও বাকাভু শহরের প্রতিরক্ষাব্যবস্থা জোরদার করেছে কঙ্গো প্রশাসন। 

দেশের সেনাবাহিনীর পাশে দাঁড়াচ্ছেন দেশপ্রেমী যুবকরা। এমনই এক যুবক বার্তা সংস্থা এএফপিকে বলেন, ‘আমি দেশের জন্য প্রাণ দিতে প্রস্তুত।’

চলমান দাঙ্গার কারণে দেশের মানবিক পরিস্থিতি সংকটের মুখে পড়েছে। খাদ্য, সুপেয় পানি ও ওষুধের সরবরাহ থেমে যাওয়ায় বিপাকে পড়েছেন অঞ্চলটির বাসিন্দারা।

পরিস্থিতি বর্ণনা করতে গিয়ে জাতিসংঘের ওয়ার্ল্ড ফুড প্রোগ্রামের কর্মকর্তা শেলি ঠাকরাল বলেন, ‘সরবরাহ ব্যবস্থা পুরোপুরি ভেঙ্গে পড়েছে।’

বিদ্রোহীদের উপস্থিতির কারণে চলতি বছরেই প্রায় চার লাখ মানুষ ঘরছাড়া হয়েছেন বলেও জানান তিনি। 

চলমান সহিংসতা মোকাবিলায় কঙ্গো প্রশাসনের পাশে দাঁড়ানোর প্রতিশ্রুতি দিয়েছে আফ্রিকার দক্ষিণাঞ্চলীয় দেশগুলোর জোট এসএডিসি। সশস্ত্র বিদ্রোহীদের সঙ্গে সমঝোতা আলোচনার উদ্দেশ্যে ইতোমধ্যেই কঙ্গোতে দূত পাঠিয়েছে তারা।

উদ্ভূত এই অস্থিরতার দৃশ্য আফ্রিকা মহাদেশে নতুন নয়। বিপুল পরিমান খনিজ সম্বলিত এই মহদেশে সহিংসতা বন্ধে বিশ্বনেতাদের সদিচ্ছা প্রত্যাশা করছেন বিশেষজ্ঞরা। সূত্র: বিবিসি।

নাইমুর/

নেতানিয়াহুর প্রতি ট্রাম্পের অসন্তোষ, মধ্যপ্রাচ্যে শান্তি আলোচনা নিয়ে নতুন বার্তা

প্রকাশ: ০৯ জুন ২০২৬, ০১:২২ পিএম
আপডেট: ০৯ জুন ২০২৬, ০২:২৬ পিএম
নেতানিয়াহুর প্রতি ট্রাম্পের অসন্তোষ, মধ্যপ্রাচ্যে শান্তি আলোচনা নিয়ে নতুন বার্তা
ছবি: সংগৃহীত

ইরান ও ইসরায়েল জানিয়েছে, উভয় দেশের মধ্যে চলমান শত্রুতা আপাতত থেমে গেছে। সাম্প্রতিক পাল্টাপাল্টি হামলা মধ্যপ্রাচ্যে আবারও যুদ্ধের আশঙ্কা তৈরি করেছিল।

বিভিন্ন গণমাধ্যমের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুকে কড়া সতর্কবার্তা দেন যে, তেহরানের বিরুদ্ধে নতুন হামলা চালালে ইসরায়েল ওয়াশিংটনের সমর্থন হারানোর ঝুঁকিতে পড়তে পারে। এরপরই ইসরায়েল হামলা বন্ধ করে।

তবে যুক্তরাষ্ট্রে ইসরায়েলের রাষ্ট্রদূত ইয়েখিয়েল লেইটার এ ধরনের ‘চূড়ান্ত সতর্কবার্তা’ বা আল্টিমেটামের খবর নাকচ করেছেন। 

তিনি দাবি করেন, দুই নেতার মধ্যে হওয়া আলোচনাটি ছিল সহযোগিতামূলক। কিন্তু সাংবাদিকরা বিষয়টিকে ভুলভাবে উপস্থাপন করছেন।

ফক্স নিউজকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে লেইটার বলেন, তাদের বন্ধুত্ব প্রায় ৪০ বছরের। কখনো কখনো ঘনিষ্ঠ বন্ধুদের মধ্যেও মতবিরোধ হতে পারে। আলোচনার সময় কিছুটা উত্তেজনা তৈরি হতেই পারে, কিন্তু সেটিই স্বাভাবিক বিষয়।

ইসরায়েলি এই কূটনীতিক আরও বলেন, ট্রাম্পের অনুরোধে নেতানিয়াহু ইরানের বিরুদ্ধে সামরিক পদক্ষেপের তীব্রতা কমানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন। তবে ট্রাম্প ভালো করেই জানেন, ইসরায়েল নিজেদের ভূখণ্ডে ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্রের হামলা সহ্য করবে না। অবশ্যই পাল্টা জবাব দেবে।

তিনি বলেন, সামগ্রিকভাবে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের মধ্যে অত্যন্ত ঘনিষ্ঠ সমন্বয় ও সহযোগিতা রয়েছে এবং উভয় পক্ষের মধ্যে পারস্পরিক বোঝাপড়া অনেক গভীর।

নেতানিয়াহুর ওপর ট্রাম্পের বিরক্তি

বিভিন্ন প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, নেতানিয়াহুর প্রতি ট্রাম্প ক্রমেই বিরক্ত হয়ে উঠছেন। এর আগে তিনি ইসরায়েল ও ইরান- উভয় দেশকেই হামলা বন্ধ করার আহ্বান জানিয়েছিলেন। একই সঙ্গে তিনি বলেছিলেন, শান্তির লক্ষ্যে ‘চূড়ান্ত আলোচনা’ এগিয়ে নিতে হবে এবং অজ্ঞতা বা বোকামি যেন শান্তির পথে বাধা হয়ে না দাঁড়ায়।

অন্যদিকে, টেলিভিশনে দেওয়া এক বক্তব্যে নেতানিয়াহু বলেন, তিনি ট্রাম্পকে জানিয়েছেন যে, ইসরায়েলের আত্মরক্ষার পূর্ণ অধিকার রয়েছে এবং প্রয়োজন অনুযায়ী আমরা সেই অধিকার প্রয়োগ করছি।

ইসরায়েলি সামরিক বাহিনীর এক কর্মকর্তার বরাত দিয়ে সিবিএস নিউজ জানিয়েছে, ইসরায়েল প্রয়োজন অনুযায়ী যতদিন দরকার অভিযান চালিয়ে যেতে প্রস্তুত ছিল। এছাড়া নতুন করে ইরানে নির্মিত বিমান প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা স্থাপনের পর পেট্রোকেমিক্যাল স্থাপনাগুলোতেও হামলা চালানো হয়েছে বলে নিশ্চিত করা হয়েছে।

ইরানের কড়া বার্তা

অন্যদিকে, ইরানের কর্মকর্তারাও কঠোর অবস্থান নিয়েছেন। আধাসরকারি তাসনিম সংবাদ সংস্থার বরাত দিয়ে এক সামরিক সূত্র জানিয়েছে, তেহরান দীর্ঘমেয়াদি সংঘাতের জন্য প্রস্তুত। প্রয়োজন হলে যুক্তরাষ্ট্রের স্বার্থের বিরুদ্ধে আবারও হামলা চালাতে পারে।

ইরানের পার্লামেন্ট স্পিকার মোহাম্মদ বাকের গালিবাফ বলেন, যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের প্রতি আস্থার ঘাটতি ভবিষ্যতেও আঞ্চলিক উত্তেজনা বাড়াবে।

এক্সে দেওয়া এক পোস্টে তিনি লেখেন, কাগজে-কলমে যুদ্ধবিরতি এবং বাস্তবে তার বারবার লঙ্ঘনের যে সমীকরণ ছিল, আমরা তা ভেঙে দিয়েছি। যতদিন আপনারা আস্থা তৈরির প্রকৃত ইচ্ছা দেখাতে ব্যর্থ হবেন, ইরানের প্রতিক্রিয়াও ঠিক তেমনই হবে। সূত্র: এনডিটিভি

খাদিজা রুমি/

যুক্তরাষ্ট্রের ইতিহাসে সবচেয়ে বড় নাগরিকত্ব বাতিল অভিযান ট্রাম্প প্রশাসনের

প্রকাশ: ০৯ জুন ২০২৬, ১২:৪১ পিএম
আপডেট: ০৯ জুন ২০২৬, ০১:০৯ পিএম
যুক্তরাষ্ট্রের ইতিহাসে সবচেয়ে বড় নাগরিকত্ব বাতিল অভিযান ট্রাম্প প্রশাসনের
ছবি: সংগৃহীত

যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের প্রশাসন ঘোষণা করেছে, অভিবাসন জালিয়াতি বা অন্যান্য অপরাধের অভিযোগে ১৭ জন মার্কিন নাগরিকের নাগরিকত্ব বাতিলের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

সোমবার (৮ জুন) মার্কিন কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, এ সিদ্ধান্ত মার্কিন ইতিহাসে নাগরিকত্ব বাতিলের সবচেয়ে বড় উদ্যোগ। এর মাধ্যমে প্রশাসন তাদের নজিরবিহীন ‘নাগরিকত্ব বাতিল’ কর্মসূচি আরও বিস্তৃত করছে।

নাগরিকত্ব বাতিলের এ অভিযানে যাদের লক্ষ্যবস্তু করা হয়েছে, তাদের মধ্যে কেউ কেউ শিশুদের বিরুদ্ধে যৌন অপরাধসহ সহিংস বা গুরুতর অপরাধে দোষী সাব্যস্ত হয়েছেন। অন্যরা প্রতারণা বা অভিবাসন জালিয়াতির অভিযোগে অভিযুক্ত।

দেশের বিভিন্ন ফেডারেল আদালতে করা মামলায় বিচার বিভাগের আইনজীবীরা দাবি করেছেন, মার্কিন নাগরিকত্ব পাওয়ার অন্যতম শর্ত হলো ‘সৎ নৈতিক চরিত্র’। বর্তমানে অভিযুক্ত ব্যক্তিরা নাগরিকত্বের জন্য আবেদন করার সময় তাদের অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড গোপন করেছিলেন।

ভারপ্রাপ্ত অ্যাটর্নি জেনারেল টড সংবাদমাধ্যমকে বলেন, ‘মাদক ব্যবসায়ী, যৌন অপরাধী ও প্রতারকদের মতো অপরাধী অভিবাসীরা তাদের অতীত অপরাধের তথ্য গোপন করে নাগরিকত্ব গ্রহণ করে। এখন থেকে এ ধরনের সব ক্ষেত্রে বিচার বিভাগ শূন্য-সহনশীলতা নীতি অনুসরণ করবে।’

অন্যদিকে, মার্কিন অভ্যন্তরীণ নিরাপত্তা বিভাগের কর্মকর্তা মুলিন বলেছেন, ‘ট্রাম্প প্রশাসন নাগরিকত্ব বাতিল ও অপরাধী বিদেশিদের অপসারণে আইনের আওতায় থাকা সব পথ ব্যবহার করবে। কারণ মার্কিন নাগরিকত্ব একটি বিশেষ অধিকার, যা সততার সঙ্গে অর্জন করতে হয়। কেউ যদি এখানে এসে আইন ভঙ্গ করেন এবং অভিবাসন প্রক্রিয়ায় মিথ্যা তথ্য দেন, তাহলে তিনি সেই অধিকার হারাবেন।’

উল্লেখ্য, মার্কিন আইনে দীর্ঘদিন ধরেই বিদেশে জন্ম নেওয়া এমন নাগরিকদের নাগরিকত্ব বাতিলের সুযোগ রয়েছে। বৈধ ও অবৈধ- উভয় ধরনের অভিবাসনের বিরুদ্ধে বৃহত্তর অভিযানের অংশ হিসেবে ট্রাম্প প্রশাসন নাগরিকত্ব বাতিলের এ উদ্যোগ ব্যাপকভাবে সম্প্রসারিত করেছে।

২০২৫ সালে বিচার বিভাগ এমন নাগরিকদের নতুন কয়েকটি শ্রেণি নির্ধারণ করে, যাদের বিরুদ্ধে অগ্রাধিকার ভিত্তিতে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। মে মাসেও এক ডজনের বেশি নাগরিকত্ব বাতিলের মামলার ঘোষণা দেওয়া হয়, যা তখনকার সময়ে কয়েক বছরের মধ্যে সবচেয়ে বড় উদ্যোগ ছিল। যদিও ১৯৯০ থেকে ২০১৭ সাল পর্যন্ত বিচার বিভাগ গড়ে বছরে মাত্র ১১টি মামলা করেছিল, যেগুলোর লক্ষ্য ছিল কোনো ব্যক্তির মার্কিন নাগরিকত্ব বাতিল করা। সূত্র: সিবিএস নিউজ

থিও/অমিয়/

হরমুজ প্রণালীর কাছে মার্কিন সেনাবাহিনীর হেলিকপ্টার বিধ্বস্ত

প্রকাশ: ০৯ জুন ২০২৬, ১১:১৮ এএম
আপডেট: ০৯ জুন ২০২৬, ১১:৪৩ এএম
হরমুজ প্রণালীর কাছে মার্কিন সেনাবাহিনীর হেলিকপ্টার বিধ্বস্ত
ছবি: সংগৃহীত

হরমুজ প্রণালীর কাছাকাছি মার্কিন সেনাবাহিনীর একটি অ্যাপাচি হেলিকপ্টার বিধ্বস্ত হয়েছে বলে জানিয়েছে নিউ ইয়র্ক টাইমস। সোমবার (৮ জুন) দুর্ঘটনার পর হেলিকপ্টারের দুই ক্রুকে নিরাপদে উদ্ধার করা হয়েছে।

তবে এই ঘটনাটি কোনো শত্রুভাবাপন্ন দেশের আক্রমণ, যান্ত্রিক ত্রুটি নাকি অন্য কোনো কারণে ঘটেছে- তা এখনো নিশ্চিত করা হয়নি।

মার্কিন সামরিক কর্মকর্তারা এ বিষয়ে এখনো কোনো আনুষ্ঠানিক বিবৃতি দেননি।

উদ্ধার অভিযান শেষ হওয়ার পর পুরো পরিস্থিতি খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

২০২৬ সালের ফেব্রুয়ারি মাসের শেষদিকে যুদ্ধ শুরু হওয়ার পর থেকেই হরমুজ প্রণালী একটি প্রধান যুদ্ধক্ষেত্রে পরিণত হয়েছে। বিশ্বের মোট খনিজ তেলের এক-পঞ্চমাংশ এই রুট দিয়ে পরিবাহিত হয়। ইরান এই প্রণালীতে পশ্চিমা ও ইসরায়েলপন্থি বাণিজ্যিক জাহাজের ওপর অবরোধ তৈরি করায় মার্কিন নৌ ও বিমানবাহিনী সেখানে নিয়মিত টহল দেয়। এই চরম সামরিক উত্তেজনার মধ্যেই মার্কিন অ্যাপাচি হেলিকপ্টারটি বিধ্বস্ত হয়, যা এই অঞ্চলে সংঘাতের ঝুঁকি আরও বাড়িয়ে দেয়। সূত্র: এনডিটিভি

তামান্না রুপা/অমিয়/

ইরান-ইসরায়েলের হামলা বন্ধ হলেও হুমকি চলছে

প্রকাশ: ০৯ জুন ২০২৬, ১১:১১ এএম
আপডেট: ০৯ জুন ২০২৬, ১২:০০ পিএম
ইরান-ইসরায়েলের হামলা বন্ধ হলেও হুমকি চলছে
ছবি: আল জাজিরা

ইরান ও ইসরায়েল চালানো পারস্পরিক ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা বন্ধ হয়েছে, তবে দুটি দেশই হুমকি দেওয়া অব্যাহত রেখেছে। 

সোমবার (৮ জুন) বিকেলে ইরান হামলা বন্ধের ঘোষণা দিলেও সতর্ক করে দিয়েছে যে, লেবাননসহ অন্যান্য স্থানে ইসরায়েল যদি আরও আগ্রাসন চালায়, তবে পুনরায় হামলা শুরু হবে।

ইসরায়েলি গণমাধ্যম জানায়, মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের অনুরোধে ইসরায়েলি বাহিনী ইরানে হামলা থেকে বিরত থাকবে।

ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু বলেন, ইসরায়েল তেহরানে আঘাত হানার পর হামলা বন্ধ করেছে। তবে ইসরায়েলি সামরিক বাহিনী লেবাননে ইরান-সমর্থিত হিজবুল্লাহর বিরুদ্ধে অভিযান অব্যাহত রাখবে। 

তিনি ইরানকে হুমকি দিয়ে বলেন, ইরান যদি ভুল করে এবং আমাদের ওপর পুনরায় হামলা করে, তবে আমরা তার জবাব দেব।

এতে অঞ্চলটিতে আবারও পূর্ণাঙ্গ যুদ্ধ শুরু হওয়ার আশঙ্কা বেড়েছে। ফলে বৈশ্বিক জ্বালানিসংকট আরও তীব্র হতে পারে।

সোমবার বিকেলে দুই দেশ যুদ্ধবিরতিকে সম্মান জানিয়ে অঞ্চলজুড়ে বিমানবন্দরগুলো পুনরায় খোলার অনুমতি দিয়েছে। তবে তেল আবিব এবং তেহরান জোর দিয়ে বলেছে যে, তারা দ্রুত সামরিক পদক্ষেপে ফিরতে প্রস্তুত।

এক ইসরায়েলি কর্মকর্তা সংবাদমাধ্যমকে বলেছেন, ট্রাম্পের অনুরোধে ইরানের ওপর বিমান হামলা বন্ধ করতে সম্মত হয়েছি, কিন্তু লেবাননে আমাদের অভিযান পূর্ণ শক্তিতে চলবে।

ইরানি কর্মকর্তারা বলছেন, যদি আমাদের বাহিনীর পক্ষ থেকে নতুন করে কোনো পদক্ষেপ নেওয়ার প্রয়োজন হয়, তবে তা অনেক বেশি কঠোর হবে। সূত্র: আল জাজিরা

থিও/অমিয়/

ইরানে হামলা চালালে একাই লড়তে হবে: নেতানিয়াহুকে হুঁশিয়ারি ট্রাম্পের

প্রকাশ: ০৯ জুন ২০২৬, ১১:০৯ এএম
আপডেট: ০৯ জুন ২০২৬, ১১:৪২ এএম
ইরানে হামলা চালালে একাই লড়তে হবে: নেতানিয়াহুকে হুঁশিয়ারি ট্রাম্পের
যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প-ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু

যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুকে সতর্ক করে বলেছেন যে, ইসরায়েল যদি ইরানের সঙ্গে আবারও যুদ্ধে জড়ায়, তবে তাকে একাই লড়তে হতে পারে।

সোমবার (৮ জুন) ট্রাম্পের এই সতর্কবার্তা এমন এক সময়ে এল, যখন ইসরায়েল এবং ইরান উভয় দেশই জানিয়েছে যে- তারা সাময়িকভাবে হামলা বন্ধ রাখবে।

গত এপ্রিল মাসে যুদ্ধবিরতি কার্যকর হওয়ার পর এটিই ছিল দুই দেশের মধ্যে সবচেয়ে বড় উত্তেজনার ঘটনা।

নেতানিয়াহুর ওপর ট্রাম্প দিন দিন বেশ বিরক্ত হয়ে উঠছেন বলে জানা গেছে। ট্রাম্প তার সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ট্রুথ সোশ্যালে দেওয়া এক পোস্টে দুই পক্ষকেই যুদ্ধ থামানোর আহ্বান জানান।

তিনি বলেন, শান্তি প্রতিষ্ঠার জন্য চূড়ান্ত আলোচনা এগিয়ে যাবে, যদি না অজ্ঞতা বা বোকামি এর মাঝে বাধা হয়ে দাঁড়ায়।

বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমের খবর অনুযায়ী, ট্রাম্প নেতানিয়াহুকে সরাসরি ফোন করেও হামলা বন্ধ করতে বলেছেন।

সংবাদমাধ্যম অ্যাক্সিওসকে দেওয়া একটি সাক্ষাৎকারে ট্রাম্প জানান, তিনি যুদ্ধ চালিয়ে যাওয়ার পরিণতি নিয়ে নেতানিয়াহুকে সাবধান করেছিলেন। ট্রাম্প বলেন, ‘আমি বলেছিলাম, বেবি (নেতানিয়াহুর ডাকনাম) তোমাকে আরও সতর্ক হতে হবে, তা না হলে খুব শিগগিরই তোমাকে একা একাই লড়তে হবে।’

এই নতুন উত্তেজনার শুরু হয় গত রবিবার, যখন ইসরায়েল লেবাননের রাজধানী বৈরুতে এক ভয়াবহ বিমান হামলা চালায়। ইরান সবসময়ই বলে আসছে যে, যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে যেকোনো শান্তিচুক্তি হতে হলে লেবাননে যুদ্ধ বন্ধ হওয়া জরুরি। ফলে, লেবাননে হামলার জবাবে ইরান উত্তর ইসরায়েলে লক্ষ্য করে একঝাঁক ক্ষেপণাস্ত্র ছোড়ে।

জানা গেছে, ট্রাম্প রবিবার সন্ধ্যায় নেতানিয়াহুকে ফোন করে পাল্টা হামলা না করার অনুরোধ জানিয়েছিলেন। কিন্তু ইসরায়েল তা না শুনে সোমবার ভোরে ইরানের ওপর হামলা চালায়। ইসরায়েলি বাহিনী ইরানের আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা এবং একটি পেট্রোকেমিক্যাল কারখানায় আঘাত হানে। জবাবে ইরানও ইসরায়েলের হাইফা শহরের একটি একই ধরনের কারখানা এবং দুটি বিমানঘাঁটি লক্ষ্য করে হামলা চালায়। তবে ইরানের ছোড়া অনেক ক্ষেপণাস্ত্রই অধিকৃত পশ্চিম তীরের আকাশে ধ্বংস করা হয়।

আজহার/অমিয়/