কঙ্গোতে চলমান জঙ্গি-অভ্যুত্থান মোকাবিলায় সেনা সহায়তা পাঠিয়েছে প্রতিবেশী দেশ উগান্ডা। সহিংসতায় বিপর্যস্ত কঙ্গোতে স্থিতিশীলতা ফিরিয়ে আনতেই সাহায্যের হাত বাড়ানো হয়েছে বলে জানায় উগান্ডা প্রশাসন।
বুধবার (১৯ ফেব্রুয়ারি) বিষয়টি নিশ্চিত করেছে উগান্ডার সামরিক বাহিনী।
অ্যালাইড ডেমোক্র্যাটিক ফোর্সেসের (এডিএফ) সশস্ত্র তৎপরতা মোকাবিলায় ২০২১ সালে উগান্ডা ও কঙ্গোর যৌথপদক্ষেপ ‘অপারেশন শুজা’র অংশ হিসেবে এই অতিরিক্ত সামরিক সহায়তার অনুমোদন দেওয়া হয়।
এ প্রসঙ্গে উগান্ডা সেনাবাহিনীর মুখপাত্র ফেলিক্স কুলাইগিয়ে বলেন, ‘কঙ্গোর পূর্বাঞ্চলে জঙ্গি তৎপরতা ঠেকাতে আমরা সবসময় স্থানীয় সেনাবাহিনীর সহায়তা করব।’
সম্প্রতি কঙ্গোর উত্তর কিভু ও ইতুরি প্রদেশে এডিএফের আক্রমণ লক্ষ্য করা গেছে। গত কয়েক বছরে এই সশস্ত্র সংগঠনের আক্রমণে কয়েক হাজার বেসামরিক নাগ্রিক প্রাণ হারিয়েছেন বলে জানা গেছে। উগান্ডায়ও কয়েকদফা বোমা হামলা করেছে এডিএফ।
‘শান্তি উগান্ডা ও কঙ্গোর নাগরিকদের অধিকার। আমরা জঙ্গি নিশ্চিহ্ন করেই ছাড়ব।’
এদিকে সামরিক অভিযান সত্ত্বেও কঙ্গোর পূর্বাঞ্চলের পরিস্থিতি সংকটাপন্ন অবস্থায় দাঁড়িয়ে আছে। খনিজ সম্পদে পুষ্ট এই অঞ্চলে আধিপত্য বিস্তারের উদ্দেশে এম-২৩, এডিএফসহ বেশ কয়েকটি সশস্ত্র সংগঠন হামলা পরিচালনা করছে।
যৌথবাহিনীর দাবি, অভিযানের কারণে এই অঞ্চলে জঙ্গিরা দুর্বল হয়ে পড়েছে। তবে, স্থানীয় জনসাধারণের দুর্ভোগ কমেনি।
এই এলাকায় বেসামরিক নাগরিক হতাহতের ঘটনায় দুশ্চিন্তা প্রকাশ করেছে বিভিন্ন মানবাধিকার সংস্থা।
আঞ্চলিক ভূরাজনীতি নিয়ে আশঙ্কা প্রকাশ করেছে জাতিসংঘও।
এ প্রসঙ্গে জাতিসংঘের এক কর্মকর্তা বলেন, ‘শুধু সামরিক অভিযান চালালেই এই সমস্যা মিটবে না। আমাদের আরও কার্যকর কোনো সমাধানে পৌঁছাতে হবে।’ সূত্র: ডয়েচে ভেলে
নাইমুর/