নতুন তহবিল অনুমোদন না হওয়া পর্যন্ত ইথিওপিয়ার ৩ কোটি ৬০ লাখ মানুষের মধ্যে সাড়ে ৬ লাখ নারী ও শিশু আগামী সপ্তাহগুলোতে আর খাদ্য সহায়তা পাবেন না বলে জানিয়েছে বিশ্ব খাদ্য কর্মসূচি।
মঙ্গলবার (২২ এপ্রিল) জাতিসংঘের সংস্থাটি সতর্ক করে জানিয়েছে, তহবিলের সঙ্কটের কারণে ইথিওপিয়ার সাড়ে ৬ লাখ অপুষ্টিতে ভোগা নারী ও শিশুর জন্য সহায়তা স্থগিত ও চিকিৎসা বন্ধ করতে বাধ্য হচ্ছে তারা।
ডব্লিউএফপি’র এক বিবৃতিতে বলা হয়েছে, ‘২০২৫ সালে ২০ লাখ মা ও শিশুর জীবন রক্ষাকারী পুষ্টি সহায়তা পৌঁছানোর পরিকল্পনা করেছিল ডব্লিউএফপি।’
অন্যান্য সাহায্য সংস্থাগুলোর মতো, ডব্লিউএফপিও মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের তহবিল হ্রাসের কারণে বিপাকে পড়েছে। ট্রাম্প জানুয়ারিতে তার শপথ গ্রহণের পরপরই তিন মাসের জন্য সমস্ত বিদেশি সাহায্য স্থগিত করার নির্বাহী আদেশে সই করেছিলেন।
এটি এমন এক সময়ে এসেছে যখন বেশ কিছু পশ্চিমা দেশও সাহায্য কমিয়েছে।
সংস্থাটি জানিয়েছে, পূর্ব আফ্রিকার প্রায় ১৩ কোটি জনসংখ্যার এই দেশটিতে ১ কোটিরও বেশি মানুষ ক্ষুধার মুখোমুখি।
২০২০ সালের নভেম্বর থেকে ২০২২ সালের নভেম্বরের মধ্যে উত্তরাঞ্চলীয় টাইগ্রেস অঞ্চলে ফেডারেল বাহিনী এবং বিদ্রোহীদের মধ্যে সংঘটিত এক নৃশংস গৃহযুদ্ধ থেকে ইথিওপিয়া এখনো সেরে উঠতে পারেনি। যুদ্ধে কমপক্ষে ৬ লাখ মানুষ নিহত হয়েছে।
ইথিওপিয়ার দুটি সর্বাধিক জনবহুল অঞ্চল, আমহারা এবং ওরোমিয়াতে সশস্ত্র সংঘাত এখনও চলমান। যার ফলে লাখ লাখ লোক বাস্তুচ্যুত হয়েছে।
ডব্লিউএফপি সতর্ক করে বলেছে, সহিংসতার কারণে মানবিক কার্যক্রম ব্যাহত হচ্ছে। এছাড়া এই অঞ্চলের ৫ লাখেরও বেশি দুর্বল মানুষের কাছে পৌঁছানোর ক্ষমতা সীমিত করছে।
সূত্র: বাসস
সিফাত/