ঢাকা ২৬ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩, মঙ্গলবার, ০৯ জুন ২০২৬

সর্বশেষ
নীরবতার কণ্ঠস্বর ‘ভাসানে উজান’ মুক্তি পেল বিশ্বকাপের অফিসিয়াল ট্র্যাক ‘সির সির’ ঝিনাইদহে ছাত্রলীগের ২৪ নেতাকর্মীর নামে মামলা, আটক ৩ টেলিমেডিসিনের গুরুত্ব বর্তমানে বৈধ সিমের সংখ্যা ৩২ কোটি ৮২ লাখ: টেলিযোগাযোগ মন্ত্রী সংসদ সদস্যের পদ ছাড়ছেন কোয়েল বিচার চাইব কার কাছে পাটুরিয়া-দৌলতদিয়া নৌরুটে ফেরি ও লঞ্চ চলাচল স্বাভাবিক আরও ঝলমলে রঙিন হচ্ছে পাহাড়ি শহর ছোংছিংয়ের রাত আয় বাড়ছে কিন্তু বরকত কমছে কেন? নাটোরে স্পিডবোটে মিলল গুলিবিদ্ধ মরদেহ ফ্রিতে ফুটবল বিশ্বকাপ সম্প্রচার করবে বিটিভি: তথ্য প্রতিমন্ত্রী বিদেশে শ্রমবাজার হারানোর উচ্চ ঝুঁকিতে বাংলাদেশ স্টার্ট-আপ ও তরুণ উদ্যোক্তাদের জন্য ৪০০ কোটি টাকা বরাদ্দ থাকবে: অর্থমন্ত্রী নোবিপ্রবির নতুন উপ-উপাচার্য ড. মুহাম্মদ শফিকুল ইসলাম বাজেটে বিড়ির মূল্য ও করহার অপরিবর্তিত থাকবে: অর্থমন্ত্রী ডাকাতির সময় মা-মেয়েকে দলবদ্ধ ধর্ষণের অভিযোগ, আটক ৬ সংঘর্ষে ফের উত্তপ্ত পাক অধিকৃত কাশ্মীর, নিহতের সংখ্যা নিয়ে বিতর্ক রামিসা ও নূরজাহান হত্যা: আমাদের মূল্যবোধের পচন দৌলতদিয়া-পাটুরিয়া নৌরুটে ফেরি ও লঞ্চ চলাচল বন্ধ ভাঙ্গায় কৃষকদল নেতাকে থানার মধ্যে মারধরের অভিযোগ নড়াইলে স্কুলছাত্রীকে শ্লীলতাহানি, ভ্যানচালক গ্রেপ্তার নোয়াখালীতে দিনের বেলা প্রকাশ্যে যুবককে গুলি, ভিডিও ভাইরাল উখিয়া সীমান্তে সাড়ে ৫ লাখ পিস ইয়াবা জব্দ করল বিজিবি ট্রাম্পের চুক্তি যে কারণে নস্যাৎ করতে চান নেতানিয়াহু ধর্ষক মনির হোসেনের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন, বিচার শুরু হাইকোর্টে জামিন পেলেও জেলগেটে ফের গ্রেপ্তার সাবেক ভারপ্রাপ্ত মেয়র রুয়েটে আবাসিক হলে গাঁজা সেবনের অভিযোগে ৪ শিক্ষার্থী আটক গত ২৪ ঘণ্টায় হাম উপসর্গে আরও তিনজনের মৃত্যু দক্ষতার সঙ্গে টিম পরিচালনার কিছু পরামর্শ
Nagad desktop

ইউক্রেন যুদ্ধ থামাতে শেষ পদক্ষেপ ঘোষণা করলেন ট্রাম্প

প্রকাশ: ১৯ আগস্ট ২০২৫, ০৬:৩৮ পিএম
ইউক্রেন যুদ্ধ থামাতে শেষ পদক্ষেপ ঘোষণা করলেন ট্রাম্প
হোয়াইট হাউসে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সঙ্গে ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি। ছবি: সংগৃহীত

যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন ও ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কির মধ্যে সরাসরি একটি বৈঠক আয়োজনের পরিকল্পনা ঘোষণা করেছেন। চলমান ইউক্রেন যুদ্ধের অবসান ঘটাতে এটি তার সর্বশেষ পদক্ষেপ।

হোয়াইট হাউসে স্থানীয় সময় সোমবার (১৮ আগস্ট) জেলেনস্কি ও ইউরোপীয় নেতাদের এই প্রস্তাব দেন ট্রাম্প। এ উচ্চপর্যায়ের বৈঠকে ফ্রান্সের প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল মাখোঁ এবং যুক্তরাজ্যের প্রধানমন্ত্রী কিয়ার স্টারমারও উপস্থিত ছিলেন। আলোচনার কেন্দ্রবিন্দু ছিল ২০২২ সালের ফেব্রুয়ারিতে শুরু হওয়া রাশিয়ার পূর্ণমাত্রার আগ্রাসন থামানোর উপায়।

ট্রাম্প জানান, তিনি পুতিনের সঙ্গে ফোনে কথা বলার পর বৈঠকের প্রস্তুতি শুরু করেছেন এবং পুতিন-জেলেনস্কির দ্বিপাক্ষিক বৈঠকের পর নিজেও দু’জন নেতার সঙ্গে ত্রিপক্ষীয় বৈঠক করবেন।

তিনি তার ‘ট্রুথ সোশ্যাল’ প্ল্যাটফর্মে লেখেন, “এটি একটি ভালো এবং প্রাথমিক পদক্ষেপ—একটি যুদ্ধের ক্ষেত্রে, যা প্রায় চার বছর ধরে চলছে।”

ট্রাম্প আরও জানান, ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্স, পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও এবং বিশেষ দূত স্টিভ উইটকফ রাশিয়া ও ইউক্রেনের সঙ্গে সমন্বয় করছেন।

জার্মান চ্যান্সেলর ফ্রিডরিখ মার্জ এবং ন্যাটো মহাসচিব মার্ক রুটে আলাদাভাবে নিশ্চিত করেন যে পুতিন দ্বিপাক্ষিক বৈঠকে রাজি হয়েছেন। তবে সময় ও স্থান নির্ধারণ হয়নি।

জেলেনস্কি সাংবাদিকদের বলেন, ট্রাম্পের সঙ্গে তার ‘খুব ভালো আলোচনা’ হয়েছে এবং তিনি পুতিনের সঙ্গে সরাসরি আলোচনায় বসতে প্রস্তুত।

তবে মস্কো এখনো বৈঠকে সম্মতির বিষয়টি প্রকাশ করেনি। রুশ সংবাদ সংস্থা তাস প্রেসিডেন্টের সহকারী ইউরি উশাকভকে উদ্ধৃত করে জানায়, ট্রাম্প-পুতিন আলোচনায় “রাশিয়া-ইউক্রেনের সরাসরি সংলাপ চালিয়ে যাওয়ার পক্ষে মত দেওয়া হয়েছে।”

আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে নিরাপত্তা নিশ্চয়তা
প্রস্তাবিত এ বৈঠক হবে পুতিন ও জেলেনস্কির মধ্যে যুদ্ধ শুরুর পর প্রথম মুখোমুখি সাক্ষাৎ। আলোচনায় ইউক্রেনের জন্য নিরাপত্তা নিশ্চয়তার বিষয়টি গুরুত্ব পেয়েছে। তবে সেই নিশ্চয়তা কেমন হবে, তা এখনো স্পষ্ট নয়।

শান্তিরক্ষী পাঠানো প্রসঙ্গে প্রশ্ন করলে ট্রাম্প জানান, ইউরোপীয় দেশগুলো হবে ইউক্রেনের জন্য প্রথম প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা, তবে যুক্তরাষ্ট্রও বেশ কিছু সহায়তা দেবে। তিনি আরও বলেন, নিরাপত্তা নিশ্চয়তার বিষয়ে ইউরোপীয় দেশগুলো নেতৃত্ব দেবে, আর যুক্তরাষ্ট্র থাকবে সমন্বয়কের ভূমিকায়।

জেলেনস্কি জানান, তার অংশীদাররা এক সপ্তাহ থেকে ১০ দিনের মধ্যে নিশ্চয়তার খসড়া তৈরি করবে।

যদিও ট্রাম্প ইউক্রেনকে ন্যাটো সদস্যপদ দেওয়ার সম্ভাবনা উড়িয়ে দিয়েছেন, তার বিশেষ দূত উইটকফ বলেন, পুতিন ন্যাটোর সমষ্টিগত প্রতিরক্ষার মতো একটি নিশ্চয়তা ব্যবস্থার বিষয়ে আলোচনা করতে আগ্রহী।

ন্যাটো চুক্তির ৫নং অনুচ্ছেদ অনুযায়ী, কোনো সদস্য রাষ্ট্রে হামলা হলে তা সবার ওপর আক্রমণ হিসেবে গণ্য হয়।

সোমবার আলোচনার পর মার্ক রুটে ফক্স নিউজে বলেন, ওয়াশিংটনের অংশগ্রহণকে “একটি বড় অগ্রগতি’’ মনে করা হচ্ছে। তবে কীভাবে যুক্তরাষ্ট্র যুক্ত হবে, তা নিয়ে আলোচনা চলবে।

তিনি আরও জানান, যুক্তরাষ্ট্র বা ইউরোপীয় সেনা মোতায়েনের বিষয়টি আলোচনায় আসেনি। রুটে বলেন, ‘‘আমরা সবাই একমত—যদি যুদ্ধ থামানো যায়, তবে তা স্থায়ীভাবে থামাতে হবে।’’

বিশেষজ্ঞদের মতামত
শিকাগো বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক ও নির্বাসিত রুশ গবেষক কনস্টানটিন সোনিন সংবাদ মাধ্যম আল জাজিরাকে বলেন, কার্যকর নিরাপত্তা নিশ্চয়তার জন্য ইউরোপীয় সেনা ইউক্রেনে মোতায়েন করা দরকার। কিন্তু এটি পুতিনের জন্য একেবারেই অগ্রহণযোগ্য। ফলে ইউরোপীয় নেতাদের ট্রাম্পকে বোঝাতে হবে যে এমন নিশ্চয়তা না থাকলে যুদ্ধ এখন থামলেও খুব শিগগিরই আবার শুরু হবে। 

তিনি বলেন, ইউক্রেন দীর্ঘদিন ধরে লিখিত নিশ্চয়তার ফাঁদে পড়েছে, যেমন ২০১৪ সালে ক্রিমিয়া দখলের সময়। রাশিয়া বহু চুক্তিতে ইউক্রেনের সার্বভৌমত্ব ও সীমান্তকে স্বীকৃতি দিয়েছে—২০০৪ সালে পুতিন নিজেও একটি চুক্তিতে সই করেছিলেন। তবুও ২০১৪ ও ২০২২ সালে সব চুক্তি লঙ্ঘন করেছে।

মেলবোর্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের ইউক্রেন বিষয়ক অধ্যয়ন বিভাগের গবেষক ইরিনা স্কুবি বলেন, এখনই কোনো চুক্তি সম্ভব কি না তা বলা যায় না। যদি রাশিয়া এখনো ইউক্রেনকে সাম্রাজ্যবাদী দৃষ্টিতে দেখে এবং সর্বোচ্চ দাবি করে—অঞ্চল দখল ও রাজনৈতিক নিয়ন্ত্রণ চাপিয়ে দেওয়ার চেষ্টা করে—তাহলে কোনো চুক্তিই সম্ভব নয়। কারণ এর মানে হবে ইউক্রেনকে নিজের সার্বভৌমত্ব আক্রমণকারীর হাতে তুলে দেওয়া।

ভূখণ্ড বিনিময়ের কঠিন সমীকরণ

হোয়াইট হাউসে আলোচনার পরও শান্তিচুক্তির অংশ হিসেবে ইউক্রেন কতটা ভূখণ্ড ছাড়তে হতে পারে, তা অস্পষ্ট রয়ে গেছে। বৈঠকের আগে ট্রাম্প বলেন, রাশিয়ার দখলে থাকা ক্রিমিয়া আর ইউক্রেনকে ফেরত দেওয়া সম্ভব নয়। তিনি ইঙ্গিত দেন, যুদ্ধ শেষ করতে রাশিয়া ও ইউক্রেনের মধ্যে “কিছু জমি অদলবদল ও সমন্বয়’’ হতে পারে।

রাশিয়া বর্তমানে ইউক্রেনের প্রায় পাঁচভাগের একভাগ ভূখণ্ড নিয়ন্ত্রণ করছে। অপরদিকে, ইউক্রেন গত বছরের পাল্টা আক্রমণে রাশিয়ার কুরস্ক অঞ্চলের কিছু অংশ নিয়ন্ত্রণে নিলেও বর্তমানে রুশ ভূখণ্ড ধরে রাখতে পারে নি।

মার্কো রুবিও ফক্স নিউজে বলেন, চুক্তির জন্য মস্কো ও কিয়েভ উভয়কেই ছাড় দিতে হবে। রুবিও বলেন, অবশ্যই জমি বা সীমানা নির্ধারণ করা জরুরি যা যুদ্ধের পরিণতি নিশ্চিত করবে। হয়তো এটা সহজ হবে না, ন্যায্যও নাও হতে পারে, কিন্তু যুদ্ধ শেষ করতে এটাই একমাত্র উপায়।

জেলেনস্কি অবশ্য বারবার স্পষ্ট করেছেন, তিনি কোনো ভূখণ্ড রাশিয়ার হাতে ছেড়ে দেবেন না। 

কিয়েভভিত্তিক সামরিক গবেষণা কেন্দ্রের বিশ্লেষক ইউরি পোইটা আল জাজিরাকে বলেন, ইতিবাচক পরিবেশ এবং ট্রাম্পের শান্তি প্রতিষ্ঠার ইচ্ছার কারণে বৈঠকটিকে ইউক্রেনের জন্য আংশিক সফল বলা যেতে পারে।

তিনি বলেন, আগে ইউক্রেনের নিরাপত্তা নিশ্চয়তার দাবি যুক্তরাষ্ট্রকে বিরক্ত করেছিল, কিন্তু এখন দেখা যাচ্ছে উভয় পক্ষ এ নিশ্চয়তার কাঠামো নিয়ে কাজ শুরু করেছে, যাতে দীর্ঘমেয়াদি শান্তি প্রতিষ্ঠা হয় এবং রাশিয়ার নতুন হামলা ঠেকানো যায়। সূত্র: আল জাজিরা

মাহফুজ/

সংঘর্ষে ফের উত্তপ্ত পাক অধিকৃত কাশ্মীর, নিহতের সংখ্যা নিয়ে বিতর্ক

প্রকাশ: ০৯ জুন ২০২৬, ০৫:২২ পিএম
সংঘর্ষে ফের উত্তপ্ত পাক অধিকৃত কাশ্মীর, নিহতের সংখ্যা নিয়ে বিতর্ক
ছবি: সংগৃহীত

নিরাপত্তা বাহিনীর সঙ্গে বিক্ষোভকারীদের সংঘর্ষে আবারও উত্তপ্ত হয়ে উঠেছে পাক অধিকৃত কাশ্মীর। প্রতিবাদীদের অভিযোগ, নিরাপত্তা বাহিনী তাদের লক্ষ্য করে গুলি চালিয়েছে। এতে গত কয়েক দিনে অন্তত ৩০ জন নিহত এবং প্রায় ২০০ জন আহত হয়েছেন বলে দাবি তাদের। তবে প্রশাসনের দাবি, নিহতের সংখ্যা ১১ এবং আহত হয়েছেন ৭০ জন।

আর্থিক দুরবস্থা ও প্রশাসনিক আগ্রাসনের প্রতিবাদে দীর্ঘদিন ধরে সরব ছিল স্থানীয় নাগরিক সংগঠন জয়েন্ট আওয়ামি অ্যাকশন কমিটি (জেএএসি)। সম্প্রতি সংগঠনটিকে নিষিদ্ধ ঘোষণা করার পরই পরিস্থিতি আরও উত্তপ্ত হয়ে ওঠে।

বিক্ষোভের সূত্রপাত হয় রাওয়ালকোটে। সেখানে প্রশাসনের বিরুদ্ধে এক ব্যবসায়ীর নেতৃত্বে বিক্ষোভ অনুষ্ঠিত হয়। 

প্রতিবাদীদের দাবি, নিরাপত্তা বাহিনীর গুলিতে ওই ব্যবসায়ী নিহত হন। এর পর গত শুক্রবার জেএএসিকে নিষিদ্ধ ঘোষণা করে পাক অধিকৃত কাশ্মীরের প্রশাসন।

কর্তৃপক্ষের দাবি, অঞ্চলের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতেই এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে।

পুলিশ জানায়, নিষেধাজ্ঞার পরও রবিবার একটি হাসপাতালের মর্গের সামনে বিক্ষোভে অংশ নেন কয়েকজন প্রতিবাদী। ওই মর্গে পুলিশের গুলিতে নিহত আরেক বিক্ষোভকারীর মরদেহ রাখা ছিল।

অঞ্চলটির পুঞ্চ সেক্টরের কমিশনার সর্দার ওয়াহিদ খান সংবাদমাধ্যমকে জানান, হাসপাতালের সামনে বিক্ষোভ নিয়ন্ত্রণে আনতে নিরাপত্তা বাহিনী গুলি চালায়। এতে ছয়জন বিক্ষোভকারী নিহত হন। 

পুলিশের দাবি, প্রতিবাদীরাও স্বয়ংক্রিয় রাইফেল থেকে গুলি চালায় এবং বোমা নিক্ষেপ করে, যার ফলে পরিস্থিতি আরও জটিল হয়ে ওঠে।

প্রশাসনের হিসাব অনুযায়ী, গত কয়েক দিনের সহিংসতায় অন্তত ১১ জন নিহত এবং ৭০ জন আহত হয়েছেন। তবে জেএএসি ও বিক্ষোভকারীদের দাবি, নিহতের সংখ্যা ৩০ এবং আহত হয়েছেন ২০০ জনেরও বেশি।

পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে রাওয়ালকোটসহ বিভিন্ন এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ ও নিরাপত্তা বাহিনী মোতায়েন করা হয়েছে। চলছে তল্লাশি অভিযান। কিছু এলাকায় ইন্টারনেট পরিষেবাও বন্ধ রাখা হয়েছে।

গত কয়েক মাস ধরেই মূল্যবৃদ্ধি ও অর্থনৈতিক সংকটের কারণে পাক অধিকৃত কাশ্মীরে জনঅসন্তোষ বাড়ছিল। বাসিন্দারা প্রশাসনের বিভিন্ন নীতিরও সমালোচনা করে আসছিলেন। এ পরিস্থিতিতে মানবাধিকার সংগঠনগুলো বারবার সংলাপের মাধ্যমে সংকট সমাধানের আহ্বান জানিয়েছে। তবে সেই আহ্বানের মধ্যেই গত ৫ জুন থেকে নতুন করে উত্তপ্ত হয়ে উঠেছে অঞ্চলটি। সূত্র: আনন্দবাজার

অমিয়/

নেতানিয়াহুর প্রতি ট্রাম্পের অসন্তোষ, মধ্যপ্রাচ্যে শান্তি আলোচনা নিয়ে নতুন বার্তা

প্রকাশ: ০৯ জুন ২০২৬, ০১:২২ পিএম
আপডেট: ০৯ জুন ২০২৬, ০২:২৬ পিএম
নেতানিয়াহুর প্রতি ট্রাম্পের অসন্তোষ, মধ্যপ্রাচ্যে শান্তি আলোচনা নিয়ে নতুন বার্তা
ছবি: সংগৃহীত

ইরান ও ইসরায়েল জানিয়েছে, উভয় দেশের মধ্যে চলমান শত্রুতা আপাতত থেমে গেছে। সাম্প্রতিক পাল্টাপাল্টি হামলা মধ্যপ্রাচ্যে আবারও যুদ্ধের আশঙ্কা তৈরি করেছিল।

বিভিন্ন গণমাধ্যমের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুকে কড়া সতর্কবার্তা দেন যে, তেহরানের বিরুদ্ধে নতুন হামলা চালালে ইসরায়েল ওয়াশিংটনের সমর্থন হারানোর ঝুঁকিতে পড়তে পারে। এরপরই ইসরায়েল হামলা বন্ধ করে।

তবে যুক্তরাষ্ট্রে ইসরায়েলের রাষ্ট্রদূত ইয়েখিয়েল লেইটার এ ধরনের ‘চূড়ান্ত সতর্কবার্তা’ বা আল্টিমেটামের খবর নাকচ করেছেন। 

তিনি দাবি করেন, দুই নেতার মধ্যে হওয়া আলোচনাটি ছিল সহযোগিতামূলক। কিন্তু সাংবাদিকরা বিষয়টিকে ভুলভাবে উপস্থাপন করছেন।

ফক্স নিউজকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে লেইটার বলেন, তাদের বন্ধুত্ব প্রায় ৪০ বছরের। কখনো কখনো ঘনিষ্ঠ বন্ধুদের মধ্যেও মতবিরোধ হতে পারে। আলোচনার সময় কিছুটা উত্তেজনা তৈরি হতেই পারে, কিন্তু সেটিই স্বাভাবিক বিষয়।

ইসরায়েলি এই কূটনীতিক আরও বলেন, ট্রাম্পের অনুরোধে নেতানিয়াহু ইরানের বিরুদ্ধে সামরিক পদক্ষেপের তীব্রতা কমানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন। তবে ট্রাম্প ভালো করেই জানেন, ইসরায়েল নিজেদের ভূখণ্ডে ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্রের হামলা সহ্য করবে না। অবশ্যই পাল্টা জবাব দেবে।

তিনি বলেন, সামগ্রিকভাবে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের মধ্যে অত্যন্ত ঘনিষ্ঠ সমন্বয় ও সহযোগিতা রয়েছে এবং উভয় পক্ষের মধ্যে পারস্পরিক বোঝাপড়া অনেক গভীর।

নেতানিয়াহুর ওপর ট্রাম্পের বিরক্তি

বিভিন্ন প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, নেতানিয়াহুর প্রতি ট্রাম্প ক্রমেই বিরক্ত হয়ে উঠছেন। এর আগে তিনি ইসরায়েল ও ইরান- উভয় দেশকেই হামলা বন্ধ করার আহ্বান জানিয়েছিলেন। একই সঙ্গে তিনি বলেছিলেন, শান্তির লক্ষ্যে ‘চূড়ান্ত আলোচনা’ এগিয়ে নিতে হবে এবং অজ্ঞতা বা বোকামি যেন শান্তির পথে বাধা হয়ে না দাঁড়ায়।

অন্যদিকে, টেলিভিশনে দেওয়া এক বক্তব্যে নেতানিয়াহু বলেন, তিনি ট্রাম্পকে জানিয়েছেন যে, ইসরায়েলের আত্মরক্ষার পূর্ণ অধিকার রয়েছে এবং প্রয়োজন অনুযায়ী আমরা সেই অধিকার প্রয়োগ করছি।

ইসরায়েলি সামরিক বাহিনীর এক কর্মকর্তার বরাত দিয়ে সিবিএস নিউজ জানিয়েছে, ইসরায়েল প্রয়োজন অনুযায়ী যতদিন দরকার অভিযান চালিয়ে যেতে প্রস্তুত ছিল। এছাড়া নতুন করে ইরানে নির্মিত বিমান প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা স্থাপনের পর পেট্রোকেমিক্যাল স্থাপনাগুলোতেও হামলা চালানো হয়েছে বলে নিশ্চিত করা হয়েছে।

ইরানের কড়া বার্তা

অন্যদিকে, ইরানের কর্মকর্তারাও কঠোর অবস্থান নিয়েছেন। আধাসরকারি তাসনিম সংবাদ সংস্থার বরাত দিয়ে এক সামরিক সূত্র জানিয়েছে, তেহরান দীর্ঘমেয়াদি সংঘাতের জন্য প্রস্তুত। প্রয়োজন হলে যুক্তরাষ্ট্রের স্বার্থের বিরুদ্ধে আবারও হামলা চালাতে পারে।

ইরানের পার্লামেন্ট স্পিকার মোহাম্মদ বাকের গালিবাফ বলেন, যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের প্রতি আস্থার ঘাটতি ভবিষ্যতেও আঞ্চলিক উত্তেজনা বাড়াবে।

এক্সে দেওয়া এক পোস্টে তিনি লেখেন, কাগজে-কলমে যুদ্ধবিরতি এবং বাস্তবে তার বারবার লঙ্ঘনের যে সমীকরণ ছিল, আমরা তা ভেঙে দিয়েছি। যতদিন আপনারা আস্থা তৈরির প্রকৃত ইচ্ছা দেখাতে ব্যর্থ হবেন, ইরানের প্রতিক্রিয়াও ঠিক তেমনই হবে। সূত্র: এনডিটিভি

খাদিজা রুমি/

দুইজনের মৃত্যুর পর ডেঙ্গুর টিকা স্থগিত

প্রকাশ: ০৯ জুন ২০২৬, ১২:৫৩ পিএম
আপডেট: ০৯ জুন ২০২৬, ০১:২২ পিএম
দুইজনের মৃত্যুর পর ডেঙ্গুর টিকা স্থগিত
ছবি; সংগৃহীত

সন্দেহজনক মৃত্যুর ঘটনার পর বিশ্বের প্রথম এক ডোজের ডেঙ্গু ভ্যাকসিনের ব্যবহার সাময়িকভাবে স্থগিত করেছে ব্রাজিল সরকার।

সরকারি উদ্যোগে তৈরি এই ভ্যাকসিনটি গত বছরের নভেম্বরে স্বাস্থ্য কর্মকর্তাদের অনুমোদন পায় এবং চলতি বছরেই প্রায় সাড়ে পাঁচ লাখ মানুষকে এই ভ্যাকসিন দেওয়া হয়।

মশাবাহিত ডেঙ্গু ভাইরাসের বিরুদ্ধে এটিই ছিল বিশ্বের প্রথম এক ডোজের টিকা। 

সাধারণত ডেঙ্গু হলে তীব্র জ্বর, মাথাব্যথা, পেশিতে ব্যথা, বমি বমি ভাব এবং ত্বকে র‍্যাশ দেখা দেয়, যা কিছু ক্ষেত্রে মারাত্মক বা প্রাণঘাতী হতে পারে।

চলতি বছরের জানুয়ারি থেকে মে মাসের মধ্যে যে ৫ লাখ ১ হাজার ৪৪ জনকে এই টিকা দেওয়া হয়, এর মধ্যে ৩ হাজার ৭০৩ জনের শরীরে ডেঙ্গুর মতো উপসর্গ দেখা দেয়। ৪২ জনের শরীরে তুলনামূলক তীব্র পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া দেখা গেছে।

গুরুতর অসুস্থ তিনজনের মধ্যে দুজন মারা গেছেন। এর মধ্যে একজন ৫৮ বছর বয়সী পুরুষ এবং একজন ৪৮ বছর বয়সী নারী। এছাড়া ৩৮ বছর বয়সী এক নারী আইসিইউতে ভর্তি হলেও পরে সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরে গেছেন।

ব্রাজিলের স্বাস্থ্যমন্ত্রী আলেকজান্দ্রে পাদিলহা এক সংবাদ সম্মেলনে বলেন, ‘টিকা দেওয়ার কারণেই এই তিনটি গুরুতর ঘটনা বা মৃত্যু ঘটেছে- এমনটি নিশ্চিত করার মতো যথেষ্ট তথ্য এখনও আমাদের কাছে নেই। তবে এটি আমাদের জন্য একটি সতর্ক সংকেত।’

তিনি জানান, সতর্কতামূলক ব্যবস্থা হিসেবে টিকাদান কর্মসূচি সাময়িকভাবে স্থগিত করা হয়েছে। এর আগে ১৪টি রাজ্যে ১৬ হাজারের বেশি স্বেচ্ছাসেবকের ওপর যখন এই ভ্যাকসিনের ট্রায়াল বা পরীক্ষা চালানো হয়েছিল, তখন এ ধরনের কোনো অপ্রত্যাশিত পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া দেখা যায়নি। এমনকি পরীক্ষার সময় এই ভ্যাকসিনটি ডেঙ্গুর মারাত্মক রূপ প্রতিরোধে ৯১ দশমিক ৬ শতাংশ কার্যকর প্রমাণিত হয়েছিল।

বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার (ডব্লিউএইচও) মতে, বর্তমানে বাজারে থাকা একমাত্র ডেঙ্গু ভ্যাকসিন (TAK-003) নিতে দুটি ডোজ প্রয়োজন হয় এবং একটি ডোজ থেকে পরবর্তী ডোজের মধ্যে তিন মাসের ব্যবধান রাখতে হয়। সেই তুলনায় এক ডোজের ভ্যাকসিন গণ-টিকাদান কর্মসূচিকে অনেক সহজ ও দ্রুত করতে পারে।

২০২৪ সালে ব্রাজিলে ডেঙ্গুতে রেকর্ড ছয় হাজারের বেশি মানুষের মৃত্যু হয়, যা সে বছর বিশ্বজুড়ে ডেঙ্গুজনিত মোট মৃত্যুর প্রায় অর্ধেক। তবে গত বছর থেকে পরিস্থিতি অনেকটাই নিয়ন্ত্রণে আসতে শুরু করেছে। সূত্র: এনডিটিভি

তামান্না রুপা/অমিয়/

যুক্তরাষ্ট্রের ইতিহাসে সবচেয়ে বড় নাগরিকত্ব বাতিল অভিযান ট্রাম্প প্রশাসনের

প্রকাশ: ০৯ জুন ২০২৬, ১২:৪১ পিএম
আপডেট: ০৯ জুন ২০২৬, ০১:০৯ পিএম
যুক্তরাষ্ট্রের ইতিহাসে সবচেয়ে বড় নাগরিকত্ব বাতিল অভিযান ট্রাম্প প্রশাসনের
ছবি: সংগৃহীত

যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের প্রশাসন ঘোষণা করেছে, অভিবাসন জালিয়াতি বা অন্যান্য অপরাধের অভিযোগে ১৭ জন মার্কিন নাগরিকের নাগরিকত্ব বাতিলের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

সোমবার (৮ জুন) মার্কিন কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, এ সিদ্ধান্ত মার্কিন ইতিহাসে নাগরিকত্ব বাতিলের সবচেয়ে বড় উদ্যোগ। এর মাধ্যমে প্রশাসন তাদের নজিরবিহীন ‘নাগরিকত্ব বাতিল’ কর্মসূচি আরও বিস্তৃত করছে।

নাগরিকত্ব বাতিলের এ অভিযানে যাদের লক্ষ্যবস্তু করা হয়েছে, তাদের মধ্যে কেউ কেউ শিশুদের বিরুদ্ধে যৌন অপরাধসহ সহিংস বা গুরুতর অপরাধে দোষী সাব্যস্ত হয়েছেন। অন্যরা প্রতারণা বা অভিবাসন জালিয়াতির অভিযোগে অভিযুক্ত।

দেশের বিভিন্ন ফেডারেল আদালতে করা মামলায় বিচার বিভাগের আইনজীবীরা দাবি করেছেন, মার্কিন নাগরিকত্ব পাওয়ার অন্যতম শর্ত হলো ‘সৎ নৈতিক চরিত্র’। বর্তমানে অভিযুক্ত ব্যক্তিরা নাগরিকত্বের জন্য আবেদন করার সময় তাদের অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড গোপন করেছিলেন।

ভারপ্রাপ্ত অ্যাটর্নি জেনারেল টড সংবাদমাধ্যমকে বলেন, ‘মাদক ব্যবসায়ী, যৌন অপরাধী ও প্রতারকদের মতো অপরাধী অভিবাসীরা তাদের অতীত অপরাধের তথ্য গোপন করে নাগরিকত্ব গ্রহণ করে। এখন থেকে এ ধরনের সব ক্ষেত্রে বিচার বিভাগ শূন্য-সহনশীলতা নীতি অনুসরণ করবে।’

অন্যদিকে, মার্কিন অভ্যন্তরীণ নিরাপত্তা বিভাগের কর্মকর্তা মুলিন বলেছেন, ‘ট্রাম্প প্রশাসন নাগরিকত্ব বাতিল ও অপরাধী বিদেশিদের অপসারণে আইনের আওতায় থাকা সব পথ ব্যবহার করবে। কারণ মার্কিন নাগরিকত্ব একটি বিশেষ অধিকার, যা সততার সঙ্গে অর্জন করতে হয়। কেউ যদি এখানে এসে আইন ভঙ্গ করেন এবং অভিবাসন প্রক্রিয়ায় মিথ্যা তথ্য দেন, তাহলে তিনি সেই অধিকার হারাবেন।’

উল্লেখ্য, মার্কিন আইনে দীর্ঘদিন ধরেই বিদেশে জন্ম নেওয়া এমন নাগরিকদের নাগরিকত্ব বাতিলের সুযোগ রয়েছে। বৈধ ও অবৈধ- উভয় ধরনের অভিবাসনের বিরুদ্ধে বৃহত্তর অভিযানের অংশ হিসেবে ট্রাম্প প্রশাসন নাগরিকত্ব বাতিলের এ উদ্যোগ ব্যাপকভাবে সম্প্রসারিত করেছে।

২০২৫ সালে বিচার বিভাগ এমন নাগরিকদের নতুন কয়েকটি শ্রেণি নির্ধারণ করে, যাদের বিরুদ্ধে অগ্রাধিকার ভিত্তিতে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। মে মাসেও এক ডজনের বেশি নাগরিকত্ব বাতিলের মামলার ঘোষণা দেওয়া হয়, যা তখনকার সময়ে কয়েক বছরের মধ্যে সবচেয়ে বড় উদ্যোগ ছিল। যদিও ১৯৯০ থেকে ২০১৭ সাল পর্যন্ত বিচার বিভাগ গড়ে বছরে মাত্র ১১টি মামলা করেছিল, যেগুলোর লক্ষ্য ছিল কোনো ব্যক্তির মার্কিন নাগরিকত্ব বাতিল করা। সূত্র: সিবিএস নিউজ

থিও/অমিয়/

হরমুজ প্রণালীর কাছে মার্কিন সেনাবাহিনীর হেলিকপ্টার বিধ্বস্ত

প্রকাশ: ০৯ জুন ২০২৬, ১১:১৮ এএম
আপডেট: ০৯ জুন ২০২৬, ১১:৪৩ এএম
হরমুজ প্রণালীর কাছে মার্কিন সেনাবাহিনীর হেলিকপ্টার বিধ্বস্ত
ছবি: সংগৃহীত

হরমুজ প্রণালীর কাছাকাছি মার্কিন সেনাবাহিনীর একটি অ্যাপাচি হেলিকপ্টার বিধ্বস্ত হয়েছে বলে জানিয়েছে নিউ ইয়র্ক টাইমস। সোমবার (৮ জুন) দুর্ঘটনার পর হেলিকপ্টারের দুই ক্রুকে নিরাপদে উদ্ধার করা হয়েছে।

তবে এই ঘটনাটি কোনো শত্রুভাবাপন্ন দেশের আক্রমণ, যান্ত্রিক ত্রুটি নাকি অন্য কোনো কারণে ঘটেছে- তা এখনো নিশ্চিত করা হয়নি।

মার্কিন সামরিক কর্মকর্তারা এ বিষয়ে এখনো কোনো আনুষ্ঠানিক বিবৃতি দেননি।

উদ্ধার অভিযান শেষ হওয়ার পর পুরো পরিস্থিতি খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

২০২৬ সালের ফেব্রুয়ারি মাসের শেষদিকে যুদ্ধ শুরু হওয়ার পর থেকেই হরমুজ প্রণালী একটি প্রধান যুদ্ধক্ষেত্রে পরিণত হয়েছে। বিশ্বের মোট খনিজ তেলের এক-পঞ্চমাংশ এই রুট দিয়ে পরিবাহিত হয়। ইরান এই প্রণালীতে পশ্চিমা ও ইসরায়েলপন্থি বাণিজ্যিক জাহাজের ওপর অবরোধ তৈরি করায় মার্কিন নৌ ও বিমানবাহিনী সেখানে নিয়মিত টহল দেয়। এই চরম সামরিক উত্তেজনার মধ্যেই মার্কিন অ্যাপাচি হেলিকপ্টারটি বিধ্বস্ত হয়, যা এই অঞ্চলে সংঘাতের ঝুঁকি আরও বাড়িয়ে দেয়। সূত্র: এনডিটিভি

তামান্না রুপা/অমিয়/