জাপানের বিখ্যাত ফুজি পর্বত থেকে আগ্নেয়গিরির ধোঁয়ার বিশাল কুণ্ডলী থেকে মেঘ উড়ছে। কিছুক্ষণের মধ্যেই, সেই আগ্নেয়গিরির ছাই ঘনবসতিপূর্ণ রাজধানী টোকিওতে ছড়িয়ে পড়ছে। কুয়াশাচ্ছন্ন বাতাস শহরের সব উঁচু ভবন ও রাস্তার যানবাহনকে ঢেকে ধ্বংসস্তুপে পরিণত করে ফেলছে।
জাপান সরকার সম্প্রতি এমন একটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা-নির্ভর ভিডিও প্রকাশ করেছে। সেই ভিডিওতে এমন দৃশ্য দেখা গেছে।
আসলে শ্বাসরুদ্ধকর সুন্দর আগ্নেয়গিরি মাউন্ট ফুজিতে যদি কখনো অগ্ন্যুৎপাত হয়, তাহলে কী করা উচিত এ বিষয়ে টোকিওর ২ কোটি বাসিন্দাকে সতর্ক করার উদ্দেশ্যে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা-নির্ভর ভিডিও এই প্রকাশ করেছে জাপান সরকার।
যদিও মাউন্ট ফুজিতে খুব শিগগিরই অগ্ন্যুৎপাত হবে বলে কোনো ইঙ্গিত নেই। তবে, টোকিও থেকে ১০০ কিমি (৬২ মাইল) দক্ষিণ-পশ্চিমে ফুজি একটি সক্রিয় আগ্নেয়গিরি। এটি শেষবার ৩১৮ বছর আগে অর্থাৎ ১৭০৭ থেকে ১৭০৮ সালের মধ্যে একবার বিস্ফোরিত হয়েছিল, যা ‘হোয়েই বিস্ফোরণ’ নামে পরিচিত।
টোকিও মেট্রোপলিটন সরকারের দুর্যোগ প্রতিরোধ বিভাগ কর্তৃক প্রকাশিত এআই-ভিডিওটিতে দেখা যাচ্ছে যে, ব্যস্ততম একটি রাস্তায় একজন মহিলা হঠাৎ তার ফোনে একটি সতর্কতা পাচ্ছেন যেখানে তাকে জানানো হচ্ছে যে- আগ্নেয়গিরি অগ্ন্যুৎপাত শুরু হয়েছে।
ভিডিওটিতে ফুজি থেকে নির্গত ধোঁয়ার বিশাল মেঘের নাটকীয় দৃশ্য দেখানোর আগে এক বর্ণনায় বলা হয়েছে, ‘কোনো সতর্কতা ছাড়াই এই মুহূর্তটি আসতে পারে।’
ফুজিসান বা ফুজি নো ইয়ামা জাপানের হোনশু দ্বীপে অবস্থিত একটি সক্রিয় স্ট্র্যাটোভলকানো , যার চূড়ার উচ্চতা ৩,৭৭৬.২৪ মিটার (১২,৩৮৯ ফুট ৩ ইঞ্চি)। এটি জাপানের সর্বোচ্চ পর্বত, যেকোনো এশিয়ান দ্বীপের দ্বিতীয় সর্বোচ্চ আগ্নেয়গিরি ( ইন্দোনেশিয়ার সুমাত্রা দ্বীপের মাউন্ট কেরিঞ্চির পরে ) এবং পৃথিবীর যেকোনো দ্বীপের সপ্তম সর্বোচ্চ শৃঙ্গ।
সুলতানা দিনা/