ভূমধ্যসাগরে ফিলিস্তিনের অবরুদ্ধ গাজা অভিমুখী ফ্লোটিলার ১৩টি নৌকা আটক করেছে ইসরায়েলের সামরিক বাহিনী। এই ১৩টি নৌকা থেকে ৩৭ দেশের প্রায় ২০১ নাগরিককে গ্রেপ্তার করেছে তারা। গ্লোবাল সুমুদ ফ্লোটিলার মুখপাত্র সাইফ আবু কেশেক এই তথ্য নিশ্চিত করেছে। আল জাজিরার খবর।
সাইফ আবু কেশেক জানান, আটক যাত্রীদের মধ্যে স্পেন থেকেই ছিলেন ৩০ জন। এছাড়াও ইতালি থেকে ২২ জন, তুরস্ক থেকে ২১ জন এবং মালয়েশিয়া থেকে ১২ জন রয়েছেন।
তবে তিনি নিশ্চিত করেন, গ্রেপ্তার ও নৌকা আটকের পরও তাদের মিশন থেমে নেই।
তিনি বলেন, “এখনও প্রায় ৩০টি নৌকা ভূমধ্যসাগর পেরিয়ে গাজার উপকূলে পৌঁছানোর চেষ্টা করছে। দখলদার বাহিনীর সামরিক জাহাজগুলোর বাধা ঠেকিয়ে এগিয়ে চলেছেন তারা। গাজায় অবরোধ ভাঙতে ভোরের মধ্যেই পৌঁছানোর জন্য সর্বোচ্চ চেষ্টা করছেন অংশগ্রহণকারীরা।”
এছাড়া, ইসরায়েলের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়, ফ্লোটিলা নৌবহরকে ‘প্ররোচনামূলক উদ্যোগ’ আখ্যা দিয়ে দাবী করেছে , এই নৌবহর মানবিক সহায়তা পৌঁছে দেওয়ার কোনো মিশন নয়, এটি শুধু রাজনৈতিক প্ররোচনার উদ্দেশ্যে পরিচালিত একটি উদ্যোগ।
সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম এক্সে ইসরায়েলের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, ‘হামাস–সুমুদ’ নৌবহরের একমাত্র উদ্দেশ্য উত্তেজনা সৃষ্টি করা। ইতোমধ্যে ইসরায়েলসহ ইতালি ও গ্রিস গাজায় সহায়তা পাঠানোর শান্তিপূর্ণ উপায়ের প্রস্তাব দিয়েছে।
এদিকে, গাজাগামী নৌবহরে থাকা কর্মীদের বিরুদ্ধে ইসরায়েলি সেনারা সহিংসতা চালাবে না বলে জানিয়েছেন ইতালির পররাষ্ট্রমন্ত্রী আন্তোনিও তায়ানি। ইতালির টেলিভিশন সম্প্রচারক রাই–কে দেওয়া সাক্ষাৎকারে তায়ানি জানান, তিনি এ বিষয়ে ইসরায়েলের পররাষ্ট্রমন্ত্রী গিদিওন সারের সঙ্গে কথা বলেছেন।
সুলতানা দিনা/