চলতি বছর পদার্থবিজ্ঞানে নোবেলজয়ীর নাম ঘোষণা করেছে রয়েল সুইডিশ অ্যাকাডেমি। এ বছর,পদার্থবিজ্ঞানে নোবেল পেয়েছেন তিন মার্কিন বিজ্ঞানী।
বিজয়ীরা হলেন বৈদ্যুতিক বর্তনীর মধ্যে স্থুল কোয়ান্টাম যান্ত্রিক টানেলিং এবং শক্তির কোয়ান্টাইজেশন আবিষ্কারের জন্য জন ক্লার্ক, মিশেল এইচ. ডেভোরেট এবং জন এম. মার্টিনিস। তাদের এই আবিষ্কারের ফলে কোয়ান্টাম পদার্থবিদ্যার এক নতুন দিগন্ত খুলে গেছে। একারণেই তাদেরকে এই সম্মাননা দেওয়া হচ্ছে।
মঙ্গলবার (৭ অক্টোবর) সুইডেনের স্থানীয় সময় বেলা ১১টা ৪৫ মিনিটে, বাংলাদেশ সময় বিকেল ৩টা ৪৫ মিনিটে এই ঘোষণা দেওয়া হয়।
এর আগে গত বছর ২০২৪ সাপদার্থবিজ্ঞানে নোবেল জয় করেছিলেন যুক্তরাষ্ট্রের দুই পদার্থবিজ্ঞানী জন জে হোপফিল্ড এবং জিওফ্রি ই. হিন্টন। কৃত্রিম নিউরাল নেটওয়ার্কের সাথে মেশিন লার্নিংয়ের মৌলিক আবিষ্কার ও উদ্ভাবনের জন্য এই পুরস্কার জিতেছিলেন তারা।
তার আগের বছর ২০২৩ সালে পদার্থবিদ্যায় যৌথভাবে নোবেল পুরস্কার পান আমেরিকার পিয়ের অগস্টিনি, হাঙ্গেরির ফেরেঙ্ক ক্রাউৎজ এবং ফ্রান্সের অ্যানে এলহুইলার। পদার্থবিদ্যায় ২০২৩ সালের নোবেলজয়ী তিন বিজ্ঞানীরই গবেষণার বিষয় ছিল অভিন্ন- ইলেকট্রন গতিবিদ্যা।
আগামী ৮ অক্টোবর বিকেল ৩টা ৪৫ মিনিটে রসায়নে, ৯ অক্টোবর বিকেল ৫টায় সাহিত্যে এবং ১০ অক্টোবর বিকেল ৩টায় শান্তিতে নোবেল পুরস্কার বিজয়ীদের নাম ঘোষণা করা হবে। এ ছাড়া ১৩ অক্টোবর বিকেল ৩টা ৪৫ মিনিটে ঘোষণা করা হবে অর্থনীতিতে নোবেল পুরস্কার বিজয়ীর নাম।
১৯০১ সাল থেকে দেওয়া হচ্ছে বিশ্বের সবচেয়ে মর্যাদাপূর্ণ পুরস্কার নোবেল। এ পুরস্কারটির নামকরণ করা হয়েছে সুইডিশ বিজ্ঞানী আলফ্রেড নোবেলের নাম অনুসারে।
ঊনবিংশ শতকের এই বিজ্ঞানী শক্তিশালী বিস্ফোরক ডিনামাইট আবিষ্কার করে বিপুল অর্থের মালিক হয়েছিলেন। তিনি উইল করে গিয়েছিলেন যে তার যাবতীয় অর্থ থেকে যেন প্রতি বছর পদার্থ, রসায়ন, চিকিৎসা, শান্তি ও সাহিত্য— এই ৫টি খাতে বিশেষ অবদান রাখা ব্যক্তিদের পুরস্কার প্রদান করা হয়। এই পুরস্কারের নামকরণ হবে তার নামে। ১৯৬৯ সাল থেকে এই ৫ বিভাগের সঙ্গে যুক্ত হয় অর্থনীতিও।
সুলতানা দিনা/