ঢাকা ২ আষাঢ় ১৪৩৩, মঙ্গলবার, ১৬ জুন ২০২৬

সর্বশেষ
১৬ জুন  ২০২৬ তারিখের নামাজের সময়সূচি আত্মঘাতী গোলে বেলজিয়ামের বিপক্ষে জয়বঞ্চিত মিসর ২৬ বছরে অভিষেক, বিশ্বকাপে স্পেনকে স্তব্ধ করে দেওয়া কে এই গোলরক্ষক? প্রথমার্ধে বেলজিয়ামের বিপক্ষে এগিয়ে মিসর বিশ্বকাপ ইতিহাসে নাম লেখালেন ভোজিনিয়া-ইয়ামাল শক্তিশালী স্পেনকে রুখে দিল নবাগত কেপ ভার্দে বিশ্বকাপ অভিষেকে রেকর্ড গড়ল কেপ ভার্দে দুই ছেলের নামে ২ ইউনিয়নের নামকরণ নিয়ে যা জানালেন স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রী মানবিক রাষ্ট্র গঠনে গণমাধ্যমের সহযোগিতা চান প্রধানমন্ত্রী প্রথমার্ধে স্পেনকে আটকে দিল কেপ ভার্দে চট্টগ্রামে মেরিন সার্ভেয়ারদের প্রশিক্ষণ কর্মশালা অনুষ্ঠিত মতলবে বৃদ্ধকে পিটিয়ে হত্যার প্রধান আসামি গ্রেপ্তার ইরান-যুক্তরাষ্ট্র চুক্তিকে স্বাগত জানাল বাংলাদেশ যুক্তরাজ্যে ১৬ বছরের নিচে সামাজিক মাধ্যম ব্যবহার নিষিদ্ধ বিশ্বকাপে শুরুতেই বড় হার, ম্যাচ শেষ হতেই কোচ বরখাস্ত নবজাতকের মরদেহ টানাটানি করছিল কুকুর, উদ্ধার করল পুলিশ গোপালগঞ্জে যৌতুকের জন্য স্বামীর হাতে স্ত্রী খুন হুইলচেয়ারে মাঠ ছাড়লেন কুবো, জাপান শিবিরে উদ্বেগ মৌলভীবাজারে তিন মাসের ভোগান্তির পর চিকিৎসাসেবা পেল চা-বাগানবাসী শার্শায় প্রবাসীর স্ত্রীকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণ, গ্রেপ্তার ৩ যানবাহন নিয়ন্ত্রণে চট্টগ্রামেও বসবে এআই ক্যামেরা: চসিক মেয়র স্পেনের একাদশে নেই ইয়ামাল ‘অন্তর্বর্তী সরকারের অদক্ষতা ও অব্যবস্থাপনায় কাঙ্ক্ষিত জন প্রত্যাশা পূরণ হয়নি’ রাজশাহীকে বাসযোগ্য ও দুর্নীতিমুক্ত শহর গড়ার প্রত্যয় আরডিএ’র নতুন চেয়ারম্যানের কর্মমুখী দক্ষতা অর্জনই হোক অর্থনৈতিক রূপান্তরের শক্তি শ্রমিকদের ‘চাকরি’ স্থায়ী করুন রাজনীতিকে সরল সমীকরণে দেখা যায় না ইস্তিগফারের এমন ক্ষমতা জানলে আপনি অবাক হবেন ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় সালিশ বৈঠকে প্রতিপক্ষের হামলায় শ্রমিক দল নেতা নিহত জেএমআই ইন্ডাস্ট্রিয়াল পার্ক পরিদর্শন করলেন প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ সহকারী
Nagad desktop

থাইল্যান্ড-ক্যাম্বোডিয়া সংঘাত লড়াই চালিয়ে যাওয়ার কথা বলছে উভয় পক্ষই

প্রকাশ: ১০ ডিসেম্বর ২০২৫, ০২:২৫ এএম
লড়াই চালিয়ে যাওয়ার কথা বলছে উভয় পক্ষই
ক্যাম্বোডিয়ায় থাইল্যান্ডের বিমান হামলার দৃশ্য

থাইল্যান্ড ও ক্যাম্বোডিয়া তাদের বিতর্কিত সীমান্তে নতুন করে শুরু হওয়া সংঘর্ষের জন্য একে অপরকে দোষ দিচ্ছে এবং উভয় পক্ষই লড়াই চালিয়ে যাওয়ার সংকল্প ব্যক্ত করছে। প্রতিবেশী দুই দেশের মধ্যে এই সর্বশেষ সহিংসতায় মৃতের সংখ্যা ক্রমেই বাড়ছে।

ক্যাম্বোডিয়ার প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় মঙ্গলবার (৯ ডিসেম্বর) জানায়, সোমবার থেকে এ পর্যন্ত তাদের নয়জন বেসামরিক নাগরিক নিহত হয়েছে এবং ২০ জন আহত হয়েছে। অন্যদিকে থাই সেনাবাহিনী জানিয়েছে, সংঘর্ষ পুনরায় শুরুর পর থেকে তাদের চারজন সেনা নিহত এবং ৬৮ জন আহত হয়েছে।

গত রবিবার রাতে নতুন করে লড়াই শুরু হয়, যা কয়েক লাখ মানুষকে ঘরছাড়া করে এবং জুলাই মাসে পাঁচ দিনের সংঘর্ষের পর টিকে থাকা নাজুক শান্তি পরিস্থিতি ভেঙে পড়ে। জুলাইয়ের ওই সংঘর্ষে রকেট ও ভারী কামানের গোলাবিনিময় হয় এবং সীমান্ত জুড়ে প্রতিযোগী আঞ্চলিক দাবিগুলো উত্তেজনা বাড়ায় এবং উভয় পক্ষের অন্তত ৪৮ জনের মৃত্যু এবং ৩ লাখেরও বেশি মানুষের সাময়িক সরিয়ে নেওয়ার ঘটনা ঘটায়। 

পরে মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রী আনোয়ার ইব্রাহিম ও যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের মধ্যস্থতায় একটি যুদ্ধবিরতি হয়। তবে থাইল্যান্ড গত মাসে সেই চুক্তির বাস্তবায়ন স্থগিত করে, কারণ এক ল্যান্ডমাইন বিস্ফোরণে তাদের এক সেনা পা হারান।

‘লড়াই করতে বাধ্য হচ্ছে ক্যাম্বোডিয়া’

থাই প্রধানমন্ত্রী আনুতিন চার্নভিরাকুল বলেন, ক্যাম্বোডিয়া সম্ভাব্য আলোচনার বিষয়ে থাইল্যান্ডের সঙ্গে যোগাযোগ করেনি এবং লড়াই চলবে।

“আমাদের যা করতে হবে, তা আমাদের করতেই হবে,” তিনি বলেন। “সরকার আগেই পরিকল্পিত সব ধরনের সামরিক অভিযানকে সমর্থন করবে।”

থাই সামরিক বাহিনী জানায়, মঙ্গলবার ক্যাম্বোডিয়া থাই অবস্থান লক্ষ্য করে কামান, রকেট এবং ড্রোন হামলা চালিয়েছে।

ক্যাম্বোডিয়ার শক্তিশালী সিনেট প্রেসিডেন্ট হুন সেন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে মঙ্গলবার দেওয়া এক বিবৃতিতে বলেন, আগের দিন তাদের সেনারা থাই বাহিনীর দিকে গুলি ছোড়া থেকে বিরত ছিল, কিন্তু রাতে তারা পাল্টা গুলি ছোড়া শুরু করে।

তিনি বলেন, থাই বাহিনী যেসব এলাকা দিয়ে অগ্রসর হচ্ছিল, সেখানে লক্ষ্যভেদ করলে পাল্টা আক্রমণের মাধ্যমে শত্রু বাহিনীকে দুর্বল ও ধ্বংস করা সম্ভব হবে।

হুন সেন আরও বলেন, “ক্যাম্বোডিয়া শান্তি চায়, কিন্তু নিজেদের ভূখণ্ড রক্ষার জন্য ক্যাম্বোডিয়া বাধ্য হচ্ছে লড়াই করতে।”

উভয়পক্ষই প্রথম গুলি চালানোর জন্য অপর পক্ষকে দায়ী করছে।

মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তর মঙ্গলবার চলমান সংঘর্ষ নিয়ে উদ্বেগ জানায়।

“আমরা অবিলম্বে শত্রুতা বন্ধ, বেসামরিক নাগরিকদের সুরক্ষা এবং উভয় পক্ষকে ২৬ অক্টোবরের কুয়ালালামপুর শান্তি চুক্তিতে উল্লিখিত উত্তেজনা-হ্রাসের পদক্ষেপে ফিরে যাওয়ার জন্য জোর আহ্বান জানাচ্ছি,” যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও এক বিবৃতিতে বলেন।

কূটনীতির কোনো সুযোগ নেই

মঙ্গলবার সকালে এক বিবৃতিতে থাই নৌবাহিনী জানায়, তারা ট্রাট উপকূলীয় প্রদেশে তাদের ভূখণ্ড থেকে ক্যাম্বোডিয়ার বাহিনীকে হটিয়ে দিতে অভিযান চালাচ্ছে।

নৌবাহিনীর ভাষ্য অনুযায়ী, ক্যাম্বোডিয়ান বাহিনী ওই এলাকায় তাদের উপস্থিতি বাড়াচ্ছে, স্নাইপার ও ভারী অস্ত্র মোতায়েন করছে, সুরক্ষিত অবস্থান তৈরি করছে এবং বাঙ্কার খুঁড়ছে—যা থাইল্যান্ডের সার্বভৌমত্বের ওপর “সরাসরি ও গুরুতর হুমকি” হিসেবে দেখা হচ্ছে। এই কারণেই তাদের হটিয়ে দেওয়ার পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে।

গণমাধ্যমে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে থাই পররাষ্ট্রমন্ত্রী সিহাসাক ফুওংকেতকেও বলেন, ক্যাম্বোডিয়া এখনো “শান্তি আলোচনার জন্য প্রস্তুত নয়”।

তিনি বলেন, “একদিকে তারা বলে যে তারা প্রস্তুত, আবার মাটিতে তাদের কর্মকাণ্ড সম্পূর্ণ উল্টো দিকে যায়।”

“যখন পরিস্থিতি কূটনীতিকে এগিয়ে নিতে উপযোগী হবে, তখনই কূটনীতি কাজ করবে,” তিনি বলেন। “দুঃখের সঙ্গে বলছি, বর্তমানে আমাদের সেই সুযোগ নেই।”

যদিও চলমান শত্রুতা ও সামরিক অভিযান দুই পক্ষেরই ক্ষতি ডেকে আনছে, ফুওংকেতকেও আরও বলেন, “আমরা চাই ক্যাম্বোডিয়া দেখাক যে তারা যা করছে তা বন্ধ করতে প্রস্তুত—তারপর অবশ্যই আমরা কূটনীতি ও আলোচনার সম্ভাবনা বিবেচনা করতে পারব।”

থাইল্যান্ডের বুরিরাম প্রদেশে একটি অস্থায়ী আশ্রয়কেন্দ্রে বাস্তুচ্যুত মানুষের ভিড়। ছবিটি মঙ্গলবার, ৯ ডিসেম্বর ২০২৫ তারিখের

পরে মঙ্গলবার ক্যাম্বোডিয়া জানায় তারা থাইল্যান্ডের সঙ্গে অবিলম্বে দ্বিপক্ষীয় আলোচনায় বসতে আগ্রহী।

ক্যাম্বোডিয়ার প্রধানমন্ত্রী হুন মানেতের জ্যেষ্ঠ উপদেষ্টা সোয়োস ইয়ারা বার্তা সংস্থা রয়টার্সকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে বলেন, “ধরুন, এখন থেকে এক ঘণ্টা পরেই উভয় পক্ষ রাজি হলো, টেবিলে বসল, তারপর যোগাযোগ শুরু করল—এটা খুবই ভালো উদ্যোগ হবে’’।

তবে, আলোচনা শুরু করতে প্রথম পদক্ষেপ তারা নেবে না বলেও জানান তিনি। “উভয় পক্ষের পারস্পরিক সদিচ্ছা থাকতে হবে,” তিনি যোগ করেন।

উভয় দেশই বলছে যে সাম্প্রতিক সহিংসতার কারণে সীমান্তের দুই পাশে বিপুলসংখ্যক মানুষ নিরাপদ আশ্রয়ের জন্য পালিয়ে যাচ্ছে। থাইল্যান্ড বলছে, তাদের সীমান্ত এলাকায় ৪ লাখ মানুষকে সরিয়ে নেওয়া হয়েছে, আর ক্যাম্বোডিয়ার দাবি, তাদের ভূখণ্ডে প্রায় ৫৫ হাজার মানুষ স্থানান্তরিত হয়েছে।

তিনি বলেন, আপাতত উভয় পক্ষই শত্রুতা বন্ধ করতে আগ্রহী নয়।

বিশ্লেষকরা বলছেন, দুই দেশের মধ্যে ভঙ্গুর যুদ্ধবিরতি ভেঙে যাওয়া অপ্রত্যাশিত ছিল না। জুলাইয়ের সংঘর্ষ থামাতে ট্রাম্প হুমকি দিয়েছিলেন—যদি উভয় দেশ যুদ্ধ বন্ধ না করে, তবে শুল্ক কমানোর আলোচনাগুলো স্থগিত রাখা হবে। এরই পরিপ্রেক্ষিতে অক্টোবর মাসে ট্রাম্পের উপস্থিতিতে একটি বর্ধিত যুদ্ধবিরতি চুক্তি সই হয়।

কম্বোডিয়ার থিংক ট্যাঙ্ক ‘ফিউচার ফোরাম’-এর প্রতিষ্ঠাতা ভিরাক উ আল জাজিরাকে বলেন, ওই যুদ্ধবিরতিটি ছিল “জোরপূর্বক চাপানো”, বিশেষ করে শুল্কসংক্রান্ত হুমকির কারণে। সেই কারণেই যুদ্ধবিরতিটি ভঙ্গুর ছিল, তিনি বলেন।

থাই পররাষ্ট্রমন্ত্রী ফুওংকেতকেও মঙ্গলবার রয়টার্সকে বলেন, যুদ্ধবিরতি আলোচনায় থাইল্যান্ডকে চাপ দিতে শুল্কের হুমকি ব্যবহার করা উচিত নয় এবং সংঘর্ষ কমানোর দায়িত্ব প্রথমে ক্যাম্বোডিয়ার।

তিনি বলেন, আমরা মনে করি না যে থাইল্যান্ডকে আলোচনায় ফিরিয়ে আনার জন্য শুল্ককে চাপ হিসেবে ব্যবহার করা উচিত।

“থাই–ক্যাম্বোডিয়া সম্পর্কের বিষয়টি এবং বাণিজ্য আলোচনার বিষয়টি আলাদা করে দেখা উচিত,” তিনি যোগ করেন।

ঐতিহাসিক দ্বন্দ্ব

এক শতাব্দীরও বেশি সময় ধরে ৮১৭ কিলোমিটার (৫০৮ মাইল) দীর্ঘ সীমান্তের বিভিন্ন এলাকা নিয়ে থাইল্যান্ড ও ক্যাম্বোডিয়া পরস্পরের সার্বভৌমত্ব দাবি করে আসছে। ১৯০৭ সালে ফ্রান্স যখন ক্যাম্বোডিয়াকে উপনিবেশ হিসেবে শাসন করছিল, তখন এই সীমান্ত মানচিত্র আঁকা হয়।

এই উত্তেজনা মাঝে মধ্যেই সহিংসতায় রূপ নিয়েছে। যেমন ২০১১ সালে এক সপ্তাহব্যাপী কামান যুদ্ধ হয়, যদিও তা শান্তিপূর্ণ উপায়ে সমস্যার সমাধানের উদ্যোগও নেওয়া হয়েছে।

২০১৩ সালে আন্তর্জাতিক বিচার আদালত ১৯৬২ সালের রায় পুনর্ব্যক্ত করে, যেখানে প্রেহ ভিহিয়ার মন্দিরসংলগ্ন ভূমির একটি অংশ ক্যাম্বোডিয়ার অধীনে দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয় এবং থাইল্যান্ডকে সেখান থেকে তাদের বাহিনী প্রত্যাহারের নির্দেশ দেওয়া হয়।

থাইল্যান্ড কিন্তু এই বিষয়ে আন্তর্জাতিক বিচার আদালতের এখতিয়ার মানতে অস্বীকার করেছে। সূত্র: আল জাজিরা

মাহফুজ

 

ইরান-যুক্তরাষ্ট্র চুক্তিকে স্বাগত জানাল বাংলাদেশ

প্রকাশ: ১৫ জুন ২০২৬, ১০:৪৩ পিএম
ইরান-যুক্তরাষ্ট্র চুক্তিকে স্বাগত জানাল বাংলাদেশ
ছবি: খবরের কাগজ

ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে শান্তিচুক্তি চূড়ান্ত হওয়াকে উষ্ণভাবে স্বাগত জানাল বাংলাদেশ।

সোমবার (১৫ জুন) পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এক বিজ্ঞপ্তিতে বিষয়টি জানানো হয়।

পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানায়, বাংলাদেশ ধারাবাহিকভাবে সংলাপ ও কূটনীতির মাধ্যমে উত্তেজনা হ্রাস এবং সংঘাত সমাধানের আহ্বান জানিয়ে আসছে। একই সঙ্গে এই ইতিবাচক অগ্রগতিতে অবদান রাখা সব পক্ষ ও মধ্যস্থতাকারীদের প্রচেষ্টার প্রশংসা করেছে ঢাকা। বাংলাদেশ আশা করে, এই চুক্তিটি পুরোপুরি বাস্তবায়িত হবে এবং তা টেকসই ও দীর্ঘস্থায়ী রূপ নেবে।

মন্ত্রণালয় আরও জানায়, বাংলাদেশ আঞ্চলিক ও বৈশ্বিক শান্তি, নিরাপত্তা এবং উন্নয়নের জন্য মধ্যপ্রাচ্যে শান্তি ও স্থিতিশীলতা অপরিহার্য বলে মনে করে। সেই সঙ্গে বাংলাদেশ সব পক্ষকে এই গতি কাজে লাগিয়ে সংলাপ ও কূটনীতির মাধ্যমে অমীমাংসিত বিষয়গুলো সমাধানের জন্য উৎসাহিত করে এবং আঞ্চলিক শান্তি, সরবরাহ শৃঙ্খল ও সহযোগিতা প্রত্যাশা করে।

যুক্তরাজ্যে ১৬ বছরের নিচে সামাজিক মাধ্যম ব্যবহার নিষিদ্ধ

প্রকাশ: ১৫ জুন ২০২৬, ১০:৩১ পিএম
যুক্তরাজ্যে ১৬ বছরের নিচে সামাজিক মাধ্যম ব্যবহার নিষিদ্ধ
ছবি: সংগৃহীত

যুক্তরাজ্যে ১৬ বছরের কম বয়সী কিশোর-কিশোরীদের জন্য সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ব্যবহার সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ করা হচ্ছে। 

সোমবার (১৫ জুন) দেশটির প্রধানমন্ত্রী কিয়ার স্টারমার ‘অস্ট্রেলিয়া প্লাস’ নামক একটি পরিকল্পনা ঘোষণার মাধ্যমে এই ঐতিহাসিক পদক্ষেপের কথা জানান। 

শিশুদের অনলাইন নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে ব্যর্থ হওয়া প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠানগুলোর বিরুদ্ধে এটিকে একটি কঠোর পদক্ষেপ হিসেবে দেখছে দেশটির সরকার। ১ লাখ ১৬ হাজারেরও বেশি মানুষের মতামত নিয়ে করা একটি জরিপের পর সরকার এই সিদ্ধান্ত নিয়েছে এবং আগামী বছরের বসন্তকাল থেকেই এই নিষেধাজ্ঞা কার্যকর হতে পারে বলে আশা করা হচ্ছে।

নতুন এই নিয়ম অনুযায়ী স্ন্যাপচ্যাট, টিকটক, ইউটিউব, ইনস্টাগ্রাম, এক্স (সাবেক টুইটার) এবং ফেসবুকের মতো সব কটি বড় সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম পুরোপুরি ব্লক বা বন্ধ করে দেওয়া হবে। মূলত যেসব প্ল্যাটফর্মে ব্যবহারকারীরা নিজেদের মধ্যে যোগাযোগ করতে পারেন এবং কনটেন্ট পোস্ট করতে পারেন, তার সবই এই নিষেধাজ্ঞার আওতায় পড়বে। তবে হোয়াটসঅ্যাপ এবং সিগনালের মতো মেসেজিং অ্যাপগুলো এই নিষেধাজ্ঞার বাইরে থাকবে। এর পাশাপাশি মিউজিক স্ট্রিমিং, ই-কমার্স এবং শিক্ষামূলক অ্যাপগুলোর ক্ষেত্রেও বিশেষ ছাড় দেওয়া হবে।

এই পরিকল্পনাটিকে ‘অস্ট্রেলিয়া প্লাস’ বলা হচ্ছে। কারণ এতে মূল সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ছাড়াও আরও কিছু বাড়তি বিধিনিষেধ যুক্ত করা হয়েছে। যেমন: গেম খেলার বিভিন্ন সাইট বা প্ল্যাটফর্মে ১৬ বছরের কম বয়সীদের জন্য লাইভস্ট্রিমিং এবং অপরিচিতদের সঙ্গে যোগাযোগের সুবিধা বন্ধ রাখা হবে। এ ছাড়া কিশোর-কিশোরীরা ১৬ বছর পার করার সঙ্গে সঙ্গেই যেন হঠাৎ কোনো অনিরাপদ পরিবেশের মুখোমুখি না হয়, সে জন্য ১৭ বছর বয়সীদের ক্ষেত্রেও এই নিরাপত্তাব্যবস্থাগুলো স্বয়ংক্রিয়ভাবে চালু থাকবে। অন্যদিকে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তাসম্পন্ন বিভিন্ন ‘রোমান্টিক চ্যাটবট’ এবং অন্তরঙ্গ আলাপের চ্যাটবট ব্যবহারের ক্ষেত্রে বয়সসীমা ন্যূনতম ১৮ বছর নির্ধারণ করা হচ্ছে।

এই নিষেধাজ্ঞা কার্যকর করার জন্য যুক্তরাজ্যের যোগাযোগ খাতের নিয়ন্ত্রক সংস্থা ‘অফকম’ কাজ করবে। তারা ইতোমধ্যে বিদ্যমান অনলাইন নিরাপত্তা আইনের অধীনে ব্যবহৃত বয়স যাচাইকরণ প্রক্রিয়াটিকে আরও জোরদার বা পরিবর্তন করতে পারে। বর্তমানে ব্যবহারকারীদের বয়স নিশ্চিত করতে ফেসিয়াল বা মুখের অবয়ব স্ক্যান, ব্যাংকের তথ্য, ই-মেইলভিত্তিক বয়স অনুমান এবং ডিজিটাল আইডির মতো পদ্ধতি ব্যবহার করা হচ্ছে। তবে অস্ট্রেলিয়ার ক্ষেত্রে দেখা গেছে, অনেক কম বয়সী কিশোর-কিশোরী বিভিন্ন উপায়ে এই বয়স যাচাইয়ের প্রক্রিয়া ফাঁকি দিয়ে অ্যাকাউন্ট ব্যবহার করছে। যুক্তরাজ্যের কিশোর-কিশোরীরা যাতে এমনটি করতে না পারে, সে জন্য অফকম একটি দ্রুত সমীক্ষা চালাবে। তবে প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠান এবং প্রাইভেসি বা গোপনীয়তাবিষয়ক কর্মীরা এই প্রক্রিয়া নিয়ে কিছুটা চিন্তিত, কারণ এতে ব্যবহারকারীদের প্রচুর ব্যক্তিগত তথ্য সংগ্রহ করার প্রয়োজন হতে পারে।

এই সরকারি সিদ্ধান্তের পক্ষে-বিপক্ষে নানা প্রতিক্রিয়া দেখা গেছে। সরকারি তথ্যমতে, জরিপে অংশ নেওয়া শতকরা ৯০ শতাংশ অভিভাবক এই নিষেধাজ্ঞাকে সমর্থন করেছেন। এমনকি দুই-তৃতীয়াংশ তরুণও মনে করেন, ১৬ বছরের কম বয়সীদের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ব্যবহারে নিষেধাজ্ঞা থাকা উচিত। তবে মলি রাসেল নামের এক ব্রিটিশ কিশোরীর আত্মহত্যার পর গড়ে ওঠা অনলাইন নিরাপত্তাবিষয়ক চ্যারিটি সংস্থা ‘মলি রোজ ফাউন্ডেশন’ এই পদক্ষেপের সমালোচনা করেছে। তাদের মতে, এই নিষেধাজ্ঞা অভিভাবকদের মনে একটি ‘মিথ্যা স্বস্তি’ দেবে। অন্যদিকে প্রযুক্তি জায়ান্ট গুগলের মালিকানাধীন প্রতিষ্ঠান ইউটিউব এই ঘোষণায় হতাশা প্রকাশ করেছে। ইউটিউবের একজন মুখপাত্র জানিয়েছেন, ইউটিউব তরুণ, শিক্ষক ও অভিভাবকদের জন্য একটি অত্যন্ত প্রয়োজনীয় মাধ্যম। এই ধরনের ঢালাও নিষেধাজ্ঞা শিশুদের নিরাপদ ও নিয়ন্ত্রিত পরিবেশ থেকে দূরে সরিয়ে ইন্টারনেটের বিভিন্ন বেনামি ও অনিরাপদ মাধ্যমের দিকে ঠেলে দিতে পারে। সূত্র: বিবিসি, গার্ডিয়ান

কিয়েভের ঐতিহাসিক ক্যাথেড্রালে রাশিয়ার হামলায় নিহত ১১

প্রকাশ: ১৫ জুন ২০২৬, ০৬:২১ পিএম
কিয়েভের ঐতিহাসিক ক্যাথেড্রালে রাশিয়ার হামলায় নিহত ১১
রাশিয়ার হামলায় আগুন জ্বলছে কিয়েভের ক্যাথেড্রালে। ছবি: সংগৃহীত

ইউক্রেনের কয়েকটি বড় শহরে ব্যাপক ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালিয়েছে রাশিয়া। এতে অন্তত ১১ জন নিহত হয়েছেন। আগুন লেগেছে অর্থোডক্স খ্রিস্টানদের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ একটি উপাসনালয়েও।

সোমবার (১৫ জুন) এ হামলা চালায় রাশিয়া।

হামলার পুরো সময়জুড়ে কিয়েভের বাসিন্দাদের আশ্রয়ের খোঁজে রাস্তায় ছুটতে দেখা গেছে। আকাশে ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন প্রতিহত করা হচ্ছিল।
অন্ধকার শহরের বিভিন্ন স্থানে জ্বলন্ত ধ্বংসাবশেষও পড়ে।

এ হামলার পর ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি ফ্রান্সে অনুষ্ঠিত জি-৭ শীর্ষ সম্মেলনে অংশ নেওয়া নেতাদের প্রতি মস্কোর ওপর আরও চাপ বাড়ানোর আহ্বান জানান। মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধ অবসানে যুক্তরাষ্ট্র-ইরান চুক্তির বিষয়টিও ওই সম্মেলনের আলোচনায় প্রাধান্য পাওয়ার কথা।

হামলায় রাজধানী কিয়েভে পাঁচ জন নিহত ও ৩৪ জন আহত হয়েছেন। ইউনেস্কোর বিশ্ব ঐতিহ্যবাহী স্থান কিয়েভ-পেচেরস্ক লাভরার প্রাঙ্গণে আগুন লাগে। এতে এর ডরমিশন ক্যাথেড্রালের ছাদে আগুন ছড়িয়ে পড়ে।

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে জেলেনস্কি বলেন, ‘খ্রিস্টীয় সংস্কৃতির বিরুদ্ধে এ পর্যন্ত রাশিয়ার সবচেয়ে গুরুতর অপরাধগুলোর একটি এটি।’

একাদশ শতকে প্রতিষ্ঠিত এই ধর্মীয় স্থাপনাটি ইউক্রেন ও রাশিয়া উভয় দেশের অর্থোডক্স বিশ্বাসীদের কাছে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

রাশিয়ার সামরিক বাহিনী জানিয়েছে, তারা কিয়েভ, খারকিভ ও দনিপ্রো অঞ্চলের সামরিক স্থাপনায় ‘বৃহৎ আকারের হামলা’ চালিয়েছে।

তবে লাভরায় হামলার অভিযোগ অস্বীকার করে মস্কো দাবি করেছে, একটি পুরোনো মার্কিন প্যাট্রিয়ট আকাশ প্রতিরক্ষা ক্ষেপণাস্ত্র সেখানে আঘাত হেনেছে।

ইউক্রেনের বিমান বাহিনী জানিয়েছে, রাশিয়া ৭০টি ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ ও ৬১১টি ড্রোন দিয়ে হামলা করেছে। এর প্রধান লক্ষ্য ছিল রাজধানী কিয়েভ। এর মধ্যে ৫০টি ক্ষেপণাস্ত্র ও ৫৮২টি ড্রোন ভূপাতিত করা হয়েছে।

সকালে কিয়েভে সংবাদ মাধ্যমের এক প্রতিবেদক দেখেন, ক্যাথাড্রেল এলাকায় উদ্ধারকর্মীরা সতর্কতার সঙ্গে ধ্বংসস্তূপ সরাচ্ছেন। এ সময় গির্জার ঘণ্টায় ইউক্রেনের জাতীয় সংগীতের সুর বাজে।

ফ্রান্সে অনুষ্ঠিত জি-৭ সম্মেলনের নেতাদের প্রতি হামলার ‘দৃঢ় ও কার্যকর’ জবাব দেওয়ার আহ্বান জানান জেলেনস্কি।

তিনি বলেন, আগ্রাসনকারীর ওপর আরও চাপ প্রয়োগ করতে হবে এবং ইউক্রেনের আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার জন্য আরও সহায়তা প্রয়োজন, বিশেষ করে ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরোধ সক্ষমতা বাড়াতে হবে।

ইউরোপীয় কমিশনের প্রেসিডেন্ট উরসুলা ফন্ডার লিয়েন বলেন, জি-৭ নেতারা রাশিয়ার ওপর চাপ বাড়ানোর পরবর্তী পদক্ষেপ, রুশ প্রেসিডেন্ট  ভ্লাদিমির পুতিনকে আলোচনার টেবিলে আনা ও এই অর্থহীন হত্যাযজ্ঞ বন্ধের উপায় নিয়ে আলোচনা করবেন।

-‘পবিত্র স্থাপনায় হামলা করা যায় না’-
ক্যাথেড্রালে হামলার ঘটনায় ক্ষোভ প্রকাশ করেন কিয়েভের জাদুঘরকর্মী নাটালিয়া কোরোল।

৫২ বছর বয়সী এই নারী বলেন, ‘এটি একটি পবিত্র স্থান। তারাও বলে এটি তাদের পবিত্র স্থান। পবিত্র স্থাপনায় হামলা করা যায় না।’

সোনালি গম্বুজখচিত কিয়েভ-পেচেরস্ক লাভরা মঠকে রুশ ও ইউক্রেনীয় উভয় অর্থোডক্স চার্চই তাদের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ আধ্যাত্মিক কেন্দ্র হিসেবে বিবেচনা করে। উপাসনালয়টির বিস্তৃত গুহা নেটওয়ার্কে উভয় চার্চের শ্রদ্ধেয় বহু সাধুর স্মৃতিচিহ্ন সংরক্ষিত রয়েছে।

রাতের হামলায় আগুনে ক্ষতিগ্রস্ত ডরমিশন ক্যাথেড্রাল দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় প্রায় সম্পূর্ণ ধ্বংস হয়ে গিয়েছিল। পরে ১৯৯০-এর দশকে এটি পুনর্নির্মাণ করা হয়। শতাব্দীর পর শতাব্দী ধরে রুশ অর্থোডক্স চার্চের ইউক্রেনীয় শাখা এই ধর্মীয় স্থাপনাটি পরিচালনা করত।

তবে ২০২২-২৩ সালে রাশিয়ার সঙ্গে সম্পর্ক থাকার অভিযোগে মস্কোপন্থী ইউক্রেনীয় চার্চের সন্ন্যাসীদের মঠ থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়।

ফ্রান্সের প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল মাখোঁ হামলার নিন্দা জানিয়ে বলেন, ‘আমাদের এই সার্বজনীন ঐতিহ্যের ওপর হামলার কোনো যৌক্তিকতা নেই।’

ইউক্রেনের জরুরি সেবা বিভাগ জানায়, রাজধানীর মিস্তেতস্কি আর্সেনাল জাতীয় শিল্প ও জাদুঘর কমপ্লেক্সের একটি ভবনেও আগুন লেগেছে। সূত্র: এএফপি

নাঈম/

ইথিওপিয়ায় বাস খাদে পড়ে ২৮ জন নিহত

প্রকাশ: ১৫ জুন ২০২৬, ০৫:৪৬ পিএম
ইথিওপিয়ায় বাস খাদে পড়ে ২৮ জন নিহত
ছবি: সংগৃহীত

ইথিওপিয়ার উত্তরাঞ্চলে একটি যাত্রীবাহী বাস গভীর খাদে পড়ে অন্তত ২৮ জন প্রাণ হারিয়েছেন এবং বিপুল সংখ্যক মানুষ এ দুর্ঘটনায় আহত হন।

সোমবার (১৫ জুন) স্থানীয় কর্তৃপক্ষ এ তথ্য জানায়।

আফ্রিকার দ্বিতীয় সর্বাধিক জনবহুল দেশটিতে প্রায়ই সড়ক দুর্ঘটনা ঘটে। দেশটির অনেক সড়কের অবস্থা নাজুক। 

স্থানীয় কর্তৃপক্ষ ফেসবুকে জানায়, আমহারা অঞ্চলের ডেসি শহর থেকে রাজধানী আদ্দিস আবাবাগামী বাসটি প্রায় ১০০ মিটার গভীর একটি খাদে পড়ে যায়।

কর্মকর্তারা জানান, দুর্ঘটনায় ২৮ জনের মৃত্যু হয়েছে। এ ছাড়া আরও অনেক যাত্রী গুরুতর ও সামান্য আহত হয়েছেন। বেঁচে যাওয়া যাত্রীদের বিভিন্ন চিকিৎসাকেন্দ্রে নেওয়া হয়েছে এবং ঘটনাটির তদন্ত চলছে।

এর আগে ২০২৪ সালের ডিসেম্বরে ইথিওপিয়ার দক্ষিণে  এক বিয়ের অনুষ্ঠানে অংশ নিতে যাওয়া যাত্রীবাহী একটি যানবাহন নদীতে পড়ে গেলে ওই দুর্ঘটনা ৭০ জনের বেশি মানুষ প্রাণ হারান। সূত্র: এএফপি

নাঈম/

ইরান-যুক্তরাষ্ট্রের যুদ্ধবিরতি চুক্তিকে স্বাগত জানালেন ইসিবি প্রেসিডেন্ট

প্রকাশ: ১৫ জুন ২০২৬, ০১:০৮ পিএম
আপডেট: ১৫ জুন ২০২৬, ০১:৫৪ পিএম
ইরান-যুক্তরাষ্ট্রের যুদ্ধবিরতি চুক্তিকে স্বাগত জানালেন ইসিবি প্রেসিডেন্ট
ছবি: সংগৃহীত

ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের যুদ্ধবিরতি চুক্তিকে স্বাগত জানিয়েছেন ইউরোপীয় সেন্ট্রাল ব্যাংকের (ইসিবি) প্রেসিডেন্ট ক্রিস্টিন লাগার্দে।

সোমবার (১৫ জুন) লাগার্দে বলেন, ইরানের সঙ্গে হওয়া যুদ্ধবিরতি চুক্তিটি একটি সুসংবাদ, বিশেষ করে এর ফলে হরমুজ প্রণালী পুনরায় উন্মুক্ত হওয়ার পথ তৈরি হতে পারে।

ফ্রান্স কালচার রেডিওকে লাগার্দে বলেন, আগামী দিনগুলোর ঘটনাপ্রবাহ এবং একটি সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরের মাধ্যমে যদি এই খবরের সত্যতা নিশ্চিত হয়, তবে এটি একটি অত্যন্ত ভালো খবর। আমরা কেবল একে স্বাগতই জানাতে পারি।

তবে সতর্কবার্তা দিয়ে তিনি আরও যোগ করেন, গল্পটি কিন্তু এখানেই শেষ হয়ে যায়নি। ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধকরণের পুরো বিষয়টি নিয়ে এখনো বিতর্ক, পারস্পরিক সমঝোতা এবং একটি চূড়ান্ত চুক্তির মাধ্যমে তার সমাপ্তি টানা বাকি রয়েছে।

যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, তারা যুদ্ধ শেষ করতে এবং হরমুজ প্রণালী পুনরায় খুলে দিতে একটি প্রাথমিক চুক্তিতে পৌঁছেছেন।

এই প্রাথমিক চুক্তির খবরে বিশ্ববাজারে তেলের দাম কমতে শুরু করলেও, তেহরানের পারমাণবিক কর্মসূচির ভবিষ্যৎ কী হবে- তা পরবর্তী আলোচনার ওপরই ছেড়ে দেওয়া হয়েছে। সূত্র: রয়টার্স

তামান্না রুপা/অমিয়/