ঢাকা ৭ আষাঢ় ১৪৩৩, রোববার, ২১ জুন ২০২৬

সর্বশেষ
নিভে গেল ক্রীড়াঙ্গনের বাতিঘর: এক কিংবদন্তির প্রস্থান মালয়েশিয়ার উদ্দেশে দেশ ছেড়েছেন প্রধানমন্ত্রী কানসাসে আর্জেন্টিনার অনুশীলন, স্কালোনির একাদশে দুই সংশয় ক্র্যাফটস ভিলেজেস আজীবন সম্মাননায় ভূষিত প্রতিমাশিল্পী হরিপদ পাল গ্রেপ্তার হওয়া ব্যবসায়ীর সঙ্গে সম্পর্ক নিয়ে যা বললেন নায়িকা ববি রাঙামাটিতে ছাত্রলীগ নেতাসহ গ্রেপ্তার ৯ ভাইরাল ভিডিওতে জেলেনস্কি-মেলোনি, ব্যাখ্যায় সরব নেটদুনিয়া স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিতে ১ লাখ স্বাস্থ্যকর্মী নিয়োগ দেবে সরকার মাদক সেবনের ভিডিও কাণ্ডে বিএনপি নেতাকে অব্যাহতি‎ রাউজানে যুবদল নেতা মাসুদ হত্যা মামলার আসামি গ্রেপ্তার রাঙামাটিতে দীপেন দেওয়ানকে পুনর্বহালের দাবিতে মানববন্ধন ম্যারাডোনা-মেসির সঙ্গে ইয়ামালের তুলনা ভুল দারুণ সেভের পর কুরাসাও গোলরক্ষক বললেন, ‘আমার একটি ভাস্কর্য বানাও’ ৯ম ডিজিটাল মার্কেটিং অ্যাওয়ার্ডে স্বীকৃতি পেল ৮৯টি ক্যাম্পেইন ঝিনাইদহে বাসচাপায় ট্রাকচালক নিহত কুড়িগ্রামে নদ-নদীর পানি বাড়ছে কোরআন সুন্নাহ মাল্টিমিডিয়ার তিন হাফেজের সৌদি আরব যাত্রা অপরাধীদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নিন অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে টস জিতে ব্যাটিংয়ে বাংলাদেশ ফিনল্যান্ডে বছরের দীর্ঘতম দিন, মধ্যরাতেও হাসে সূর্য রোবট চরিত্রে জেনা ওর্তেগা কঠিন পরাজয় সুইডেনকে আরও শক্তিশালী করবে: পটার সালাহকে ঠেকাতে চাই দলগত প্রচেষ্টা: হার্বার্ট আব্বা আমার জীবনের আদর্শ: ববিতা গৌরীপুরে রিপোর্টার্স ক্লাবের বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি তৃতীয়বার মা হচ্ছেন অ্যানি হ্যাথাওয়ে সাবেক সংসদ সদস্য বীর মুক্তিযোদ্ধা মোশারফ হোসেন আর নেই অদ্ভুত ঠোঁটের রহস্যময় শুবেল রাশিয়ার ২০০০ কিলোমিটার অভ্যন্তরে ইউক্রেনের ড্রোন হামলা নিয়োগ দেবে ব্র্যাক এনজিও, সাপ্তাহিক ছুটি ২ দিন

নতুন নেতা মোজতবাকে অভিনন্দন জানিয়ে ইরানের প্রতি পুতিনের ‘অবিচল’ সমর্থন ঘোষণা

প্রকাশ: ০৯ মার্চ ২০২৬, ০৭:৪১ পিএম
নতুন নেতা মোজতবাকে অভিনন্দন জানিয়ে ইরানের প্রতি পুতিনের ‘অবিচল’ সমর্থন ঘোষণা
রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন। ছবি: সংগৃহীত

যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে চলমান সংঘাতের মাঝেই ইরানের প্রতি রাশিয়ার ‘অবিচল’ সমর্থন পুনর্ব্যক্ত করেছেন রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন।

সোমবার (৯ মার্চ) তেহরানের পাশে থাকার অঙ্গীকার করে পুতিন বলেন, 'ইরানের প্রতি আমাদের অটল সমর্থন এবং ইরানি বন্ধুদের সঙ্গে সংহতির বিষয়টি আমি নিশ্চিত করতে চাই।'

ইরানের নতুন নেতা হিসেবে মোজতবা খামেনির নিয়োগ পাওয়ার ঘটনায় পুতিন তাকে অভিনন্দন জানিয়েছেন। অন্যদিকে, ইসরায়েল ইতোমধ্যেই খামেনির উত্তরসূরিকে ‘লক্ষ্যবস্তু’ করার বিষয়ে সতর্কবার্তা দিয়েছে।

এএফপি-র প্রতিবেদন অনুযায়ী পুতিন বলেছেন, রাশিয়া তেহরানের পাশে থাকা অব্যাহত রাখবে।

মোজতবা খামেনিকে অভিনন্দন জানিয়ে পুতিন জানান, তিনি আত্মবিশ্বাসী যে খামেনি তার পিতার কাজ মর্যাদার সঙ্গে এগিয়ে নিয়ে যাবেন এবং কঠিন পরীক্ষার মুখে ইরানি জনগণকে ঐক্যবদ্ধ রাখবেন।

মোজতবা খামেনিকে উদ্দেশ্য করে পুতিন বলেন, 'এমন এক সময়ে যখন ইরান সশস্ত্র আগ্রাসনের মোকাবিলা করছে, এই উচ্চ পদে আপনার দায়িত্ব পালনের জন্য নিঃসন্দেহে অনেক সাহস ও নিষ্ঠার প্রয়োজন হবে।'

এর আগে শুক্রবার রাতে ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ানের সঙ্গে এক ফোনালাপে পুতিন ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি, তার পরিবারের সদস্য, দেশের রাজনৈতিক ও সামরিক নেতা এবং অসংখ্য বেসামরিক নাগরিক নিহতের ঘটনায় গভীর শোক প্রকাশ করেন।

ক্রেমলিন জানিয়েছে, পুতিন সংঘাত বন্ধে রাশিয়ার অবস্থান আবারও স্পষ্ট করেছেন এবং যেকোনো সমস্যা সমাধানে শক্তি প্রয়োগের বিরোধিতা করেছেন। অন্যদিকে, ইরানের সার্বভৌমত্ব ও স্বাধীনতা রক্ষায় দেশটির জনগণের প্রতি রাশিয়ার সংহতি প্রকাশের জন্য প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ান কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছেন।

এর আগে সোমবার ইরান দেশটির প্রয়াত সর্বোচ্চ নেতার পুত্র আয়াতুল্লাহ মোজতবা খামেনিকে পরবর্তী শাসক হিসেবে মনোনীত করেছে। ১৯৬৯ সালে ইরানের পবিত্র শহর মাশহাদে জন্মগ্রহণকারী মোজতবা খামেনি প্রয়াত সর্বোচ্চ নেতা আলী খামেনির ছয় সন্তানের একজন।

সুমন/

রাশিয়ার ২০০০ কিলোমিটার অভ্যন্তরে ইউক্রেনের ড্রোন হামলা

প্রকাশ: ২১ জুন ২০২৬, ০১:০৩ পিএম
আপডেট: ২১ জুন ২০২৬, ০২:০০ পিএম
রাশিয়ার ২০০০ কিলোমিটার অভ্যন্তরে ইউক্রেনের ড্রোন হামলা
ছবি: সংগৃহীত

রাশিয়ার তিউমেন অঞ্চলের একটি প্রধান তেল শোধনাগারে দূরপাল্লার ড্রোন দিয়ে বড় ধরনের হামলা চালিয়েছে ইউক্রেন। ইউক্রেন সীমান্ত থেকে প্রায় দুই হাজার কিলোমিটার অভ্যন্তরে অবস্থিত এই শোধনাগারটি রাশিয়ার অন্যতম বৃহত্তম বেসরকারি তেল প্রক্রিয়াকরণ কেন্দ্র।

তিউমেন অঞ্চলের গভর্নর আলেকজান্ডার মুর জানিয়েছেন, হামলার পর শোধনাগার এলাকায় ধ্বংসাবশেষ পড়েছে এবং কর্মীদের নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নেওয়া হয়েছে।

তবে প্রাথমিক তথ্য অনুযায়ী, শোধনাগারটির বড় কোনো ক্ষতি হয়নি।

ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি জানিয়েছেন, তারা তিন হাজার কিলোমিটারেরও বেশি দূরত্বে আঘাত হানতে সক্ষম এমন নতুন দূরপাল্লার ড্রোন তৈরি করেছে।

সাম্প্রতিক মাসগুলোতে রাশিয়ার তেল অবকাঠামো লক্ষ্য করে ইউক্রেন হামলা জোরদার করায় চলতি জুন মাসে রাশিয়ার অপরিশোধিত তেল প্রক্রিয়াকরণের হার গত দুই দশকের মধ্যে সর্বনিম্ন স্তরে নেমে এসেছে। এর ফলে মস্কোসহ রাশিয়ার বেশ কয়েকটি দক্ষিণাঞ্চলীয় এলাকায় ইতোমধ্যে জ্বালানিসংকট ও পেট্রলের দাম বেড়েছে।

শনিবার (২০ জুন) এই ড্রোন হামলার কারণে উরাল অঞ্চলের বেশ কয়েকটি বিমানবন্দরের কার্যক্রম সাময়িক বন্ধ রাখা হয়। একইদিনে ইউক্রেনীয় বাহিনী দখল করা ক্রিমিয়া ও বেলগোরোড অঞ্চলে রাশিয়ার রসদ সরবরাহের একটি সেতু এবং আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থায় হামলা করেছে। 

অন্যদিকে, রাশিয়াও ইউক্রেনের খারকিভ, জাপোরিঝিয়া ও সুমি অঞ্চলে পাল্টা হামলা চালিয়েছে, যার মধ্যে খারকিভে রুশ গাইডেড বোমার আঘাতে দুজন নিহত ও ১৩ জন আহত হয়েছেন। সূত্র: এনডিটিভি

তামান্না রুপা/

শান্তি আলোচনায় অংশ নিতে সুইজারল্যান্ডে জেডি ভ্যান্স

প্রকাশ: ২১ জুন ২০২৬, ১১:৩৬ এএম
আপডেট: ২১ জুন ২০২৬, ১১:৪৩ এএম
শান্তি আলোচনায় অংশ নিতে সুইজারল্যান্ডে জেডি ভ্যান্স
মার্কিন ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্স

ইরানের শীর্ষ কর্মকর্তাদের সঙ্গে উচ্চপর্যায়ের শান্তি ও পরমাণু আলোচনায় অংশ নিতে সুইজারল্যান্ডে পৌঁছেছেন মার্কিন ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্স।

স্থানীয় সময় রবিবার (২১ জুন) ভোরে তিনি সুইজারল্যান্ডের এমমেন বিমানঘাঁটিতে অবতরণ করেন।

মার্কিন ভাইস প্রেসিডেন্টের এক মুখপাত্র নিশ্চিত করেছেন, রবিবার ভোর ৫টা৫৯ মিনিটে জেডি ভ্যান্স এবং তার স্ত্রী সেখানে পৌঁছান।

সুইজারল্যান্ডের বার্গেনস্টক রিসোর্টে মূলত এই দ্বিপক্ষীয় কারিগরি আলোচনা অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে। তেহরানের পারমাণবিক কর্মসূচি সীমিত করা এবং দুই দেশের মধ্যে সই হওয়া একটি অন্তর্বর্তীকালীন চুক্তিকে স্থায়ী রূপ দেওয়াই এই বৈঠকের মূল লক্ষ্য।

মার্কিন প্রতিনিধি দলে জেডি ভ্যান্সের পাশাপাশি বিশেষ দূত স্টিভ উইটকফ এবং হোয়াইট হাউসের উপদেষ্টা জ্যারেড কুশনারও রয়েছেন।

অন্যদিকে, ইরানের পক্ষে আলোচনায় নেতৃত্ব দিচ্ছেন দেশটির পার্লামেন্ট স্পিকার মোহাম্মদ বাঘের গালিবাফ এবং পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচি।

পাকিস্তান ও কাতারের মধ্যস্থতাকারীরাও এই প্রক্রিয়ায় যুক্ত আছেন।

গত শুক্রবারই এই আলোচনা শুরু হওয়ার কথা ছিল। কিন্তু লেবাননে ইসরায়েল ও হিজবুল্লাহর মধ্যে তুমুল সংঘর্ষ এবং হরমুজ প্রণালী বন্ধ করা নিয়ে ইরান-মার্কিন উত্তেজনার কারণে মার্কিন ভাইস প্রেসিডেন্টের এই সফর দুই দিন পিছিয়ে যায়।

ওয়াশিংটন ছাড়ার আগে সাংবাদিকদের জেডি ভ্যান্স জানান, আগামী কয়েক দিনের এই আলোচনায় ইরানের পরমাণু ইস্যু এবং লেবাননের যুদ্ধবিরতি কার্যকর করার বিষয় দুটি সবচেয়ে বেশি প্রাধান্য পাবে। সূত্র: রয়টার্স

তামান্না রুপা/

গাজায় ইসরায়েলি হামলায় আল জাজিরার ক্যামেরাম্যান নিহত

প্রকাশ: ২১ জুন ২০২৬, ১১:১৯ এএম
আপডেট: ২১ জুন ২০২৬, ১১:৪১ এএম
গাজায় ইসরায়েলি হামলায় আল জাজিরার ক্যামেরাম্যান নিহত
ছবি: আল জাজিরার ক্যামেরাম্যান আহমেদ উইশাহ

ফিলিস্তিনের গাজার বুরেজ শরণার্থী শিবিরে ইসরায়েলি বিমান হামলায় কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল জাজিরার ক্যামেরাম্যান আহমেদ উইশাহ নিহত হয়েছেন।

শনিবার (২০ জুন) একটি বাড়িতে চালানো ওই হামলায় আহমেদ উইশাহসহ অন্তত দুজন নিহত এবং বেশ কয়েকজন আহত হন।

এক বিবৃতিতে আল জাজিরা মিডিয়া নেটওয়ার্ক এই হত্যাকাণ্ডকে ‘পরিকল্পিত’ আখ্যা দিয়ে তীব্র নিন্দা জানিয়েছে।

প্রতিষ্ঠানটি জানায়, ২০২৩ সালের অক্টোবরে যুদ্ধ শুরু হওয়ার পর থেকে এ পর্যন্ত আল জাজিরার ১২ জন সংবাদকর্মী নিহত হলেন। আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়কে এই নৃশংসতার বিরুদ্ধে আইনি পদক্ষেপ নেওয়ার আহ্বান জানিয়েছে তারা।

এর আগে গত ৮ এপ্রিল আহমেদ উইশাহর ভাই মোহাম্মদ উইশাহও ইসরায়েলি হামলায় নিহত হন। দুই ভাইয়ের ক্ষেত্রেই ইসরায়েলি বাহিনী কোনো প্রমাণ ছাড়াই তাদের ‘হামাস সন্ত্রাসী’ বলে দাবি করে।

আল জাজিরা এই অভিযোগকে সম্পূর্ণ ‘ভিত্তিহীন ও অপপ্রচার’ বলে নাকচ করে দিয়েছে। সাংবাদিক অধিকার রক্ষা সংস্থা ‘কমিটি টু প্রটেক্ট জার্নালিস্টস’ (সিপিজে) জানিয়েছে, প্রমাণ ছাড়াই ফিলিস্তিনি সাংবাদিকদের সন্ত্রাসী আখ্যা দেওয়া ইসরায়েলের একটি নিয়মিত প্রবণতা।

সিপিজের তথ্যমতে, চলমান এই যুদ্ধে এ পর্যন্ত অন্তত ২৬০ জন ফিলিস্তিনি সাংবাদিক প্রাণ হারিয়েছেন। গাজার স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের হিসাব অনুযায়ী, যুদ্ধ শুরুর পর থেকে এ পর্যন্ত গাজায় নিহতের সংখ্যা ৭৩ হাজার ছাড়িয়েছে। এমনকি গত অক্টোবরে ‘যুদ্ধবিরতি’ ঘোষণার পরও ইসরায়েলি হামলায় আরও ১,০০৭ জন নিহত হয়েছেন। সূত্র: আল- জাজিরা

তামান্না রুপা/

বলিভিয়ায় জরুরি অবস্থা ঘোষণা

প্রকাশ: ২১ জুন ২০২৬, ০৯:৪৩ এএম
বলিভিয়ায় জরুরি অবস্থা ঘোষণা
বলিভিয়ার প্রেসিডেন্ট রদ্রিগো পাজ দেশটিতে জরুরি অবস্থা ঘোষণা করলে এস্তাদো মেয়র সদর দপ্তরের বাইরে একজন সৈনিক এভাবেই দাঁড়িয়ে থাকেন

টানা ছয় সপ্তাহেরও বেশি সময় ধরে চলা অবরোধ এবং পদত্যাগের দাবিতে লাতিন আমেরিকার দেশ বলিভিয়ায় জরুরি অবস্থা ঘোষণা করেছেন প্রেসিডেন্ট রদ্রিগো পাজ।

শনিবার (২০ জুন) তিনি এই ঘোষণা দেন। প্রেসিডেন্ট জানান, বিক্ষোভকারীদের সঙ্গে আলোচনার সব পথ শেষ হয়ে যাওয়ার পর তিনি এই কঠিন সিদ্ধান্ত নিয়েছেন।

দেশের প্রধান শ্রমিক ইউনিয়ন ফেডারেশনের নাম সিওবি। জরুরি অবস্থা ঘোষণার মাত্র কয়েক ঘণ্টা আগে প্রেসিডেন্ট তাদের সঙ্গে আলোচনা করেন। এই আলোচনার মূল লক্ষ্যই ছিল বিক্ষোভ বন্ধ করা। প্রেসিডেন্টের নতুন অর্থনৈতিক পরিকল্পনার প্রতিবাদে এই আন্দোলন শুরু হয়েছিল। আলোচনার মাধ্যমে বড় একটি অংশের বিক্ষোভ শেষ হলেও একটি মহল এখনো অবরোধ কর্মসূচি বজায় রেখেছে।

প্রেসিডেন্ট পাজ টেলিভিশনে একটি ভাষণ দিয়ে বলেন, ‘আমরা আলোচনার সব পথ ব্যবহার করে যাদের দাবি যৌক্তিক ছিল, তাদের সঙ্গে চুক্তি করেছি। কিন্তু কিছু মহল বলিভিয়াকে অস্থিতিশীল করতে চায় এবং সহিংসতা বাড়াতে চায়। আমরা তাদের চিহ্নিত করার পরই দেশজুড়ে জরুরি অবস্থা ঘোষণার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।’

বলিভিয়ায় গত ৪০ বছরের মধ্যে সবচেয়ে ভয়াবহ অর্থনৈতিক সংকট চলছে। পাজ একজন মার্কিন-সমর্থিত প্রেসিডেন্ট। এই সংকট মোকাবিলায় তিনি কিছু পরিকল্পনা করেছিলেন। এর বিরুদ্ধে গত মে মাসের শুরুতে আন্দোলন শুরু করে সিওবি। বিক্ষোভকারীদের মধ্যে সাধারণ শ্রমিক, কৃষক ও খনিশ্রমিক, ট্রাকচালক এবং শিক্ষকরাও ছিলেন। তারা এই মধ্য-ডানপন্থি প্রেসিডেন্টের অর্থনৈতিক সংস্কার বাতিলসহ তার পদত্যাগ দাবি করেন। পাজ মাত্র সাত মাস আগে ক্ষমতায় এসেছেন। তার এই জয়ের মাধ্যমে দেশটিতে টানা ২০ বছরের সমাজতান্ত্রিক শাসনের অবসান ঘটেছিল।

দেশজুড়ে চলা এই অবরোধের কারণে রাজধানী লা পাজসহ প্রধান প্রধান শহরে জ্বালানির সংকট দেখা দিয়েছে। এ ছাড়া খাদ্য এবং ওষুধেরও তীব্র অভাব তৈরি হয়েছে। গত সপ্তাহে দুই পক্ষের মধ্যে আলোচনা শুরু হয়।

এরপর গত শুক্রবার সিওবির সঙ্গে একটি চুক্তিতে পৌঁছায় সরকার। সিওবির নেতা মারিও আরগোলো ঘোষণা দিয়ে বলেন, ‘এখন থেকে দেশব্যাপী সব ধরনের অবরোধ প্রত্যাহার করা হলো।’ চুক্তিটিকে সমর্থন করে প্রেসিডেন্ট পাজ বক্তব্য দেন। তিনি বলেন, ‘শক্তির চেয়ে আলোচনাই বেশি শক্তিশালী।’

কিন্তু সিওবির একটি পক্ষ চুক্তি মেনে নিলেও আরেকটি পক্ষ এটিকে অস্বীকৃতি জানিয়ে বলিভিয়াকে অস্থিতিশীল করতে আন্দোলন চালিয়ে যাওয়ার ঘোষণা দেয়। তার পরিপ্রেক্ষিতেই প্রেসিডেন্ট দেশটিতে জরুরি অবস্থা ঘোষণা করেন।

ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রীর পদত্যাগ দাবি শতাধিক লেবার এমপি-মন্ত্রীর

প্রকাশ: ২১ জুন ২০২৬, ০৮:৩৫ এএম
আপডেট: ২১ জুন ২০২৬, ০৮:৩৭ এএম
ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রীর পদত্যাগ দাবি শতাধিক লেবার এমপি-মন্ত্রীর
ছবি: সংগৃহীত

ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী স্যার কিয়ার স্টারমারের ওপর লেবার পার্টির এমপি ও মন্ত্রীদের চাপ বাড়ছে। তাকে পদত্যাগের সময়সূচি নির্ধারণ করতে বলেছেন দলটির মোট ১০৪ জন সংসদ সদস্য। গত বৃহস্পতিবার মেকারফিল্ড উপনির্বাচনে ম্যানচেস্টারের মেয়র অ্যান্ডি বার্নহামের জয়ের পর নেতৃত্ব পরিবর্তনের দাবি আরও জোরালো হয়। 

স্টারমারের বিরুদ্ধে অবস্থান নেওয়া সর্বশেষ এমপিদের মধ্যে রয়েছেন সিনিয়র এমপি ফ্যাবিয়ান হ্যামিল্টন, যিনি গত মাসের স্থানীয় নির্বাচনের রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষের পরেও তার প্রতি অনুগত ছিলেন।

তিনি বলেন, ‘আগামী দিন ও সপ্তাহগুলোতে প্রধানমন্ত্রীকে অবশ্যই সরে দাঁড়ানোর পরিকল্পনা জানাতে হবে এবং অ্যান্ডি বার্নহামকে সেই পরিবর্তন আনার সুযোগ দিতে হবে, যার জন্য আমরা নির্বাচিত হয়েছি।’ লেবার এমপিদের ‘রেড ওয়াল গ্রুপ’-এর চেয়ারম্যান জো হোয়াইট এবং বার্নহামের ঘনিষ্ঠ সহযোগী লুক চার্টার্সও গত ২৪ ঘণ্টার মধ্যে দলত্যাগ করে স্টারমারকে পদত্যাগ করার আহ্বান জানিয়েছেন।

লেবার পার্টির বেশির ভাগ এমপি চান, সম্ভাব্য বিভক্তিকর নেতৃত্ব নির্বাচনের পরিবর্তে স্টারমার স্বেচ্ছায় ক্ষমতা বার্নহামের কাছে হস্তান্তরের পরিকল্পনা ঘোষণা করুক। তবে স্টারমার স্পষ্ট জানিয়েছেন, তিনি যেকোনো চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করবেন এবং ‘ছেড়ে যাবেন না’। বার্নহামের ঘনিষ্ঠরা স্টারমারকে ইতোমধ্যে বিষয়টি নিয়ে গভীরভাবে ভাবার এবং মন্ত্রিসভা, এমপি ও পরিবারের মতামত শোনার আহ্বান জানিয়েছেন।

বার্নহামের শিবির এবং সম্ভাব্য আরেক প্রতিদ্বন্দ্বী ওয়েস স্ট্রিটিংয়ের ঘনিষ্ঠরা জানিয়েছেন, তারা এই সপ্তাহে কোনো গণমাধ্যমে সাক্ষাৎকার দেবেন না। প্রধানমন্ত্রীকে সিদ্ধান্ত পুনর্বিবেচনার সময় দেওয়া হবে।

সাবেক ব্রিটিশ স্বাস্থ্যমন্ত্রী ওয়েস স্ট্রিটিংও ভবিষ্যতের যেকোনো প্রতিযোগিতায় প্রতিদ্বন্দ্বিতা করার প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন। মন্ত্রিসভার সদস্যরাও স্টারমারকে বলছেন, ম্যানচেস্টারের সাবেক মেয়রের জন্য তাকে অবশ্যই পথ ছেড়ে দিতে হবে। পরিবহনমন্ত্রী হেইডি আলেকজান্ডারসহ অনেকেই ‘দায়িত্ব হস্তান্তরের’ দাবি করছেন।

গত মাসে স্থানীয় নির্বাচনে লেবারের খারাপ ফলাফলের পর স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী শাবানা মাহমুদ ও জ্বালানিমন্ত্রী এড মিলিব্যান্ডসহ কয়েকজন মন্ত্রী স্টারমারকে পদত্যাগের সময়সূচি নির্ধারণের আহ্বান জানিয়েছিলেন। জানা গেছে, বার্নহামের জয়ের পর থেকে শাবানা মাহমুদ ও স্টারমারের মধ্যে আর কোনো কথা হয়নি। আগামী মঙ্গলবার সাপ্তাহিক মন্ত্রিসভার বৈঠকে জ্যেষ্ঠ মন্ত্রীরা একত্রিত হলে সেটি স্টারমারের জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ মুহূর্ত হয়ে উঠতে পারে। সূত্র: বিবিসি ও দ্য টেলিগ্রাফ