ঢাকা ৩ আষাঢ় ১৪৩৩, বুধবার, ১৭ জুন ২০২৬

সর্বশেষ
মেসি বন্দনায় ভাষা হারিয়েছেন স্কালোনি ঘুরে দাঁড়াতে মরিয়া তুরস্ক, লক্ষ্য প্যারাগুয়ে বধ নাটকীয় ম্যাচে জর্ডানকে হারাল অস্ট্রিয়া প্রথমবার ইউএনএইচসিআর ব্যুরোর সভাপতিত্বে বাংলাদেশ মৌলভীবাজারে বৃষ্টি উপেক্ষা করে জনসভাস্থলে নেতাকর্মীদের ঢল ব্যাপন, অভিস্রবণ ও প্রস্বেদন অধ্যায়ের ৭টি বহুনির্বাচনি প্রশ্ন ও উত্তর, ৪র্থ পর্ব, অষ্টম শ্রেণির বিজ্ঞান ইসলামী ব্যাংকের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা রাজনীতিতে অংশ নিতে পারবেন না বেরোবিতে রিডিং রুমের কাজ অসম্পূর্ণ রেখে হলে টিভি স্থাপন, শিক্ষার্থীদের ক্ষোভ সংবাদ উপস্থাপক থেকে জনপ্রতিনিধি: শামীমা তন্বীর অসাধারণ অভিযাত্রা ন্যাশনাল ব্যাংকে চাকরির সুযোগ স্বীকৃত কূটনৈতিক পথে সমাধান খুঁজতে হবে ডাচ্-বাংলা ব্যাংকে ৩০ শতাংশ ডিভিডেন্ড অনুমোদন নারী থাকুক নিরাপদে... মৌলভীবাজারে তারেক রহমানের জনসভায় চিরচেনা বিলবোর্ড-ব্যানারের অনুপস্থিতি স্বপ্নে জীবিত দেখার দাবি! ১৮ দিন পর তরুণীর কবর খনন নওগাঁয় রেল লাইনের পাশ থেকে কলেজশিক্ষকের মরদেহ উদ্ধার টুকটুক ও চিকু পাঠ থেকে ২টি অনুশীলনীর প্রশ্ন ও উত্তর, ১ম পর্ব, পঞ্চম শ্রেণির বাংলা মেসির হ্যাটট্রি গোলে আর্জেন্টিনার জয়, হিলিতে সমর্থকদের উচ্ছ্বাস ‘আমরা সবচেয়ে বিখ্যাত জুটি’, মোদিকে জর্জিয়া মেলোনি সিলেটে একদিনে হামের উপসর্গে আরও তিন শিশুর মৃত্যু নাটোরে বলাৎকার মামলায় ২ জন কারাগারে ডলার স্থিতিশীল, বেড়েছে ইউরো ও পাউন্ডের দাম চাঁদপুরে আর্জেন্টিনা সমর্থকদের বাঁধভাঙা উচ্ছ্বাস রাসুল (সা.)-এর চুল সাদা হলেও যেমন দেখাত ১৯৭৮ সালে এসেছিলেন প্রেসিডেন্ট বাবা, ৪৮ বছর পর একই মাঠে প্রধানমন্ত্রী ছেলে লক্ষ্মীপুরে স্কুলছাত্রের মৃত্যুকে কেন্দ্র করে বিদ্যালয় ভাঙচুর সিলেটে বৃষ্টিতে ভিজে প্রধানমন্ত্রীকে স্বাগত জানালেন চা শ্রমিকরা ‘সমর্থকরা আর্জেন্টিনার এই দলকে নিয়ে পাগল’, ইতিহাস গড়ার পর মেসি সিলেট পৌঁছেছেন প্রধানমন্ত্রী ইরানি কৌশলেই উপসাগর থেকে গোপনে তেল সরাচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র
Nagad desktop

হিলটন হোটেলে সশস্ত্র হামলা হোয়াইট হাউসে বলরুম নির্মাণ করতে চান ট্রাম্প

প্রকাশ: ২৮ এপ্রিল ২০২৬, ০৬:৩৫ পিএম
হোয়াইট হাউসে বলরুম নির্মাণ করতে চান ট্রাম্প
ডোনাল্ড ট্রাম্প। ছবি: সংগৃহীত

ওয়াশিংটনের হিলটন হোটেলে গত শনিবার হোয়াইট হাউস সংবাদদাতাদের বার্ষিক নৈশভোজের অনুষ্ঠানে তৃতীয়বারের মতো হামলার শিকার হয়েছেন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। এ হামলার পর রিপাবলিকানরা হোয়াইট হাউসে একটি বলরুম তৈরি করার জন্য তাগিদ দিচ্ছেন।

তবে ট্রাম্পের ওপর এ হামলা নতুন নয়। এর আগে ২০২৪ সালের ১৩ জুলাই ও ১৫ সেপ্টেম্বর ভয়াবহ হামলার শিকার হন তিনি। কয়েক বছর ধরে এ রকম হামলার টার্গেটে পরিণত হচ্ছেন মার্কিন রাজনীতিকরা। 

শনিবার রাতে হোয়াইট হাউস করেসপনডেন্টস অ্যাসোসিয়েশনের ডিনারের বলরুমে উপস্থিত অনেকের কাছে হামলার দৃশ্যটি ছিল ভীষণ পরিচিত–গুলি ছোড়া, বিশৃঙ্খলা ও আতঙ্ক আর স্বাভাবিক পরিস্থিতি যেন হঠাৎ সহিংসভাবে ভেঙে পড়ার অনুভূতি।

এরিকা কার্ক, যার স্বামী রক্ষণশীল কর্মী চার্লি কার্ক গত সেপ্টেম্বরে গুলিতে নিহত হয়েছিলেন, তিনি কান্নায় ভেঙে পড়েন। কংগ্রেসম্যান স্টিভ স্ক্যালিস–যিনি ২০১৭ সালে রিপাবলিকান সতীর্থদের সঙ্গে বেসবল অনুশীলনের সময় এক হামলায় গুরুতর আহত হয়েছিলেন, তাকেও নিরাপত্তা বাহিনী সরিয়ে নেয়।

স্বাস্থ্যসচিব রবার্ট এফ কেনেডি জুনিয়রকেও একইভাবে বের করে নেওয়া হয়, যিনি তার বাবা ও চাচাকে আততায়ীর গুলিতে হারিয়েছিলেন।
উপস্থিত অনেক সাংবাদিক ২০২৪ সালে পেনসিলভানিয়ার বাটলারে অনুষ্ঠিত সমাবেশেও ছিলেন, যেখানে এক হামলাকারী ডোনাল্ড ট্রাম্পকে লক্ষ্য করে গুলি চালায় এবং সেটা তার কান ছুঁয়ে যায়। পরে অবশ্য সিক্রেট সার্ভিসের স্নাইপারের গুলিতে ওই হামলাকারী নিহত হয়।

বর্তমানে আধুনিক যুক্তরাষ্ট্রে রাজনৈতিক সহিংসতা নিত্যসঙ্গীতে পরিণত হয়েছে, যা যেকোনো মুহূর্তে, যেকোনো জায়গায় আঘাত হানতে পারে। এ রকম পরিস্থিতিতে ট্রাম্প ঐক্যের আহ্বান জানিয়েছেন।

তবে ওয়াল স্ট্রিট জার্নালের এক সম্পাদকীয়তে বলা হয়, ‘ট্রাম্পের বহু সমালোচকও স্বীকার করবেন, শনিবার রাতে হোয়াইট হাউসের সংবাদ ব্রিফিংয়ে তার মন্তব্যে কৃতজ্ঞতা ও সৌহার্দের সুর ছিল।’ তবে আবার রবিবার সন্ধ্যায় সিবিএসের ‘সিক্সটি মিনিটস’  অনুষ্ঠানে ট্রাম্প দাবি করেন, ডেমোক্র্যাটরা এমন একটি পরিবেশ তৈরি করেছে, যা এই ধরনের গুলির ঘটনাকে উৎসাহিত করেছে। এর পর কথোপকথনটি উত্তপ্ত হয়ে ওঠে, যখন সাক্ষাৎকারগ্রহণকারী নোরাহ ও ডোনেল কথিত হামলাকারীর লেখা ম্যানিফেস্টো সম্পর্কে প্রশ্ন করেন। ট্রাম্প তখন তাকে ‘লজ্জাজনক’ এবং ‘ভয়ংকর’ বলে সমালোচনা করেন।

এখন ট্রাম্প ও তার রিপাবলিকান মিত্রদের নীতিগত লক্ষ্যও ক্রমেই স্পষ্ট হয়ে উঠছে। বাকস্বাধীনতা ও ডেমোক্র্যাটিক সক্রিয়তার ওপর দমন-পীড়নের আশঙ্কায় উদ্বুদ্ধ বামপন্থিদের একাংশ ভিত্তিহীন ষড়যন্ত্র-তত্ত্ব ছড়িয়েছে, যে হামলাটি নাকি প্রেসিডেন্টের মর্যাদা বাড়ানোর উদ্দেশ্যেই সাজানো হয়েছিল। তবে গুলির ঘটনার পর ট্রাম্পের প্রতিক্রিয়া মূলত অন্যদিকেই কেন্দ্রীভূত ছিল। তার মনোযোগ ছিল হোয়াইট হাউসে একটি বিশাল বলরুম নির্মাণের পথে প্রতিবন্ধকতা দূর করার বিষয়ে।

গত রবিবার ট্রাম্প সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে পোস্ট করে জানান, “শনিবারের ঘটনাটিই হলো সেই ‘ঠিক কারণ’ যার জন্য তিনি বলরুমটি চান।” বলরুমটির বৈধতাকে চ্যালেঞ্জ করে মামলা দায়েরকারী ঐতিহাসিক সংরক্ষণ গোষ্ঠীকে লেখা এক চিঠিতে সহকারী অ্যাটর্নি জেনারেল ব্রেট শুমেট বলেছেন, ‘এই কাঠামোটি প্রেসিডেন্টের নিরাপত্তা ও সুরক্ষা নিশ্চিত করবে।’ তিনি আরও বলেন, ‘আপনার মামলাটি প্রেসিডেন্ট ও তার পরিবার এবং তার কর্মীদের জীবনকে গুরুতর ঝুঁকির মধ্যে ফেলেছে।’ কংগ্রেসের বেশ কয়েকজন রিপাবলিকান সদস্য বলরুমটিকে সুস্পষ্টভাবে অনুমোদন দিয়ে একটি আইন আনার প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন। সোমবার ফক্স নিউজকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে সংবাদদাতাদের নৈশভোজের কথা উল্লেখ করে হাউস স্পিকার মাইক জনসন বলেন, ‘এ ধরনের অনুষ্ঠান করার জন্য এটি একটি নিরাপদ পরিবেশের জন্যই বলরুমটি একটি সমাধান হবে।’

তবে শনিবারের ঘটনা থেকে উদ্ভূত নিরাপত্তা উদ্বেগগুলো শুধু একটি বলরুম দিয়ে পুরোপুরি সমাধান করা যাবে না। কারণ একজন ব্যক্তি কীভাবে প্রেসিডেন্ট ও শীর্ষ সরকারি কর্মকর্তাদের আতিথ্য দেওয়া একটি ভবনে অস্ত্র নিয়ে প্রবেশ করতে পারলেন তা খুঁজে বের করতে হবে। এ ছাড়াও মার্কিন সিক্রেট সার্ভিস কর্তৃক স্থাপিত নিরাপত্তা পরিধি যথেষ্ট ছিল কি না। এবং অন্যান্য অংশের অতিথিদের স্ক্রিনিং করা উচিত ছিল কি না, এসবেরও উত্তর খুঁজতে হবে।  

প্রশাসনের একজন ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তার মতে, হোয়াইট হাউসের চিফ অব স্টাফ সুসি ওয়াইলস শিগগিরই সিক্রেট সার্ভিস কর্মকর্তাদের সঙ্গে বৈঠকে বসছেন প্রেসিডেন্ট সংশ্লিষ্ট গুরুত্বপূর্ণ অনুষ্ঠানগুলোর জন্য প্রোটোকল ও কর্মপন্থা নিয়ে আলোচনা করতে। যার মধ্যে এই গ্রীষ্মে যুক্তরাষ্ট্রের ২৫০তম বার্ষিকী উদযাপনও অন্তর্ভুক্ত আছে। 

তবে দেখা যাচ্ছে, পিটসবার্গের কাছে একটি মেলা প্রাঙ্গণে বাটলারকে গুলি করার ঘটনার পর ট্রাম্প তার খোলা জায়গায় জনসভা ব্যাপকভাবে কমিয়ে দিয়েছেন। প্রেসিডেন্ট হওয়ার পর থেকে তিনি সুরক্ষিত সামরিক ঘাঁটিতে উপস্থিত হওয়া এবং ছোট পরিসরে বক্তৃতা ও গোলটেবিল বৈঠক করতে বেশি পছন্দ করেন। বড় আকারের জনসমাগমগুলো এখন ইনডোর অ্যারেনায় স্থানান্তরিত হয়েছে, যেখানে সিক্রেট সার্ভিসের পক্ষে অংশগ্রহণকারীদের স্ক্রিনিং করা সহজ হয়। তবে মধ্যবর্তী নির্বাচন আসন্ন হওয়ায়, ট্রাম্পকে নির্বাচনি প্রচারে নামতে হবে যাতে তিনি তার সমর্থকদের ভোট দিতে উৎসাহিত করতে পারেন। এই সমর্থকরা প্রায়শই বাড়িতেই থেকে যান যখন তিনি প্রার্থী হিসেবে থাকেন না। আত্মরক্ষামূলক মানসিকতা একজন প্রেসিডেন্টকে আরও নিরাপদ করে তুলতে পারে। কিন্তু এর জন্য রাজনৈতিক মূল্যও দিতে হতে পারে। সূত্র: বিবিসি

‘আমরা সবচেয়ে বিখ্যাত জুটি’, মোদিকে জর্জিয়া মেলোনি

প্রকাশ: ১৭ জুন ২০২৬, ১১:৫৬ এএম
আপডেট: ১৭ জুন ২০২৬, ১২:১৪ পিএম
‘আমরা সবচেয়ে বিখ্যাত জুটি’, মোদিকে জর্জিয়া মেলোনি
ছবি: এনডিটিভি

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি এবং ইতালির প্রধানমন্ত্রী জর্জিয়া মেলোনির একটি সংক্ষিপ্ত কথোপকথন সবার নজর কেড়েছে। একটি ভিডিওতে দেখা যাচ্ছে, মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পসহ অন্যান্য নেতাদের সঙ্গে গ্রুপ ছবির জন্য লাইনে দাঁড়ানোর ঠিক আগমুহূর্তে প্রধানমন্ত্রী মোদি এবং মেলোনি একে অপরকে অভিবাদন জানাচ্ছেন ও করমর্দন করছেন।

ভিডিওর অডিও খুব একটা পরিষ্কার না হলেও, মনে হচ্ছিল প্রধানমন্ত্রী মোদি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তাদের জনপ্রিয়তার বিষয়টি মেলোনির কাছে উল্লেখ করছিলেন।

এর জবাবে ইতালির প্রধানমন্ত্রী হাসিমুখে বলেন, ‘হ্যাঁ, আমরা ইনস্টাগ্রামের সবচেয়ে বিখ্যাত জুটি।’

এই ঘটনাটি ঘটেছে প্রধানমন্ত্রী মোদির রোম সফরের প্রায় এক মাস পর, যেখানে তিনি মেলোনিকে ইন্টারনেটে ভাইরাল হওয়া ‘মেলোডি’ শব্দের সূত্র ধরে এক প্যাকেট পার্লে-এর ‘মেলোডি’ টফি উপহার দিয়েছিলেন।

প্রধানমন্ত্রী মোদির এই ‘মিষ্টি’ উপহারের ভিডিওটি নিজের সোশ্যাল মিডিয়া অ্যাকাউন্টে শেয়ার করে মেলোনি লিখেছিলেন, ‘উপহারের জন্য ধন্যবাদ’।

ভিডিওটিতে দেখা যায়, ভারতের অত্যন্ত জনপ্রিয় এবং চকোলেটে ভরপুর এই ক্যান্ডির প্যাকেটটি হাতে নিয়ে প্রধানমন্ত্রী মোদি ও মেলোনি দুজনেই হাসছেন এবং ইন্টারনেট ট্রেন্ডটি উপভোগ করছেন। ভিডিও ক্লিপটিতে ইতালির প্রধানমন্ত্রীকে বলতে শোনা যায়, ‘প্রধানমন্ত্রী মোদি উপহার হিসেবে খুব চমৎকার একটি টফি নিয়ে এসেছেন’। সূত্র: এনডিটিভি

আজহার/অমিয়/

ইরানি কৌশলেই উপসাগর থেকে গোপনে তেল সরাচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র

প্রকাশ: ১৭ জুন ২০২৬, ১০:৩৭ এএম
আপডেট: ১৭ জুন ২০২৬, ১১:৪৭ এএম
ইরানি কৌশলেই উপসাগর থেকে গোপনে তেল সরাচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র
ছবি: রয়টার্স

ইরানের কৌশল ব্যবহার করেই এবার উপসাগর থেকে তেল বের করে নিচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র। বার্তাসংস্থা রয়টার্সের এক অনুসন্ধানী প্রতিবেদনে এ তথ্য উঠে এসেছে।

স্যাটেলাইট চিত্র ও আন্তর্জাতিক শিপিং ডেটা পর্যালোচনা করে দেখা গেছে, গত মে মাসের শুরু থেকে হরমুজ প্রণালীর কাছে অত্যন্ত গোপনে মার্কিন তত্ত্বাবধানে জাহাজ থেকে জাহাজে তেল স্থানান্তরের কাজ চলছে।

এই অপারেশনে এ পর্যন্ত অন্তত ৯২টি তেলবাহী জাহাজ অংশ নিয়েছে এবং প্রায় ৯ কোটি ব্যারেল অপরিশোধিত তেল ও জ্বালানি পণ্য আন্তর্জাতিক বাজারে পাঠানো হয়েছে।

প্রতিবেদনে বলা হয়, ওমানের 'সোহার' বন্দর এবং সংযুক্ত আরব আমিরাতের 'ফুজিরাহ' উপকূলের কাছে এই গোপন তেল স্থানান্তর করা হচ্ছে। মার্কিন সামরিক বাহিনী এই পুরো প্রক্রিয়াটি নিয়ন্ত্রণ করছে।

হামলা এড়াতে এবং নিজেদের আড়াল করতে মার্কিন ড্রোন ও হেলিকপ্টারের পাহারায় তেলবাহী ট্যাংকারগুলো হরমুজ প্রণালীতে প্রবেশের আগেই একটি নির্দিষ্ট পয়েন্টে জড়ো হয়। এরপর জাহাজের ট্র্যাকিং সিস্টেম বন্ধ করে এবং বাতি নিভিয়ে রাতের অন্ধকারে একে একে প্রণালী পার হয়।

বিশ্লেষকদের মতে, এই গোপন অপারেশনের ফলে বিশ্ববাজারে তেলের সরবরাহ ঠিক রাখা সম্ভব হলেও অন্ধকার রাতে ট্র্যাকিং সিস্টেম ছাড়া জাহাজ চলাচলের কারণে পারস্য উপসাগরে বড় ধরনের নৌ-দুর্ঘটনার ঝুঁকি তৈরি হচ্ছে। তবে সম্প্রতি মার্কিন-ইরান শান্তি চুক্তি ও হরমুজ প্রণালী খুলে দেওয়ার বিষয়ে ট্রাম্প প্রশাসনের সমঝোতা চলায় এই গোপন অপারেশন শিগগিরই বন্ধ হতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে। সূত্র: এনডিটিভি

আজহার/অমিয়/

ঘণ্টায় ১০ লাখ ডলার খরচ করলেও ১১৪ বছরে শেষ হবে না মাস্কের সম্পদ

প্রকাশ: ১৭ জুন ২০২৬, ১০:২৮ এএম
আপডেট: ১৭ জুন ২০২৬, ১১:০৮ এএম
ঘণ্টায় ১০ লাখ ডলার খরচ করলেও ১১৪ বছরে শেষ হবে না মাস্কের সম্পদ
ছবি: সংগৃহীত

বিশ্বের অন্যতম ধনী ব্যক্তি ইলন মাস্ক নতুন এক আর্থিক মাইলফলক স্পর্শ করেছেন। মার্কিন সংবাদমাধ্যম সিএনএনের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, তিনি বিশ্বের প্রথম ব্যক্তি যিনি এক ট্রিলিয়ন ডলারেরও বেশি সম্পদের মালিক হয়েছেন।

গত ১২ জুন মাস্কের মহাকাশযান প্রস্তুতকারক এবং মহাকাশ যাত্রা সেবা প্রদানকারী কোম্পানি স্পেসএক্স ও কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা প্রতিষ্ঠান শেয়ারবাজারে তালিকাভুক্ত হয়। কোম্পানিটির শেয়ার লেনদেন শুরু হয় প্রতি শেয়ার ১৫০ ডলারে, যা নির্ধারিত তালিকামূল্যের (১৩৫ ডলার) চেয়েও বেশি। ইতিহাসের সবচেয়ে বড় আইপিও হিসেবে এ প্রক্রিয়ায় ৭৫ বিলিয়ন ডলার সংগ্রহ করে স্পেসএক্স। এর ফলে কোম্পানিটির বাজারমূল্য দাঁড়ায় প্রায় ১ দশমিক ৭৭ ট্রিলিয়ন ডলার।

স্পেসএক্স ও টেসলায় থাকা নিজের শেয়ারের মূল্য মিলিয়ে বর্তমানে ইলন মাস্কের মোট সম্পদের পরিমাণ প্রায় ১ দশমিক ২৬ ট্রিলিয়ন ডলার।

এই বিপুল সম্পদের পরিমাণ বোঝাতে বিশ্লেষকরা একটি উদাহরণ দিয়েছেন। যদি কেউ প্রতি ঘণ্টায় ১০ লাখ ডলার করে, দিনে ২৪ ঘণ্টা ও বছরে ৩৬৫ দিন খরচ করেন, তাহলেও ১ ট্রিলিয়ন ডলার শেষ করতে ১১৪ বছরের বেশি সময় লাগবে। অর্থাৎ মাস্কের সম্পদ এতটাই বিশাল যে তিনি এখন থেকে টানা ওই হারে অর্থ ব্যয় করলেও প্রায় ২১৪০ সাল পর্যন্ত তা চলতে পারে।

তবে এই সম্পদের বেশিরভাগই কাগুজে সম্পদ (পেপার ওয়েলথ)। অর্থাৎ এটি ব্যাংকে জমা থাকা নগদ অর্থ নয়, বরং টেসলা ও স্পেসএক্সের শেয়ারের বাজারমূল্যের ওপর ভিত্তি করে হিসাব করা হয়েছে। ভবিষ্যতে বিনিয়োগকারীদের মূল্যায়নের পরিবর্তনের সঙ্গে এ সম্পদের পরিমাণও ওঠানামা করতে পারে।

মাস্কের সম্পদের ব্যাপ্তি বোঝার আরেকটি উপায় হলো বিশ্বের বিভিন্ন দেশের অর্থনীতির সঙ্গে এর তুলনা করা। আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের (আইএমএফ) তথ্য অনুযায়ী, বিশ্বের মাত্র ২০টি দেশের অর্থনীতির আকার ১ দশমিক ১ ট্রিলিয়ন ডলারের বেশি। অর্থাৎ বিশ্বের অধিকাংশ দেশের পুরো অর্থনীতির চেয়েও বেশি সম্পদের মালিক এখন ইলন মাস্ক।

এদিকে ব্লুমবার্গ বিলিয়নিয়ার্স ইনডেক্স অনুযায়ী, মাস্কের সম্পদের পরিমাণ গুগলের সহ-প্রতিষ্ঠাতা ল্যারি পেজ ও সের্গেই ব্রিন এবং অ্যামাজনের প্রতিষ্ঠাতা জেফ বেজোসের সম্মিলিত সম্পদের চেয়েও বেশি। এমনকি তার সম্পদ বিনিয়োগ গুরু ওয়ারেন বাফেটের সম্পদের প্রায় সাত গুণ বলে উল্লেখ করা হয়েছে।সূত্র: এনডিটিভি

খাদিজা রুমি/অমিয়/

বিশ্বকাপ উন্মাদনায় টাইমস স্কয়ারে হাতাহাতি আর্জেন্টিনা-আলজেরিয়া সমর্থকদের

প্রকাশ: ১৬ জুন ২০২৬, ১১:৪৮ পিএম
বিশ্বকাপ উন্মাদনায় টাইমস স্কয়ারে হাতাহাতি আর্জেন্টিনা-আলজেরিয়া সমর্থকদের
ছবি: সংগৃহীত

বিশ্বকাপ ফুটবলের গ্রুপ ‘জে’–এর উদ্বোধনী ম্যাচে বুধবার কানসাস সিটি স্টেডিয়ামে মুখোমুখি হবে আর্জেন্টিনা ও আলজেরিয়া।

এই ম্যাচকে কেন্দ্র করে নিউ ইয়র্কের ঐতিহাসিক টাইমস স্কয়ারে দুই দেশের সমর্থকদের মধ্যে ব্যাপক সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে।

পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে পুলিশকে হস্তক্ষেপ করতে হয়েছে। মরক্কো ওয়ার্ল্ড নিউজের প্রতিবেদনে এ তথ্য উঠে এসেছে।

ফুটবল ভক্তদের উৎসবমুখর জমায়েতটি হঠাৎ করেই রণক্ষেত্রে পরিণত হয়। নিউ ইয়র্কের অন্যতম এই আইকনিক স্থানে জড়ো হওয়া সমর্থকদের মধ্যে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়লে ধাক্কাধাক্কি ও হাতাহাতি শুরু হয়।

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া ভিডিওতে দেখা গেছে, দুই দেশের সমর্থকরা একে অপরকে লক্ষ্য করে উসকানিমূলক স্লোগান দিচ্ছেন এবং অঙ্গভঙ্গি করছেন।

২০২৬ ফিফা বিশ্বকাপের শুরু উদ্যাপন করতে টাইমস স্কয়ারে আর্জেন্টিনা, আলজেরিয়া ও ফ্রান্সের হাজার হাজার সমর্থক সমবেত হয়েছিলেন। শুরুতে পরিবেশটি উৎসবমুখর ছিল; ভক্তরা পতাকা ওড়াচ্ছিলেন এবং জাতীয় সংগীত গাইছিলেন।

কিন্তু আর্জেন্টিনার একদল সমর্থকের সঙ্গে আলজেরীয় সমর্থকদের বাগ্‌বিতণ্ডা শুরু হলে মুহূর্তেই পরিবেশ বদলে যায়।

পুলিশ পুরো এলাকার নিয়ন্ত্রণ নিয়ে ভিড় ছত্রভঙ্গ করে দেয় যাতে নতুন কোনো অপ্রীতিকর ঘটনা না ঘটে। তবে এই সংঘর্ষে বড় ধরনের কোনো হতাহতের খবর পাওয়া যায়নি।

এসএন/

জলবায়ুজনিত ৩ ঝুঁকিতে বিশ্বের প্রায় অর্ধেক শিশু: ইউনিসেফ

প্রকাশ: ১৬ জুন ২০২৬, ১১:০১ পিএম
জলবায়ুজনিত ৩ ঝুঁকিতে বিশ্বের প্রায় অর্ধেক শিশু: ইউনিসেফ
ছবি: সংগৃহীত

বিশ্বের ১০০ কোটিরও বেশি শিশু জলবায়ুজনিত অন্তত তিনটি ঝুঁকির মুখে  রয়েছে বলে সতর্ক করেছে ইউনিসেফ। সংস্থাটি বলেছে, বিশ্বের কিছু অঞ্চলে এই প্রভাব তুলনামূলকভাবে অনেক বেশি।

সোমবার (১৫ জুন) প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে জাতিসংঘের এ সংস্থা জানিয়েছে, তাদের প্রতিবেদনে বিশ্বের প্রায় ২৪০ কোটি শিশুর বসবাসের স্থানের সাথে মিল রয়েছে এমন আটটি জলবায়ুজনিত প্রভাবের তুলনামূলক বিশ্লেষণ করা হয়েছে। এই আটটি প্রভাব হলো: উপকূলীয় বন্যা, নদীভিত্তিক বন্যা, খরা, ক্রান্তীয় ঝড়, তাপপ্রবাহ (অন্তত টানা তিন দিন উচ্চ তাপমাত্রা, তবে দেশভেদে ভিন্ন হয়), চরম তাপমাত্রা, দাবানল ও বালুঝড়।

প্রতিবেদনটিতে মূলত ১১০ কোটি শিশুর ওপর আলোকপাত করা হয়েছে, যারা অন্তত তিনটি ঝুঁকির সম্মুখীন। এর মধ্যে অধিকাংশ স্থানে মিল পাওয়া যায় এমন তিন ঝুঁকি হলো- খরা, চরম তাপমাত্রা (৩৫ ডিগ্রি সেলসিয়াসের ওপরে) এবং তাপপ্রবাহ। এই তিনটির যৌথ প্রভাবে প্রায় ২৯ কোটি ৬০ লাখ শিশুকে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। যার মধ্যে রয়েছে নাইজেরিয়ার ৭ কোটি ৪০ লাখ, পাকিস্তানের ৩ কোটি ৪০ লাখ এবং ভারতের ৩ কোটি ২০ লাখ শিশু।

প্রতিবেদন অনুযায়ী, গত ২০ বছরে এই ‘তিনটি বা তার বেশি’ ঝুঁকিতে থাকা শিশুর সংখ্যা মারাত্মকভাবে বেড়েছে। বিশ্বের প্রায় সব শিশু অন্তত একটি ঝুঁকির মুখে। ২০০ কোটি শিশু অন্তত দুটি ঝুঁকির মুখে, যেখানে ৩৬ কোটি ৪০ লাখ শিশু অন্তত চারটি ঝুঁকির সম্মুখীন। সাতটি বা এর বেশি জলবায়ু ঝুঁকির মধ্যে থাকা ১ লাখ ২৩ হাজার শিশুর মধ্যে প্রায় ৪৬ হাজার শিশুই রয়েছে মিয়ানমারে।

ইউনিসেফের প্রধান ক্যাথরিন রাসেল বলেন, ‘জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাবের ক্ষেত্রে শিশুরাই সবার আগে রয়েছে।’

শিশুদের জন্য সবচেয়ে খারাপ পরিস্থিতি কোথায়- এমন প্রশ্নের জবাবে প্রতিবেদনের অন্যতম লেখক টম স্লেমেকার বলেন, ‘এর সংক্ষিপ্ত কোনো  উত্তর নেই।’

স্লেমেকার বলেন, ‘তবে সব অঞ্চল সমান নয়। কিছু ঝুঁকিপূর্ণ কেন্দ্র আমরা দেখতে পাই। এগুলো মূলত সাব-সাহারান আফ্রিকা এবং দক্ষিণ এশিয়ার কিছু অংশে বেশি কেন্দ্রীভূত।’

বাংলাদেশ, ভারত, নাইজেরিয়া ও পাকিস্তানের মতো যেসব দেশে শিশু জনসংখ্যা বেশি, সেসব দেশ অন্তত তিনটি ঝুঁকির মুখে থাকা শিশুর সংখ্যার দিক থেকে তালিকার শীর্ষে রয়েছে। তবে শতকরা হারের হিসাবে সাব-সাহারান আফ্রিকার দেশগুলো, বিশেষ করে সাহেল অঞ্চল সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত। অনেক ক্ষেত্রে জলবায়ুজনিত দুর্যোগ মোকাবিলায় সরকারের সীমিত সক্ষমতা পরিস্থিতিকে আরও জটিল করে তোলে।

উদাহরণ হিসেবে প্রতিবেদনে মধ্য আফ্রিকার দেশ চাদের কথা উল্লেখ করা হয়েছে। দেশটি বর্তমানে মানবিক সংকটে রয়েছে। সেখানে পানি, বিদ্যুৎ ও খাদ্যের প্রাপ্যতা সীমিত। প্রতিবেদন অনুযায়ী, চাদের ৯৫ শতাংশের বেশি শিশু অন্তত তিনটি জলবায়ু ঝুঁকির মুখে রয়েছে।

বিশেষ ঝুঁকিতে থাকা দেশগুলোর মধ্যে আরও রয়েছে ৩৯টি দ্বীপরাষ্ট্র। এসব দেশের সামনে সীমিত মিঠাপানির উৎস, আমদানি নির্ভরতা এবং ঘূর্ণিঝড়ের মতো দুর্যোগের পর সহজে অন্যত্র আশ্রয় নেওয়ার সুযোগ না থাকার মতো চ্যালেঞ্জ রয়েছে। সূত্র: এএফপি

নাঈম/